গল্প- #সাইকো_টাইম ( পর্ব-০৪)
লেখক- #রিয়াজ_রাজ
--------------------------
খুশির দেহে এখন চিল্লানির মতোও শক্তি নেই। আর এমন অবস্থায় লোকটা গ্যাসের চুলার উপর থেকে সেই লোহার দন্ডটা তুলে নিয়ে আসে। আর গরম লোহার দিকটা সোজা ঢুকিয়ে দেয় খুশির যৌনিপথে। এইটাই ছিলো খুশির শেষ চিৎকার। লোহাটা যৌনিতে ঢুকানোর ৩ সেকেন্ডের মাথায়, লোকটা কুড়াল নিয়ে খুশির বুকে( স্তনে) দুইটা কোপ মারে। সাথে সাথে খুশির স্তন থেকে রক্ত ঝরতে লাগলো। বুকে কোপ দেওয়ার পর লোকটা খুশির গলায় ঘ্যাচাং ঘ্যাঁচ কুপিয়ে মাথাটা ফেলে দেয়।
অন্যদিকে রিয়াজ ঘুমের ঘোরে উঠে বসে বিছানায়। মায়া ব্যালকনিতে বসে চুল শুকাচ্ছে। চোখ কচলানোর মাঝে রিয়াজের চোখ যায় বারান্দায়। আর দেখে, মায়া ব্যালকনির চেয়ারে বসে চুল শুকাচ্ছে ( এই চেয়ারে হেলান দেওয়ার মত কিছু নেই৷ তাই পিঠ দেখা যাচ্ছে) । রিয়াজ দুই হাত বিছানায় রেখে মায়ার পিঠে চোখ বুলিয়ে দেয়। বসার কারণে শাড়ির ভাজটা কোমরের একটু নিচে নেমে আসে৷ ব্লাউজের লাল রঙটা যেনো দৃষ্টি কেড়ে নিচ্ছে রিয়াজের। শাড়ির ভাজটা পিঠে নেই। মায়া এক সাইডে চুল মেলে,বাতাসে চুল শুকাচ্ছে। রিয়াজ ধীরে ধীরে বিছানা থেকে নামে। ফ্লোরে আস্তে করে পা টা নামিয়ে,ধীরে ধীরে মায়ার দিকে এগিয়ে আসে৷ এবং চোরের মত এসে মায়ার পিঠেই স্পর্শ করবে,এমন সময় রিয়াজের ফোনে কল আসে ( ফোন টেবিলের উপর)। ফোনের শব্দ শুনতেই মায়া পিছনে তাকায়। রিয়াজ মায়ার দিকে তাকিয়ে ধীর স্বরে বলে," কল আসার আর সময় পেলো না"।
মায়া কিছুই বুঝলো না। ভ্যাবাচেকা খেয়ে তাকিয়ে আছে। রিয়াজ আবার টেবিলের কাছে গিয়ে ফোনটা হাতে নেয়। এরপর স্ক্রিনে তাকিয়ে দেখে সুফিয়ান কল দিয়েছে। রিয়াজ কলটা রিসিভ করে।অপর প্রান্ত থেকে সুফিয়ান বলে,
- রিয়াজ। খুনি সাধারণ কোনো খুনি নয়।আমাদের আগেই সে ভেবে নিয়েছে আমরা কি করবো।
- মানে? বুঝিয়ে বল।
- মসজিদের সিসি টিভি ফুটেজ চেক দিলাম। খুনি বাইকটা নিয়ে সোজা মসজিদের সামনে আসে। এবং সেখান থেকে নেমে একটা গাড়িতে উঠে চলে যায়।
- বাইক কোথায়।
- বাইক এখনো মসজিদের পাশে।
- তারমানে এইটা খুনির বাইক না।
- হ্যাঁ, আর তারচেয়ে বড় কথা হচ্ছে,বাইকের মালিক ২ বছর আগে মৃত্যু বরণ করেছে। আর যে মাইক্রো এসেছিলো। সেটির নাম্বার ঢাকা খ- ২৬৯৩।
- মালিক নিশ্চয়ই ২ বছর আগে মরেছে।
- হ্যাঁ, কিন্তু ২ বছর না। ১ বছর আগে মরেছে।
- মাইক্রো ওটা পেয়েছিস?
- পেয়েছি। বৌ বাজারের একটা দোকানের সামনে। দোকানদার নিজেই থানায় কল দিয়ে বলে একটা গাড়ি তার দোকানের সামনে কেও রেখে চলে গেছে। আর সেই গাড়িতে অনেক রক্ত।
- সেই দোকানের সিসি টিভি ফুটেজ চেক দে।দেখ সে নেমে কোথায় গেছে।
- চেক করেছি।
- কি দেখলি।
- এখানে সিসি টিভি ক্যামেরাই নাই।
- তো দেখেছিস কি।
- এইটাই দেখেছি, যে ক্যামেরা নেই।
- আশেপাশের দোকানেও কোনো সিসি টিভি ক্যামেরা নেই?
- না। খুনি খুব চালাকির সাথেই গাড়িটা এখানে রেখেছে। যাতে আমরা তাকে খুজে না পাই।
- অর্থাৎ খুনি এইটাও জানতো আমরা মসজিদের সিসি টিভি ক্যামেরা চেক দিবো। আর সেখান থেকে তাকে খুজতে চাইবো। সেইজন্য খুনি নিজেই বাইকটা মসজিদের সামনে রেখে দিয়েছে।
- এখন উপায়?
- যার বাইক, সে তো ২ বছর আগে মারা গেছে। কিন্তু বাইকটা এখন চালায় কে। তাকে জিজ্ঞেস কর বাইক কখন কিভাবে কোথা থেকে চুরি হয়েছে।
- ঠিক আছে।
কলটা কেটে রিয়াজ বিছানায় বসে৷ মায়া রিয়াজের কাছে এসে বসে। এরপর বলে,
- আপনি এসব নিয়ে আবার কেন জড়াচ্ছেন। আপনি কি সব ভুলে গেছেন?
( মায়ার কথা শুনে রিয়াজ আবার একটা দীর্ঘ শ্বাস নেয়। এরপর বলে)
- কিছুই ভুলিনি।
- তাহলে কেনো এসব নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছেন। আপনাকে কিছু করতে হবেনা। যান ফ্রেশ হয়ে আসুন।
- আচ্ছা মায়া, যদি আমার কিছু হয়ে যায়। তুমি কি খুব কষ্ট পাবে?
কথাটা শুনেই মায়া ভ্যানভ্যান করে কান্না করে দেয়। রিয়াজ সামলাতে যাচ্ছিলো,তখনি মায়া রিয়াজকে জড়িয়ে ধরে। রিয়াজ আবারো মনে মনে ভাবে," আমি এই পরিবারকে আবার হারাতে পারবো না"।
অন্যদিকে সুফিয়ান যায় সেই বাইক মালিকদের বাসায়৷ ইয়া বড় বাড়ি৷ ধনী কোনো ব্যাক্তি। সুফিয়ান পুলিশ ফোর্স নিয়ে ভিতরেই যাবে,তখনি দেখে বাড়ির সাবাই উল্টো বের হচ্ছে। মানে তারা কোথায় যেনো যাচ্ছে। সুফিয়ান তাদের দাড় করাবার আগেই,তারা গাড়ি থেকে নেমে দৌড়ে সুফিয়ানের কাছে আসে। সেখানে একটা বৃদ্ধলোক হাত জোড় করে বলতে শুরু করে," স্যার, আমার মেয়ে খুশি গতকাল রাত থেকে নিখোঁজ। আমরা থানাতেই যাচ্ছিল..."। বৃদ্ধ কথাটা আর শেষ করেনি। এতক্ষণ উত্তেজনার বশে তিনি চিন্তাও করেনি পুলিশ তাদের বাড়ি কেনো এসেছে। বৃদ্ধ এইবার ভয়ের স্বরে জিজ্ঞেস করে," স্যাস স্যাস স্যার, আপনারা আমাদের বাড়িতে? আমার মেয়ে কোথায় স্যার? তার কিছু হয়েছে কি?"। সুফিয়ান ঠান্ডা মাথায় বলে,
- দেখুন,আমরা আপনার মেয়ে খুশির বিষয়ে নয়,এই বাইকের সম্পর্কে জানতে এসেছি।( বলেই বৃদ্ধ লোককে বাইকটা দেখায়। বৃদ্ধ বাইকটা দেখেই অবাক হয়। চোখ বড় হয়ে যায় উনার। উনি ভয়ের স্বরে আবার বলে
- স্যার, এই বাইক আপনি পেয়েছেন কোথায়।
- প্রশ্ন আমি আপনাকে করেছি। এই বাইকটা কার।আর এইটা এখন চালায় কে। দ্বিতীয়ত আপনি বাইকটা দেখে অবাক হচ্ছেন কেনো? বাইকটা তো আপনাদেরই।
- স্যার এইটা আমার বড় মেয়ের জামাইর বাইক। ২ বছর আগে সে মারা গেছে। তাই তার গাড়িটা গ্যারেজেই রাখা ছিলো। কিন্তু এইটা তো ভাঙ্গাচুরা ছিলো। এমন অবস্থা হয়েছে, যা চালানোর মত ছিলো না।এখন এতো নতুন দেখাচ্ছে যে চেনাই যাচ্ছে না।
- ধরা খেয়ে গেলেন।
- মানে?
- চেনাই যদি না যায়,তবে আপনি বাইকটা ছিনলেন কিভাবে?
- বাইকের চাকায় খেয়াল করুন। এই চাকা আমি লন্ডন থেকে বানিয়ে এনেছিলাম। চাকায় তাকিয়ে দেখুন এখানে এখনো আমার নাম আছে।
সুফিয়ান বাইকের চাকায় তাকিয়ে দেখে,সত্যি ওখানে ইংলিশে লেখা আছে K.Billa ( খান বিল্লা উনার নাম)। সুফিয়ান কিছুই বুঝেনা,তৎক্ষনাৎ সুফিয়ানের নাম্বারে একটা কল আসে। সুফিয়ান তাড়াহুড়ো করে কল রিসিভ করতেই,ওপাশ থেকে বলে," শহরের বাহিরে গাজীপুর টর্নেল ব্রিজের উপর একটা লাশ পাওয়া গেছে। লাশের বডি আছে শুধু, মাথা নেই।এবং লাশের গায়ে কোন জামা কাপড়ও নেই। বস্তায় ভরে ব্রিজের উপরে ফেলে গেছে। আর সাথে একটা পলিথিন আছে।সেখানে মেয়ের জামাকাপড় আর কলেজ লাইসেন্স আছে।"। সুফিয়ান ঘাবড়ে গিয়ে বলে,
- লাইসেন্সে মেয়ের নাম কি।
- স্যার " খুশি মন্ডল"।
দৃশ্য বদলায়....
এদিকে সেই বন্ধ রুম। সাদিয়া চোখ মেলে দেখে, অদ্ভুত একটা খাটে সাদিয়াকে বেধে রেখেছে কেও। হাত, পা শিকল দিয়ে বিছানার খুটির সাথে আটকানো। খাট হচ্ছে লোহার। রোগীদের খাটের মতো। সাদিয়া চারপাশে তাকিয়ে দেখে, রুমের প্রতিটি দেয়ালে রক্ত আর রক্ত। উপরে নিম নিম করে একটা লাইট জ্বলছে।সাদিয়া কিছুই বুঝতে পারেনা। হাত পা নাড়িয়ে ছুটার চেষ্টা করে, কিন্তু শিকল তো আর এইভাবে ছেড়া যায় না। ঠিক সেই মুহুর্তে কেও দরজা খোলে। সাদিয়া স্তব্ধ হয়ে যায়। দরজার দিকে মাথা ঘুরিয়ে দেখে,হেলমেট আর কালো জ্যাকেট পড়া একটা লোক।হাতে ছোট একটি বক্স নিয়ে রুমের ভিতরে প্রবেশ করে। সাদিয়া তার দিকে তাকিয়ে আছে। লোকটা রুমে ঢুকে ফ্লোরে বক্সটা রাখে। এরপর আবার গিয়ে দরজা বন্ধ করে। সাদিয়া লোকটাকে বলে," হ্যালো। আপনি কি আমাকে চিনেন? "। লোকটা কথা না বলে বক্সটা খোলে। সাদিয়া অবাক হয়ে লোকটার কান্ড দেখছে। লোকটা বক্স খুলেই একটা কেচি বের করে। সাদিয়া এইবার পুরোপুরি ভয় পেয়ে যায়। লোকটা কেচি নিয়ে সাদিয়ার দিকে আসে। সাদিয়া ভয়ে চিৎকার করে বলতে থাকে," ভাই কি করছেন আপনি,কে আপনি। আমাকে কেনো বেধে রেখেছেন। কি করবেন আপনি"। লোকটা কোনো কথা না বলেই,সাদিয়ার কাছে আসে। এরপর সাদিয়ার গেঞ্জিটা গলা থেকে কাটতে শুরু করে৷ সাদিয়ার গেঞ্জি কাটছে দেখে সাদিয়া চিৎকার শুরু করে," ভাই কি করছেন কি। ভাই আপনার পায়ে পড়ি। আমাকে কিছু করবেন না। প্লিজ ভাই, ছেড়ে দিন আমাকে"। লোকটা ক্যাচ ক্যাচ করে সাদিয়ার গেঞ্জিটা বুক থেকে শুরু করে নিচ অব্দি কেটে ফেলে। ভিতরে শুধু সাদিয়ার ব্রা আর পেট দেখা যাচ্ছে।
সাদিয়া কান্না করে দেয় এইবার। লোকটা আবার সেই কেচি দিয়ে সাদিয়ার প্যান্ট কাটা শুরু করে। সাদিয়া নাড়াচাড়া করে বাধাও দিতে পারেনা। যদি ভুলে কাপড়ের বদলে সাদিয়ার চামড়া কাটা যায় সেই ভয়ে। তাই সাদিয়া শুধু চিৎকার মেরে বলে যাচ্ছে," ভাই প্লিজ আমাকে ছেড়ে দিন। আমার ইজ্জৎ লুটে নিবেন না। আপনি আমার আপন ভাই। আমাকে ছাড়ুন প্লিজ"। লোকটা সাদিয়ার কথা যেনো শুনছেই না। ধীরে ধীরে সাদিয়ার পুরো প্যান্ট কেটে নেয়। সাদিয়া প্যান্টের ভিতরে কিছু পড়েনি। অর্থাৎ বুঝতেই পারছেন।
লোকটা এইবার সাদিয়ার বুকে হাত দেয়। এরপর ব্রায়ের ঠিক মাঝখান ধরে উপরে টেনে লম্বা করে। আর কেচি দিয়ে কেটে দেয়। ব্রা কাটার পর সাদিয়া এইবার স্থির হয়ে যায়। শরীরে তো কিছুই নেই। লোকটা সব দেখেই নিয়েছে। সাদিয়ার চোখ বেয়ে পানি ঝরছে। আর কান্নার স্বরে আবার লোকটাকে বলে," ভাইয়া,আমাকে ধর্ষণ করবেন না প্লিজ। আমার ১৮ তারিখে বিয়ে। মানে আর ৪ দিন পর। আমার সংসার ভেঙ্গে যাবে ভাই। দয়া করে ছেড়ে দিন আমাকে। আপনি যা চাইবেন আমি দিবো। তবুও আমার সর্বনাশ করবেন না।প্লিজ "। লোকটা কিছু না বলে আবার বক্সের কাছে যায়। এরপর বক্সে কেচিটা রেখে, বক্স থেকে একটা ধামা বের করে( কষাইরা গরুর মাংস কাটার সময় যে ছুরি বা আস্ত্র ব্যাবহার করে। সেটিই ধামা)।
সাদিয়া এইবার এইটা দেখে ভয়ে জোরে জোরে চিল্লাতে থাকে। লোকটা স্বাভাবিক ভাবে ঠান্ডা মাথায় সাদিয়ার কাছে আসে। এরপর কোনো কথা ছাড়াই সাদিয়ার ডান পায়ের হাটুতে ধামা দিয়ে কোপাতে শুরু করে। সাদিয়া কোপ খেয়েই গলা ফাটিয়ে একটা চিৎকার মারে। লোকটা সাদিয়ার চিৎকার শুনে যেনো আরো জোরে কোপ মেরে যাচ্ছে। সাদিয়া চিৎকার দিতে দিতে জ্ঞান হারায়।
চোখ খোলে সাদিয়া। পায়ে প্রচুর যন্ত্রণা৷ সাদিয়া পায়ের দিকে মাথা তুলে তাকিয়ে দেখে,তার ডান পায়ের হাটুর নিচে কেটে নেওয়া হয়েছে। সাদিয়া এমন দৃশ্য দেখেই আবার চিৎকার দেয়,আর তখনি লোকটি সাদিয়ার মাথার দিক থেকে হেটে সামনে আসে। অর্থাৎ সে সাদিয়ার মাথা,মানে খাটের মাথার সাইডে ছিলো। সে অপেক্ষা করতেছিলো সাদিয়ার জ্ঞান কখন ফিরবে। কিন্তু সাদিয়ার চিৎকার শুনেই লোকটা আবার এসে সাদিয়ার বাম পায়ে কোপানো শুরু করে। সাদিয়া যন্ত্রণায় এক একটা চিৎকার দিচ্ছিলো। কোনো সুস্থ মানুষ যেনো এই চিৎকার শুনলে হার্ট অ্যাটাক করতো।
লোকটা ৪ কোপেই সাদিয়ার বাম পা টাও কেটে নেয়। সাদিয়া হয়রান হয়ে গেছে। তার দুইটা পা'ই কেটে নিয়েছে লোকটা। এরপর লোকটা আবার আসে সাদিয়ার উপর দিকে। আর সোজা সাদিয়ার ডান হাতের কব্জিতে কোপানো শুরু করে। সাদিয়ার গলা ভেঙ্গে গেছে। তাই এতো জোরে চিৎকার মেরেও, আওয়াজ বের করতে পারেনা। এদিকে লোকটা সাদিয়ার ডান হাত কেটে বাম হাতের দিকে যায়। সাদিয়া ধিরে ধিরে নিথর হয়ে যাচ্ছে। লোকটা বাম হাতের কাছে এসে যখন হাতের কব্জিতে কোপ দেয়। দেখে সাদিয়া চিৎকার দিচ্ছেনা। অর্থাৎ, মারা গেছে সাদিয়া। সে আর বাম হাত কাটেনা।
লোকটা বক্সের কাছে এসে ধামাটা বক্সে রাখে। এরপর বক্স থেকে একটা বস্তা বের করে,সাদিয়ার শরীরের প্রতিটি টুকরো বস্তায় ভরে। আর সেই বস্তা সহ রুম ত্যাগ করে বেরিয়ে যায়।
চলবে..........