ফন্ট সাইজ:
থিম:
মাফিয়া বাঁধন দ্যা সিআইডি অফিসার

২২তম পর্ব

লেখক: Ahmed Badhon
​কলমে: আহমেদ বাঁধন
(কপি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ)
​[২২তম খণ্ড]
_ সকাল চারটা _
 নুর নিজের রুমে তন্ন তন্ন করে কি যেন খুঁজছে। একবার আলমারির খুলে সেটা ভিতর উল্টাপাল্টা করছে আবার খাটের নিচে উঁকি মারছে ক্লান্ত নুর নিজের জিনিসটা খোঁজাখুঁজিতে ব্যস্ত। এদিকে কোন কারণবশত তার মা রাবেয়া বেগম ঘরে এসে দেখলেন নূরের ক্লান্ত অবস্থা। মেয়ের এরকম অবস্থা দেখে তিনি ও কিছুটা উদাস হলেন। নূরের লম্বা চুল গুলো বেণীটা এলোমেলো পিট বেয়ে ফ্লোরে পড়ে আছে। নুর এমনি সুন্দর তার উপর তাকে যে ড্রেস পড়বে সেটাতেই সুন্দর লাগবে। তার মা নূরের কাছে গিয়ে তার মাথায় আদর ভরা দৃষ্টিতে তাকিয়ে আর আদর করতে করতে নরম করে বলে উঠলেন। "
, কিছু বলবে মা "
"' এরকম অস্থির কেন তুই, আর কি খুঁজছিস তুই...''?
 তার মা বসতে বসতে উত্তরটা দিল।
 নুর বসতে বসতে তার মাকে বলল।
, একটা জিনিস খুঁজছি মা, তুমি দেখেছো জিনিসটা কোথায় আছে আমার দরকার,
 তার মা তার মাথায় তা চুল বেনি করতে করতে নরম শহরে তাকে বলে উঠলো :
— দেখেছি কিন্তু,, তুই কি সেই লকেটটা খুঁজছিস 
 রাবেয়া বেগমের কথায় কিছুটা উত্তেজিত গায়ের ইউনিফর্মটা সিআইডির পড়ে আছে,
— পেয়েছো রকেটটা তুমি,,প্লিজ দাও না আমার অনেক প্রয়োজনীয় লকেট সেটা,,,
"' দারা নিয়ে আসছি তুই এখানেই বস,,
 তার মা তার কথায় এক ড্রেসিং টেবিলের উপর থেকে একটা বক্সের ভিতরে ওই জিনিসটা খোঁজ করলো। কিছুক্ষণের মধ্যে জিনিসটা পেয়ে গেল। তার মা ভালো করে চেক করে দেখলো লোকেটে লেখা অক্ষরের মধ্যে হলো। B লেখা
 এটার কারণ কি কিসের লকেট এটা তার মা বুঝে নাই, এটার গুরুত্ব এতদিন বুঝি নাই সে এখন বুঝবে এটা হল বাঁধনের লোকের বাধন যাওয়ার আগে ভুলে গিয়েছিল লকেটটা হারাতে মানা, রকেটটা যদি হারায় পুরো বাংলাদেশ সহ তাকেও মেরে ফেলবে। এই ভয়ে লকেটটা পড়ে নে কখনো তাই ড্রেসিং টেবিলের এক কোণে ফেলে রেখেছিল কোথায় পড়েছে কে জানে পরে তার মা খুঁজে পেল।
— কিসের লকেট এটা,,
,, মা মানে আসলে,, বাঁধন মির্জার লোকেটের টাকা সে আমাকে বলেছিল এ লকেটটা যদি হারায়। তাহলে আমাদেরকে মেরে ফেলবে তাই এটা আমার কাছে আছে।
 তার মা এই কথা শুনে কিছুটা অবাক হল আবার একটু রাগও করল 
,, কি বলিস তুই এসব, ওই খুনি মাফিয়া লকেট তোর কাছে কি করে,, এই লকেটটা এখনই ফেল আমি চাইনা লোক এটা তোর কাছে থাকুক আমি ফেলে দিচ্ছি পড়ে ফেলব,,,
 মায়ের এমন কোথায় নূর তোর মার কাছ থেকে লকেটটা কেড়ে নিয়ে আর একটু ভয়ে ভরা দৃষ্টিতে তার মার দিকে তাকিয়ে করুন স্বরে বলে উঠলো,,,
— মা এই লকেটটা যদি ফেলে দেই তাহলে,,, বাঁধন মির্জা এখানে এসে পুরো আমাদের সহ পুরো বাংলাদেশকে ধ্বংস করে ফেলবে তাই ভয়ে আমিও ফেলছি না,,
 এবার তার মা কিছুটা নরম হলো আর একটু তার মা ভয় ভরা দৃষ্টিতে বলল,
,,, নূর তুই প্লিজ তাকে ভুলে যা তোর জন্য আমরা যা ঠিক করেছি পাত্র তাকেই নিয়ে সুখে থাকবে,
 মায়ের এমন কথায় মন খারাপ হলো আর তীব্র অনুরোধ। কিভাবে সে সত্যি বলবে ভালোবাসলে একজনকে এখন এসে বলে তিনজন। আবার একজনকে বিয়ে করল জোরজবস্তি ভাবে বিবাহিত এখন সে। আজ ছয় থেকে সাত দিন হল বাঁধন মির্জা দেশের বাহিরে এই কদিন ভালোই কাটছে দিনগুলো নূরের। কিন্তু ভয় হয় সেটা নিয়ে না ভয় হয় এটা নিয়ে দুদিন বাঁধন মির্জা জেলে যায় তাকে বিয়ে করানো হচ্ছে বা আসিফ রিশাদের কথা তাহলে তো জানে মেরে ফেলবে তাই ভেবে ভয় হয় নূরের না হলে নূরের কোন ভয় ছিল না। নূর ভাবতাছি এই কথাটা বাঁধনকে বলবি কিনা ভাবতাছি কিন্তু মাথায় ঢুকতেছে না। সামনে আবার কিছুদিনের মধ্যে তার সে চাকরিটা পেয়ে গিয়েছে। আন্ডারগ্রাউন্ড সিক্রেট সিআইডি অফিসারের কিছুদিন পর তার মিশন।
— মা আর দু এক দিন পর তো আমাকে যেতে হবে আমার মিশনের জন্য,, আন্ডারগ্রাউন্ড টেরিস দের কে ধরতে,,
 নূরের কথা তার মা ও সম্মতি দিয়ে বলল,,
 তুই যা ভালো হয় কর,,,
 এই বলে শে আর কোন কথা না বলে সেখান থেকে চলে গেল কি বলবে মেয়েকে কিছু বলার মত তার ভাষা নেই 
 এখন সে ভাবলো রিয়াকে কল করবে রিয়া যেই ভাবনা সেই রিয়াকে কল করলো বাস থেকে রিয়া ফোন ধরল,
,, হ্যালো নুর,, কিছু বলবি,,,
 নূর মজার জন্য কারণ সে এমনি ফোন দিয়েছে একটু জ্বালানোর জন্য শেয়ার কি তাই বেশি জ্বালানোর জন্য বলে উঠলো,,
,,তুই তো পরে আর কিছু বলি না রিয়া,,
,, কোন বিষয়,,
,,, সাদিক ভাইয়ের বিষয়ে,,,
,, কি বলবো তোকে বলার মত কিছু আছে নাকি,,,
"" কিন্তু আমি তো জানি তুই সাদিক ভাইকে পছন্দ করিস,,
 নূর হাসতে হাসতে কথাটা বলল রিয়াকে,,
 উত্তরে বলল,,
,, তাকে ভালোবাসা কখনো আমার পছন্দের তালিকা ছিল নারে নূর,, আমি ভালোবাসলাম একজনকে সে হল সিজন কিন্তু কে জানত তারা দুজন বন্ধু ভালোবাসলাম একজনকে বলল আর একজন কথা তাই কাউকে কারোর সাথে কথা বলা না বলা বাস,,
 রিয়ার কথায় নুর অসমস্তিত হয়ে বলল,,
,, কিন্তু তোর তো একটা ভুল হচ্ছে শুধু তোর তরফ থেকে ছিল রিয়া, সাদিক ভাইয়া শুরু থেকে জানত ফোনের ওপাশে মেয়েটা তুই ছিলি। এখানে ওনার অপরাধ নেই তুই অন্তত একবার ওনার সঙ্গে কথা বলে দেখতে পারিস। তাহলে বুঝতে পারবে দোষটা কার।
— আমার কোন আদালত নাই বিচার করার ইচ্ছা নেই যেটা আছে সেটাই চলবে আর তুই এ ব্যাপারে আর কথা না বললে আমি খুশি হব। তুই ফ্রেন্ড ফ্রেন্ড এর মত থাক 
,, কিন্তু
 এবার রাগের পাশে থাকা রিয়া ফোনটা কেটে দিলো আর আগেই সরে চিল্লিয়ে বলে উঠলো কাটার আগে,,
:: চুপ চুপ থাক.,,
রানিং....!!
__________________________________________________

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ২২তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন