ফন্ট সাইজ:
থিম:
সাইকো টাইম

১ম পর্ব

লেখক: রিয়াজ রাজ

#সাইকো_টাইম ( পর্ব-০১)

লেখক- #রিয়াজ_রাজ

রাত- ১২ঃ৪৮।

এক দম্পতি একে অপরের সাথে আলিঙ্গনে ব্যস্ত। রিয়াজ এবং মায়া।

ঠিক একি সময়, রিয়াজের বাড়ির নিচে ঘটে আরেকটা ঘটনা।

মাবিয়া নামক একটা মেয়ে রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছে। গ্রামীণ অফিসে কাজ করে। রাত প্রায় ১ টার কাছাকাছি। অফিসের একটা মিটিং এর জন্য,অনেকটাই দেরি হয়ে গেছে। তার উপর আবার এতো রাতে গাড়ি চলছেনা রাস্তায়। যা'ও গাড়ি পাবে,তার জন্য ২০ মিনিটের পথ হেটে যাওয়া লাগবে৷

কাধে ব্যাগ,আর শিং এর মতো জুতার খট খট শব্দে মাবিয়া হেটে যাচ্ছে। রিয়াজের বাড়ি পার করে একটা নির্জন পথের সামনে আসে। এই পথটা পার করতে পারলেই গাড়ি পাবে( রিক্সা বা CNG) ।

- হয়েছে তোমার?

- হুম।

ক্লান্ত হয়ে রিয়াজ শুয়ে পড়ে মায়ার উপর। দৃশ্য বদলায়।

সকাল-০৫ঃ১৬ মিনিট।

এলাকায় নামকরা বৃদ্ধ আরমান সাহেব। বয়স ৭৪ পার হয়ে গেছে। লাঠি হাতে নিয়ে মসজিদ থেকে ফিরে যাচ্ছে বাড়িতে৷ যদিও আরমান সাহেবের এক ওয়াক্ত নামাজও মিস হয় না। আজকেও তিনি ভোর রাতে উঠে নামাজে যায়। কিন্তু আজ উনার সাথে একটা অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটে ।মসজিদে ঢুকার আগে তার বন্ধু সিদ্দিক হোসেন বলে," তোর জুতা থেকে লাল রঙ ছড়াচ্ছে কেনো৷ "। আরমান সাহেব জুতার দিকে তাকিয়ে দেখে,সত্যি সত্যি উনার পা টা লাল রঙ্গে ভিজা৷ ব্যাপারটা অস্বাভাবিক হলেও,নামাজের সময় হয়ে গেছে। তাই ভালো খেয়াল করেনি।

নামাজ শেষে উনি বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা করে৷ কিছুদূর হেটে এসে উনি উপস্থিত হয় সেই নির্জন রাস্তার উপর। যাওয়ার সময় অন্ধকার ছিলো,তাই ভালো খেয়াল করতে পারেনি। কিন্তু এখন আরমান সাহেবের চোখে স্পষ্ট লেগে যায়।পুরো রাস্তায় যেনো লাল রঙ্গে ছড়িয়ে ছিটকে পড়া৷ আরমান সাহেবের বুকের ধুকপুকানি বেড়ে যায়৷ উনি লাল রঙ্গের কাছাকাছি এসে খেয়াল করে,এইটা কোনো লাল রঙ নয়। এটি রক্ত। উনি বিচলিত হয়ে রক্তের সারি ফলো করতে করতে,ডাস্টবিনের কাছাকাছি এসে দাঁড়ায়। আর এখানে এসে উনি দেখতে পায়,একটা মেয়ের মাথা ( দেহ ছাড়া শুধু মাথা) পড়ে আছে। আরমান সাহেব এমন দৃশ্য দেখে আর এক মুহুর্তও টিকতে পারেনি। জোরে এক চিৎকার দেয়।এবং সেখানেই জ্ঞান হারায়।

" এই রিয়াজ উঠো। রিয়াজ রিয়াজ"।

রিয়াজ লাফ মেরে উঠে মায়ার ডাকে।মায়া কখন উঠে গোসল করে নিয়েছে টেরও পেলো না রিয়াজ। আবার পড়েছে শাড়ি। রিয়াজ লোভনীয় চাহনিতে মায়ার দিকে তাকালেও,মায়া আতঙ্কিত হয়ে বলে," সামনের রাস্তায় একটা খুন হয়েছে। জলদি উঠো"। রিয়াজ খুনের কথা শুনেই বুকে হাত দিয়ে বসে৷ রক্ত,কাটাছেঁড়া, খুন,মারামারি। এসব সচারাচর রিয়াজ ভয় পায়। আর যত পারে এসব থেকে নিজেকে আলাদা রাখে। সকাল সকাল মায়ার মুখে খুনের কথা শুনে রিয়াজ লাফ মেরে উঠে। মায়া আবার বলল," তাড়াতাড়ি গিয়ে দেখে আসো। মেয়েটা আমাদের পরিচিত, মাবিয়া "।

এইবার আপনারা শুনে রাখুন কেমন পরিচিত।রিয়াজের ছোট একটা মেয়ে আছে। মাত্র ৬ বছরের।নাম রিমা। একদিন বল নিয়ে খেলতে খেলতে রিমা বাড়ির বাহিরে,অর্থাৎ রাস্তায় চলে আসে। যদিও রাস্তায় গাড়ি ছিলো না,কিন্তু মাবিয়া সেদিন পথটা বেয়ে আসছিলো। রিমাকে দেখে মাবিয়া রিমাকে কোলে নেয়। এরপর রিয়াজদের বাড়িতে এসে,মায়ার কাছে দিয়ে আসে। যদি রাস্তায় কোনো গাড়ির নিচে পড়ে এই ভেবে। সেদিন মায়া মাবিয়াকে ধন্যবাদ জানালেও,অনেক জোর করে বাড়িতে নাস্তা খেয়ে যাওয়ার জন্য। মাবিয়া জানায়,সামনের গ্রামীন অফিসেই সে জব করে।একদিন সময় করে এসে খেয়ে নিবে। সেদিন তো মাবিয়া চলেই যায়,কিন্তু এর কিছুদিন পর মাবিয়া নিজেই রিয়াজদের বাড়িতে আসে। সেদিন রিয়াজের সাথেও মাবিয়ার পরিচয় হয়। আর এইভাবে রিয়াজদের বাসায় মাবিয়া ভালো একটা সম্পর্ক পায়। সেদিন থেকেই মাবিয়া সময় পেলেই,রিয়াজদের বাড়িতে এসে রিমা এবং মায়ার সাথে সময় কাটাতো।

তো মায়ার মুখে মাবিয়ার নাম শুনেই রিয়াজ বিছানা থেকে লাফ মেরে উঠে। এরপর টাওজার এবং গেঞ্জিটা পড়েই রিয়াজ বাসার নিচে নেমে আসে। দেখে,দূরে নির্জন রাস্তার মধ্যে অনেক মানুষ ভিড় জমিয়ে আছে। রিয়াজ দৌড়ে সেই নির্জন রাস্তায় যায়। আশেপাশের লোকজন বলাবলি করছে," কি নিঃসংশ ভাবে হত্যা করলো মেয়েটিকে"। আবার অন্যজন বলে," ইসস, মেয়েটাকে প্রতিদিন দেখতাম এই পথ বেয়ে অফিসে যেতে। কি হয়ে গেলো মেয়েটির"। এরকম একেকজন একেক কথা বলে যাচ্ছে। রিয়াজ কোনোভাবে ভিড় ঠেলে ভিতরে যায়। আর দেখে,মাবিয়ার মাথাটা ডাস্টবিনের কর্নারে পড়ে আছে। শুধু মাথাটা ছাড়া বাকি বডির পার্ট সেখানে নেই। রিয়াজ এমনিতেও কাটাছেঁড়া দেখতে পারেনা। আর এখানে তো পরিচিত ব্যাক্তির কাটা মাথা পড়ে আছে। রিয়াজের চোখ ঝাপসা হতে থাকে। চারপাশে চক্কর দিতে লাগলো। আর সেখানেই জ্ঞান হারায় রিয়াজ।

এদিকে ঘটনাস্থলে পুলিশ চলে আসে। মানুষজনকে সরিয়ে তারা লাশের, অর্থাৎ শুধু কাটা মাথাটার চারপাশে দেখতে লাগলো। খুনির কোনো চিহ্ন খুজছে হয়তো। রিয়াজকে জ্ঞান হারা দেখে পুলিশের একজন কর্মকর্তা রিয়াজকে এম্বুল্যান্সে উঠিয়ে দেয়। সাথে মায়া'ও ছিলো। cbi,fbi এর লোকজন এসে ভিড় করে ফেলে সেখানেই।

পাশে বসে আছে মায়া,রিয়াজের ৬ বছরের মেয়ে রিমা এবং রিয়াজের পরিবার। মায়া মাবিয়ার জন্য কান্না করছে।রিয়াজ মায়াকে জড়িয়ে ধরে শান্তনা দিচ্ছে। এদিকে হটাৎ রিয়াজের ছোট ভাই ফাহিম এসে খবর দেয়," ভাইয়া।মাবিয়া আপুর বাকি বডি পাওয়া গেছে"। কথাটা বলেই ফাহিম ফোন রিয়াজের হাতে দেয়। সোস্যাল মিডিয়ায় মাবিয়ার দেহটা ভাইরাল। সম্পূর্ণ উলঙ্গ পড়ে আছে একটা নদীর কিনারায়৷ শরীরে প্রচুর আঘাতের চিহ্ন। যেনো কেও ছুরি দিয়ে নির্মম ভাবে ওর দেহটাকে কুপিয়েছে। উলঙ্গ ক্ষতবিক্ষত মাথা ছাড়া দেহটার নিউজ ছড়িয়ে পড়েছে। অর্থাৎ মাবিয়ার মাথা এক স্থানে,আর বাকি বডি অন্যস্থানে। অনেক ভয়ংকর খুন। ব্যাপারটা মোটেও স্বাভাবিক নয়।

বিকেল-০৪ টা।

বাড়ির ড্রইংরুমে বসে আছে সবাই।রিয়াজের বন্ধু সুফিয়ান পুলিশ ডিপার্টমেন্টের একজন সদস্য। আর এই কেস টা তার উপরেই দেওয়া হয়েছে৷ রিয়াজ সুফিয়ানের কাছে কল দিয়ে বিষয়টার সম্মন্ধে তথ্য জানতে চাইলে,সুফিয়ান বলে," খুনি যেই হোক। তার মনে দয়া বলতে কিছু নেই। অনেক নিকৃষ্টভাবে খুন করেছে। হয়তো মাবিয়ার কোনো পুরোনো শত্রু। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট হাতে না আসা অব্দি কিছু বলতে পারছিনা। দেখি কোনো ক্লু পাওয়া যায় কিনা"। রিয়াজ কলটা কেটে দিয়ে মায়াকে বলে," আজ থেকে সবাই সাবধানে চলাফেরা করো। বাহিরের অবস্থা স্বাভাবিক না। "। পাশেই দাড়িয়ে আছে পরিবারের সবাই। রিয়াজের বাবা বলে,

- তোর চাকরির বিষয়ে কি হলো।

- ইন্টারভিউ তো দিয়ে যাচ্ছি। কোথাও ডাকছে না।

- আগের চাকরিটা কেন ছাড়লি বুঝা আমাকে। এইভাবে আর কতদিন। আমার ব্যাবসাটাও দিন দিন লসে যাচ্ছে। তুই চাকরি না খুজেও তো আমার ব্যাবসাটা ধরতে পারিস।

- তোমাকে আমি কতবার বলেছি আব্বু? তোমার মুরগীর ব্যাবসা আমি করতে পারবো না। ফাহিমকে দাও।পারলে আমাকে অন্য ব্যাবসা ধরিয়ে দাও। নয়তো আমার মতো চাকরি খুজতে দাও।

- আমার বয়স হয়েছে। এখন হাতে তেমন টাকা থাকলে তো তোকে ব্যাবসা ধরিয়ে দিবো। এইভাবে বাসায় বসিয়ে খাচ্ছিস আমার। তোর বউ বাচ্চাকেও তো আমার পালতে হচ্ছে। আমিও আর পারছি না।

- আমাকে বোঝা মনে হচ্ছে নাকি তোমার। ওরকম হলে বলে দাও,আমি নিজেই বাড়ি থেকে বের হয়ে যাই।

কথাটা বলে রিয়াজ রাগে হনহন করে উঠে যায়৷ আর চলে যায় নিজের রুমে। রিমা তার দাদু আর বাবার ঝগড়া দেখে মায়াকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে আছে। রিয়াজের মা পিছন থেকে বলে উঠে," দিলে তো ছেলেটার রাগ তুলে। আরো কিছুদিন সময় তো দাও তাকে। আগের অফিসে ভালো বেতন নেই বলেই তো চাকরি ছেড়েছে। এখন ইন্টারভিউ দিচ্ছে তো। ওর মতো ওকে করতে দাও"। রিয়াজের বাবা মুখ ঘোমরা করে বলে," তোমরাই তাকে প্রশ্রয় দিচ্ছো। "।

যাক,একটা ফ্যামিলিতে পার্সোনাল এসব সমস্যা থাকেই। যদিও যেরকম সিরিয়াস আপনি ভাবছেন। ঘটনা ওত সিরিয়াস না। রাত হলেই রিয়াজের বাবা খাওয়ার জন্য রিয়াজকে টেনে আনবে। মানে এসব ঝগড়ার কোনো ভিত্তি নাই। এই ভালো,তো এই খারাপ।

অন্যদিকে জাহাঙ্গীর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া ছাত্রী নওরিন। প্রতিদিনের মতো আজকেও বান্ধুবিদের জন্য রান্না বসিয়েছে। গ্রামের বাড়ি বরিশাল। সাভার নিউ মার্কেট সংলগ্ন গলিতে ফুফুর বাসা। এখানে থেকে ভার্সিটিতে পড়তো। কিন্তু ফুফুর কাছে বোঝা হয়ে যাওয়ায়, ভার্সিটির পাশে হোস্টেলে থাকে। রুমে ওরা ৪ জন। ফারহানা,মিম,আয়েশা এবং নওরিন। এর মধ্যে অলসের ঘরের অলস নওরিন ছাড়া বাকি ৩জন। সব সময় নওরিনকেই কাজের অর্ডার দেয়৷ নওরিনও কিছু বলেনা,পড়াশুনার পাশাপাশি বান্ধুবিদের নিয়ে সময় পার করে। অলস হলেও,ওরা ৪ জন একে অপরের খুব কাছের৷ বাকি ৩ জন নওরিনকে কখনোই ছোট করে দেখেনা৷ অর্থাৎ ৪ জনই বেষ্টু নামক শব্দে অবধ্য। শুধুমাত্র নওরিন ছাড়া ওরা তিনজন একটু নয়,পুরো অলস। আর নওরিনও যে এতে বিরক্ত তা নয়। সে নিজেই রান্নাঘরে দৌড় দেয়৷ কাজ না করলে নাকি ওর শরীর চলেনা।

ফারহানা, মিম আর আয়েশা রুমে বসে টিকটক বানাচ্ছে। নওরিন রান্না করছে,এর মধ্যেই নওরিনের প্রান্তন প্রেমিক কল দেয় নওরিন কে। ফোনের স্ক্রিনে নাম্বার দেখে নওরিনের বুক চিনচিন করে উঠে। ছেলেটাকে নওরিন অনেকটাই ভালোবাসতো। আজও বাসে। কিন্তু ছেলেটা ঠকবাজ। মানে বুঝেছেন তো। গর্ত লোভী। এক গর্ত ছেড়ে অন্য গর্তের গন্তব্যে ছুটাছুটি করে। নওরিন ফোনটা রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে ছেলেটি বলে," নওরিন। কল কেটো না। আমি ভালো হয়ে গেছি। প্লিজ,আমার লাইফে ফিরে এসো। আমি তোমাকে চাই নওরিন"।

নওরিনের চোখে কান্নার ভাব। সে ঝাড়ি মেরে বলে," তুই কোন সাহসে আমাকে কল দিয়েছিস৷ কত মেয়ের জীবন নষ্ট করবি তুই"। হটাৎ জোরে কথা বলায় নওরিন বুঝেছে,তার কন্ঠ রুমে চলে যাচ্ছে। বান্ধুবিদের শুনাতে চায়না নওরিন। তাই সিড়ি বেয়ে নিচে নামতে নামতে নওরিন বলে,

- কি না করেছি আমি তোর জন্য। তুই আমাকে রুমে ঢুকিয়ে কুকুরের মতো ছিড়ে খেয়েছিস। তবুও কিছু বলিনি। ভেবেছি তুই আমাকে সত্যিই ভালোবাসিস৷ কিন্তু তুই তো একটা জানোয়ার৷ বিকেলে আমায় বিদায় দিয়েই রাতে সামিয়ার সাথে রাত কাটাইলি।কোন মুখে কল দিচ্ছিস তুই।

- নওরিন প্লিজ বুঝার ট্রাই করো।আমি সত্যিই ভালো হয়ে গেছি। আমি তোমাকে ছাড়া আর কারো দিকে চোখ দিবো না। প্রমিজ।

- আর কত মিথ্যে আশা দিবি। নিশ্চয়ই এখন তোর খাবার নেই তাই আমাকে খাবার বানাচ্ছিস তাই না? আমাকে আবার খেয়ে ছেড়ে দেওয়ার প্ল্যান তোর তাই তো?

- নওরিন।এইভাবে কেন বলো। সত্যিই আমি তোমাকে চাই।

- তোর কথা বিশ্বাস করার মতো তুই একটাও কারণ রেখেছিস কি?

- ধুরর বা*ল। তোরে চো*দ*র টাইম আছে নাকি। ভাবলাম তোকে আবার খাবো। কিন্তু তুই ভালোবাসা ভালোবাসা করে মরে যাচ্ছিস।

- ভাগ্য ভালো। আমি আর একবার তোর রিকুয়েষ্ট শুনলে হয়তো রাজি হয়ে যেতাম। তার আগেই তোর মুখোশ বেরিয়ে এলো।

- কিহ! আচ্ছা শুনো। আমি রাগে বলেছি ওটা। আই লাভ ইয়ু।

- কু*ত্তার বাচ্চা তুই কল দিবিনা আর আমাকে।

ফোনটা এক আছাড় মেরে দুই টুকরো করে ফেলে নওরিন। খেয়াল করে দেখে,কথা বলতে বলতে নওরিন রাস্তায় এসে গেছে। এদিকে কষ্টে নওরিন রাস্তায় হাটু গেড়ে বসে কান্না করতে থাকে।

ব্রেকিং নিউজ- জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী নওরিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয় একটি পচা খালের মধ্যে। বডি থেকে মাথা আলাদা করে নিয়ে নেয় খুনি। বডির মাথা পাওয়া যায় পচা খাল থেকে ৪ কিলোমিটার দূরে একটা ডাস্টবিনে।আর মাথা ছাড়া বডি পচাখালে।

চলবে............

[ গল্পের প্রতিটি পয়েন্ট মূলক প্রশ্ন কি কি,বা কোথায় কেমন উপভোগ করলেন।তা কমেন্টে জানান,]

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ১ম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন