ফন্ট সাইজ:
থিম:
তোমার নামের রোদ্দুরে

১৬তম পর্ব

লেখক: আশফিয়া হিয়া

#তোমার_নামের_রোদ্দুরে

#আশফিয়া_হিয়া

#পর্ব_১৬

( কপি পেস্ট বা কোনো রকম কপি করা নিষিদ্ধ)

মিতা বেগমরা দুই ভাই এক বোন। দুই ভাইয়ের একমাএ ছোট বোন তিনি। বড় ভাই রেদোয়ান চৌধুরি সেদিন শেখ বাড়িতে এসে সবাইকে আমন্ত্রণ জানিয়ে গিয়েছিলেন। তার বড় কন্যা পিহুর বিয়ের তারিখ পড়েছে।কাজের সূএে তারা শহরে থাকলেও তাদের পৈএিক নিবাস চট্টগ্রামে। ঈদের পরপরই বিয়ের তোড়জোড় শুরু হয়ে গিয়েছে। শেখ বাড়ির ড্রয়িং রুমে বাড়ির সবাই আলোচনায় মগ্ন আগামীকাল সকলে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। সবাই যেতে রাজি হলেও বাঁধ সাজল রুদ্ধ। সে এত লোকে ভীরে যেতে একদমই পছন্দ করে না। আরু মুখটা লটকে সোফায় বসে আছে। রুদ্ধ না গেলে তার একটুও যেতে ইচ্ছে করবে না। কোথায় ভাবল সবাই মিলে গেলে কত মজা হবে। ঢাকার বাইরে থেকে ঘুরে আসা যাবে। কিন্তু এই নিরামিষটা সব পরিকল্পনায় পানি ঢেলে তার বিপরীত সোফায় বসে কফিতে চুমুক দিচ্ছে। রুদ্ধ কফিতে খাওয়ার পাশাপাশি রুদ্ধর লটকানো মুখের দিকে তাকাচ্ছে।

- " আশ্চর্য যেখানে বাড়ির সবাই যাচ্ছে সেখানে তুমি একা বাড়িতে থেকে কি করবে?"

বাবার কন্ঠ শুনে রুদ্ধ আরুর দিক থেকে দৃষ্টি সরিয়ে বাবার দিকে তাকাল।

- " এত লোকের মাঝে থাকতে আমি পছন্দ করি না।"

আসলাম শেখ হতাশার শ্বাস ফেললেন। এই ছেলে কার মতো হয়েছে। তারা কেউ তো এমন নয়।

- " তোর জন্য আলাদা রুমের ব্যবস্থা করে দিব চল না বাবা।"

মিতা বেগমের কথা শুনে রুদ্ধ নরম সুরে বলল,

- " মেজো মা এভাবে বলো না আমার খারাপ লাগছে খুব। ঠিক আছে আমি বিয়ের দিন সকালে যাব।"

মিতা বেগম আর বেশি ঘাটলেন না যেতে রাজি হয়েছে এই অনেক।

রুদ্ধর কথাটা শোনা মাএই আরু গটগট করে ওপরে চলে গেল। রুদ্ধ আরুর যাওয়ার দিকে তাকিয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলল।

আরু রুমে যেয়েই সমানে পাইচারি করে লাগল। যেভাবেই হোক রুদ্ধকে রাজি করাতে হবে। রুদ্ধ না গেলে তার যাওয়ার কোনো মানে আছে? সে তো ঠিক মতো মজায় করতে পারবে না। পাইচারি করতে করতেই তার মোবাইল এ মেসেজ টোন বেজে উঠল। রোহান মেসেজ করেছে। হলুদে মেয়েদের জন্য গাঢ় মেজেন্ডা রঙের শাড়ি ও ছেলেদের জন্য সাদা রঙের পাঞ্জাবি সিলেক্ট করা হয়েছে সেটারই ছবি পাঠিয়েছে। মেসেজটা দেখেই আরুর মুখে হাসি ফুটে উঠল। সে ফোণটা নিয়ে সিঁড়ির কাছে চলে এল। রুদ্ধ থেকে সিঁড়ি দিয়ে উঠতে দেখেই সে রোহানের নাম্বারে কল করল। কুশল বিনিময় শেষ করেই সে রুদ্ধকে শুনিয়ে বেশ ঢং করেই প্রশ্ন করল,

- " বিয়েতে আপনি নাচবেন না রোহান ভাইয়া?"

রোহানের নাম শুনেই রুদ্ধ রাগে হাত মুঠিবদ্ধ করে ফেলল।

- " বিয়ে বাড়িতে কত কাজ আমার নাচার সময় হবে?"

- " ওমা এ কথা বললে হয় নাকি আপনার একমাএ বোনে বিয়ে আর আপনি নাচবেন না?"

- " তুমি শিখিয়ে দিলে নাচতেই পারি।"

- " অবশ্যই আপনি চাইলে একসাথেও নাচতে পারি।"

রুদ্ধর ধৈর্য্যর বাঁধ এবার ভেঙে গেল। সে আরুর হাত থেকে মোবাইল কেড়ে নিয়ে লাইন কেটে দিল। রুদ্ধর চোখ দুটো ক্রোধে লাল হয়ে গিয়েছে।তার চোখের হাড় হিম করা রাগ দেখে আরু ঘাবড়ে গেল। এই রে একটু বেশিই বাড়াবাড়ি করে ফেলল না তো সে।

চলবে?

( আজকে পর্বটা খুব ছোট হয়েছে তার জন্য দুঃখিত। হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়েছি তাই রেগুলার গল্পও দিতে পারছিনা। একটু সুস্থ হয়ে রেগুলার গল্প দিব।)

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ১৬তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন