ফন্ট সাইজ:
থিম:
হৃদয়ে চলছে চৈতন্য চৈত্র

১৮তম পর্ব

লেখক: বিলাইর মা

গল্প - #হৃদয়ে_চলছে_চৈতন্য_চৈত্র - ১৮

লেখিকা - #বিলাইর_মা ( ছদ্মনাম )

❌এই লেখনিটি সম্পুর্ণ ভাবে সুরক্ষিত❌। ❌লেখিকার অনুমতি বেতিতো কপি করা নিষিদ্ধ❌

বেলা পড়েছে, সন্ধ্যা নামবে বলে।আকসা ও সকলে মিলে ঠিক করেছে আজ তারা অনেক টা সময় এক সাথে আড্ডা দিবে কিন্তু সমস্যা হয় তখন,যখন আমিনা বেগম করা গলায় বলে দেন,সন্ধ্যার পর যানো কাউকে ছাঁদে না দেখে আরও বলেন এটা শহর না এটা গ্রাম,এখানে নাকি কত কির ছায়া টায়া আছে। সবাই মন খারাপ করে বসতেই যাবে তখন রেজা চেচিয়ে উঠে

"আরে ভাইয়া আপুরা তোমরা মুডের বারোটা বাজাইয়ো না আজ আমরা আড্ডা তো দিবো"

সকলের মধ্য থেকে রাহা বলে উঠে

"কিভাবে ছাঁদে তো যাওয়া নিষেধ। আর রুমে বসে কি আড্ডা দিবো।দুরু ভাল লাগে না"

রেজা এক গাল হেসে বলল

"আরে আপু থামো তো, সোনো আমি এসে যখন পুরো বাড়ি ঘুরছিলাম তখন দেখলাম ইয়া বড় ছাঁদের মতো খোলা করিডোর। ওই জায়গায় টা কিন্তু আড্ডার জন্য পুরো পারফেক্ট। চলো সবাই মিলে দেখবে।"

সকলে গিয়ে আসলেই অবাক হয় কেনোনা রাজাদের মতো ইয়া বড় করিডোর টা অনেক সুন্দর।আসেপাশে দিয়ে বাতাস বাইছে,মাথার উপর ছাঁদ,আর সুরক্ষার জন্য করিডোরের পাস ঘেসে রেলিং আরো আছে আরাম চেয়ার। দেখেই বোঝা যাচ্ছে কোনো রাজা তার অনেক সখ ও ভালোবাসা দিয়ে এই প্রসাধ টা গরে ছিল।

সকলে পাটি বিছিয়ে বসে। আসেপাশে ছরানো ছিটানো নানা শুকনো খাবার।সকলে বসতেই মাহিম বলে উঠে

"ভাই আজকে কি নিয়ে শুরু করবে ভাই, এমন কিছু দিয়ে শুরু কর যাতে আড্ডাটা মজে উঠে।"

রায়ান বলে উঠে

"আমি বলি, আমি বলবো সবাই সোন এমন একটা বিষয় যা এমন কেউ যানে না।"

সকলে মনোযোগি হলো

রায়ান আবার বলে উঠে

" আমাদের আকসা এসএসসির পি টেস্ট এ প্রযন্ত ফেলের উপর ফেল মেরেছে, তার পর কি হলেছে যানে না যানবা কিভাবে আমি বলি তোমরা শোনো ,এক দিন এক আন্টি এসে তাকে সেই লেভেলের অপমান করলো বড়মাকে বলল এ কি মেয়ে গো তোমার এর থেকে তো একটা দুধে বাচ্চাও ভালো অন্তত কথা সুনে তোমার বড় মা তো পুরুই ক্ষেত,এই মেয়েকে তোমার দেখলের জন্য চয়েজ করছো একে ডিভোর্স দিয়ে দেও আমি শিক্ষিত মেয়ে দেখে দিবোনে ভালো দেখে দেন আকসা অন ফায়ার হয়ে তিন মাসে পরাশুনা করে A+ তাও আবার ভাবা যায়।"

সকলে এক জোটে হেসে উঠলো

তারপর আবার বলতে শুরু করলো

"তারপর আবার কলেজ লাইভ থেকে ফেল বাবার কাছে কলেজের পিন্সিপাল নালিশ দিলেন এবং সোজা সাপটা বলে দিলেন এই মেয়েকে আমরা পরিক্ষা দিতে দিবো না। পরে বাবা এসে বলল,আকসাকে বলল তুই যদি এবার HSC তে পাস করতে পাড়িস তো আমি তোর চাওয়া যেকোনো একটি ইচ্ছে পুরুন করবো।লে এই ছিলো বাবার ভুল।এই মহান ব্যক্তি পাচ মাস ঘর বন্ধি হয়ে পরে Golden A+পেলো ভাই। তার পর আবদার রাজনৈতি করবে।"

সকলে আরো কিছু ক্ষন হাসি তামাসায় মজে সবার শেষে তারা ডিসিশন নিলো তারা একটি গানের লরাই করবে যে হারবে কাল সে তাদের সকলকে ট্রিট দিবে।তার পর সকলে নিধারন করলো গান গাইবে তারা পাঁচ জন। তারা হলো: আকসা,রায়ান,রায়লা,মাহিম রায়হান।কিন্তু আকসা এতে মানা করে দিলো।তে হাতে লেপটপ হাতে নিয়ে কাজ করতে করতে বলল।আমি কাজে বিজি আমি নেই এতে তোরা তোদের মতো কনটিনিউ।সকলে শেষ মেস বাধ্য হয়ে রাজি হয়।

রায়হান হাতে গিটার নিয়ে টুংটাং আওয়াজ তুলে গাইতে শুরু করলো

"না লেখা চিঠি গুলো"

" মন পাহারায়"

"আমি শুধু চেয়েছি তোমায়"

"আমি শুধু চেয়েছি তোমায় "

তারপর থেমে বলল

"না ভাই আর গাইতে পারমু না এমনেই ঠান্ডায় গলা ভেঙে আসছে আমি আর পারবো না "

এবার রায়লা চেচিয়ে উঠে

"এবার আমি গাইবো তাও আবার একজনকে উদ্দেশ্য করে"

তার পর রায়হানকে বলে উঠে

"ভাইয়া তুমি আমার জন্য গিটার টা বাজাবে প্লিজ "

রায়হান মাথা নেরে গিটারে আঙুল দিয়ে টুংটাং আওয়াজ তুলে। আর রায়লা আবেশের দিকে চেয়ে গাইতে শুরু করবে তার আগেই আকসা গাইতে শুরু করলো

"ভেবে দেখেছো কিইইইই"

"তারাও যত আলোকবৃশ্ব দূরে "

"তারো দুরেয়য়"

"তুমি আর আমি যাই "

"ক্রমে সরে সরে"

"ভেবে দেখেছো কিইইইই"

"তারাও যত আলোকবৃশ্ব দূরে "

"তারো দুরেয়য়"

"তুমি আর আমি যাই "

"ক্রমে সরে সরে"

"সারি সারি মুখ"

"আসে আর যায়"

"নেশাতুশ চোখ "

"টিভি পর্দায় "

"পোকা মাকরের আগুনের সঙ্গে সোঙ্গি"

"আহা হা হা আ আ হা হা"

সকলে এক সাথে বলে উঠে

"এখন না এই আড্ডাটার আসল মজা এসেছে"

আবেশ অবাক চোখে চেয়ে মনে মনে বিরবির করে

"এই মেয়ে আমাকে আর কতো টা অবাক করবে,আকসা বিশ্বাস কর আমার জীবনে যদি নীলাঞ্জনা না থাকতো আমি নিশ্চিত আমি তোর প্রেমে পরতাম"

এবার মাহিম গান গাইতে শুরু করলো

"চলে গেয়েছো তাতে কি"

"নতুন একটা পেয়েছি "

"তোমার চেয়ে অনেক সুন্দরীইই"

"লোকে আমাকে সুধায়"

"মানুষ কেন ছেকা খায়"

সকলে এ জোরে হেসে উঠলো

কয়েক জন বলে উঠে নাটকীয় ভঙ্গিতে

"সে কে যে আমাদের মাহিমের ছোটুর মোন ভেঙে দিলো"

সকলে হাসি মজা করে আড্ডা সেস করলো

_______________________________________

আবেশ রাত একটার দিকে তার আর আকাসার জন্য বরাদ্দ কৃত রুমে ধুকে দেখে আকসা এক পাসে আর মোজো আরে পাসে এলোমেলো হয়ে শুয়ে আছে।

আকসাকে দেখে আবেশের ভুরু কুঁচকে আসে বলে উঠে

"তুই যদি পুড়া খাট টা দখল করে থাকলে আমি ঘুমাবো কেমনে?"

আকসা আবেশের দিকে চেয়ে বলল

"আমি কোনো বাংলা ছিনেমার নাইকা,সাবনুর সাবানার মতো না যে বলবো প্রিয়ো সোয়ামি আপনি বিছানায় সুন্দর করে ঘুমান আর আমি খেতা নিয়ে নিচে সুয়ে পরবো"

শেষে কথাটা একটু নাটকীয় ভঙ্গিতে বলল। তার কথা সুনে আবেশের ভুরু কুঁচকে আসে আবার তার পর আবেশ আকসার মতো করে বলল

"তাহলে কি তুই আমাকে উপন্যাসের নায়কদের মতো ভাবছিস আমি বলল তুমি আমি খাট ভাগাভাগি করে নেই "

আবের এ কথা বলে বিছানায় আসতেই আকসা আঙুল উচু করে বলল

"এই এই একদম খাটে আসবেন না আপনার মতো নষ্ট পুরুষের সাথে আমি একই বেডে ঘুবাবো না। আপনার চরিত্র ঠিক নেই কখন না নয় ছয় করেন নষ্ট পুরুষ একটা "

আবেশ ঠোঁট কামরে বলল

"ওইটা নয় ছয় না ওইটা ছয় নয় হবে বলদি"

আকসা বলল

"উল্টো হলে সমস্যা কি একই তো"

আবেশ বাঁকা হাসি দিয়ে বলল

"কে বলছে 69 আর 96 একই"

এ কথা বলে খাতে সুতে গেলেই আবেশের চুল ধরে টান দেয় আকসা।আকসার এমন আক্রমনে আবেশ কি থেমে থাকার পাত্রি নাকে সেও আকসার চোল ধরে টান দিলো।আবেশের আকসার চুল টান দেওয়াতে আকসা আবচের হাতে কামর বসিয়ে দেয় আর আবের বেথায় ছের না দিয়ে আকশার ঘারে কামর দেয়। আকসা ব্যেথায় কোকরে যায় তার পর আকসা আবেশের পেট বরাবর একটা লাথি দেয় আর হাত ছের এবার আবেসের ঘারে কামর দেয়। আবেশ আরো জোরে চুল ধরে টান দেয়। এনার ঘার ছের সোজা থুতনিতে কামর বসায় আকসা।

তাদের এমন মারামারিতে পুরো বাড়ির মানুষ তাদের রুমে এসে উপস্থিত হয় আকসা আবেশের পেটে লাথে আর থুতনিতে কামর ও চুল ধরে আছে,আর আবের আকশার এক পা তার দু পায়ের দখলে এনে চুল টান দিয়ে আকসার ঘারে কামর দিয়ে। তাদের এই অবস্থা দেখে সকলের চোখ কপালে। আবেশ আসার সময় ভুলে দরজা লাগাতে ভুলে গেছিলো। আবেশ এ কথা ভেবে নিজেকে হাজার টা গালি দিলো সাথে আকসাও কিন্তু প্রকাশে না মনে মনে।

#চলবে #ইনশাআল্লাহ

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ১৮তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন