_রায়হান চৌধুরী:_ হসপিটালে একটা কথাও বললো না।
শুধু মায়ার হাত ধরে বললো, *"চল"*
মায়াকে নিয়ে সোজা গাড়িতে তুলে বাসায় চলে গেলো।
বাসায় ঢুকতেই _মায়ার মা:_ দৌড়ে এসে মেয়েকে জড়িয়ে ধরে কান্না।
_"আমার মা... কি হইছিলো তোর? কার সাহস হইছে?"_
_মায়া:_ মায়ের মাথায় হাত বুলায়ে দিলো।
_"আহ মা থামো তো। আমি ঠিক আছি।
আর কান্না করলে আমি আবার অসুস্থ হয়ে যাবো।"_
কিন্তু ভেতরে ভেতরে রুদ্রের জন্য বুক ফাঁকা লাগতেছে।
পুরা বাড়ি নীরব। সবাই ঘুমায়।
হঠাৎ জানালার গ্রিলে টোকা।
_মায়া:_ চমকে উঠে বসলো।
জানালা দিয়ে _রুদ্র:_ ভেতরে ঢুকলো। কালো টি-শার্ট, মুখে ২ দিনের দাড়ি, চোখের নিচে কালি।
_মায়া:_ ফিসফিস করে, _"আপনি এখানে কিভাবে আসলেন?
বাবা দেখে ফেলবে তো!"_
_রুদ্র:_ আস্তে করে মায়ার পাশে বসলো। হাত ধরলো।
__"কেউ দেখবে না জান বাচ্চা। আমি আছি তো।
সারাদিন তোকে না দেখে থাকতে পারি নাই।
ঘুম আসতেছিলো না।"__
_রুদ্র:_ মায়ার কপালে কিস করলো। তারপর গালে।
__"জান বাচ্চা
_মায়া:_ কান্না চেপে বললো, _"পাগল হয়ে গেছেন?
ধরা পড়লে বাবা আপনাকে মেরে ফেলবে।"_
_রুদ্র:_ মায়ার ঠোঁটে আঙুল দিলো।
__"শ... ধরা পড়লে পড়বো।
কিন্তু তোকে একটু না ছুঁয়ে থাকতে পারবো না।"__
তারপর আস্তে করে মায়াকে কিস করলো।
প্রথমে কপালে, তারপর দুই গালে, শেষে ঠোঁটে।
লম্বা, গভীর, আর পাগলের মতো কিস। যেন ২৪ ঘন্টার সব কষ্ট এই কিসে ঢেলে দিলো।
_মায়া:_ প্রথমে বাধা দিলো। তারপর নিজেই রুদ্রের শার্ট খামচে ধরলো।
_রুদ্র:_ ছেড়ে দিয়ে কপালে কপাল ঠেকালো।
__"আমাকে ভুলে যাস না। আমি তোকে ছাড়া বাঁচবো না।
খুব তাড়াতাড়ি তোকে এখান থেকে নিয়ে যাবো। প্রমিস।"__
হঠাৎ নিচে থেকে পায়ের শব্দ।
_রায়হান চৌধুরী:_ এর গলা, *"কে ওখানে?"*
_রুদ্র:_ সাথে সাথে জানালা দিয়ে চলে গেলো