৩য় পর্ব
যেনো ব্যথা টা ও পেয়েছে সায়নীর থেকে,, সৌরভ তারাতাড়ি ফার্স্ট এইড বক্স এনে হাতে ছোলা স্থানে আলতোভাবে ওষুধ লাগাছে খুব যত্ন সহকারে,, আর সয়নী কে বলছে মন কোথায় থাকে দেখে হাঁটতে পারিস না। মাথায় উল্টো পাল্টে চিন্তা ঘরে সারাদিন তো কী হবে। সারাদিন লাফালাফি করা ছাড়া আর কোন কাজ নেই তোর? কী হলো কথা বলিস না কেন? সায়নী কী ভাবছে কে জানে। সায়নী হঠাৎ বলে উঠলো আমি নিচে যাচ্ছি , যেতে পারবি তে,,? হুমম পারবো বলে উঠতে গিয়ে আবার বলে উঠলো আঁউচ বলতে দেরি সৌরভের ধরতে দেরি হয় নি ওর হাত ,, তার পর আবার জিজ্ঞেস করলো কোথায় ব্যাথা পায়ছিস,, সায়নী চুপ রইলো, সৌরভ ধৈর্য হারা হয়ে বল্লো কী হলো বল,,, সায়নী কাঁপতে কাঁপতে বল্লো পায়ে, সৌরভ কোন প্রকার দ্বিধা ছাড়া প্যান্ট হাঁটু পর্যন্ত তুলে দেখ বে অনেকটাই ছুলে রক্ত বের হচ্ছে সৌরভ কোন কথা না বলে চুপ চাপ ওষুধ লাগাছে,, আর সায়নী ও চুপ করে আছে কিছু বলছে না। কিছু সময় পর সায়নী নিচে নামলো তার ৫ মিনিট পর সৌরভ নিচে নেমে বল্লো সায়নী রেডি হও সায়নী যানে আর বুঝে ও গেছে। এখানে না বলে লাভ নেই কোন ও তাই সায়নী একটা ড্রেস পরলো পারপেল কালারের আর ভিতর সাদা সুতার কাজ,, সাদা কালারের উড়না আর সাদা প্যান্ট, ঠোঁট হালকা লিপস্টিক, চখে হালকা কাজল,সাথে একটা ছোট্ট টিপ আর চুল গুলো ছেড়ে রাখছে, সব মিলে বেশ সুন্দরই লাগছে। সায়নী কে রুম থেকে বের হতে দেখে বাইক বের করছে সায়নী কে দেখে বল্লো,, তুই কী বিয়ে বাড়ি যাচ্ছিস,, সায়নী আবার ভ্যাবা চেঁকা খেয়ে গেলো হঠাৎ কথায়। তার পর বাইকে উঠ আর ধরে বস সায়নী আর ধরলো বা বাইক আস্তেই চলছে,, হঠাৎ করে বলে উঠলো কী হলো ধরে বস আবার বল্লে উঠলো তোর প্রেমিকে যে ভাবে ধরে বসিস ওইভাবে ধর,, সায়নী ভয়ে কথা টা মুখ দিয়ে বের হলো না যে আমার প্রেমিক এর বাইক ছিলো না,,, বাইক থামলো সোজা একটা ফুসকার দোকান এর সামনে বল্লো বস,, সায়নী চুপ চাপ ভিতরে যেয়ে বসলো কিছু সময় এর মধ্যে ৫ প্লেট ফুসকা দিয়ে গেল,,সায়নী তো তখন এমনি বলছিলো যে সে ৩/৪ প্লেট খাইতে পারে তাই বলে এত ফুসকা কী সায়নী খেতে পারবে ,, সায়নী বল্লো এত ফুসকা তো আমি খেতে পারবো না সৌরভ না তাকিয়ে ফোনের স্কল করতে করতে বল্লো যত গুলো পারিস তোতো গুলো খা। সায়নী আর কথা না বাড়ায় ২ টা ফুসকার পিক তুলে খাওয়া সুরু করলো,, চার পাশের লোক সায়নীর দিকে তাঁকিয়ে আছে এত ফুসকা একজনের জন্য দেখা,, সায়নী ডো সায়নীর মতো খেয়েই যাচ্ছে,, হঠাৎ সায়নী মুখে ফুসকার ডাল লেগে গেছে,, সৌরভ কথা না বাড়ি এক টিসু দিলো , সায়নী অনেক কষ্টে ৩ প্লেট শেষ করছে,, সৌরভ জলের বোতল খুলে দিলো বল্লো এনে সায়নী কথা না বলে সায়নী দিকে তাঁকিয়ে আছে, সৌরভের দিকে,, সৌরভ বল্লো হয়ছে দেখা দেখা হলে জলটা খেয়ে বেরহ। সায়নী বাইকের কাছে এসে দাঁড়ালো আর চার পাশে টা দেখছে । সৌরভ ফুসকার টাকা দিয়ে এসে বল্লো সর বলে বাইকে বসে বল্লো ওঠ। কী হলো হুম বলে উঠলো এবার আর সৌরভ এর ধরে বসার কথা বলতে হলো না । বাইক থামলো একটা ফুলের দোকানে সামনে,, বল্লো নাম সায়নী তো মহা খুশি কারণ ওর ফুল অনেক পছন্দ সায়নী নামে ফুলের দিকে চেঁয়ে রইলো,, সৌরভ বল্লো দোকানদার কে গোলাপ এর একটা বুকে করে দিতে আর সব ফুল দিয়ে একটা,,
চলমান