ফন্ট সাইজ:
থিম:
শত ডানার প্রজাপতি

২৩তম পর্ব

লেখক: উর্মি প্রেমা

#শত_ ডানার_ প্রজাপতি

#urme prema (sajiana monir )

পার্ট : ২৩

সেই রাতে অগ্নি আর বাড়িতে ফিরে না । সবসময়ের মতই উনার রাগের মুষল আমাকেই দিতে হয় । মায়ের কাছে আমারই জবাবদিহি করতে হয় । বাড়ির সবাই আমাদের রাগারাগির ব্যাপার টা আঁচ করতে পেরেছিলো । আজ একদম নিশ্চিত হলো । এই লোক দুনিয়াদারির কোনো কিছুই আমলে নেয় না । নিজের যা মনে চায় হুট করে তা করে চলে যায় । পরবর্তীতে কি হবে ,না হবে তা ভেবে দেখে না । আমি রুমের সবকিছু গোছগাছ করে ঘুমিয়ে পড়ি আগামীকাল ভার্সিটিতে কালচারাল প্রোগ্রাম ।

সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে নাস্তা করে নিলাম । অগ্নি এখনো বাড়িতে ফিরেনি । মায়ের কাছ থেকে জানতে পারি অগ্নি ভার্সিটির হলে আছে । আজকের ফাংশনের সব আয়োজন করে সেখানেই থেকে গেছে । আমি ছোট্ট একটা হতাশার নিশ্বাস ছাড়ি । কখনো কোনো কিছু পরিবর্তন হবে না । না উনি ,না উনার রাগ জেদ ।

বিকেলের দিকে রেডি হয়ে নিলাম ।গোল্ডেন পাড়ের ক্রিম কালারের হাফ সিল্ক জামদানী শাড়ী পড়লাম ।শাড়িতে ছিটে ছিটে লাল সুতোর কাজ । চুল গুলো মাঝ সিথি করে খোপা করে নিলাম । খোপায় আর্টিফিশিয়াল লাল সাদা গোলাপ ফুল । মুখে হাল্কা মেকাপ । ঠোঁটে রোজি রেড কালার লিপস্টিক । কপালে ছোট্ট একটা কালো টিপ । কানে হোয়াইট স্টোনের গোল্ডেন ঝুমকো । হাত ভরা সাদা গোল্ডেন স্টোনের চুড়ি ।

আয়নায় নিজের দিকে তাকিয়ে আছি । চেহারায় একটা ম্যাচুরিটি ফুটে উঠেছে । শুধু কি শাড়ী পড়ার কারনেই এমন দেখাচ্ছে ? নাকি জীবনের কঠিন বাস্তবতার জন্য ?

মামী সবসময় বলতো হুর ম্যাচিউর হও ! তোর মাঝে কবে ম্যাচিউরিটি আসবে ? এতো বড় হয়েছিস এবার তো একটু ম্যাচিউর হও !

তখন মনে প্রশ্ন আসতো আচ্ছা কি ভাবে ম্যাচিউর হয় ? আমি কেন হতে পারিনা? চেষ্টা তো কম করছিনা ! তবে কেন ম্যাচিউর হচ্ছিনা ?

এখন আমার সেইসব প্রশ্নের উত্তর পেয়েছি সত্যি তো এটাই যে ম্যাচিউরিটি বয়স বা সময়ের সাথে আসেনা । জীবনের তীক্ত বাস্তবতার অভিজ্ঞতা এনে দেয় । এই যে আমাকে একরাতের মাঝেই ম্যাচিউর করে দিয়েছে । আয়নায় আমার প্রতিবিম্বটি দেখে মনে হচ্ছে খুব সুন্দর সদ্য সুখি বিবাহিতা দাড়িয়ে । কিন্তু ভিতরে ভিতরে প্রতিমুহূর্ত আমি ভেঙ্গে চুরমার হচ্ছি ।আমার বিষন্নতা ভরা চেহারার উপর হাসি খুশির মুখোশ পরে আছি । কেউ নাই বা জানুক মুখোশের আড়ালে আমি কতটা ভালো আছি !

মায়ের থেকে বিদায় নিয়ে ভার্সিটির উদ্দেশ্যে রওনা হই । রিকশা থেকে নামতে দেখি শেফা নীল সাদা শাড়ী পরে গেটে সামনে দাড়িয়ে । খুব সুন্দর লাগছে । আমাকে দেখেই সবসময়ের মত জরিয়ে ধরে ।উল্লাসিত কন্ঠে বললেন ,

- "হায়য়য় মেরি জান ! যা লাগছিস না একদম বোম । আমি যদি ছেলে হোতাম না এখনি তুলে নিয়ে বিয়ে করে ফেলতাম । আর...."

আমি শেফাকে কিছু বলতে না দিয়ে বললাম,

- "হয়েছে তোর ? মানে তুই এমন করিস যে আমি বিশ্বসুন্দরী । "

- "তা তো বটেই "

- "তুই নিজেও কম না অকে ! এই দেখ নিল শাড়ীতে কত সুন্দর লাগছে । আজ কত ছেলে যে আহত নিহত হবে আল্লাহ্‌ জানে । "

- "মেডাম আপনা সামনে সব আমি কিছুই না ।বুঝেছেন ! "

- "হয়েছে হয়েছে এবার ভিতরে চল । ঔ দিকে ফাংশন শুরু হতে বেশি দেরী নেই । "

দুজন ভিতরের দিকে চলে গেলাম । ভিতরে যেতেই প্রথমে অগ্নির দিকে চোখ গেল । আমার দিকে হা করে তাকিয়ে উনি ।পড়নে সাদা পাঞ্জাবি । সাদা পাঞ্জাবীর গলায় স্প্রিং এর গোল্ডেন কারুকাজ করা । আবার মাঝে মাঝে স্টোন ও রয়েছে । চুল গুলো সবসময়ের মত স্টাইল করে ব্রাশ করা । হাতে ব্রেন্ডেড ঘড়ি । সবসময়ের মত মনে একটা প্রশ্ন জাগলো এই লোক এতো সুন্দর কেন ? কিন্তু নিজের মনকে কন্ট্রোল করি । উনি আমার নয় । আর অন্যের জিনিসে নজর দেওয়া কুজনের কাজ । অগ্নি থেকে চোখ সরিয়ে নেই । এই মুহূর্তে অগ্নি আমার কাছে বিষের মত লাগছে এর কারণ তার পাশে থাকা নিহা নাগিনী ।

আমি অন্যদিকে চলে যাই ।

_____________________________

পানি পিপাসা পেয়েছে তাই ভার্সিটির ক্যান্টিনের দিকে যাই পানি আনতে। এদিকটায় খুব একটা লোকজন নেই । সবাই মাঠে অনুষ্ঠান দেখতে ব্যস্ত । শেফাকে সামনের সাড়ি তে বসিয়ে এসেছি । ক্যান্টিনের সামনে সাইন্স লেভের দিকে আসতে পিছন থেকে কেউ আমার হাত টেনে ধরে । আমি ভ্রু কুঁচকে তাকিয়ে দেখি অগ্নি । আমি উনার দিকে প্রশ্ন বোধক চোখে তাকালে । উনি প্রতিউত্তরে রাগি দৃষ্টি নিক্ষেপ করে । এবার আমি আবার কি করলাম?

আমি হাত ছাড়াতে চাইলে । উনি আমার হাত চেপে ধরে টেনে ল্যাবের ভিতরে নিয়ে যায় । আমাকে নিজের সামনে দাড়া করিয়ে নিজে টেবিলের উপর হ্যালান দিয়ে বাঁকিয়ে দাড়ায় । আমার দিকে ছোট ছোট চোখ করে উপর থেকে নিচ পর্যন্ত সুক্ষ্ম ভাবে পরখ করছে । আমি উনার দিকে তাকাচ্ছি না আশেপাশে চোখ বুলাচ্ছি ।আমি উনার চোখের দিকে একদম তাকাবো না । উনার এই গভীর চোখ সর্বনাশা । আমি চাইনা আবার এই চোখে মায়ায় পড়তে ।

এই হাল্কা শীতের মাঝেও আমার হাত পা ঘামছে । এই লোক কি করতে চাইছে আমার মাথায় খেলছে না । আমি অন্যদিকে তাকিয়ে আমতা আমতা করে বলি ,

- "এখানে নিয়ে এসেছেন কেন? বাহিরে অনুষ্ঠান শুরু হয়ে গেছে । আমাকে যেতে দিন । "

উনার গম্ভির প্রশ্ন ,

- "এদিকে কি করছিলে ?"

আমি আগের মত মিনমিন স্বরে উত্তর দিলাম ,

- "পানি পিপাসা পেয়েছিল । তাই পানি খেতে এসেছি । "

অগ্নি আমার দিকে তাকিয়ে ফোনটা বের করে কাউকে ফোন করে পানি আনতে বলেন । আমি ভ্রু কুঁচকে উনার দিকে তাকাই উনার দৃষ্টি তখনো আমার দিকে । আমি একপা পিছাতেই উনি আমার ডানহাত ধরে নিজের দিকে টান দেয় । আচমকা এভাবে টান দেওয়ায় আমি ভার সামাল দিতে না পেরে উনার কাঁধে হাত রাখি । উনি দুহাতে আমার কমোড় চেপে ধরে ।উনার বরফ শীতল হাত আমার শাড়ির আঁচল ছেড়ে কমোড় স্পর্শ করেছে । দুজনের মাঝে খুব একটা ফাঁকা নেই । আমার গলা শুকিয়ে আসছে । বারবার এদিক ওদিক তাকাচ্ছি । আমি উনার দিকে না তাকিয়েও বলতে পারছি উনি আমার দিকে গাঢ়তর দৃষ্টি তে তাকিয়ে আছে । ভয়ংকর এই দৃষ্টি যা আমার এতোদিনের রাগ জেদ দিয়ে তৈরি করা ইগ্নোরের দেয়ালটাকে নিমিষেই ভেঙে চুরমার করতে সক্ষম । আমার মনে শান্ত কুটিরে ঝড় তুলে তছনছ করতে যথেষ্ট !

আমি উনার কাঁধ থেকে হাত সড়াতে চাইলে উনি আমার কমোড়ে আরো জোড়ে চেপে ধরে । মনে হয়ে নখ ডেবে কেটে গেছে । আমি আর হাত সড়ানোর চেষ্টা করলাম না ।

উনি এক আঙুলে আমার কানের ঝুমকো নিয়ে খেলা করতে করতে বললেন ,

- "শাড়ী পড়েছেন ভালো কথা । নিজের চকচকা মসৃণ পেট কি সবাইকে দেখানো জরুরী ? "

আমি সোজাসুজি ভাবে উত্তর দিলাম ,

- "আমি ইচ্ছে করে পেট বের করিনি । আর তাছাড়া শাড়ী পড়লে একটু আকটু পেট দেখা যায়ই । "

উনি ধমকের স্বরে বললেন ,

- "এমন শাড়ী কেন পড়তে হবে যেটায় পেট দেখা যায় ? "

আমি কিছু বললাম না । চুপ করে থাকলাম । উনি আবার বললেন ,

- "শাড়ী কি জানো দিয়ে আটকায় ? কি নাম জানো ? পিন .."

আমি ভোতা মুখ করে বললাম,

- "সেফটিপিন "

- "হ্যা ঐটাই । এক্সট্রা সেফটিপিন আছে ?"

আমি উনার দিকে ক্রুদ্ধ দৃষ্টি নিক্ষেপ করে পার্স থেকে থেকে বের করে দিলাম । উনি সেফটিপিন দিয়ে পেট ডেকে শাড়ী আটকিয়ে দেয় । আমি ছোট ছোট চোখ করে তাকিয়ে আছি । এতো দরদ কিসের উনার ?

হঠাৎই কেউ দরজায় টোকা দেয় অগ্নি কমোড় থেকে হাত সড়িয়ে সামান্য দূরে দাড়ায় । কিন্তু এখনো আমার খুব কাছেই রয়েছে ।কেউ দেখলে কেলেঙ্কারী হয়ে যাবে । আমি দূরে যেতে চাইলে উনি গম্ভির কন্ঠে বললেন ,

- "কাল কি বলেছি কথা কানে যায় নি ? বউ তুমি আমার । দেখলে দেখুক ! "

আমি উনার দিকে অবাক দৃষ্টি তে তাকিয়ে । উনি আমার থেকে চোখ ঘুরিয়ে দরজার দিকে তাকিয়ে বললেন,

- "ভিতরে আয় । "

উনার বন্ধু তানবীর ভিতরে আসে ।পানির বোতল দিয়ে মুচকি হেসে চলে যায় । পানির বোতলের কেপ খুলে আমার দিকে পানির বোতল বাড়িয়ে দিলেন । আমি কাঁপা কাঁপা হাতে পানি নিয়ে । অর্ধেকটা শেষ করলাম । উনি গম্ভির স্বরে বললেন ,

- "এখন সোজা সিটে যেয়ে বসবে । একটুও নড়বে না । বাহিরের অন্যান্য ছেলেরা এসেছে ।একা থাকা সেফ না ।কিছু প্রয়োজন হলে আমাকে কল করবে । "

আমি হ্যা বোধক মাথা নাড়িয়ে চলে আসলাম । এক রাতে উনার এমন পরিবর্তন কি ভাবে ? উনি কি তবে সত্যি সত্যি আমাকে ছাড়বেনা ? যদি সুপ্তি ফিরে আসে তখনো না ?

_____________________________

কিছুক্ষণ পরই গানের জন্য স্টেজে আমার নাম ডাকে । আমি শেফার দিকে ভিতু চোখে তাকাই । শেফা আমাকে "অল দ্যা বেস্ট" উইশ করে । আমি মুখে ভিতু হাসি নিয়ে স্টেজের দিকে পা বাড়াই খুব ভয় করছে । এতো দিন পর এতো মানুষের সামনে গান গাওয়া । নার্ভাসনেস কাজ করছে । চোখ বন্ধ করে দীর্ঘ নিশ্বাস নেই । মামা সব সময় বললেন এতে মন হালকা হয় । ভয় কেটে যায় । অনেকটা সাহস নিয়ে স্টেজে উঠি । সুর তুলেছে আমি স্টেজে উঠে অগ্নি কে খুঁজি কিন্তু উনি নেই । আশেপাশে কোথাও নেই । মনে একরাশ অভিমান ভর করে । অভিমানের সাথে চোখ বুজে নিলাম ।

গান ধরলাম,

প্রাণ দিতে চাই ,মন দিতে চাই

সবটুকু ধ্যান সারাক্ষণ দিতে চাই

তোমাকে ,ও ...তোমাকে ......

স্বপ্ন সাজাই নিজেকে হারাই

দুটি নয়নে রোজ নিয়ে শুতে যাই

তোমাকে ,ও....তোমাকে ....

জেনেও তোমার আঁখি চুপ করে থাকেভ

রোজ দুফোঁটা যেন আরো ভালো লাগে

গানে ,অভিসারে চাই শুধু বারে বারে

তোমাকে ,ও.... তোমাকে

যেদিন কানে কানে সব বলবো তোমাকে

বুকের মাঝে জাপ্টে ঝড়িয়ে ধরবো তোমাকে ।

পথ চেয়ে রই দেরী করোনা যতি

আর ভোলা যাবেনা জীবনে কখনোই

তোমাকে ,ও ....তোমাকে ...... ।

------------------------

------------------------

পুরো গান শেষ করে চোখ খুলে তাকাই ।শতশত হাত তালির আওয়াজ । গান গাইতে গাইতে কখন যে চোখের কোনে জল জমেছে টেরই পাইনি । সামনে তাকিয়ে আমার চোখ থমকে যায় । রুহ কেঁপে উঠে । অগ্নি স্টেজের সামনে দাড়িয়ে আমার দিকে তাকিয়ে আছে । চোখ মুখ লাল হয়ে আছে । চোখের কোনায় জল । চুল গুলো অগোছালো । যেন উনার উপর বড়সড় কোনো ঝড় গিয়েছে । কি হয়েছে উনার ? এই অবস্থা কেন ?

আমি স্টেজ থেকে তাড়াতাড়ি করে নেমে আসি । আমি আসতে আসতে উনি চোখে পলকে গায়েব হয়ে যায় । ছেলেদের ভিড় । আমি আর সেদিকে পা বাড়ালাম না । ফোন দিলাম ফোনটা ও বন্ধ বলছে ।মনে ভয় আতঙ্ক নিয়ে শেফার পাশে বসে পড়ি । অনুষ্ঠানের দিকে আমার কোনো মন নেই । চোখে শুধু অগ্নির সেই চেহারা ভেসে উঠছে । কোনো ভাবেই নিজেকে শান্ত করতে পারছিনা ।

ঘন্টা খানেক পর মামীর ফোন আসে । মামী থেকে জানতে পারি অগ্নি ঐ বাড়িতে গিয়েছে । কারো সাথে কোনো কথা না বলে সোজা আমার রুমে গিয়েছে । রুমের কাবার্ড থেকে কিছু নিয়ে সাথে সাথে চলে এসেছে । মামী নাকি খুব ডেকেছে কিন্তু কোনো জবাব দেয় নি । খুব রেগে ছিলো ।

এখন আমার খুব ভয় হচ্ছে । কি করবো মাথায় আসছে না । ফোনটাও বন্ধ !

আরো একঘণ্টা কেটে যায় । নিজেকে আর শান্ত রাখতে না পেরে । উনার বন্ধু তানবীরকে উনার কথা জিগ্যেস করি । উনি জানান অগ্নি ভিতরের ভবনে । আমি কোনো কিছু না ভাবেই সেদিকে ছুটে যাই । ভবনের সামনে এসে উনাকে ডাকতে লাগি। কিন্তু কোনো সাড়াশব্দ নেই । অন্ধকার খুব ভয় করছে । আমি শুকনো ঢোক গিলে ভিতরের দিকে যাই । হঠাৎ কেউ পিছন থেকে আমার চোখ বেঁধে ফেলে । আমাকে জোর করে কোলে তুলে নেয় । আমি বার বার জিগ্যেস করি কিন্তু কোনো উত্তর নেই ।

তার শরীরে মিষ্টি ঘ্রাণ আমাকে জানিয়ে দিচ্ছে এটা অগ্নি । কিন্তু হ্ঠাৎ একটা ডাক আমার মাথায় আসমান ভেঙে দেয় সব কিছু এলোমেলো করে দেয় ।

সামনের সেই ব্যক্তিটা আমার ঘাড়ে মুখ ডুবিয়ে খুব আদুরে গলায় বললেন ,

- "পরীজাননন"

এই ডাক আমি আগেও বহুবার শুনেছি । হাজার বার শুনেছি । মুহূর্তেই ভয়ে আমার হাত পা কাঁপাকাঁপি শুরু হয়ে যায় । আমার ভয়ংকর অতীত ভেসে উঠে । ...

চলবে ....❤️

প্লিজ সবাই সবার মতামত জানাবেন । ভুল ত্রুটি ক্ষমার চোখে দেখবেন 😊😊😊 ।

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ২৩তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন