ফন্ট সাইজ:
থিম:
মহাপ্রয়াণ

৬১তম পর্ব

লেখক: নাফিসা তাবাসসুম খান

মহাপ্রয়াণ

লেখনীতে : নাফিসা তাবাসসুম খান

৬১.

" আর কান্না করে না জান। নিয়ে যাচ্ছি তো তোমাকে মার কাছে। "

কথাটা বলতে বলতে আরোণ একটি লম্বা ক্লক গায়ে জড়িয়ে নেয়৷ পরপর দোলনা হতে ক্যামেলিয়াকে কোলে তুলে নেয়। গত ছয় মাসে ক্যামেলিয়া বেশ অনেকটাই বড় হয়েছে। একা একা বসে থাকতে পারে সে এখন। মুখ ফুটে টুকটাক দু একটা শব্দও উচ্চারণ করতে পারে। আজ সকাল থেকেই অস্পষ্ট স্বরে মা বলে কাঁদছে কেবল। আরোণ প্রাসাদে ফিরতেই ক্রিনা তাকে এটা জানাতেই সে আর অপেক্ষা না করে মেয়েকে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তার মার কাছে।

__________

গ্রীষ্ম কাল চলেছে। আরোণের আখ্যায়িত বরফকুচির খামে এখন কোনো বরফের ছিটেফোঁটাও নেই। না আছে কোনো শীতকালীন ফুল। ক্যামেলিয়াকে নিয়ে একটি পাথরের ফলকের সামনে এসে দাঁড়ায় আরোণ। পাথরের উপর মোটা মোটা অক্ষরে লেখা ' ক্যাথরিন রদ্রিগেজ '। আরোণ ক্যামেলিয়াকে নিয়ে বসে পড়ে সেই ফলকের পাশে। আলতো হাত বাড়িয়ে ফলকটা একবার ছুঁয়ে দেখে। সাথে সাথে চোখ বুজে ফেলে সে। অনুভব করে ক্যাথরিনকে ছুঁয়ে দেখছে সে। চোখ মেলে আবার তাকায় আরোণ। কোলের ক্যামেলিয়ার দিকে তাকায় সে। ক্যামেলিয়াও সামনের দিকে ঝুঁকে সেই ফলকটা ছোঁয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে। কিন্তু ছুঁতে না পেরে গাল ফুলিয়ে রেখেছে। আরোণ মলিন হেসে ক্যামেলিয়াকে আরেকটু সামনের দিকে নিয়ে ধরে। এবার ক্যামেলিয়া ফলকটা ছুঁতে পারে। সাথে সাথে তার মুখে হাসি ফুটে উঠে।

আরোণ অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রয় সেই হাসির দিকে। ক্যামেলিয়া হাসলে তারও ক্যাথরিনের মতো এক গালে টোল পড়ে। আরোণ আবার সামনে সেই ফলকের দিকে তাকায়। স্পষ্ট সুরে বলে উঠে,

" ক্যামেলিয়ার জন্যই বেঁচে আছি কেবল। নাহয় জীবন মরণ দুটোই আমার কাছে এক। তুমি শুধু বিশ্বাসঘাতক নও, নিষ্ঠুরও। আমাকে মারার জন্য তৈরি হওয়া খঞ্জরটার ব্যবহার কেবল একবারই করা যায় তুমি জানতে। তবুও ওই খঞ্জরটাই সেদিন কেন ব্যবহার করলে? ওই রাতে তাহলে আমিও নিজের প্রাণ নিয়ে নিতে পারতাম। আজ তাহলে আমার স্থান তোমার পাশে হতো। "

এটুকু বলে আরোণ থামে। চোখ অশ্রুসিক্ত হয়ে আছে তার। চেহারায় আর আগের মতো লাবণ্য নেই তার। না চোখে আছে তেমন কোনো অনুভূতির ছোঁয়া। অবহেলায় বেড়ে উঠা ঘন দাঁড়ি এবং চুলের কারণে চেনা মুশকিল তাকে। হঠাৎ গালে কারো হাতের ছোঁয়া পেতেই আরোণ মাথা নামিয়ে নিচে তাকায়। ক্যামেলিয়া ঘাড় ঘুরিয়ে তার দিকেই তাকিয়ে আছে। ছোট ছোট হাতে আরোণের গাল বেয়ে পড়া অশ্রু মুছে দিচ্ছে। আরোণ তাকাতেই ক্যামেলিয়া আদুরে স্বরে বলে উঠে,

" বাব্বাহ। "

আরোণ হেসে বলে,

" হ্যাঁ জান। "

আরোণ জান বলে ডাকতেই ক্যামেলিয়ার যেন কি হলো। মাথা এলিয়ে দিলো আরোণের বুকে। আরোণ ক্যামেলিয়ার মাথায় আলতো করে চুমু দিয়ে বলে উঠে,

" ফিরে যাওয়ার সময় হয়ে গিয়েছে। তোমার মা আমাদের কোনো কথার জবাব দিবে না। নিষ্ঠুর সে। "

এটুকু বলেই আরোণ ক্যামেলিয়াকে নিয়ে উঠে দাঁড়িয়ে পড়ে। একবার ক্যাথরিনের কবরের দিকে তাকিয়ে ঘাড় ঘুরিয়ে ফেলে সে। ক্যামেলিয়াকে নিয়ে যাত্রা শুরু করে প্রাসাদের উদ্দেশ্যে।

__________

লঙ্গরখানায় উপচে পড়া ভীড়। সকলে লম্বা লাইন ধরে দাঁড়িয়ে আছে অন্ন এবং বস্ত্র পাওয়ার আশায়। ভীড় জমার আরেকটি কারণও আছে। তা হলো কাউন্টেসের দেখা পাওয়া। সাম্রাজ্যের এতো বছরের ইতিহাসে কখনো কোনো কাউন্টেস প্রাসাদের গন্ডি পেরিয়ে এভাবে জনসাধারণের সাহায্য করার জন্য কখনো এগিয়ে আসে নি। কিন্তু কাউন্টেস আনাস্তাসিয়া ব্যতিক্রম ধর্মের মানুষ। কোনো নিয়মের বেড়াজালে আবদ্ধ থাকার নারী সে নয়। এখনো যেমন লঙ্গরখানায় নিজ হাতে সে সকলকে খাবার বিতরণ করে চলেছে এটা যারা নিজ চোখে না দেখবে তাদের সকলের কাছেই অকল্পনীয় মনে হবে।

একটি বাটিতে স্যুপ এবং সাথে আরো কিছু খাবার বেড়ে সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মহিলার দিকে এগিয়ে দেয় আনাস্তাসিয়া। মহিলাটি খাবারের বাটি হাতে নিয়ে চলে যেতেই পরবর্তী আরেকজন মহিলা এগিয়ে এসে দাঁড়ায় আনাস্তাসিয়ার সামনে। তার কোলে রয়েছে একটি ছেলে শিশু। বাচ্চাটিকে দেখতেই আনাস্তাসিয়ার মুখে হাসি ফুটে। সে হেসে মহিলাকে প্রশ্ন করে,

" ওর নাম কি? "

মহিলাটি মাথা নিচু করে জবাব দেয়,

" মাইকেল। "

মহিলার কণ্ঠস্বর গুমোট মনে হওয়ায় আনাস্তাসিয়া প্রশ্ন করে,

" কি হয়েছে তোমার? "

মুহুর্তেই সেই মহিলাটি কেঁদে আনাস্তাসিয়ার দিকে এগিয়ে আসে। কিন্তু মাঝে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় দুজন সেনা। তারা আনাস্তাসিয়ার সামনে এসে দাঁড়িয়ে মহিলাটিকে পিছনের দিকে ধাক্কা দেয়। মহিলাটি মেঝেতে পড়ে কাঁদতে থাকে আর বলতে থাকে,

" দয়া করে আমার ছেলেকে বাঁচান কাউন্টেস। আমার সাহায্য করুন। "

আনাস্তাসিয়া সেনাদের দিকে তাকিয়ে গরম দৃষ্টি নিক্ষেপ করে বলে উঠে,

" সামনে থেকে সড়ে দাঁড়াও। "

একজন সেনা কাচুমাচু করে বলে উঠে,

" কিন্তু কাউন্টেস? "

আনাস্তাসিয়া আদেশের সুরে বলে উঠে,

" আমি আদেশ দিচ্ছি। "

সৈন্য দুজন আর কিছু বলার সাহস পায় না৷ তারা আনাস্তাসিয়ার সামনে থেকে সড়ে দাঁড়ায়। সাথে সাথে আনাস্তাসিয়া এগিয়ে এসে সেই মহিলাটির সামনে হাঁটু গেড়ে বসে প্রশ্ন করে,

" কি হয়েছে তোমার? আমায় খুলে বলো। "

মহিলাটি কাঁদতে কাঁদতে জবাব দেয়,

" আমার ছেলে খুব অসুস্থ কাউন্টেস। আমার স্বামীও দু'বছর আগে মারা গিয়েছে। এই অসুস্থ বাচ্চার চিকিৎসা করার মতো অর্থ আমার কাছে নেই। আমি একা সারাদিন বাচ্চা সামলিয়ে অর্থ উপার্জনের জন্য কিছু করার সুযোগ পাই না। এতদিন আমি আমার গয়না এবং বিভিন্ন জিনিস বিক্রি করে যা মুদ্রা পেয়েছিলাম তা দিয়ে ঘর চালিয়েছি। কিন্তু এখন তাও শেষ হয়ে গিয়েছে। আমার ছেলে তো চিকিৎসার অভাবে মরে যাবে। "

সবটা শুনে আনাস্তাসিয়া উঠে দাঁড়িয়ে বলে উঠে,

" তোমার ছেলের চিকিৎসার খরচ রাজকোষ বহন করবে। কিন্তু এভাবে কোনো কাজ না করে বসে থাকাও সমীচীন নয়। তুমি বাগানের কাজ জানো? "

মহিলাটি সাথে সাথে সম্মতি জানায় মাথা নাড়িয়ে। আনাস্তাসিয়া বলে উঠে,

" বেশ। তবে তুমি রাজপ্রাসাদের বাগানে কাজ করতে পারো চাইলে জীবিকা নির্বাহের জন্য। মনে রাখবে সাবলম্বী হওয়া খুব প্রয়োজন। জীবনে চলার পথে সাবলম্বী না হলে প্রতি কদমে তোমার হোঁচট খেতে হবে। "

মহিলাটি উঠে দাঁড়িয়ে কৃতজ্ঞতার ভঙ্গিতে বলে উঠে,

" অসম্ভব ধন্যবাদ কাউন্টেস। ঈশ্বর আপনার কোল জুড়েও একটি ফুটফুটে সন্তান দান করুক। "

মহিলাটির কথা শুনতেই আনাস্তাসিয়ার চেহারা মলিন হয়ে যায়। দূর হতে রিকার্ডো দাঁড়িয়ে এতক্ষণের দৃশ্য দেখছিলো। মহিলাটির কথায় আনাস্তাসিয়ার মলিন মুখ তার দৃষ্টিগোচর হয় না। রিকার্ডোর বুকে গিয়ে বিঁধে সেই মলিন চেহারা। রিকার্ডো মুখ ঢেকে সেখানে দাঁড়িয়ে আছে দেখে কেউ তাকে তেমনভাবে লক্ষ্য করে নি এখনো। তার সাথে প্রধান সেনাপতি স্টেফেনও রয়েছে। স্টেফেনও একটা কাপড় দ্বারা নিজের অর্ধেক মুখশ্রী ঢেকে রেখেছে। আনাস্তাসিয়া ঘুরে দাঁড়িয়ে তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সৈন্যকে ধীর স্বরে বলে উঠে,

" মহিলাটির পরিচয় এবং সকল খোঁজ নিয়ে আমাকে জানাবে আজকের মধ্যে। যদি তার কাজ সত্যি হয় তাহলে কালকে প্রাসাদে আসলেই তার কাজের ব্যবস্থা করে দিবে৷ এবং যতক্ষণ সে প্রাসাদে কাজ করবে তার বাচ্চার দেখাশোনার ব্যবস্থাও করে দিবে। "

সৈন্যটি মাথা নেড়ে সম্মতি জানায়। মনে মনে বেশ অভিভূতও হয় সে কাউন্টেস দ্বারা। তাদের কাউন্টেস কেবল আবেগ দিয়ে নয় বিবেক দিয়েও সবটা সামলায়৷ অন্য কেউ হলে হয়তো আবেগের বসে মহিলাকে কেবল সাহায্য করে বসতো৷ কিন্তু আনাস্তাসিয়া মহিলাটির পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে তবেই মহিলাটির সাহায্য করবে এই জিনিসটা তার বেশ ভালো লাগে। একজন আদর্শ কাউন্টেসের তো এমনই হওয়া উচিত। আনাস্তাসিয়া আবার কাজে মন দেওয়ার জন্য এগিয়ে যেতে নিলেই পিছন থেকে একটা ভারী পুরুষ কণ্ঠ বলে উঠে,

" যেই সাম্রাজ্যের কাউন্টেস নিজের এবং প্রজার মাঝখানের সীমা ভুলে রাজ প্রাসাদ ছেড়ে সাধারণ লঙ্ঘরখানায় নেমে আসে, তার সাম্রাজ্য কয়দিন টিকে সেটাই দেখার বিষয়। "

কথাটি যে আনাস্তাসিয়াকে কটাক্ষ করে বলে হয় তা স্পষ্ট। রিকার্ডো এবং স্টেফেনের কানেও পৌঁছায় এই কথা। স্টেফেন রেগেমেগে সেই প্রজার দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য উদ্যত হয়। কিন্তু রিকার্ডো হাত দিয়ে তাকে বাঁধা দেয়। স্টেফেন রাগান্বিত স্বরে বলে,

" কিন্তু সে কাউন্টেসকে কটাক্ষ করে কথা বলেছে কাউন্ট। আমাকে আদেশ দিন এক্ষুনি গিয়ে এই বেয়াদবের গর্দান নিয়ে নিচ্ছি। "

রিকার্ডো চোখের ইশারায় স্টেফেনকে চুপ থাকার আদেশ দেয়। স্টেফেন বুঝতে পারে না যে কাউন্ট কেন তাকে বাঁধা দিচ্ছে। তাই রাগ দমিয়ে রেখে সে সামনে তাকিয়ে থাকে কাউন্টেসের প্রতিক্রিয়া দেখার জন্য।

আনাস্তাসিয়া ঘাড় ঘুরিয়ে পিছনে ফিরে তাকায়। এখানে অনেকজন পুরুষই দাঁড়িয়ে আছে। আনাস্তাসিয়া শান্ত স্বরে প্রশ্ন করে,

" এইমাত্র কে কথা বলেছে? "

বাকি প্রজারা মাথা নত করে ভয়ে ভয়ে একজন ব্যক্তির দিকে আঙুল তুলে দেখিয়ে দেয়। আনাস্তাসিয়া দেখে একটি চল্লিশার্ধো পুরুষ মুখে কিছু একটা চিবুচ্ছে তার দিকে তাকিয়ে। তার দৃষ্টি মোটেও সুবিধার নয়। আনাস্তাসিয়া ওই লোকের দিকে তাকিয়ে বলে উঠে,

" কি বলেছো এইমাত্র? আরেকবার বলো। "

লোকটা একই সুরে আবার বলে উঠে,

" যেই কাউন্টেস কিনা শত বছরের নিয়ম ভেঙে রাজ প্রাসাদের বাহিরে বেরিয়ে প্রজাদের উপকার করার নাটক করে তার সাম্রাজ্য দু'দিনও টিকবে না। "

লোকটার কথা শেষ হতে দেরি কিন্তু আনাস্তাসিয়ার ক্লকের ভেতর থেকে তলোয়ার বের করে লোকটার গলায় ধরতে দেরি হয় না। আনাস্তাসিয়া অগ্নিমূর্তির রূপ ধারণ করে মুহুর্তেই। তীক্ষ্ণ দৃষ্টি নিক্ষেপ করে ঝাঁঝালো স্বরে বলে উঠে,

" আমার এখন তোর থেকে শিক্ষা নিতে হবে যে কোন নিয়ম আমার মেনে চলা উচিত এবং কোনটা অনুচিত? "

আনাস্তাসিয়ার আচমকা এমন রূপ দেখে লোকটা ঘাবড়ে যায়। সে আশা করে নি কাউন্টেস হয়ে আনাস্তাসিয়া তলোয়ার চালানোও জানবে বা এরকম প্রতিক্রিয়া দেখাবে। আনাস্তাসিয়া লোকটার মুখ থেকে মদের উটকো গন্ধ পায়। মুহুর্তেই তার পেট গুলিয়ে আসার উপক্রম। রাগে লোকটার বুক বরাবর লাথি মেরে তাকে ফেলে উচ্চস্বরে একজন সৈন্যকে ডাকে। সৈন্যটি তার পাশে এসে দাঁড়াতেই আনাস্তাসিয়া বলে উঠে,

" রোমানিয়ান সাম্রাজ্যের কাউন্টেসকে অসম্মান করার শাস্তি কি সেনাপতি? "

সৈন্যটা গম্ভীর গলায় জবাব দেয়,

" মৃত্যুদণ্ড। "

আনাস্তাসিয়া কঠিন স্বরে বলে উঠে,

" তবে এই শাস্তি কার্যকর করা হোক। কাল সকালে বাজারে প্রবেশের প্রধান ফটকের উপর যেন এই অসভ্যের গর্দান ঝুলে। সবাই যেন দেখতে পায় যে কাউন্টেস আনাস্তাসিয়াকে অসম্মান করার শাস্তি কতটা ভয়াবহ হতে পারে। "

" যথা আজ্ঞা কাউন্টেস। "

সাথে সাথে সেই লোকটা চিৎকার করে নিজের জীবন ভিক্ষা চাওয়া শুরু করে। আনাস্তাসিয়া সেদিকে পাত্তা না দিয়ে নিজের কাজে ফিরে যায় আবার৷ দুজন সৈন্য এসে সেই লোকটিকে ধরে সেখান থেকে নিয়ে যায়। রিকার্ডোও হেসে সেই লঙ্গরখানা থেকে প্রস্থান করে। তার পিছন পিছন আসা স্টেফেন এখনো হতভম্ব হয়ে আছে। রিকার্ডো একবার পিছনে তাকিয়ে স্টেফেনের এমন প্রতিক্রিয়া পরখ করে নেয়৷ তারপর মৃদু হেসে স্টেফেনকে উদ্দেশ্য করে বলে,

" এটাই আমার নাসিয়া৷ কখনো রণচণ্ডী তো কখনো হৃদয়হরণকারী। "

এটুকু বলেই রিকার্ডো সামনে এগিয়ে যায় নিজের ঘোড়ার দিকে। ঘোড়ায় উঠে বসতেই মনে মনে হেসে বলে উঠে সে,

" জংলী বিড়াল। "

চলবে…

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ৬১তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন