...ধ্নুবতারা.....
সবাই পেছনে তাকিয়ে দেখল তারা সোফার ওপর নিথর হয়ে পড়ে আছে। তার মানে জ্ঞান হারিয়েছে।
আদ্র তারা কে দেখে বলল,
" আচ্ছা জানবাচ্ছা কি আবার নাটক করছে? "
" না ভাইয়া তোমার উড়নচণ্ডী ড্রামাটিক বোন এবার আর নাটক করছে না সত্যি সত্যি সেন্স লেস হয়ে গেছে। ভয় পেও না পানি ছিটাও উঠে যাবে। জাষ্ট ফাকিং ড্রামা! আম্মু খাবার রেডি করো আমি ফ্রেশ হয়ে আসছি। "
শেষের কথাটা মায়ের উদ্দেশ্য করে বলল ধ্রুব। বলেই লাগেজ হাতে নিয়ে ধুপধাপ পা ফেলে ওপরে উঠে গেল।
এতোক্ষণে সবাই তারার জ্ঞান ফেরানোর কাজে লেগে পরেছিল।৷ আদ্র ধ্রুব' র চলে যাওয়ার দিকে তাকিয়ে দেখল তার পর তারার দিকে তাকাই। অনেক সময় হাসি আটকে রেখেছিল আদ্র। আর পারছে না আটকাতে। তাই বলল,
"আচ্ছা আমি যদি এখন একটু হাসি তাহলে কি আমার পাপ হবে? "
"না ভাইয়া তোমার পাপ হবে না তুমি হাস সাথে আমরাও হাসি। "
তরি আর তরু একসাথে বলল তার পর তারা দুজনেই হেসে ফেলল। বাড়ির সবার একই অবস্থা তারাও তার' র পাশে বসে একসাথে হেসে ফেলল।
এবার আসল ঘটনা খুলে বলি,
তারা' কে বাড়ির সবাই খুব ভালোবাসে। সকলের চোখের তারা হলো সুখতারা চৌধুরী। সবার খুব আদরের হওয়ায় তারা ছোট বেলা থেকে বড্ড দুষ্টু।
মানুষের গাছের আম জাম পেয়ারা লিচু এগুলোর একটা ভাগ তারার জন্য বরাদ্দ থাকে। তারার আবার বাজারের কেনা ফল বা নিজেদের গাছের ফল ভালো লাগে না। চুরির জিনিসের মজাই আলাদা।
তারা'র এই বাদরামো বাড়ির সবাই পছন্দ করলেও দুজন ব্যক্তি পছন্দ করে না। এক হলো তারা' র মা তারমিন চৌধুরি আর দুই হলো এই ধ্রুবনীর চৌধুরী। বাড়ির বাকি সদস্য বলেন ও বড় হলে ভালো হয়ে যাবে। কিন্তু এই মেয়ে বড় হবে কবে? বয়স তো ১৭ কিন্তু স্বভাব তো ৭ বছরের বাচ্চা দের মতো।
মা শাসন করে বলে মাকে পছন্দ করে না। মা বলে খুব কমই ডাকে। নানির বাচ্চা বেশি বলে। আর ধ্রুব! তার কথাই শুনতে অসহ্য লাগে।