(🔞 সতর্কবার্তা : এই গল্পে অতিরিক্ত রোমান্টিক দৃশ্য রয়েছে । যাদের ভালো না লাগবে স্কিপ করবেন । )
#Erotic_Romance
#Written_by_aiza_rahman
Episode : 04
অতিবাহিত হয়েছে সাতটি মাস। ছ-মাস আগেই জানা গেছে এমান প্রেগন্যান্ট। তার এখন ছ-মাস চলছে। আশ্চর্যকর ব্যাপার , রাফিদ এতো দিনে তাকে একটুও জ্বালাতন করে নি। একদম বুঝদারদের মতো কেয়ার করেছে।
বিছানায় বসে এসব ভাবনায় মশগুল ছিল এমান। কিছু একটার শব্দে তার তার ধ্যান ভাঙল। তাকিয়ে দেখলো রাফিদ দাঁড়িয়ে। তার শরীরে ধাক্কা লেগে ফুলদানি পড়ে গেছে।
এমান ভ্রু কুঁচকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি ফেললো রাফিদের উপর। ছেলেটাকে এলোমেলো লাগছে। পুরো শরীর ঘেমে একাকার! চুলগুলো এলোমেলো হয়ে কপালে লেপ্টে আছে। কোন কারণ ছাড়াই চোখ অসম্ভব লাল হয়ে আছে এমন নয় সে ড্রিংক করে! তবুও কেমন নেশাগ্রস্ত লাগছে তাকে।
রাফিদ এগিয়ে এলো! ধপ করে বসে পড়লো বিছানায়। এমান দ্রুত এগিয়ে গেল। গলা কপাল চেক করে শুধালো
—" কি হয়েছে এমন লাগছে কেন তোমাকে.? "
—" আই নিড ইয়্যু! "
এহেন সরাসরি কথায় থতমত খেয়ে গেল এমান। একই সঙ্গে অবাক ও হলো। নিজের পেটের দিকে তাকালো! ছ-মাসে বেশখানিকটা উঁচু হয়েছে। এই অবস্থায় কিভাবে? মাথা হ্যাং হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা হলো তার।
—" পাগল হয়ে গেছ তুমি? "
—" না জান! আমি সইতে পারছি নারে প্লিজ বোঝ একটু! "
ছটফট করতে করতে উচ্চারণ করলো রাফিদ। এমান কিছুক্ষণ ভেবে বলল
—" সমস্যা নেই! হাত তো আছেই! "
বলেই হাত বাড়িয়ে দিলে রাফিদ খপ করে ধরে ফেললো। অসহায় কন্ঠে বললো
—" ইঁদুর গ"র্ত খুঁজছে! "
—" গ"র্তই তো! কৃত্রিম নাকি রিয়েল এটা দিয়ে কি আসে যায়? "
—" প্লিজ জান! "
—" তুমি আমার অবস্থা দেখছো না? "
—" দেখছি কিন্তু সইতে পারছি না যে! "
রাফিদ অসহায় মুখ করে তাকিয়ে রইল। চোখ দুটো চাতক পাখির ন্যায় ছটফট করছে যেন অনুমতি পেলেই সে অবাধ্য হবে!
এমান তপ্ত শ্বাস ফেলে ফোন হাতে নিলো। লক খুলে এআই-কে জিজ্ঞেস করল। পরক্ষনেই একটু নিশ্চিন্ত হলো। তবে মনে আশংকা রয়েছে বটে।
তার চোখে শীতল ভাব দেখে রাফিদ যেন প্রাণ ফিরে পেল। ন্যানো সেকেন্ডের মধ্যে সে এমানকে বিছানায় শুইয়ে দিল। হাতজোড়া চলে গেল তুলতুলে বু-ব-স্ এ। মেয়েটা চোখ বুজে নিলো। ইনার না থাকায় বড্ডো সুবিধা হলো রাফিদের। সে হাত গলিয়ে দিল ঢিলেঢালা ফ্রকটির ভেতরে। দলাই মলাই করতে লাগলো বক্ষজোড়া।
কিছুক্ষণের মধ্যেই বস্ত্রহীন হয়ে গেল দুটি শরীর। রাফিদ উঠে দাঁড়ালো। এমানের পা তুলে নিলো কাঁধে। ঝুঁকে গেল ভ্যাজাইনার নিকট। নাক টেনে ঘ্রাণ নিলো সে! যেন কোটি বছরের সাধনার পর পেয়েছে সে। আস্তে করে ফু দিলো ভ্যাজাইনাতে। কেঁপে উঠলো এমানের সমস্ত কায়া। রাফিদ আর অপেক্ষা না করে জিভ ছোঁয়ালো ভ্যাজাইনাতে। লেহনে রুদ্ধশ্বাস হয়ে আসছে এমানের। খামচে ধরলো রাফিদের চুলের গোছা। ছটফট করে উঠলো সে। নিজেকে ছাড়াতে চাইলো তবে বলিষ্ঠ হাতের খবল থেকে ছাড়া পাওয়া কী এতোই সহজ? উহু! পেল না ছাড়া।
তরল পদার্থ বেড়িয়ে এলে সে ঠোঁট দ্বারা সবটুকু শুষে নিলো। অতঃপর উঠে এলো সে। ঘোর লাগা দৃষ্টিতে এমানের চোখের দিকে তাকালো। প্রশ্ন ছুঁড়লো
—" মে আই? "
এমান মাথা নেড়ে সম্মতি দিলো। রাফিদ প্রবেশ করলো অর্ধাঙ্গিনীর গভীরে। হাতজোড়া বক্ষে স্থির। কিছুক্ষণেই ঘেমে একাকার হয়ে গেল নরনারী। রুমে ভেসে বেড়াতে লাগলো অস্ফুট গোঙানির আওয়াজ।
[সমাপ্ত]