#শুধু_তোমাকেই_চাই(৯)
#নাঈদা_জাহান
প্রায় ঘন্টাখানেক যাবত ক্যালভিন,বিহান,জাইদিল, ইভান চার যোনি সানিকে বোঝাচ্ছে ইতালি যাওয়ার জন্য কিন্তু, সানি ঘাউর আর ঘরের ঘাউরা বুঝতেই পারছে না আর যাওয়া তো দূর। চারজন একসাথে সেই কখন থেকে সানির মাথা খাচ্ছে, সানির এবার বেশ রাগ নিয়ে চোখ পাকিয়ে বলল,,,,,,,,,,,,,
"সমস্যা কি তোদের? এমন ঘ্যান ঘেরাচ্ছিস কেন? কি হইছে? বলছি না আমি একবার, আমি আপাতত ইতালি যাবো না। ইতালি যাওয়ার জন্য এত নাচানাচি কিসের?
সকলের চুপ সানির মুখের উপর কে কথা বলবে? একেতো এই ছেলেকে রাগালে বিপদ, কখন যে উদ্ধুমা দম কেলানি দেবে এটা কে জানে? তবে বিহান বেশ সাহস করে সানিকে মানাতে চেয়ে বলল,,,,,,,,,,
" তুই এখন কেন যাবি না? চীনে এখনো ব্লিডিং হার্ট পুরোপুরিভাবে জন্মায়নি, কেবল ওরা চাষ শুরু করেছে। এত তাড়াতাড়ি ওখানে গিয়ে কি লাভ? এর চেয়ে বরং আমরা আগে ইতালি থেকে ঘুরে আসি তারপর চিনে যাব। ভাই প্লিজ রাজি হয়ে যা।
সানি বেশ কিছু সময় চুপ থাকলো, সে ঠিক বোঝার চেষ্টা করছে কি করা দরকার। সানি বেশ অনেক সময় ভাবলো এরপর সকলকে সম্মতি জানিয়ে বলল,,,,,,,,,,,,,,
" ওকে আমি ইতালি যাব।
হঠাৎই সানির এমন সিদ্ধান্তে সকলেই যেন আকাশ থেকে মাটিতে পড়ল কি হলো কিছুই বুঝতে পারছে না। সানি রাজি হয়েছে যাই হোক রাজি তো হয়েছে এটাই বেশি।
লুসি ইদানিং যাবত বেশ অসুস্থ সমস্যা তার ক্যান্সা, ক্যান্সার এটা ঠিক, তবে এটা বেশি বড় কোন সমস্যা না, এটাতো ডাক্তার দেখালে লুসির সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা আছে। লুসি এবাড়ির বড় ছেলে রাবি কায়ানের মেয়ে আর আরব কায়ান রাবি কায়ানের বড় ছেলে,আরবের পরে তার আরো একটা বোন আছে সে হলো ম্যারি কায়ান,তার বিয়ের জন্য মূলত সকলের দেশে আশা। রাবি কায়ান আর আহসান কায়ান দুজন সম্পর্কে ভাই আর সুবহা, আদীব, লুসি, আরব, আর ম্যারি এরাও কাজিন এই সব মিলিয়ে সুন্দর একটা কায়ান পরিবার। তবে এখানে শুধু একটাই সমস্যা লুসি অসুস্থ । ডক্টর লুসিকে চেকআপ করে তাকে ঔষধ দিয়ে গিয়েছে প্রায় দশ মিনিট হল, লুসি এখন আগের থেকে অনেকটাই সুস্থ এই মেয়েটা বছরে যদি ছয় মাস সুস্থ থাকে তাহলে বাকি আর ছয় মাস অসুস্থ আর এখন বোনের বিয়ের সময় এর অসুস্থতা সকলকে বেশ কষ্ট দিচ্ছে। ডক্টর বলেছে এভাবেই যদি চলতে থাকে লুসি একদিন সুস্থ হবে পুরোপুরি ভাবে।
সকালের মিটিমিটি রোদ্দুরে সুবহা বাগানে হাঁটতে বের হয়েছে। আজ সকালে শপিংয়ে যাবে এমনটাই কথ, তবে সুবহার সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস আছে, সেজন্য সে সকালেই ঘুম থেকে উঠেছে আর বাকিরা তো সবাই অঘোরে ঘুমাচ্ছে, সুবহা বেশ ফুরফুরে একটা মেজাজ নিয়ে গার্জেন দিকে হেটে যাচ্ছে হঠাৎই কেমন যেন কারো উপস্থিত বিষয়টা বুঝতে পেরে পিছনে ঘুরে তাকাতেই চোখ পড়ে তার থেকে খানিকটা দূরে একটা গাছের ওপাশে, একজন দাঁড়িয়ে আছে সুবহা ভাবছে এত সকালে এই গার্ডেন কারো থাকার কথা না কিন্তু কেন আছে সেটাই সুভা বুঝেনা। সেজন্য ব্যাপারটা যাতে বুঝতে পারে তাই সে সেদিকে এগিয়ে যায়, একটু কাছাকাছি যেতে সুভা বেশ ভালোভাবেই ঠাওর করতে পারে এখানে আর কেউ না তার পেয়ারে লাল তানিয়া আছে, তবে এখন তানিয়াকে এখানে দেখে সুবহা বেশ অবাক হল। সে তানের কাছে গিয়ে তানিয়াকে ডাক দিতে বেচারী থর ফুরিয়ে লাফি উঠলো শুধু লাফালেই ঠিক ছিল সেতো এমন ভাবে চিল্লালো মনে হল যেন ভূত দেখেছে সুবহা নিজেই বিস্ময় দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে তানিয়া কিছু সময় যাওয়ার পর শান্ত হল এবং সামনের দৃষ্টি দিয়ে দেখল আর কেউ না সুভায় দাঁড়িয়ে আছে তানিয়া মেকি রাগ দেখিয়ে সুবহাকে শাসিয়ে বলল,,,,,,,,,,,,,,,,,
"এই সাত সকাল বেলায় কেউ কি ভয় দেখায়?
সুবহা ভ্রু কুচকে তানিয়ার দিকে তাকিয়ে মুখ বাঁকিয়ে বলল,,,,,,,,,,,
" কে জানত আমি সামান্য একটু ডাক দিলেই তুই এভাবে কই মাছের মত ছটফট করবি।
তানিয়া আর কিছু বলল না সে প্রসঙ্গ পাল্টে সুবহা কে সামনে দেখিয়ে খুশি খুশি মনে বলল,,,,,,,,,,,,,
"সুবহা দেখ এখানে কত সুন্দর সুন্দর চের হয়েছে!
সুবহা তানিয়ার দেখানো ইশারায় সামনে তাকিয়ে দেখলো সামনে চেরি গাছটাই অনেক সুন্দর চেরি ফল হয়েছে। সুবহা সেদিকে দৃষ্টি রেখেই তানিয়া কি শুধিয়ে বলল,,,,,,,,,,,
" তুইতো চেরি খাস না, তাহলে এত খুশি হওয়ার কি আছে?
তানিয়া সুবহার সামনে হাঁটতে হাঁটতে বলল,,,,,,,,,,,
"খাইনা তাতে কি পছন্দ তো করি, চেরি ফল আমি খেতে পারি না কিন্তু আমার কাছে দেখতে বেশ ভালো লাগে,খুব সুন্দর।
সুবহাও তানিয়ার সাথে সাথে পা মিলিয়ে সামনে এগোতেগোতে বলল,,,,,,,,,,,,,
"তোর যে আরো কত ইচ্ছা সেই ইচ্ছার তো কোন শেষই নেই।
তানিয়া সুবহার কথা হেসে উড়িয়ে দিল, তারা দুজনেই একটু সামনে গিয়ে গার্ডেনে থাকা একটা দোলার উপর বসলো বেশ কিছু সময় দুই বান্ধবী সেখানে বসে গল্প করলো।
,
,
,
,
এখন প্রায় দশটা বাজে সুবহা তানিয়া দুজনেই যে যার রুমে বাড়ির কেউই এখনো ঘুম থেকে ওঠেনি তবে, সার্ভেন্টরা সকলে নিজেদের কাজে লেগে গেছে ।এখানে একটা বাঙালি সার্ভেন্টও আছে আর শুভ্র আপাতত সেই বাঙালি সার্ভেন্টার খোঁজই করছে। খুঁজতে খুঁজতে পেয়েও গেল সার্ভেন্ট টি উপরে সিঁড়ি থেকে নাম ছিল শুভ্র জলদি তার কাছে গিয়ে নমনীয় কন্ঠে শুধিয়ে বলল,,,,,,,,,,,,,,,
" আন্টি আপনি বাঙালি খাবার সব রান্না করতে পারেন তো?
মেয়ে সার্ভেন্ট টি মিষ্টি হেসে তাকে জবাব দিল,,,,,,,,,,
" জি স্যার আমি বাঙালি খাবার রান্না করতে পারি।
শুনেই যেন বেশ খুশি হয়ে গেল শুভ্র, সে চটজলদি বলে উঠলো,,,,,,,,,,,,
"তাহলে তো হয়ে গেল আন্টি আমি বিরিয়ানি রান্না করবো আপনি একটু আমাকে হেল্প করবেন।
সারভেন্ট টি অবাক হয়ে বলল,,,,,,,,,,,,,
"আপনি কেন রান্না করবেন স্যার? আমি করে দেবো।
শুভ্র মাথা চুলকে বলল,,,,,,,,,
" নো নো আন্টি আপনি আমাকে হেল্প করলেই হবে।
মহিলা সার্ভেন্টটিও বেশি কথা বাড়লো না চুপচাপ শুভ্রর কথা মেনে নিল।
আজ সকালে ইতালিতে এসে পৌঁছেছে সানি,বিহান, জাইদিল, ক্যালভিন, ইভান পাঁচজনই এসে উঠেছে সানির বাড়িতে। মূলত এখানেও সানির একটা বাসা কেনা আছে। সানি জার্নি করে এসে আগেই ফ্রেশ হয়ে ঘুমানোর জন্য রেডি হচ্ছে, ওদিকে কেলভিন সেও একই কাজে ব্যস্ত বিহান সে তার রুমে গিয়ে দরজা লক করছে এখনো তার বের হওয়ার কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না হয়তো বা ওই ভাবেই ঘুমিয়েছ। আর জাইদিল তো চিছিয়ার সাথে কথা বলাই ব্যস্ত সে আপাতত তার রুমে আছে কিন্তু ইভান সম্পূর্ণরূপে ভিন্ন। সে বাড়িতে এসে কোন মতে ফ্রেশ হয়ে এখন আবার কোথাও যাওয়ার জন্য রেডী হচ্ছে। সানি তাকে জিজ্ঞেস করেছে কোথায় যাবে, উত্তরে ইভান বলেছে বাহিরে একটু কাজ আছে। সানির অন্য কারো বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা পছন্দ না সেজন্য সে তাকে আর কিছুই জিজ্ঞেস করেনি। সানি তো এসম্পর্কে কিছুই জানে না।কিন্তু বাকি তিন জন তো ইভানেট বিষয় খুব ভালোভাবেই যানে। যে ইভান এখন লুসির সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছে।
কি আজব! একটা মানুষ অসুস্থ অপর প্রান্তের মানুষটা সুস্থ কিন্তু তারপরও ভালোবাসা ওই সুস্থ মানুষটা কেউ অসুস্থ করে দিচ্ছে। এটাই কি সত্যিকারের ভালোবাসা? এটা কি সম্ভব যে ভালোবেসে মানুষ পাগল হয়? সত্যিই কি এটা সম্ভব? মানুষ কি ভালোবেসে পাগল হতে পারে?
দুপুর দুইটা কায়ান প্যালেসের মেইন গেটের সামনে দাঁড়িয়েছে ইভান।সুস্বাস্থ্য দেহি দুজন গার্ড দাঁড়িয়ে আছে মূর্তির ন্যায়। নড়াচাড়া করছে না দুজনের হাতে দুটা রিভলবার দেখলেই বোঝা যায় দুজন দুটো মূর্তি, কিন্তু না আসলে তারা মানুষ তারাও হাসতে জানে, নড়তে জানে, কথা বলতে জানে, মানুষের সাথে মিশতে জানে, কিন্তু এ সমাজ এই পরিস্থিতি তাদেরকে এমন মূর্তির ন্যায় করে দিয়েছে।সকলেরই তো আর এক পরিস্থিতিতে থাকে না, যেমন প্যালেসের ভিতরে যে মানুষগুলো আছে তারা সকলেই রাজার হালে থাকে, কিন্তু বাহিরে যে দুজন গার্ড এদের হয়তো বা আর্থিক অবস্থা কিংবা অন্যান্য যেকোনো সমস্যার কারণে তারা এখানে দাঁড়িয়ে আছে। যদি ভাগ্য তাদের সাথে থাকতো বা তাদের ভাগ্য যদি ওই প্যালেসের ভেতরের মানুষগুলোর মত হত তাহলে তারাও হাসতে জানতো, কথা বলতে জানতো, তারাও মানুষের সাথে মিশতে পারতো, তারা হয়তো বা একটা সম্ভ্রান্ত পরিবার হতে পারতো। কিন্তু পরিস্থিতি সব সময় উল্টো।
এ সকল চিন্তার মাঝে ভেতর থেকে একজন ইতালিয়ান সার্ভ মেন গেটের কাছে এসে বাকি দুজন গার্ডস কে উদ্দেশ্য করে বলল,,,,,,,,,,,,,,
"ওনাকে ভিতরে আসতে দাও। ভেতর থেকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
কথাটা শুনে ইভান একটু বাঁকা হাসলো। এরপর সে আস্তে করে বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করলো। সত্যি কথা বলতে কায়ান প্যালেস নামের সঙ্গে প্যালেষ্টার সত্যিই অনেক মিল, প্রতিটা কোণে আছে আভিজাতের ছোঁয়া। এর মধ্যে ঢুকলেই যেন মনে হয় এটা এক অন্যরকম পৃথিবী, তবে এসব দেখার সময় এখন ইভানের নেই। ইভান আগেও কয়েকবার এ বাড়িতে এসেছে তবে সে তখন নার্ভাস ছিল, আর এখন কষ্টে আছে। ইভান সারভেন্ট কে অনুসরণ করে ড্রয়িং রুমে প্রবেশ করল। বিলাস বহুল সেই ড্রয়িং রুম তার সোফায় বসে আছে আরব।
আরব মূলত আজ বাসায় আছে বাহিরে কোথাও যায়নি। তবে সে ইভান কে চেনে দুজনে চোখে চোখ পড়তেই ইভান হেসে তার হাতখানা বাড়িয়ে দেয় সামনে বসে থাকা আরবের দিকে আরব বসা থেকে উঠে হ্যান্ডসেট করে জড়িয়ে ধরে ইভান কে। ড্রয়িং রুম তখন আর কেউ উপস্থিত ছিল না ইভান আরবকে শুধিয়ে বলে,,,,,,,,,,,,,,,
" লুসি কোথায় ব্রো?
আরব বাঁকা হেসে ইভান কে একটা গুতো দিয়ে বলল,,,,,,,,,,,,,,
,
,
,
,
" জানি তো লুচির জন্য ছাড়া এই মহামানবের কি আর আমাদের বাড়িতে পা পড়ে?
ইভান একটু হাসলো আরবের কথায়, এরপর মুখের মধ্যে সিরিয়াস ভঙ্গিমা কে বলল,,,,,,,,,,,,
"ওসব বাদ দাও আগে বলো লুসি কই?
আরব হেসে ইভান কে হাতের ইশারায় দেখে বলল,,,,,,,,,,,
" রুমেই আছে তুমি গিয়ে দেখা করো!
ইভান কথা বাড়ালো না সোজা উঠে চলে গেল লুসির রুমে। রুমে ঢুকে চারিদিকে চোখ বুলালো ইভান কিন্তু লুসির তো কোনো খোঁজই নেই। সে তো লাপাত্তা ব্যাপারটা বুঝে আসছে না ইভানের। এই মেয়ে এই অসুস্থ শরীর নিয়ে কোথায় গেল ওয়াশরুমে নেই বেলকনিতেও নেই তাহলে কোথায়? রুমের এদিকে ওদিক কোথাও লুসি কে না পেয়ে ইভান রুম থেকে বের হলো। সে করিডোর দিয়ে সামনে যেতে ই উপরে সিরির কাছ থেকে কেমন মেয়ে দের হাসির খিলখিল আওয়াজ ভেসে এলো।ইভান ভ্রু কুচকে সেদিকে তাকিয়ে আছে।
তখনই সে থেকে তিনজন রমণী খিলখিরে হাসতে হাসতে নিচে নামছে তাদের মধ্যে লুসি একজন কিন্তু বাকি দুজনকে?ইভান তাদের চেনে না এরা কারা সেটা নিয়ে কোন ধারনা তার নেই। কারণ ইভান এখানে যত বারই এসেছে ততবার শুধু বাড়ির মেয়ে বলতে লুসি আর ম্যারি কে দেখেছে, কিন্তু এই বাকি দুজন কারা? যাইহোক অতকিছু পাত্তা দিল না ইভান সে সামনের দিকে তাকিয়ে থাকলো লুসি হাসছে, মিষ্টি লাগছে তাকে দেখতে সে বুঝে পায়না এই মেয়েটা এতো মায়াবী কেন। বাঙালি আর ইতালিয়ান মিশ্রণের দেখতে। মেয়েটির অবশ্য মা তো বাঙালি আর বাবা ইতালিয়ান এজন্য সম্ভবত এমন।
সে যাই হোক ইভান দাঁড়িয়ে আছে হঠাৎই লুচির সামনে চোখ পড়ে সে বিষয় চোখগুলো গোল গোল করে সামনে তাকিয়ে অবাক হয়ে যায়, সে বিশ্বাসে করতে পারছে না যে তার সামনে ইভান দাঁড়িয়ে আছে লুসি এভাবে হঠাৎ হ্যাং হয়ে যাওয়ায় সুবহা লুসি কে একটা গুঁতো দিয়ে বলে,,,,,,,,,,,,,,,
" হেই বেব এমন হ্যাং হয়ে গেলে কেন?
বলেই লুসির দৃষ্টি অনুসরণ করে সামনে তাকায় সুবহা। এই ছেলেকে বেশ ভালোভাবেই চেনে সুবহা,সে একে ফটোতে দেখেছি আর এটাও খুব ভালোভাবেই জানে লুসি আর এই ছেলে দুজন দুজনকে ভালোবাসে। তবে তানিয়া এ সম্পর্কে কিছুই জানে না তাই সে অবাকের ন্যায় তাকিয়ে আছে বুঝতে পারছে না ব্যাপারটা কি। এত বাঙালী ছেলে বারবার কোথা থেকে উঠে আসছে। সুবহা তানিয়ার হাত ধরে নিচে নামতে নমতে লুসি কে উদ্দেশ্য করে দুষ্টু হেসে বলে,,,,,,,,,,,,,,
" নাও তোমার উনি চলে এসেছে, এখন তার সাথে একটু গুড টাইম স্পেন্ড করো তারপর তোমাদের শেষ হলে আমাদের দুজনকে ডেকো। বাই বেব!
বলে তানিয়ার হাত ধরে টানতে টানতে নিয়ে চলে গেল সুবহা।
চলবে,,,,,,,,,,,,,,,,