⚠️সতর্কবার্তাঃ এখানে অনেক ডার্ক সিন রয়েছে, নিজ দায়িত্বে পড়ুন। যারা অতিরিক্ত রোমান্টিকতা পছন্দ করেন না তারা চাইলে এটি স্কিপ করতে পারেন। ❌
Chapter : 4
The Manipulator
“তোর নানি ছিলেন একদম ফ্রীক, জানিস?”
Daya ঘোষণা করল, আর তারপর ধুলো জমা পুরনো লেসের প্যান্টিটা উঁচিয়ে ধরল। আমি তব্দা খেয়ে গেলাম, সামনে যা দেখছি তাতে রীতিমতো অস্বস্তিতে পড়ে গেলাম। আমার গাধা বন্ধুটা প্যান্টির দুই দিক ধরে এমনভাবে জিভ বের করে নাড়াচ্ছে, যেটা ওর মনে হচ্ছে খুব সেক্সি কিছু।
এই মুহূর্তে আমার কাছে পুরোটাই গা ছমছমে লাগছে।
“Daya করে, থাম।”
সে চোখ উল্টে এমন ভঙ্গি করল যেন অর্গাজম হচ্ছে, কিন্তু সেটা আমার চোখে একদম এক্সরসিজমের মতো দেখাচ্ছিল।
“তুই এখন খুবই বেয়াদবি করছিস। যদি আমার নানি এখন দেখতে পান?”
সেই কথায় ও থমকে গেল। প্যান্টিটা হাত থেকে পড়ে গেল, ওর মুখের ভাবও নরম হয়ে গেল।
“তোর মনে হয় উনি ভূত?”
ও জিজ্ঞাসা করল, বড় বড় চোখে চারপাশে তাকাতে লাগল, যেন নানি হঠাৎ করে এসে ‘বু’ বলে ওকে ভয় দেখাবে। আমি চোখ ঘুরিয়ে নিলাম। নানি পারলে সত্যিই তাই করতেন।
“নানি এই বাড়িটা খুব ভালোবাসতেন। থাকলেও অবাক হব না।” আমি কাঁধ ঝাঁকালাম। “আমি আগেও ছায়া দেখেছি, আর অনেক অদ্ভুত, ব্যাখ্যাতীত জিনিস ঘটতে দেখেছি।”
“তুই একজন মানুষের মুড একদম নষ্ট করে দিতে পারিস, জানিস?” ও অভিযোগ করল, প্যান্টিটা একটু বেশি জোরে ডাস্টবিনে ছুঁড়ে মারল। আমি হাসলাম, খুশি হলাম। অন্তত ওর হাতে নানির পুরনো লেসের প্যান্টি টা নাড়ানো বন্ধ হলো।
“আমি আমাদের জন্য আরেকটা ড্রিঙ্ক বানিয়ে আনি,” শান্ত করার ভঙ্গিতে বললাম, বড় একটা ট্র্যাশ ব্যাগ কাঁধে তুলে নিলাম। ওজনের জন্য ফুস করে নিঃশ্বাস বেরিয়ে গেল আর সাথে সাথে গায়ে ঘাম জমে উঠল।
আমার সত্যিই মদ খাওয়া কমানো উচিত, আর শরীরচর্চা শুরু করা উচিত।
নতুন বছরের রেজোলিউশন হিসেবে নেব। যদিও আগের বছরের মতো এবারও এক সপ্তাহ চেষ্টা করে ছেড়ে দেব, আর বলব পরের বছর থেকে আবার চেষ্টা করব। সবসময়ই তাই হয়।
“এক্সট্রা স্ট্রং দিসিস। এখন মনে হচ্ছে কোন ডেমন আমাকে দেখছে,” দয়া বলল উপরে থেকে। আমি চোখ ঘুরালাম।
“একটু স্ট্রিপটিজ করে নে। তাতে ওরা ভয়ে পালাবে,” আমি গম্ভীর গলায় বললাম। ঠিক সেই সময় কানের পাশে হাওয়ার ঝাপটা লাগল, চুল উড়ে উঠল, আর এক সেকেন্ড পরেই একটা ডাক্তেপের রোল
দেয়ালে গিয়ে লাগল। আমি হেসে রুম ছেড়ে বের হয়ে গেলাম, Daya-র গালি দেয়া আওয়াজ পেছন থেকে আসতে লাগল।
ও খুব ভালো করেই জানে ও কতটা সুন্দরী। তাই মাঝে মাঝে আমি ইচ্ছে করে ওকে বিপরীত কথা বলি। কেউ না কেউ তো এই সেক্সি মেয়েটাকে একটু রাশ টানতে হবে। নাহলে মাটির থেকে বড় হয়ে যাবে।
আমি ট্র্যাশ ব্যাগটা মেইন দরজার পাশে ফেলে রেখে রান্নাঘরের দিকে গেলাম। ফ্রিজ থেকে আনারসের রস বের করে আইল্যান্ডের দিকে ফিরলাম ড্রিঙ্ক বানানোর জন্য।
শ্বাস আটকে গেল। শিরায় বরফের মতো ঠান্ডা অনুভূতি ছুটে গেল। রক্ত যেন বরফকুচির মতো হয়ে গেল।
আইল্যান্ডের উপর একটা ফাঁকা হুইস্কির গ্লাস রাখা, পাশে লাল গোলাপ। গ্লাসে ঠাকুরদার হুইস্কির এক ফোঁটা বাকি আছে।
এই গ্লাস আগে এখানে ছিল না। দয়া আর আমি দুজনেই গত এক ঘণ্টা ধরে দ্বিতীয় তলায় ছিলাম, পুরনো জিনিসে ডুবে ছিলাম।
আমি গ্লাস আর গোলাপের চারপাশে ঘুরতে লাগলাম, যেন ওরা দুটো ঘুমন্ত অজগর সাপ, যে কোনো সময় ছোবল দিতে পারে।
হৃদস্পন্দন কানে ধ্বনিত হচ্ছিল, আমি হাত বাড়িয়ে গ্লাসটা ধরলাম, এমনভাবে তাকিয়ে রইলাম যেন গ্লাসটা ম্যাজিক ৮ বল, আর আমার হাতে ধরা অপরিচিত মানুষের পরিচয় বলে দেবে।
রান্নাঘরে কেউ নেই। আমি এখান থেকে মেইন দরজা দেখতে পাচ্ছি। তবুও চোখে চোখে পুরো রান্নাঘর আর লিভিং রুম খুঁজতে লাগলাম, যেই মানুষটা চুপিসারে ঢুকে হুইস্কি খেয়ে গেছে, যখন আমরা দুইজনই উপর তলায় ছিলাম, কোনো কিছু না বুঝে।
আমি কারো আসার আওয়াজ শুনিনি। একটাও শব্দ না।
রেগে গিয়ে দরজার দিকে এগিয়ে গেলাম, হ্যান্ডল ঘুরালাম। লকড। সবসময় যেমন থাকে। অথচ কী লাভ, তালা দিয়েও একজন ক্রিপটাকে আটকানো যায় না।
“ড্রিঙ্ক কই রে মাগি? ফিসফিস আওয়াজ শুনছি,” Daya উপরে থেকে চিৎকার করে বলল।
“আসছি!” আমি চিৎকার করে জবাব দিলাম, গলা কেঁপে গেল।
আমি আবার রান্নাঘরে ফিরলাম, খুঁজে খুঁজে দেখছি যদি কোনো গোপন ছিদ্র থেকে কেউ বেরিয়ে আসে।
রান্নাঘরের পাশে একটা এন্ট্রি ওয়ে আছে, যা হলওয়ের সাথে সংযুক্ত। সেখান থেকে অন্ধকার ছড়িয়ে পড়ছে। কেউ সেখানে লুকিয়ে থাকতে পারে। অথবা কোনো বেডরুমে লুকিয়ে থাকতে পারে, আমার পাস করার অপেক্ষায়।
আবার অ্যাড্রেনালিন ছুটে গেল শিরায়। আমি কি সেই মুভির গাধা মেয়ে হতে যাচ্ছি যে খুঁজতে বেরিয়ে পড়ে, আর মানুষজন গলা ফাটিয়ে চিৎকার করে তাকে থামানোর চেষ্টা করে?
আমি কি মৃত্যুকে এভাবে অভ্যর্থনা জানাতে চাই? নাকি আমি একটা মেয়ে যে নিজের বাড়িতে কোনো ক্রিপ ঢুকে গেলে ভয় পাবে? হুইস্কি খাবে। প্রমাণ রেখে যাবে। যেন ধরা পড়লে কোনো সমস্যা নেই।
ভাবতে ভাবতে মনে হলো—ওরা লুকিয়ে থাকবে কেন? তারা স্পষ্টতই ঘরে ঢোকার রাস্তা জানে। দরজার তালা তাদের থামাতে পারছে না। লুকিয়ে থাকার কোনো প্রয়োজনই নেই।
এই উপলব্ধি আমাকে তীব্র রাগ এবং অসহায়তা দুটোই অনুভূত করাল। তালা পরিবর্তন করলেও কী হবে, যখন ওরা ইচ্ছেমতো ঢুকতেই পারছে?
গভীর শ্বাস নিয়ে ঠিক করলাম, সেই “গাধা মেয়ে” রোলেই যাব। একটা ছুরি নিয়ে পুরো বাড়ি চুপচাপ খুঁজতে লাগলাম। পা টিপে টিপে হাঁটছিলাম যাতে Daya-কে ভয় না পাই।
কিছু না পেয়ে আবার রান্নাঘরে এলাম, গোলাপটা হাতে নিলাম, পাপড়িগুলো ছিঁড়ে গ্লাসের মধ্যে ফেললাম।
মনের ভেতর অদ্ভুতভাবে চাইলাম, যেন তারা আবার আসে, আর আমার এই ছোট্ট মাস্টারপিসটা দেখে
************
“সত্যি বলছি, তোর জন্য ভয় লাগছে,”
Daya স্বীকার করল, দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে। ও আমার সাথে সারাদিন ধরে বাড়ি পরিষ্কার করেছে। আমি একখানা ডাম্পস্টার ভাড়া করেছিলাম, আর আমরা সেটা এমনভাবে ভর্তি করেছিলাম যে, শেষে আমাদের দুজনের হাত তুলতেও কষ্ট হচ্ছিল।
দশ ঘণ্টা আর কয়েকবার গুডউইলে যাতায়াতের পর, আমরা অবশেষে ম্যানর পরিষ্কার শেষ করলাম। আমার নানা-নানি কখনোই জিনিসপত্র জমিয়ে রাখতেন না, কিন্তু মানুষ অজান্তেই কত ছোটখাটো জিনিস জমিয়ে ফেলে, যেগুলো কখনোই ব্যবহার করা হয় না।
নানি মারা যাওয়ার পর, মা পুরো বাড়ি ঘুরে যা দরকার ছিল না, বিক্রি করে বা দান করে দিয়েছিল। না হলে আমাদের সপ্তাহ নয়, মাস লেগে যেত।
“ভয় পাস না, আমি ঠিক থাকব,” আমি বললাম।
আমার সারাদিন লেগে গেল, তবে আরও কয়েক পেগ মিক্সড ড্রিঙ্ক খাওয়ার পর দয়ার কাছে হুইস্কির গ্লাসের ঘটনাটা বলতে সাহস পেয়েছিলাম। ওর কাছে এটা লুকানো ঠিক হতো না যে, যখন ও বাড়িতে ছিল, তখন কেউ ঢুকে গিয়েছিল। ওকে পালানোর সুযোগ না দেওয়াটা অন্যায় হতো।
অবশ্য ও রীতিমতো আতঙ্কে ভেঙে পড়েছিল, তারপর বাকি দিনটা আমাকে ওর বাড়িতে থাকতে বলেই কাটিয়েছে। কিন্তু আমি টলিনি। মানুষজন বারবার আমাকে এই বাড়ি ছেড়ে যেতে বলছে, প্রথমে আমার বাবা-মা, বিশেষ করে মা, আর এখন কোনো বিকৃত মনের লোক, যে এভাবে ক্রিপি আচরণ করে আনন্দ পায়।
ভয় লাগছে, তবে আমি বোকাও।
তাই আমি যাচ্ছি না।
আসলে, Daya যে ম্যানরে এতক্ষণ টিকে ছিল, তাতেই আমি অবাক হয়েছি। ওর চোখে আতঙ্ক ভাসছিল, আর “ঐ আওয়াজটা কী?” এই প্রশ্নটা হাজারবার বলেছিল।
তবে এরপর আর কোনো ঘটনা ঘটেনি।
এখন ও দরজার সামনে দাঁড়িয়ে, আমাকে একা রেখে যেতে চাইছে না।
“আমাকে তোর সাথে থাকতে দে,” ও আবার বলল, এই নিয়ে এক মিলিয়নতমবার।
“না। তোকে বিপদে ফেলতে চাই না।”
ও আঙুল ছুঁড়ে রেগে গেল, সবুজ চোখে আগুন জ্বলে উঠল। “দেখ, এই কথাতেই তো সমস্যা। তুই যদি ভাবিস যে, এখানে থাকলে আমি বিপদে পড়ব, তাহলে তুই কী?” আমি কিছু বলার জন্য মুখ খুলতেই ও থামিয়ে দিল। “তুই ও বিপদে! তুই নিজেকেই বিপদে ফেলছিস, অ্যাডি। তুই কেন এখানে থাকবি?”
আমি দীর্ঘশ্বাস ফেলে মুখে হাত বুলালাম, বিরক্ত হয়ে গেলাম। এটা Daya-র দোষ না। যদি আমাদের জায়গা বদলে যেত, আমিও ওর মতোই আতঙ্কে পড়ে ওর মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন করতাম।
তবু আমি পালাতে চাই না। আমি বুঝিয়ে বলতে পারব না, কিন্তু এটা মনে হচ্ছে যেন তাদের জিতিয়ে দিচ্ছি। পারসনস ম্যানরে ফিরে আসার এক সপ্তাহও হয়নি, আর আমাকে তাড়ানোর চেষ্টা শুরু হয়ে গেছে।
আমি বুঝতে পারি না, কেন আমার মধ্যে এই জেদ কাজ করছে। যেন এই অজানা মানুষটাকে পরীক্ষা করতে চাই, চ্যালেঞ্জ করতে চাই, দেখাতে চাই আমি ওকে ভয় পাই না।
যদিও এটা একটা বড় মিথ্যা। আমি প্রচণ্ড ভয়ে আছি। কিন্তু আমি একদমই জেদি। আর যেমনটা আগেই বলেছি—আমি বোকাও। তবে এখন এই নিয়ে আমার কিছু যায় আসে না।
যেদিন কেউ আমার বিছানার পাশে দাঁড়িয়ে আমাকে ঘুমাতে দেখবে, সেদিন আমাকে জিজ্ঞাসা করিস। তখন আমি অন্যরকম অনুভব করব, নিশ্চিত।
“আমি ঠিক থাকব, Daya। কথা দিচ্ছি। বালিশের নিচে ছুরি রাখব। দরকার হলে নিজেকে রুমে বন্দি করব। কে জানে, ওরা আদৌ আর আসবে কিনা?”
আমার যুক্তি একদম দুর্বল, কিন্তু সম্ভবত আমি আসলেই চেষ্টাও করছি না। আমি যাচ্ছি না, এটাই সত্যি।
কেন জানি না, জনসমাগম আর পার্টিতে গেলে আমার মনে হয় নিজেকে আগুনে পুড়িয়ে দিই, কিন্তু কেউ আমার বাড়িতে ঢুকে পড়লে, তখনই সাহসী বোধ করি।
আমার মাথাতেও এই যুক্তিটা ঠিকমতো আসে না।
“তোরে এখানে রেখে যেতে আমার একদম ভালো লাগছে না। যদি তুই মরে যাস, আমার বাকি জীবন শেষ হয়ে যাবে। সারাজীবন ‘যদি’ প্রশ্নে ভুগতে হবে।” ও থিয়েটারে শেখা সব নাটকীয়তা নিয়ে ছাদের দিকে তাকিয়ে আঙুল দিয়ে চিন ছুঁয়ে ভাব নিল। “যদি আমি ওই মেয়েটাকে চুল ধরে টেনে বের করে নিয়ে যেতাম, তাহলে কি ও বেঁচে যেত?” ও গম্ভীর সুরে বলল, নিজেকেই বিদ্রূপ করে।
আমি মুখ গোমড়া করলাম। আমি চুল ধরে টানা চাই না। আমার চুল বড় হতে অনেক সময় লেগেছে।
“যদি ওরা আবার আসে, সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ডাকব।”
হতাশায় ও হাত নামিয়ে চোখ ঘুরাল, ওর সব ভঙ্গিমায় রেগে যাওয়া স্পষ্ট। ও আমার উপর রেগে আছে।
যথার্থভাবেই।
“যদি তুই মরে যাস, আমি তোর উপর রেগে যাব, অ্যাডি।”
আমি দুর্বল একটা হাসি দিলাম।
“আমি মরব না।”
আশা করি।
ও বিরক্তিতে গর্জন করে উঠল, আমার হাত ধরে জোরে টেনে কাছে নিল আর শক্ত করে জড়িয়ে ধরল। ও আমাকে ছেড়ে দিচ্ছে, আর আমার ভেতর কেবল বিশাল এক মুক্তির শ্বাস বের হলো, সাথে সামান্য অনুতাপও রয়ে গেল।
“যদি ওরা আসে, আমাকে কল করবি।”
“করব,” আমি মিথ্যা বললাম। ও আর কোনো কথা না বলে দরজা বন্ধ করে বেরিয়ে গেল।
আমি একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললাম। ড্রয়ার থেকে একটা ছুরি নিলাম আর ক্লান্ত পায়ে বাথরুমের দিকে গেলাম। আমাকে একটা লম্বা, গরম শাওয়ার দরকার। আর যদি এই সময় ওই ক্রিপ ঢুকে পড়ে, তবে আমি আনন্দের সাথে ওকে ছুরি মারব।
************
(Dairy 📜)
১৬ মে, ১৯৪৪
জন ইদানীং আমাকে নিয়ে সন্দেহ করছে। সবসময় জানতে চায়, যখন আমি একা বাড়িতে থাকি, তখন কী করি। আমি বলি, আমি বাড়ির কাজ করি, আর ক্রোশিয়ার কাজ করি। সেরা এখন চৌদ্দ, নিজের স্কুলের কাজ নিজেই করতে পারে। তাই আমি শুধু নিশ্চিত করি, জন যেন গরম খাবার পায় যখন সে বাড়ি ফেরে। আমার স্বাভাবিক, একঘেয়ে গৃহিণীর দায়িত্ব।
সে আমার উপর সন্দেহ করছে।
সে বুঝতে পারছে, আমার আচরণে বদল এসেছে।
আমি অস্বীকার করতে পারি না, ইদানীং আমি সত্যিই অদ্ভুত আচরণ করছি। সেই অচেনা মানুষটি আমার জীবনে আসার পর থেকে। আমার জানালার পাশে এসে।
ও এখনো আমার সাথে কথা বলেনি। কতবার যে আমি অনুরোধ করেছি, ওকে ডাকছি, ওর নাম জানতে চাইছি। ও কোথা থেকে এসেছে, কীভাবে আমাকে চিনে, ও কী চায় আমার কাছ থেকে।
কোনো কিছুরই ফল হচ্ছে না।
আমি এতটাই চাইছি ওর কথা শুনতে, যে আমি এখন ওকে কিছু প্রলোভন দেখাচ্ছি। খারাপ কিছু।
একটা চুমু। একটুখানি স্পর্শ। ও আমার দিকে তাকিয়ে হাসে, কিন্তু কিছু বলে না। ওর আঙুল আমার গাল ছুঁয়ে যায়, তারপর ও চলে যায়। আমাকে রেখে যায়, আবার কবে আসবে, তার অপেক্ষায়। 👄