ফন্ট সাইজ:
থিম:
নূপুরের শব্দে বিদ্রোহ

১ম পর্ব

লেখক: আয়েশা শেখ রিন
" ২৯ বছরের প্রফেসর হয়ে আমি কিনা একটা ১৭ বছরের মেয়েকে বিয়ে করবো, যে সম্পর্কে আমার ভাতিজিও হয়! ওহ গড,আন্টি—তুমি সজ্ঞানে আছো তো? "

বিয়ের আসরে দাড়িয়ে নূরজাহান চৌধুরীর দিকে তাকিয়ে ক্ষোভ ও বিস্মিত কন্ঠে বলে উঠলো বারিশ। 
নূরজাহান চৌধুরী বিচলিত হলেন না একটুও।
"আন্টি নায়, দাদীমা বলো!  আজ থেকে আমি তোমার দাদী শাশুড়ী। তুমি এই বাড়ির মেয়েকে বিয়ে করতে এসেছো, এই বাড়ির মেয়েকেই বিয়ে করবে! আমার মেয়ে বিয়ের আসর থেকে পালিয়েছে তো কী হয়েছে? আমার বড় ছেলের মেয়েকে বিয়ে করবে। ব্যস, কথা এখানেই শেষ।"
নূরজাহান চৌধুরীর এই আকস্মিক একরোখা ঘোষণায় চৌধুরী বাড়ির পুরো সভাজুড়ে  যেন পিনপতন নীরবতা নেমে এলো। উপস্থিত সকলেই স্তব্ধ। এই বাড়িতে তার হুকুম অমান্য করার মতো বুকের পাটা করোর নেই। 
কিন্তু এবার আর চুপ থাকতে পারলেন না ঝিলমিলের বাবা ' আলফাত চৌধুরী '। তিনি মেয়ের ভবিষ্যতের কথা ভেবে প্রতিবাদী কন্ঠে বললেন,
"না আম্মা! আমি আমার এইটুকু মেয়েকে এই ছেলের সাথে কিছুতেই বিয়ে দেব না।তোমার মেয়ের শাস্তি তুমি আমার মেয়েকে দিতে পারো না! "
তার কথার পিঠাপিঠি বারিশও চেঁচিয়ে বললো, 
_"আপনার মেয়েকে আমি বিয়ে করবোও না!"
আলফাত চৌধুরী ও তখন রাগে ফুঁসছেন,
_"তোমার কাছে আমি বিয়ে দিলে তো করবে!"
_" আমি বিয়ে করলে তো দিবেন! "বারিশের পাল্টা জবাব।
_"দেবোই না!"
_"করবোই না!"
চলমান এই বাকযুদ্ধের মাঝেই সভাকক্ষের এক কোণে ঘোমটার আড়ালে চুপচাপ দাড়িয়ে আছে ১৭ বছরের তরুণী ঝিলমিল।বিয়েটা হওয়ার কথা ছিলো তার ফুপি দীঘির সাথে। সে তার থেকে পাঁচ বছরের বড়। সব ঠিকঠাকই ছিলো,  কিন্তু বরের বাড়ির লোক আসার পরপরই দীঘি উধাও। তাই দিদিমা তাকে জোর করেই এই বিয়ের শাড়ি পড়িয়ে প্রস্তুত করে এনেছে। 
ঝিলমিলের একপাশে দাঁড়িয়ে আছে তার মা নাজমা বেগম,আর অন্য পাশে বান্ধবী ইরান। একের পর এক বাবা আর  বারিশের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় ঝিলমিলের কানে ভেসে আসছে। 
এবার আসর কাঁপিয়ে ভেসে আসল নুরজাহান চৌধুরীর হুংকার। 
_"আলফাত! তুই যদি আর একটা শব্দ করিস, তবে তোর মেয়ে আর বউসহ তোকে এই বাড়ি থেকে এক্ষুনি গার ধরে বের করে দেব।!"
মায়ের এমন ধমকে থমকে গেলেন বড় ছেলে আলফাত চৌধুরী। অপমানে আর অসহায়ত্বে তার মাথা নিচু হয়ে গেল। 
নূরজাহান চৌধুরী নাতনী ঝিলমিলের দিকে এগিয়ে গিয়ে, তার মাথায় হাত রেখে নরম কিন্তু আদেশসূচক কন্ঠে বললেন,
_"জাহান, তুই তোর দাদিমার মুখের কথা রাখবি না? "
ঝিলমিল মাথা নিচু করে আছে। দাদিমার খুব আদরের নাতনি সে। দাদীমা নিজের নামের সাথে মিলিয়ে তার নাম রেখেছে, জাহানারা চৌধুরী ঝিলমিল।তার দাদাভাই তার দাদিমাকে জাহান বলে ডাকতো । এখন দাদীমা তাকে জাহান বলেই ডাকেন। সে দাদিমার দিকে মুখ তুলে তাকিয়ে অত্যন্ত মিনমিনে, শান্ত আওয়াজে জবাব দিল, 
_"তুমি যা বলবে আমি তাতেই রাজি, দাদীমা। তোমার কথার উপর আমার কোন কথা নেই।"
মেয়ের মুখে এই কথা শুনে আরফাত চৌধুরী এবং নাজমা বেগম আকাশ থেকে পড়লেন। দুজনেই চরম অবাক হয়ে মেয়ের দিকে তাকিয়ে রইলেন। যে মেয়েকে সারাদিন একটা কথা বলে শোনানো যায় না, সে আজ দাদির এক কথায়  নিজের জীবনের এত বড় সিদ্ধান্তে সহজে রাজি হয়ে গেল! 
পুরো বাড়ির মানুষ  যখন ঝিলমিলের এই আকস্মিক সম্মতিতে কিংকর্তব্যবিমূঢ়।ঝিল মিলের দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থেকে বারিশ নূরজাহান চৌধুরীর উদ্দেশ্যে বলে উঠলো, 
_"আন্টি, প্লিজ বোঝার চেষ্টা করো! আকাশের ভাতিজি হিসেবে আমিও ওকে নিজের ভাতিজির মতোই দেখি। আর ও আমার থেকে বয়সে  অনেক ছোট! আমি কোনো অবুঝ বাচ্চার ফিডার  মুখে দেওয়ার দায়িত্ব  নিতে এখানে আসিনি। আমার পক্ষে এই বিয়ে করা কোনভাবেই সম্ভব না! "
_"হ্যাঁ মা,বারিশ আর ঝিলমিল কিভাবে কি? ওদের মধ্যে তো কোনো ম্যাচই নেই! "
বন্ধুর পক্ষ নিয়ে মায়ের দিকে তাকিয়ে কিছুটা দ্বিধাবোধ নিয়ে আকাশ বলে উঠলো।  সে নূরজাহান চৌধুরীর ছোট ছেলে।ঝিলমিল তার বড় ভাইয়ের মেয়ে । অন্যদিকে বারিশ তার ছোটবেলার বেস্টফ্রেন্ড।
ছেলের এমন অযাচিত মন্তব্যে মূহুর্তেই জ্বলে উঠলেন নুরজাহান চৌধুরী। নিজের ছোট ছেলের দিকে কঠোর  দৃষ্টিতে তাকিয়ে বললেন, 
_"আমাকে নিয়ম শেখাতে এসো না , আকাশ! বরিশের সঙ্গে ঝিলমিলের বংশীয় বা রক্তের কোনো সম্পর্ক নেই। আর আমি বারিশের বাবা এবং ভাইয়ের সাথে কথা বলেছি। তাদের কোন আপত্তি নেই। "
মায়ের কঠোর জবাবে আকাশ দমে গেলেও বারিশ দমবার পাত্র নয়। সে নিজের অবস্থানে অনড়।
_"আমি একজন প্রসেসর, আর ও মাত্র স্কুলের গণ্ডি পার হওয়া একটা বাচ্চা মেয়ে।আমি কোনোভাবেই এই বিয়েতে রাজি হতে পারছি না। আই এম সো সরি আন্টি! "
বারিশের এই ক্রমাগত প্রত্যাখ্যান এবার নুরজাহান চৌধুরীর ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে দিল।  তিনি বারিশের মুখোমুখি এসে দাঁড়ালেন। মেয়ে পালিয়ে যাওয়ার পরপরই সে বারিশের বাবা চঞ্চল শেহরিয়ারকে সবকিছু জানান। তার এই বিয়েতে কোনো আপত্তি নেই। তবে ছেলেকেও তিনি জোর করবেন না। তাই চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছে বারিশের বাবা। 
_"পরিষ্কার শুনে রাখো বারিশ, তুমি যদি এই বিয়েতে রাজি না হও, তাহলে আজ থেকে আকাশের সাথেও ভবিষ্যতে কোনো যোগাযোগ রাখবে না! আমার বাড়িতে তোমার পা রাখা তো দূরের কথা, আকাশের সাথে তোমার বন্ধুত্বও আজ এই মুহূর্ত থেকে শেষ! "
নুরজাহান চৌধুরীর এই শেষ অস্ত্রটা বারিশের অভিব্যক্তিকে বদলে দিল। আকাশের সাথে তার বন্ধুত্বটা আর দশটা সাধারণ বন্ধুত্বের  মতো নয়, ও তার বেস্টফ্রেন্ড। সে ছোট্টবেলার বন্ধু। মায়ের এমন হুকুম যে আকাশ অমান্য করতে পারবে না, সেটা বারিশ খুব ভালো করেই জানে। সে এক মুহূর্তের জন্য স্তব্ধ হয়ে আকাশের দিকে তাকালো। আকাশও অসহায় চোখে বন্ধুর দিকে এগিয়ে আসে। 
বারিশের কাঁধে একটা হাত রেখে,গলার আওয়াজ যতটা সম্ভব নিচু করে মিনতির সুরে বলল, 
_"রাজি হয়ে যা দোস্ত! ঝিলমিলই তো।একটু মানিয়ে নিস প্লিজ। আজ থেকে না হয় তুই আমাকে চাচ্চু বলে ডাকিস! আমি তোর চাচা শশুর হওয়ার জন্য মনে -প্রাণে প্রস্তুত, তাও তুমি এই বিয়েটা ভাঙ্গিস না রে ভাই! "
বন্ধুর এমন আত্মসমর্পণ দেখে বারিশের রাগ গিয়ে এবার বিস্ময়ে পরিণত হলো। সে অবিশ্বাস্য চোখে আকাশের দিকে তাকিয়ে রইল।
বারিশের বাবাসহ বড় ভাই সবাই তাকে বোঝালো। তবু রাজি হতে চাইছে না। 
ঝিলমিল ঘোমটার আড়াল থেকে ইরানের বাহুতে চিমটি কেটে মৃদু আওয়াজে বলল , 
_"এই বারিশ টা বেশি বেশি করছে! আমি কিন্তু কিছু একটা বলে ফেলব। "
_"চুপচাপ শুনে যা। রাজি না হয়ে যাবে কই? ইরান বললো।
 বলতে না বলতেই ইরানের কথা ফলে গেল।ঝিলমিলের কানে ভেসে এলো বারিশের অনিচ্ছাকৃত সম্মতির বাক্য। বারিশ অত্যন্ত বিরক্তিতে মুখটা বাকিয়ে, এক দীর্ঘ শ্বাস ফেলে নুরজাহান চৌধুরীর দিকে তাকিয়ে বলল,
_"ওকে আন্টি..... আমি রাজি। শুধুমাত্র তোমার মুখের দিকে তাকিয়ে, তোমার সম্মান বাঁচাতে  আমি এই বিয়েতে রাজি হচ্ছি। নাহলে এই আলফাত চৌধুরীর মেয়েকে বিয়ে করার বিন্দুমাত্র শখ আমার ছিল না! "
_"নুরজাহান চৌধুরী এবারও তার ভুল শুধরে দিয়ে কড়া গলায় মনে করিয়ে দিলেন,
_" আন্টি নয়... দাদীমা ! "
বারিশ দাঁত কিরমির করে বলল,
_"ওকে, দাদিমা!"
আলাফাত চৌধুরী আবার রেগেমেগ কিছু একটা বলতে চাইলেন কিন্তু তার স্ত্রী তাকে  থামিয়ে দেয়।
অবশেষে সব ঝামেলা অবসান ঘটিয়ে কাজী সাহেব এগিয়ে এলেন। শুরু হলো ঝিলমিল আর বারিশের বিয়ের মূল আনুষ্ঠানিকতা। ঝিলমিলের হাত দুটো এবার কাঁপতে লাগলো। এক অজানা ভবিষ্যৎ  আর এক বুক জড়তা নিয়ে সে কম্পিত হাতে রেজিস্ট্রি পেপারের সাইন করল। যে সাইন এর মাধ্যমে বাড়িশের নামের সাথে জড়িয়ে গেল তার নিজের নাম। কাজী সাহেবের পড়ানো  সব নিয়মকানুন মেনে নিয়ে, একরাশ দীর্ঘশ্বাস চেপে শেষ পর্যন্ত  কাঁপা গলায় কবুলও বলে ফেলল।
 বিয়ের সব নিয়ম শেষ হতে না হতেই এবার বিদায়ের পালা। নুরজাহান চৌধুরী এগিয়ে এসে ঝিলমিলের ডান হাতটা টেনে নিয়ে বারিশের শক্ত হাতের ওপর রাখলেন। দুজনের হাত একত্রে করে দিয়ে বারিশের উদ্দেশ্যে বললেন,
_"ওকে দেখে রেখো। ওর দায়িত্ব আজ থেকে তোমার হাতে। নিয়ে যাও এবার। "
দাদীমার মুখে নিয়ে যাও শব্দটা শুনতে ঝিলমিল যেন আকাশ থেকে পড়ল। 
_"কোথায় যাব আমি দাদিমা? "
নুরজাহান চৌধুরী নাতনির এমন অবুঝ প্রশ্নে বললেন, 
_"কেন.... স্বামীর সাথে স্বামীর বাড়িতে। আজ থেকে ওটাই তোমার আসল ঠিকানা। "
_"মানে কি? " 
ঝিলমিলের চোখ দুটো এবার গোল গোল হয়ে গেল। সে রীতিমতো ভরকে গিয়ে বলল, 
_"তুমি তো বলেছিলে জাস্ট কবুল বললেই বিয়ে হয়ে যাবে! বাড়ি ছাড়ার কথা তো তুমি আমাকে বলোনি! "
_"বিয়ে হলে কি কেউ নিজের ঘরে থাকতে পারে রে ভাই? "
দাদিমার কথায় ঝিলমিল আহস্মক বনে গেল।হ্যাঁ, তার এই বিয়েতে সম্পূর্ণ মত ছিল। কিন্তু এত কিছু তো ভাবেনি। সে না চাইতেও ধীরে ধীরে মাথা উঁচু করে তাকালো পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বারিশের দিকে। লোকটাকে দেখার জন্য মাথাটা একটু বেশি উঁচু করতে হলো তাকে। কারণ সে উচু জুতা পড়েও বারিশের কাঁধ অব্দি পৌঁছাতে পারেনি। বিয়ের শেরওয়ানিতে বারিশকে গ্রিক মুর্তির মতো সুদৃড়  আর ভয়ানক সুন্দর লাগছিল।তার সিল্কি চুলগুলো মাঝখানে সিঁথি  হয়ে দুপাশে জড়িয়ে আছে। 
কিন্তু পাশে দাঁড়ানো পুরুষটির দীর্ঘদেহী, পেশিবহুল, চওড়া কাঁথ আর ধারালো চোয়ালের গম্ভীর বারিশের পাশে নিজেকে বড্ড অসহায় মনে হলো ঝিলমিলের। বিশেষ করে বারিশের শান্ত, গভীর চোখের  স্থির চাওনি টা ওর দিকে আসতেই পুরো শরীর অস্বস্তিতে শিউরে উঠল।লোকটাও একদৃষ্টিতে নিচের দিকে তাকিয়ে আছে ঠিক তার দিকেই।কেমন গম্বীর, রসহীন চাওনি! যেন চোখের দৃষ্টি দিয়েই আস্ত গিলে খেয়ে  ফেলবে ঝিলমিলকে।
সে কি করে ফেলল এটা? সে তো কেবল তার ফুপির হবু বরকে বিয়ে করেনি, সে বিয়ে করেছে নিজের আপন ছোট চাচ্চুর বেস্টফ্রেন্ডকে! যাকে সে জন্মের পর থেকে বারিশ চাচ্চু বলে ডেকে এসেছে, আজ সে-ই তার স্বামী? আর এই লোকটা তার নিজের কলেজের প্রফেসর! কলেজের যে স্যারকে পুরো ক্লাসে সবাই বাঘের মতো ভয় পায়, আজ থেকে সেই কড়া শিক্ষকের  সাথে তাকে অন্য এক বাড়িতে গিয়ে থাকতে  হবে?
হঠাৎ খুব ফ্যাকাশে আর দিশেহারা দেখাল ঝিলমিলকে।চোখ দুটোতে তখন স্পষ্ট ভয়ের চাপ। নাতনির মুখের আকস্মিক পরিবর্তন নুরজাহান চৌধুরীর নজর এড়ালো না। তিনি কিছুটা চিন্তিত গলাই থাকে জিজ্ঞেসা করলেন,
_"কি হয়েছে জাহান! খারাপ লাগছে?
ঝিলমিল দাদিমার দিকে তাকিয়ে কোনোমতে নিজের ভেতরের অস্থিরতা আড়াল করার চেষ্টা করল।শুকনো একটা ঢোক গিলে বলল,
_"না, আমি একটু রুমে যাবো।প্রয়োজনীয় একটা  জিনিস নিতে হবে। আসছি।"
কথাটা বলেই সবাইকে হালকা ঠেলে ঝটপট পা চালিয়ে ভেতরের দিকে চলে গেল। 
তার মা নাজমা বেগম মেয়ের পিছু পিছু কিছুটা এগিয়ে গিলে ডাকলেন,
_"ঝিলমিল, আমি আসবো তোর সাথে?"
ঝিলমের পেছনে না তাকিয়েই হাত উচিয়ে কড়া গলায় নিষেধ করে বলল, 
_"না আম্মু, একদম আসবে না আমি! আমি একাই যাচ্ছি। কেউ আসবে না আমার সাথে! "
কিন্তু ঝিলমিল নিজের ঘরে গেলো না। সে ডাইনিং স্পেস পার হয়ে সোজা চলে গেল রান্নাঘরের পেছনের দরজার দিকে। চৌধুরী বাড়ির পেছনের এই দরজাটা দিয়ে সচরাচর কেউ যাতায়াত করে না।ঝিলমিল  সাবধানে ছিটকিনিটা খুলল।  বাইরে তখন গুদগুটে অন্ধকার। সে এক মুহূর্তের জন্য পেছনে ফিরে নিজ বাড়িটার দিকে তাকায়, তারপর শাড়ির কুচি গুলো দুই হাতে শক্ত করে ঝাপটে ধরে সোজা বাইরের পিচঢালা  অন্ধকার রাস্তায় দৌড় লাগালো!
রানিং.......... 

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ১ম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন