#শুধু_তোমাকেই_চাই
#নাঈদা_জাহান
#পর্বঃ১
সব ভালো বাসা পূর্তা পাক। সবাই সবার মনের মানুষকে পাক। ভালোবাসার মনুষের সাথে সুখের ঘর বাঁধার সবারই সপ্ন আছে, তেমনি আমাদের মিষ্টি সুবহাও সেই একই স্বপ্ন দেখছে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে, তবে তার এ স্বপ্ন যে কবে সত্যি হবে তার কোনো ঠিক নেই।
হঠাৎ ই সুন্দর স্বপ্ন আর ঘুমের বারোটা বাজিয়ে একটা সুপরিচিত আওয়াজ ভেসে আসে সুবহার কানে খুব আলতো করে তার মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে আর ডাকছে:
"সুবহা! সুবহা! আর কতো ঘুমাবি এবার উঠ।
সুবহা বেশ ভালোই বুঝলো এই ডাক কার,সে ঘুম ঘুম চখে আদুরে গলায় বলল:
" আর একটু সময় ভাইয়া প্লিজ।
"তোর কলেজের সময় হয়েছে। আজ প্রথম দিন দেরি না করে তারাতার উঠে পর তো।
ভাইয়ের কথায় আর শুয়ে থাকতে পারেনা সুবহা। কম্বলের নিচথেকে মাথাটা বের করে দেখে আদীব রেডি হয়ে খুব সুন্দর সেজে গুজে দারিয়ে আছে।
ভাইয়ের এতো সুন্দর সাজ গোজ দেখে সুবহা ভ্রু কুচকে তাকায় আদীবের দিকে।
আদীব বোনের চোখের দিকে তাকিয়ে হেসে বলে:
"কি উঠ।
সুবহা জিজ্ঞাসা সূচক দৃষ্টিতে তাকিয়ে বললো:
" তুমি এতো সুন্দর সেজেছো কেনো।
আদীব মুচকি হেসে বললো:
" তোর সাথে কলেজে জাবো তাই।
সুবহার চোখ আকাশে উঠে গেলো,সে ভাবুক হয়ে বলল:
"আমি জানি কিন্তু, তাও যদি ভুল না করি তবে তোমার আজ মিটিং আছে?
আদীব হাসলো,তার পর সুবহাকে বিছানা থেকে টেনে উঠাতে উঠতে বলল:
"হুম! আজ মিটিং টা খুব ইম্পর্টেন্ট! তারপর কিছু দিনের জন্য....!
এতোটুকুতেই থেমে গেলো আদীব!সুবহা বিছানা থেকে নেমে বলল:
" কি ভাইয়া?
আদীব কিছু সময় নিরব থাকলো তারপর সুবহাকে তারা দিয়ে বলল:
"তুই আগে রেডি হয়েনে,দেরি হচ্ছে।
সুবহা কিছু একটা ভাবে তারপর মুখ গোমরা করে বলে:
"ভাইয়া আমি বড় হয়ছি। এখনো কি তুমি আমার সাথে জাবে।
আদীব সুবহার কথায় হ্যা সূচক মাথা নেরে বললো:
" তুই আমার কলিজা!তোকে কোনো দিন ছাড়িনি আর ছারবোও না। তাই এবার রেডি হয়েনে।
ভাইয়ের কথায় বাকা হাসে সুবহা। অতপর তারাতরি ফ্রেশ হয়ে আসে। আদীব সব নাস্তা সুবহার জন্য রেডি করে রেখেছে। সুবহা রেডি হচ্ছে। আর আদীব তাকে খাওয়াচ্ছে আর নিজেও খাচ্ছে।
খাওয়া দাওয়া শেষ করে আদীব আর সুবহা নিচে নামছে। আদীবের বাবা ড্রয়িং রুমে সোফায় বোসে ছিলেন, মেয়ে আর ছেলেকে এক সাথে নামতে দেখে তিনি বললেন:
" তোমাদের এখন নিচে নামার সময় হলো। কলেজের দেরি হয়ে যাচ্ছে তা নিয়ে কনো খোজ আছে তোমাদের বলোতো?
কথা গুলো সান্ত গলায় বললেন আদীবের বাবা:
সুবহা আদীব কে পিছনে ফেলে,সামনে দ্রুত সিঁড়ি থেকে নেমে বাবার পাশে বোসলো।হঠাৎ এমন দৌড়ে যাওয়ার জন্য আদীব সুবহাকে পিছু ডাকতেই সুবাহ,বাাবর গলা জোরিয়ে ঠোঁট ফুলিয়ে বলল:
"এখানে আমার কি দোষ বাবা?ভাইয়া তো ডাকতে দেড়ি কোরলো।
আদীবের চোখ বড় বড় হয়ে গেলো,সে কখন ডাকতে দেড়ি কোরলো।নিজেই তো ঘুম থেকে উঠতে চাইছিলো না।আর এখন দোষ সব তার।আদীব সুবহার দিকে তাকায় তাকে কিছু বলার জন্য কিন্তু তার আগে ডাইনিং থেকে আদীবের মা কবিতা বেগম ডেকে বলেন:
" এখন তুই বড় হয়েছিস সুবহা!তোকে এখনো আদীব ঘুম থেকে ডাকবে বল?
সুবহা মায়ের কথায় ঠোঁট উল্টে বলল:
"অবশ্যই মা,ভাইয়া সব সময় আমাকে ঘুম থেকে ডাকবে,তুমি কি আামদের বাই বোনের ভালোবাসার মধ্যে ভাগ বসাতে চাইছো?
কবিতা বেগম মেয়ের কথায় হত বাগ হয়ে গেলেন,কি বলে এই মেয়ে।সামিয়া বেগম কিছু বোলবেন এর আগে আদীব বোলে উঠে :
" বাবা তুমিতো জানো আমি কাল রাতে দেরিতে ফিরেছি তাই একটু দেরি হয়েছে।
আদীবের বাবা আহনাফ চৌধুরী কিছু বোলতে যাবেন তখোনি কবিতা বেগম বোললেন:
"হয়েছে আর সাফায় গায়তে হবেনা বোনের জন্য এখন যাও
আদীব সুবহা বাবা মাকে বিদায় জানিয়ে বের হয়ে যায় বাসা থেকে। আদীব গাড়ি নিয়ে এসে সুবহাকে নিয়ে কলেজে চলে আসে। গাড়ি পার্ক করে রেখে গাড়ি থেকে নামে আদীব। বরাবরের মতোই সব মেয়ের
ক্রাশ আদীব। সবাই তার জন্য পাগোল এক কথায়। গাড়ি থেকে বের হয়ে নিজের চুলটা হাতদিয়ে ঠিক কোরতে কোরতে এসে গাড়ির দরজাটা
খুলেদেয় আদীব। তারপর গাড়ি থেকে বের হয়ে আসে মিষ্টি সুবহা। সুবহাও তার ভাইয়ের চেয়ে কম কিছুনা এ জন্য ই তো এতো গার্ডে রাখে সে সুবহাকে।ভাই যেমন মেয়েদের ক্রাশ তেমনি বোনও ছেলে দের ক্রাশ।
কিন্তু তার কাছে আসার মতো খমতা কারো নেই।দুজনে ভার্সিটির মাঠ দিয়ে হারছে,আর সবাই তাদের দিকে তাকিয়ে। আদীব আর সুবহা প্রিন্সিপাল এর রুমে এসেছে। আদীবকে দেখে কিছুটা ঘাবরে যান তিনি। কারন আদীব যে কয়বার এখনে এসেছে সব বার একটা না একটা ঝামেলা করেছে নিজের বোন এর জন্য।
আদীব সারের সামনে এসে বসে বললো:
" সার আমি আমার বোনলে আপনার কাছে রেখে যাচ্ছি। আমার বোনের দায়িত্ব এখন আপনার। আমার বোনের কিছু হলে:
সার আদীবের কথা থামিয়ে দিয়ে বললো:
"আরে তুমি টেনশন কেনো কোরছো?সব স্টুডেন্টরা তো আমার নেজের ছেলে মেয়ের মত!
আদীব হালকা হেসে বললো:
"নাইস টু মিট ইউ সার।
সারও হাসলেন, তবে সেটা খুব কষ্টে, বোললেন,
"সেম! সেম!
মুখে বলার মতো কোনো ভাষানেই শুধু সে এতো টুকু জানে আদীব এখান থেকে গেলেই বাচি।
চলবে,,,,,,,,,,,,,,,
(গল্প টা যদি ভালোলাগে কমেন্ট কোরবেন,অবশ্যই পরবর্তী পার্ট গুলা দ্রুত দেওয়ার চেষ্টা কোরবো।খারাপ হলেও জানাবেন যাতে সুধরে নিতে পারি।
ধন্যবাদ.........!)