ফন্ট সাইজ:
থিম:
প্রেমের পাঁচফোড়ন ২

১ম পর্ব

লেখক: আফনান লারা

প্রেমের পাঁচফোড়ন💖

#সিজন_২

#সূচনা_পর্ব

#Writer_Afnan_Lara

🌸

কৃষ্ণ আইলা রাধার কুঞ্জে

ফুলে বাইলা ভোমরা

ময়ূর বেশেতে সাজুইন রাধিকা

চুয়া-চন্দন-ফুলের মালা

সখিগণে লইয়া আইলা

কৃষ্ণ দিলায় রাধার গলে

বাসর হইল উজালা

বাসর হইল উজালা গো

বাসর হইলো উজালা

ময়ূর বেশেতে সাজুইন রাধিকা♥

.

জাস্ট ওসাম!!!এই ভিউর সাথে গানটা গেয়ে জাস্ট ফাটিয়ে দিয়েছিস শান্ত!!

.

নওশাদ ঠিক বলেছে,মনটাই ভালো হয়ে গেছে

এব্রিওয়ান!! পুট ইউর হ্যান্ডস টুগেদার

.

গাইস অনেক হইছে!

এবার আমি যাই,এমনিতেও ভোরবেলায় জাস্ট তোমাদের জন্য আমি এই আড্ডাতে নাম দিয়েছি এবং এসেছিও,এবার আমি ঘুমোতে যাই,হ্যাভ ফান

.

শান্ত প্লিস আরেকটু থাক!

.

নো ওয়ে!

♣

আমি আর এই পৃথিবীতে থাকার যোগ্য না,আমি এই পৃথিবীতে আর বাঁচতে চাই না,এই জীবনের চেয়ে মরণ ভালো

পাহাড়ের উপরের ঘাসগুলো কেমন পিচ্ছিল হয়ে আছে ,বেছে বেছে চিম্বুক পাহাড়ের উপরে উঠসি এটা নাকি বান্দরবনের বিখ্যাত পাহাড়,লাফ দিলে নির্ঘাত মৃত্যু

আমার প্রচুর ভয় করছে কিন্তু নাহ আজ সুইসাইড করেই ছাড়বো

এই জীবন আর রাখবো না আমি

আহানা তোমাকে পারতেই হবে

কিন্তু এটা এতো পিচ্ছিল কেন এমনিতেও আমার সাহস কম তার উপর সুইসাইডের জায়গাটা এত ভয়ঙ্কর হলে কেমনে হয়,বাপরে বাপ!!!

.

আহানা পিছন ফিরে রোডের দিকে চলে গেলো

রোড শুকনা,এখান থেকে লাফ দিতে সহজ হবে,ভয় ও লাগবে না,এবার মরবোই মরবো,যে করেই হোক

আহানা চোখ বন্ধ করে বড় একটা শ্বাস নিয়ে আকাশের দিকে তাকালো

আল্লাহ মাফ করে দিও আমাকে,আমি বাধ্য হয়ে এমনটা করতেসি তুমি তো সব জানো,এবার যেন ঠিকঠাক ভাবে মরতে পারি

১!২!৩!!

.

আআআআআ!

.

এএএএএএই!

.

আহানা শান্তর জ্যাকেট টেনে ধরে চোখ বন্ধ করে আছে,এই নিয়ে কতবার যে সুইসাইড করতে চেয়েছে পারতেছেই না,ভয় ও করে আবার জীবন তাকে বাঁচতেও দেয় না,মরবে কি মরবে না সেটাই ঠিক করতে পারে না সে

আজ আবার বেঁচে গেলো

.

এই?বেঁচে আছেন নাকি মরে গেছেন,ইজ ইট ব্রেইন স্ট্রোক অর হার্ট এটাক?নাকি স্পট ডেড?কোনটা?

মরে গেছেন?না মরলে আমার বুক থেকে মাথা তুলুন নাহলে ধাক্কা মেরে সত্যি সত্যি পাহাড় থেকে ফেলে দিবো

.

আহানার হুস আসতেই শান্তকে ছেড়ে দূরে সরে গেলো সে

শান্ত হাত দিয়ে নিজের থুতনির কিনারায় থাকা চাপা দাঁড়ি ঘষে জ্যাকেটের কলার থেকে সানগ্লাস নিয়ে পরতে পরতে গালটা একটু বাঁকা করলো কিছুটা তাচ্ছিল্য করেই

তারপর আহানার পা থেকে মাথা পর্যন্ত একবার দেখে নিলো

.

চেহারা তো মাশাল্লাহ!! তো মরার শখ জাগছে কেন?তাও আমার সামনে,আপনাকে এখন না বাঁচালে আমার জাহান্নামেও জায়গা হতো না,কেন যে হাঁটার সময় এদিকে তাকাতে গেলাম আমি!আজব সাজব মানুষ থাকে বান্দরবনে

বান্দরবনের বান্দর একটা!

.

আহানা চুপ করে শান্তর মুখের দিকে তাকিয়ে আছে

শান্ত জ্যাকেটের চেইন টানতে টানতে কিছুদূর যেয়ে থেমে পিছন ফিরে আবারও তাকালো আহানার দিকে

.

নেক্সট টাইম মরার আগে এত সময় নষ্ট করবেন না,সোজা জায়গায় দাঁড়িয়ে এক লাফ দিবেন

স্টে এন্ড জাম্প,ওকে?এই যে এমন করে!

সোজা নিচে গিয়ে পড়বেন,চোখ খুলে দেখবেন আপনি মরে গেছেন,হাত এক জায়গায় মাথা আরেক জায়গায় পা তো কোথায় পড়বে বুঝতেই পারবেন না

.

আহানা মুখ বাঁকিয়ে বললো"আমি বান্দরবনের বান্দর না!আমি ঢাকাইয়া মাইয়া"

.

হোয়াটএভার!যেমন করে শিখাইলাম তেমন করে সুইসাইড করেন,১০০% মরবেন,গ্যারান্টি দিতে পারি

.

কথাটা বলে শান্ত মুখ বাঁকিয়ে চলে গেলো

আহানা শান্তর চলে যাওয়া দেখছে,তারপর পাহাড়ের নিচের দিকে তাকিয়ে বুকে থুথু দিয়ে নাউজুবিল্লাহ পড়তে পড়তে উল্টো পথে হেঁটে চলে গেলো

.

শান্ত হোটেলে ফিরে নিজের রুমে এসেই শুয়ে পড়েছে,খুব ঘুম পাচ্ছে তার,ভোরবেলা উঠা অনেক টাফ!আর শীতকাল হলে তো কথাই নেই,জাস্ট ভোরবেলার দৃশ্য দেখার জন্য নওশাদ রিয়াজ আর সূর্য মিলে আমাকে এত ভোরে উঠালো আবার গান ও গাইতে হবে,ঘুমের ঘোরে কি গান গাইছি কে জানে!

এখন ঘুম হবে কোনো কথা হবে না!

♣

ধুর!আজও সুইসাইড করা হলো না আর ঐ লোকটা যেভাবে করতে বললো আমার তো এখন আরও ভয় করছে,কি করবো!! কেমনে করবো!

.

এই আহানা!

.

কি?

.

তুই এত ভোরে কই গেসিলি??তোকে খুঁজতে খুঁজতে আমার জান বের হইয়া আইছিলো

.

আমি আসলে একটু ঘুরতে গেসিলাম

.

ম্যাম যদি জানে তুই টিমের সাথে না বেরিয়ে একা বের হয়েছিলি তো ধরে কেলানি দিতো

.

হুম,ম্যাম এখনও ঘুমায়,জানা আছে আমার

.

এখন চল ঘুমাবি,আমাকে না বলে বের হবি না,তোর আম্মু আমাকে বলছে তোকে দেখে রাখতে

.

মা ফোন দিয়েছিলো?

.

না,কেন তুই ফোন নেস নি সাথে করে

.

সুইসাইড করতে আবার কেউ ফোন নেয় নাকি

.

কিছু বললি?

.

না কিছু বলিনি,চল যাই

♣

এই শান্ত উঠ!আর কত ঘুমাবি?আরে আমরা এখন নাস্তা করে ঘুরতে বের হবো

.

তোরা যা আমি ৫মিনিটে আসতেসি

.

চল আমরা যাই

শান্তর ৫মিনিট মানে ২মিনিটেই রেডি হয়ে আমাদের আগেই রেস্টুরেন্ট পৌঁছাবে

.

হুম!

.

শান্ত ফ্রেশ হয়ে জ্যাকেট পরে বেরিয়ে পড়লো নওশাদ রিয়াজের সাথে,রেস্টুরেন্টে বসে রুটি মুখে দিতেই চোখে পড়লো ভোরবেলার সেই বান্দরবনের বান্দরটাকে

মানে আহানাকে

একটু দূরেই সে দাঁড়িয়ে আছে,তার আশেপাশে অনেকগুলো মেয়েও আছে

সে উঁকি দিয়ে পাহাড়ের নিচের দিকে তাকাচ্ছে বারবার,আবার মাথা উঁচু করে পাহাড়ের উপরেও তাকাচ্ছে

এখনও সুইসাইড করেনি??

এসব ভীতুর ডিম আবার সুইসাইডের ডিসিশান নেয়!এটা তো মেন্টাল রুগী,এরে পাবনায় ভর্তি করানো উচিত

.

কিরে শান্ত কি ভাবিস এতো?

.

নাথিং!

.

মাগো মা,সুইসাইডের অন্য পন্থা খুঁজতে হবে,পাহাড় থেকে লাফ দিলে যদি পা ভেঙ্গে যায় আর আমি না মরি?তাহলে সংসার চালাবে কে?

মরলে একেবারেই মরতে হবে আর না মরলে যেন হাত পা না ভাঙ্গে

এমন কিছু আছে যাতে সাথে সাথে মরা যাবে?

.

শান্ত!!জিপে উঠ

.

শান্ত আহানার দিকে তাকিয়ে দুষ্টুমির একটা হাসি দিয়ে জিপে উঠলো,আহানা এখনও শান্তকে দেখতে পায়নি সবার সাথে রেস্টুরেন্টে গেলো নাস্তা করতে

আহানাদের ভার্সিটি থেকে সবাই মিলে বান্দরবন এসেছে ঘুরতে,সব মেয়ে,ম্যাডাম ২জন আর স্যার ২জন ও এসেছেন সাথে

আর শান্ত আর তার কিছু ফ্রেন্ড একসাথে ঘুরতে এসেছে

♣

হ্যালো তাহসিন??মাকে গিয়ে দেখে আসছো?কি অবস্থা মায়ের?

.

স্যার,, ম্যাম ইজ ফাইন,আমি নার্সকে টাইমলি ঔষুধ দেওয়ার কথা বলে আসছি

.

ওকে,কোনো কিছুতে যাতে ভুল না হয়

.

স্যার ডোন্ট ওয়ারি

.

ওকে বাই!

.

গান ধর সবাই,কেমন নিরামিষ হয়ে আছিস তোরা ব্যাপার কি??জাঁতি ধরে ধরে গান গাওয়াইতে হয়, আর সয়ং শিল্পি আমাদের সাথে থাকার পরও সে গান করে না,শান্ত কিসের রাগারাগি তোর আমাদের সাথে?

.

রাগ নয় রিয়াজ!মায়ের জন্য চিন্তা হচ্ছে তার উপর তোরা ভোর বেলায় উঠিয়ে দিয়ে আমার মাথা ব্যাথা বাড়িয়ে দিয়েছিস

এখন গান গাওয়ার মুড নাই,তোরা গান কর

.

তা হচ্ছে না

আমরা টোন লাগাচ্ছি তুই গান গাইবি দরকার হলে আমরা তোর সাথে গলা মেলাবো

আর নওশাদ ইউটিউবের ব্লগটার কি হলো,আমরা জিপে উঠেছি ১০মিনিট হয়ে এসেছে আর তুই এখনও ক্যামেরা ধরলি না

.

আরেহ দেখ না আমাদের সাথে অনেকগুলো মেয়ের দলের জিপ ও আসতেছে মনে হয়

.

তোর জন্য আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে ভিউজ কমতেছে,ক্যামেরা দে বেয়াদ্দপ!আমি ভিডিও করবো তুই শান্তর সাথে গান ধরবি

.

ফাইন,আমার এই ভাঙ্গা গলায় তোর এই ভিডিওতে কত ভিউ আসে আমিও দেখবো

.

তোর কাউ কাউ কেটে শান্তর গানটা রাখবো আর তোর কাউ কাউর টোনটা যোগ করে দিব😎

.

রিয়াজ তোরে এখন আমি জিপ থেকে ধাক্কা মেরে ফালাইবো

.

এই তোরা থামবি?আমার মাথা ছিঁড়ে যাচ্ছে আর তোরা ক্যাঁচক্যাঁচ করেই যাচ্ছিস!

.

ওকে আই কোয়াইট!!রিয়াজ ভিডিও কর

.

ওকে!শান্ত গান ধর

.

!!.!!!.!!!

কৃষ্ণ প্রেমের প্রেমিক যারা

নাচে, গায়, খেলে তারা

কুল ও মানের ভয় রাখে না

ললিতা আর বিশু খা

ললিতা আর বিশু খা গো

ময়ূর বেশেতে সাজুইন রাধিকা

.

ওকে গাইজ আমরা এখন এসে পড়েছি "দেবতাখুমে"!!!

দেখো এখানে পানি আর পানি😱

.

লাইন এটা কেটে বল"দেখেন এখানে কত সুন্দর পানি!!"

তোর উল্টা পাল্টা ডায়ালগে মানুষ কমেন্ট সেকশানে ফানি কমেন্ট করে

.

শান্ত তুই আমারে ধর না হলে এই রিয়াজরে আজ আমি পানিতে চুবাবো

.

আমি বসে তোর চুবানি খাবো তাই না??

.

তোদের দুটোকে এখন আমি পানিতে চুবাই ধরেই রাখবো উঠাবো না আর!সারাদিন সাপ বেজির মতন ঝগড়াই করস তোরা!

.

"দেবতাখুমে"এসে জিপ থামলো অবশেষে,শান্ত জিপ থেকে নিচে পা রাখতেই দূরের কিছু মেয়ে জ্বলে উঠেছে

শান্ত বুঝতে পেরে মুচকি হেসে সানগ্লাস খুলতেই মেয়েগুলো এবার লাফিয়ে উঠলো

.

নওশাদ এরকম ঢুলিস না,মেয়েগুলো শান্তকে দেখে এরকম করতেসে

.

হ😒আমি তো ঢুলতেসি ঐ যে আরেক জিপে করে এক দল মেয়ে আসতেসে সেদিকে তাকিয়ে

.

শান্ত সানগ্লাসটা হাতে নিয়ে মেয়েগুলোর পাশ দিয়ে হেঁটে চলে গেলো

.

ইসসসসস!

.

ইস!

হাউ কিউট!!

.

শান্ত গায়ের জ্যাকেট খুলে ভেলার কাছে এসে দাঁড়ালো

চিকন বাঁশ দিয়ে তৈরি ভেলা,একটা ভেলায় কমপক্ষে ১২/১৩টা বাঁশ আটকানো হয়েছে,বাঁশগুলো রঙিন,ঘাড়ো হলুদ রঙের,কমলা রঙের ও আছে

দর্শনার্থীদের বসার জন্যই বাঁশগুলোকে সুন্দর করে সেট করানো হয়েছে

নৌকার চেয়েও ভেলাতে বসতে জোস একটা ফিলিং আসে

যাদের ইচ্ছা তারা ভেলায় বসবে আর যাদের ইচ্ছা নাই তারা নৌকায় বসবে

শান্ত নিচু হয়ে জিন্সটা হাত দিয়ে হাঁটুর নিচ পর্যন্ত উঠালো তারপর চশমাটা জ্যাকেটে ঢুকিয়ে জ্যাকেটটা কোমড়ে গিট্টু দিয়ে বেঁধে নিয়ে ভেলায় এসে বসে পড়লো

পা রাখতেই ভেলাটা প্রথমেই নড়েচড়ে উঠেছে,শান্ত মুচকি হেসে হাত দিয়ে পানি ছুঁয়ে দেখলো

নওশাদ ঢোক গিলে এক পা এগোচ্ছে তো ৩পা পিছাচ্ছে

রিয়াজ ওকে ধরে টেনে নিয়ে আসতেছে,তারপর ভয়টা কাটিয়ে শান্তর নৌকায় উঠে পড়েছে তারা

এবার হবে ভেলা ড্রাইভ👌

রেডি,স্টেডি,গো!!!!

দুপাশে পাহাড়,মাঝখানে সরু পানির পথ,একের পর এক ভেলা সেখান দিয়ে পার হয়ে যাচ্ছে

মনে হয় ট্রাফিক জ্যাম,জায়গাটা এত ফেমাস যে এখানেই দর্শনার্থীর সংখ্যা বেশি

শান্ত হাতে বাঁশ নিয়ে ভেলা বাইতে বাইতে এগোনো শুরু করে দিয়েছে

নওশাদের এবার বেশ লাগতেছে,এতই ভালো লাগতেছে যে সে বাঁশ দিয়ে পানি ডিঙাতে ডিঙাতে স্পীড বাড়িয়ে দিয়েছে ভেলার

শান্ত পিছন ফিরে বললো "তোরে সত্যি সত্যি এবার ফালাবো পানিতে"

.

সরি,এক্সাইটমেন্ট ধরে রাখতে পারলাম না

.

এক কাজ কর তুই চালা,আমরা বসে বসে মনোরম দৃশ্য দেখি,তোর এই এক্সাইটমেন্টের কারণে আমরা একটা ভেলা ড্রাইভার পেয়ে গেলাম

.

মেয়েগুলো ফোন বের করে ভিডিও করতেছে,বাসায় গিয়ে জুম করে বারবার দেখবে শান্তকে

আসলে তারা শান্তকে আরও আগেও দেখেছে,ইউটিউবে তাদের একটা চ্যানেল আছে যেখানে সাবস্ক্রাইবার অনেক বেশি,বলতে গেলে ফেমাস একটা চ্যানেল,সেই সূত্রেই কম বেশি অনেকেই শান্ত,নওশাদ আর রিয়াজকে চেনে

.

আহানাদের জিপ এসে সবে থামলো দেবতাখুমে,আহানা পানির দিকে তাকিয়ে ভাবলো এখানে পড়লে তো বেশি কষ্টের মৃত্যু হবে না তাই না?আর আমি তো সাঁতারও জানি না

হ্যাঁ সুযোগ বুঝে আরেকটা ট্রাই করতে হবে,একদম মাঝখানে গিয়ে লাফ দিয়ে দিব,তার জন্য একা একটা ভেলায় উঠতে হবে

চলবে♥

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ১ম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন