ফন্ট সাইজ:
থিম:
মাই হাসবেন্ড

৫ম পর্ব

লেখক: সামহা সামি

#My_Husband

#লেখনীতে_সামহা_সামি

পর্ব ৫

🚫❌১৮+ এলার্ট) অতিরিক্ত রোমান্টিক গল্প পড়তে না চাইলে স্কিপ করতে পারেন)

" আপু সরি সরি আমি কিছু দেখি নাই।

পিছন থেকে কারো কথা শুনে আনেয়া প্রহেল কে কিছু টা ধাক্কা দিয়ে নিজের থেকে সরিয়ে দেয় এতে করে প্রহেল কিছু টা বিরক্ত হয়ে মুখ বাঁকিয়ে বলে?

" শালার বউ টারে ধরেও শান্তি নাই

বলেই আনেয়াকে ছাদে রেখে একাই রুমে চলে যায় প্রহেলের মুখ'মন্ডল দেখে না চাইতেও আনেয়া শব্দ করে হেসে উঠে ।

কি হলো আপু ভাইয়া কোথায় গেলো "

' কোথাও না চল নিচে যাই '

আম্মু তোমাদের কে নিচে যেতে বলছে।

বলেই দুই ভাই'বোন নিচে চলে যায়

দুপুর ২:৩০

খাওয়া দাওয়া শেষ করে ড্রয়িংরুমে বসে সবাই গল্প করছে তারদের এক'পাশে প্রহেল ল্যাপটপ নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ করছে শব্দ করে ফোন বেজে উঠায় প্রহেল উঠে কিছু টা দূরে গিয়ে ফোন কানে ধরতে ফোনের ওই-পাশের লোকটির কথা ভেসে আসে?

সরি স্যার আমরা অনেক চেষ্টা করেও জনি রে ধরতে পারিনি।

ফোনের ওই পাশে থাকা লোকটির কথায় প্রহেল ক্ষিপ্ত বাঘের মত গর্জন করে উঠে।

কুত্তার বাচ্চারা তুদের আমি এমনি এমনি এতো ডলার দেই মাস শেষে ৩০ মিনিট এর মধ্যে সবার ডিটেলস আমার চাই গট ইট "

বলেই কলটি বিচ্ছিন্ন করে দেয় অতিরিক্ত রাগের কারণে কপালের শিরা ফুলে উঠেছে আনেয়া হতবঙ্গ ছুটে আসে চিন্তা হয়ে জিজ্ঞেস করে।

কি হয়েছে আপনার ঠিক আছেন আপনি

প্রহেল কিছু না বলে গম্ভীর গলায় বলে।

" রুমে আসো ।

বলেই গডগড পায়ে আনেয়ার রুমে চলে যায় ' কিছু না বুঝে আনেয়া মুখে ভেঞ্চি কেটে আবারো নিজের আড্ডায় যোগ দেয় ' আর দিবেই না' বা ' কেন কতো দিন পড় তার প্রিয় বান্ধবী গুলো আসছে, মূলত আনেয়ার বাড়ি ফেড়ার কথা শুনে আনেয়ায মামা তো বোনেরা আসছে ' ভয়ে ঘাম ছুটছে লোকটি কাঁপা কাঁপা গলায় কপালের ঘাম টুকু মুছার চেষ্টা করে কারো উদ্দেশ্য বলে।

বস ' মাফিয়া PP এর বর্তমান অবস্থান কারভাঙ্গি'চর তাঁর শশুর বাড়ি।

" বাহ্ ভেরি গুড পার্সন বিয়েও ডান ওর ব্যাড লাক বউয়ের পিক ঝুগার করে নিয়ে আয়।

.......................

বস শুনছি মাফিয়া PK এর বউ মেয়েটা বয়সে ছোট কিন্তু খুব সুন্দর।

ইস্ আমার নজরে পড়লে তো এই সুন্দর শরীর টা খুবে খুবে শেষ হয়ে যাবে ' মাফিয়া PK এর মাল তো একটু চেকে দেখতেই হয় ' মে কামিং দুষ্টু'পাখি ওয়েট।

চোখে মুখে একধরনের অরগাজম লোভিতো নেশা যেটা যে কারো শরীরে বাজে দৃষ্টি আকর্ষণ করে ' সাঁড়া রুম জুড়ে পাই'চাড়ি করছে প্রহেল রাগে ফেটে পড়ছে ' শেই কখন এই মেয়েকে রুমে আসতে বলছে অথচ মেয়েটার খবরি নাই রাগে রি'রি করতে করতে দাঁতে দাঁত চেপে ডাকে।

My lady, come here "

প্রহেলের ডাকে আনেয়া বসার ঘর থেকে চেঁচিয়ে বলে।

পঁচাত্তরের তিন নাম্বার বাচ্চা চেঁচাচ্ছেন কেন।

" তুমি ঘরে আসবে নাকি আমি আসবো।

না ' না ' আমি আসছি তোরা বস আমি এখনি আসছি।

বলেই রুমের দিকে চলে যায় দরজার কাছে আসছে প্রহেল ভিতর থেকে হাত টেনে রুমে ঢুকিয়ে দরজা শব্দ করে লাগিয়ে রাগি রাগি ভাব নিয়ে বলে।

খুব সাহস না আমাকে এভোয়েড করো

ইয়ে আসলে হয়েছে কি ' আরে কি হবে ' আমি কি আপনাকে এভোয়েড করতে পারি নি যে বলেন।

কোন রকমে তুতলে কথা'টুকু বলে আনেয়া প্রহেল আস্তে করে নিজের ঠান্ডা হাত সস্তার মনে আনেয়ার পেটের কাছে জামার ভিতরে গলিয়ে দেয় প্রহেলের এহান স্পর্শে কেঁপে উঠলো সর্বাঙ্গ' প্রহেল আর একটু চাপ প্রয়োগ করে নিজের সাথে জরিয়ে আনেয়ার ঘারে মুখ ডুবিয়ে নাক ঘষে বলে।

কি আছে তোমার মাঝে জান ' যা আমাকে আমার মাঝে থাকতে দেয় না।

কি করছেন দিনে দূপুরে যে কেউ এসে পড়বে।

রাতে যখন আমার DNA নেও কোই তখন তো বলো না কেউ এসে পড়বে।

প্রহেলের কথায় আনেয়া হতবঙ্গ হয়ে যায় কি বলছে এই লোক মাথা ঠিক আছে, প্রহেলের গরম নিঃশ্বাস আচরে পড়ছে আনেয়ার ঘারে তপ্ত একটা শাস ফেলে বলে।

নিচে চলুন সবাই কি ভাববে।

সবাই ভাববে তাদের নানি -নানা বানানোর মিশনে নেমেছি।

ছিঃ নির্লজ্জ মানুষ।

প্রহেল এবার আনেয়ার নাক শিটকানো দেখেও কিছু বলে না ঘারে ছোট্ট ছোট্ট কিস করে মুখের কাছে এগিয়ে আসে যার ধরুন দুই জনের শ্বাস-প্রশ্বাস একজনের মুখে আঁচড়ে পড়ছে ,দিরে দিরে নিজের মুখ আনেয়ার মুখের কাছে এনে ঠোঁটে ঠোঁট মিলিয়ে দেয় প্রহেল প্রান করতে থাকে প্রিয়জনের ঠোঁটের সুদা ' অনেকটা সময় পেরতে, নিংস্বাস বন্ধ হওয়ার উপক্রম হতেই আনেয়া প্রহেলের বুকে ধাক্কা দিচ্ছে আর মুখ দিয়ে।

" উ*ম, উ*ম,

শব্দ করছে প্রহেল এক হাত দিয়ে আনেয়ার দুই হাত চেপে অন্য হাত আনেয়ার পেটের কাছে জামার অংশ খামছে ধরে দীর্ঘ ২৫মিনিট ২৪ সেকেন্ড পেরতেই ছেঁড়ে দেয় ' ছাড়া পেয়ে আনেয়া ঠোঁ*ট মুছে জোরে জোরে নিঃশ্বাস নিচ্ছে আর একটু হলে মরেই যেতো , প্রহেল তর্জনী আঙ্গুল দিয়ে নিজের ঠোট মুছে বলে।

, রেডি হও আমরা বের হবো "

আনেয়া চোখ ছলছল করে মুখ কালো করে বলে।

বলছি কি আর কিছু দিন থাকি না আজই তো আসলাম ।

" অন্য কোনদিন আবার নিয়ে আসবো এবার চলো.

আনেয়া জিহ্বা দিয়ে ঠোঁট ভিজিয়ে বলে

বলছি কি আপনি চলে যান আমি কিছু দিন থেকে যাবো।

আনেয়ার কথায় প্রহেল রাগি চোখে তাকাতে আনেয়া শুকনো ঢুক গিলে রেডি হতে চলে যায়।

রাত ১২:৩০

প্রহেল রুমে ঢুকে কাবারট থেকে কালো সার্ট আর প্যান্ট নিয়ে ফ্রেশ হতে চলে যায়, আনেয়াদের বাড়ি থেকে ফিরে আবারো কোথায় যেনো বেড়িয়ে যায় যাওয়ার সময় শুধু এতটুকু বলে গেছে।

আমার ফিরতে লেট হবে মেড খাবার নিয়ে আসলে চুপচাপ খাবার খেয়ে নিবে।

বলেই নিজের গন্তব্যে রওনা দেয় , ভিজা চুলে এক হাতে তাওয়াল চালিয়ে মুছতে মুছতে এক পলক আনেয়ার দিকে তাকায় ' হালকা শীত পড়েছে এখন কিন্তু এই মেয়ের কি শেই দিকে কান আছে, শীতে কেমন গুটি'শুটি মেরে সুয়ে আছে তবুও ব্ল্যাঙ্কেট গাঁয়ে দিবে না, হাতের তাওয়াল টা ডিভানে রেখে নিজেও বেডে উঠে আনেয়ার উপড়ে উঠে ব্ল্যাঙ্কেট মুড়িয়ে দেয়, ঘুমের ঘোরে ঠান্ডা হাতের স্পর্শে বিরক্তিতে কপাল কুঁচকে আসে আনেয়ার প্রহেল এই দৃশ্য দেখে ঠোঁ*ট কামড়ে হাসে , নিজের সম্পূর্ণ ভার ছেড়ে দেয় আনেয়ার উপর ভারি কিছুর আবাস পেতে নড়েচড়ে উঠে আনেয়া, প্রহেল নিজের সস্তর পাটি দাঁত চেপে ধরে আনেয়ার বুকে , ব্যাথায় তথ্যনাত ঘুম ভেঙ্গে যায় আনেয়ার, অভিমানে দু হাত প্রহেলকে নিজের থেকে দূরে সরানোর জন্য ধাক্কা দেয়, প্রহেল ঠোঁটে ডিপলি কিস করে বলে।

সরি মাই লেডি আর হবে না এখন সব রাগ আদ*র দিয়ে পুষিয়ে দিবো।

বলেই জামার চেইন*টা খুলে ফেলে, নিজেও আনড্রেস হয়ে যায় আনেয়ার গায়ে এখন শুধু একটা কালো ব্রা প্রহেল ব্রা খুলতে খুলতে নেশা জরানো কন্ঠে বলে।

ইস্ জান তোমাকে এই অবস্থায় যা লাগছে না ইচ্ছে করছে খেয়ে ফেলি।

আনেয়া লজ্জায় চোখ মুখ খিছে নেয়, প্রহেল নিজের ঠোট ধারা আনেয়ার ঠোঁটে চেপে ধরে অন্য হাতে বু*ক চা*পতে থাকে ঠোঁট ছেঁড়ে গলায় কিস করে কামর বসিয়ে দেয়।

"আহ্" আস্তে

*****************,**

ব্যাথা তুর শব্দ করে ওঠে আনেয়া প্রহেল বু*কছেড়ে নিছের দিকে নামতে থাকে ওইটা টা ঢুকানোর আগে শব্দ করে বলে।

" আওজুবিল্লাহি মিনাস সাইতোয়ানির রাজিম ।

বলেই এক ধাক্কায় পুরো টা ঢুকিয়ে দেয়।

,আ*হ্ , উ*ম, উ*মম,

(চলবে)

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ৫ম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন