গল্প - #হৃদয়ে_চলছে_চৈতন্য_চৈত্র - ১১
লেখিকা - #বিলাইর_মা (ছদ্মনাম)
"আমি তোর থেকে এই চুক্তি তে সাইন চায়। পেপার টাতে সাইন কর "
"কিসের পেপার এটা "
আকসা উৎসুকভাবে বলল
আবেশ থমথমে গলায় বলল
"আমি যেমন নিরঞ্জনা কে পছন্দ করি তেমনি তুই ও তোর ছাপড়ি......"
কথাটা বলার সাথে সাথে আকসা রাগি চোখে চেয়ে আবেশ কে শাসালো
"আরে ভাই আমি ত জনি না ওই ছেলের নাম কি তুই বল কি নামে ডাকবো"
চকসা একটু ভেবে বলল:
"লাল সাহেব"
আকসার কথায় আবেশের ভুরু কুঁচকে আসে সে ওই ভাবেই বলে
"এটা আবার কেমন নাম? "
আকসা বলল
"আমি তাকে দেখেছিলাম যখন তখন তার গায়ে লাল শার্ট ছিলো। আচ্ছা এবার আপনার ডিল নিয়ে বলেন কিসের ডিল এটা"
"আচ্ছা এবর তহলে বলি শোন আমরা দুইজন মিলে আমাদের দুইজনের নীলাঞ্জনা আর লাট সাহেব আই মিন লাল সাহেবকে খুজবো। আমরা তাদের পেয়ে গেলে দুজন দুজকে ডিভোর্স দিয়ে তার পর আমরা তাদের পটাবে তার পর বিয়ে। আর এতটা সময় আমরা আমাদের Family কে বুঝাবো আমরা আমাদের মেনে নিয়ে একসাথেই আছি। আমরা ওদের পটালে তার পর বিয়ে হলে বিয়ের পর সকলকে বলবো আমাদের সব কথা খুলে বলবো এর আগে না।"
আকসা কিছু একটা ভেবে বলে উঠে
"আমরা যদি আমাদের ফাস্ট লাফ দের পাওয়া পর জানতে পারি তাদের বিয়ে বা তাদের লাইফে কেউ আছে দেন কি করবো। "
"আগে খুজতে দে খজার আগেই ছেক দেশ কেন? "
আকসা কিছুটা সময় চুপ থেকে টেবিলে রাখা কাগজ টা নিজের দিকে টেনে নিয়ে সাইন করে আবেশের দিকে হাত বারিয়ে দিলো আবেশ ও আকসার সাথে হেন্ডসেক করে বললো
ডিল ডান
_________________________________________
------------------------------------------------
"আকসা বিশ্বাস কর ওকে আমি কোনো দিন আমার সামনে সজ্জ করতে পাড়ি না তুই ওকে তোর মেনেজার হিসেবে রখিস না এতে করে ওর আমার সামনে আসা যাওয়া হবে তুই ও কে প্লিজ আমার সামনে আনিস না। আমি ওকে যাস্ট ঘৃণা করি।"
আকসা কিছু টা সময় চুপ থেকে বলতে শুরু করল
"কেউ একজন বলেছিলো:-তুমি তাকে ঘৃণা করো
তো তাকে আঘাত করবে করো, সে তোমার কথা মনে রাখবে সর্বচ্চ ৪ কি ৫ বছর।কেউ বলবে তুমি তাকে বিষ পান করাও এবার সে তার শেষ নিশ্বাস পযন্ত তোমায় মনে রাখবে।কিন্তু আমি বলবো তুমি যদি তাকে আমরণ মৃত্যু দিতে চাও তবে তার প্রতিটি নিশ্বাসের পাতায় তোমার নামে ভালোবাসি শব্দটি লিখে দেও।যখন বুঝবে সে তোমাতে বিলিন তখন তাকে অন্ত হিন গভীর কুয়ায় কিনারায় নিয়ে গিয়ে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেও এতে করে সে প্রতিটা নিশ্বাসে তোমায় চাইবে কিন্তু বার বার না পাওয়ায় তার প্রতিটা নিশ্বাস তাকে মৃত্যু স্বাধ পাওয়াবে।"
আকসা কিছু টা সময় থেমে বলল
"এবার তোর ডিসিশন রায়ান।তুই বুঝ তুই কি করবি।"
আকসার দিকে রায়ান কিছুটা সময় তাকিয়ে থেকে বলল
"তুই কি আমাকে ওর সাথে প্রেম করার কথা বলছিস। দেখ ওই মেয়ে ভালো না। তুই কেন ওকে তোর মেনেজার বানাচ্ছিস।"
আকসা বলল
"দেখ ও আগে যেমন থাকুক ও এখন কেমন তুই আমি সবাই যানি মেয়েটা অনেক অসহায় হয়ে আমার কাছে এসেছে। আমি ওকে ফিরে দিতাম কিন্তু ওই ইন্সিডেন্ট টার কারনে।"
আকসার দিকে কিছুটা সময় তাকিয়ে থেকে চলে গেলো রায়ান।
মেয়েটার নাম হিমি আজলান। ওর সাথে রায়ান আর আকসার পরিচয় স্কুল থেকে। রায়ান তখন অনেক বোকা ছিলো আর আকসা চোপ চাপ তখন এত্তো কথা বলতো না সব সময় কোনো একটি শান্ত জায়গা বেছে নিয়ে ওখানে ঘাপটি মরে বসে রইতো।হিমি নামের মেয়ে টা রায়ান কে অনেক জালাতো একবার রায়ানের নামে অভিযোগ দেয় সে নাকি তার টাকা চুরি করছে।সুধ তাই না রায়ানের নামে ও আর ও বান্ধবী মিথ্যা অপবাদ দেয় ও নাকি লেডিস্ বাথরুমে উকি দিয়ে দেখে। এই সব কারোনে রায়ান হিমিকে এক প্রকার ঘৃণা করে। আর হিমির বাবা আকসার জীবন রক্ষাকরি তার করনে আজ আকসা বেচে আছে বলা যায়। আর হিমির বাবা মারা যাওয়ায় তাদের ঘরের কর্মক্ষম ব্যেক্তি বলতে কেউ নেই তাই আকসা তার মনেজারের পোস্টে কাজ দিয়েছে।
#চলবে #ইনশাআল্লাহ