গল্প - #হৃদয়ে_চলছে_চৈতন্য_চৈত্র - ৩১
লেখিকা - #বিলাইর_মা ( ছদ্মনাম )
কাপি করা নিষিদ্ধ ❌🚫
রিসোর্টের ভিতরে এসে যে যার মত আসে পাসে ঘুরতে শুরু করে।রিসোর্টের ভিতরে একটা অনেক সুন্দর ওয়াটার ফল আছে এই রিসোর্টের মুল ফটকের পাসে,সকলে ওয়াটার ফল টা দেখতে একসাথে যরো হয়। কেউ কেউ কেউ ছবি তুলছে। জীবন রাহার হাত ধরে এই ওই পোজে ছবি তুলছে। আকসা পেন্টের পকেট থেকে ফোন বের করে একটা ভিডিও অন করে ওয়াটার ফল টাার ভিডিও করতে শুরু করে। হঠাৎ কেউ একজন তার পাসে এসে হাত বাড়িয়ে দিলো হেন সেক করার জন্য,ফোনের কেমেরা ঘুরে তার দিকে গেলে লোকটা আবেশের মতোই লম্বা চোওরা।লোকটা একটু বেশিই সাদা আবেশের চেয়ে।মুখ দেখে বোঝা যাচ্ছে লোকটা একটু গম্ভীর ও চাপা সভাবের।আকসা কেমেরা অফ করে হাত বারিয়ে দিলো লোকটা হাত ধরে হালকা হসলো।তার সাথে অবশ্য হাসিটা যাচ্ছে না।গোমড়াই ঠিক ছিলো।লোকটা বলল
"Nayej nihan.you also call me nihan"
আকসা নিজের পরিচয় দিবে তার আগেই নিহান বলল
"আরোয়ানা"
আকসা হালকা হেসে বলল
"আরওয়ানা আকবর আকসা "
এরি মধ্যে আবেশের চোখ যায় তাদের দিয়ে।আবেশ তাদের কাছে এসে হাত ধরে টান দিয়ে তাদের দুজনের হাত আলাদা করে দিলো।তারপর কিছু বলবে তার আগেই আবেশকে নিহান জরিয়ে ধরে আবেশের কানের কাছে মুখ নিয়ে বলল
"এবার হবে খেলা দেখি তুই কতো গোল করিশ আর আমি"
"আমি কেন তোর লগে খেলমু, আমার কি বউ নাই যে তোর লগে খেলতে যাম।আর সর মাইয়াগো মতো এমন চিপকাচিপকি করোস কেন ?মেসিনে সমস্য আছে নাকি তরা ? থাকলে কলিকাতা হারবার ইউস কর শালা"
নিহান ও একই ভাবে ফিসফিস করে বলল
"শালা কস কেন আমার কাছে কি তুই তর বইন বিয়া দিবি নাকি।দিতে চাইলেও অবশ্য করমু না তর মতো একটা খবিশের সাথে আত্মীয়তা হয় না আবাল"
আবেশ দাঁতে দাঁত চেপে বললেন
"আবাল না নিমপাতা আবেশ "
আবেশের মতো করে নিহান ও বলল
"আর নিমপাতা না নিহান ছাগল"
নিহানের থেকে নিজেকে সরাতেই নিহান বলল
"আরে ব্রো তুই এখানে হাউ সারপ্রাইজ "
আকসা এদের এতো বন্ধুত্ব দেখে চলে যেতে নিলেই নিহান বলল
" ভাবি মনে হয় তা পরিচয় করাবি না"
আবেশ বাঁকা চোখে চেয়ে ভেঙ্গিয়ে ভেঙ্গিয়ে বলল
"পরিচয় করাবি না।তুই তো আগেই হাত পা ধইরা ফেলছোস"
নিহান আবারো বলল
"ফেমেলি টুর"
আবেশ রাগী চোখে চেয়ে মুখে সে কোনোমতে হাসি এনে বলল
"না না হানিমুন"
আকসার বিরক্ত লাগছিলো তাি সে কোনোমতে দুয়েকটা কথা বলে তাদের পাস কাটিয়ে চলে আসে।আকসা চলে যেতেই নিহান আবেশের হাতে একটা ফোন ধরিয়ে দেয় যাতে একটা ভিডিও প্লে হচ্ছে যাতে দেখা যাচ্ছে আবেশের নিজের হাতে প্রায় বিশ কি পচিশ জন মানুষকে গুলি নয়তো চাপাতি নিয়ে নির্সংশ মৃত্যু দিচ্ছে। আবেশ ঘাবড়ালোনা বরং বলল
"এই ভিডিও দেখাইয়া তুই আমারে ভয় দেখাবি হাহা এই বলের ভিডিওতে আমি AD ভয় পায় না চান্দু"
নিহান হেসে বলল
"AD ভায় নাই পাইতে পারে কিন্তু ভালোমানুষির আরালে থাকা আবেশ দেওয়ান তো ভয় পাইবো"
"আমাকে বলতে হবে না এটা এআইয়ের যুগ "
আবেশ সোজাসাপটা ভাবে জানতে চাইলো
"তোর কি মনে হয় আমি এতো পাগল হয় যে আমি একটা প্রমান নিয়া মাঠে নামছি"
"তো আমি কি করবো"
"তুই না আমি করবো"
"কি ?''
" আরোয়ানার কাছে কিছু পিডিএফ আর কিছু ভিডিও আর কিছু না "
এ কথা বলে আবার আবেশকে জরিয়ে ধরে আবেশ রেগে বিরবির করে বলল
"ছার শালা নষ্ট। আমার বউ আমারে নষ্ট কয় তুই তো আমার চেও বড় নষ্ট আমি তো আমার বেডির উপর ঢালাঢালি করি আর তুই তো বেডা গো উপর।ও আরোয়ানা না ও আরওয়ানা আকবর আকস।সর শরিরের উপর থেকে।ছার ইঞ্জিন ছারা "
তারপর একটু শাস নিয়া বলল
"কি চাস কয় ইঞ্জিন ছারা।"
নিহান হেসে বলল
"আয় একলা রুমে দেখাই আমার আছে কিনা"
"আবার তুই তোর পরিচয় দিলি তোর ইঞ্জিন নাই থাকলে অবশ্য আমারে নিতে চাইতি না।"
নিহান শান্ত কন্ঠে বলল
"তুই যতোই সিংহের বেশ নেস না কেন তুই আজো আমার কাছে ইনমেচুয়ার "
"ইহ ইংলিশ,বাংলা পারোস তো ঠিক মতো"
নিহান বুঝলো এর সাথে কথা বারালেই বারবে তাই শান্ত কন্ঠে বলল
"আমাকে যেকোনো ভাবে তোর বাড়িতে ঘুকা"
"আমি কোন দুঃখে তরে আমার বাড়ি নিম তোর মতল কতো"
"তোর বউরে পটাইনার মতলব নে এবার নিয়া চল"
আবেশ বাকা চোখে তাকালো
_______________________________________
সকলের সাথেই নিহানের একটা সক্ষতা তেই হয়ে গেয়েছে।নিহান যে তাদের বাসায় যাচ্ছে এটা সবাই জানে। তারা রাত আটটার দিকে রিসোর্ট থেকে বের হয়। আকসা বের হতেই চোখ আটকায় তাদের গাড়ির সাথে রাখা নিহানের গাড়ির দিকে সে কিছুক্ষন এক নাগারে তাকিয়ে থাকে গাড়িটার দিকে।নিহান এগিয়ে আসে আকসার দিকে আকসা গাড়িটার দিকে তাকিয়ে বলল
"নিহান ভাই এটা কি আপনার গাড়ি"
"আমার মনে হয় মিস আরোয়ানার পুরোনো গাড়ির উপর অনেক আর্কশন।আপনি বললে গাড়িটা আপনাকে গিভ করতেই পাড়ি আপনি কি নিতে ইচ্ছুক "
"আপনার সাথে গাড়িটা কতো বছর"
"এই ধরেন ৫০ হবে "
"আমার তো মনে হয় না আপনার বয়স এতো হবে "
"না এটা আমার বারার "
"ওও"
#চলবে #ইনশাআল্লাহ