*
রায়হান চৌধুরী চলে যাওয়ার ১০ মিনিট পর।
হঠাৎ আবার গাড়ির ব্রেকের শব্দ।
কালো স্পোর্টস কার। দরজা খুলে নামলো একটা ছেলে।
ব্ল্যাক জ্যাকেট, চোখে ঠান্ডা হাসি, হাতে সিগারেট।
পুরা ক্যাম্পাস থেমে গেলো।
_স্টুডেন্ট:_ _"এটা তো অরণ্য... অরণ্য চৌধুরী!"_
_অরণ্য:_ সোজা রুদ্রের সামনে এসে দাঁড়ালো।
*"রুদ্র চৌধুরী। কতদিন পর দেখা।"*
_রুদ্র:_ চোখ সরু করলো।
*"অরণ্য। তুই এখানে কি করিস?"*
_অরণ্য:_ সিগারেটে টান দিয়ে ধোঁয়া ছাড়লো।
*_"খবর পাইলাম তুই নাকি একটা মেয়েকে পছন্দ করিস।
নাম কি? মায়া?"__
_রুদ্র:_ পকেট থেকে হাত বের করলো। গলার ভয়েস ঠান্ডা।
*"তোর কাজ কি অরণ্য?"*
_অরণ্য:_ হাসলো। একদম ডেভিল হাসি।
__"আমার একটা নিয়ম আছে রুদ্র।
তুই যেই জিনিস পছন্দ করিস...
আমি সেটা কেড়ে নেই।
সবসময়।"__
সিগারেট ফেলে পা দিয়ে পিষে দিলো।
_মায়া:_ দূর থেকে সব শুনতেছে। বুক কেঁপে উঠলো।
_দিভা: _"এই ছেলেটা কে মায়া? রুদ্র ভাইয়ের চেয়েও ভয়ংকর লাগে!"_
_মায়া:_ ফিসফিস করে, _"ও রুদ্রের শত্রু... অরণ্য..."_
_অরণ্য:_ যাওয়ার আগে মায়ার দিকে একবার তাকালো।
ঠোঁটে বাঁকা হাসি। তারপর বললো,
__"সুন্দর মাল তো। টেস্ট ভালো রুদ্র।
চিন্তা করিস না, আমি যত্ন নিবো।"_*
_রুদ্র:_ রেগে মুষ্টি শক্ত করলো। কিন্তু কিছু বললো না।
শুধু বিড়বিড় করে বললো, *"অরণ্য... ভুল জায়গায় হাত দিলি।"*
ক্যাম্পাসে আবার নীরবতা।