ফন্ট সাইজ:
থিম:
তোমাতেই দেওয়ানা আমি

২য় পর্ব

লেখক: সামিয়া আক্তার

 উপন্যাস : তোমাতেই দেওয়ানা আমি 

 লেখিকা : সামিয়া আক্তার 
পর্ব :২
(বিঃদ্রঃ আপনারা কেউ কোনো উৎসাহ দিচ্ছেন না আমি উপন্যাস লেখার কোনো আগ্রহ পাচ্ছি না। প্লিজ সবাই বেশি বেশি করে like কমেন্ট করেন। তাহলে পর্ব বড়ো আর তাড়াতাড়ি দিবো ইনশাআল্লাহ )

কিরে পেত্নী এমনে হাসোস কেন। ভুতে ধরলো নাকি।

ভাই এর কথায় ভালো মন টা মুহূর্তে খারাপ হয়ে গেলো। তার ভাইটা এমনই তাকে কখনো নাম ধরে ডাকে না। খালি উল্টো পাল্টা নাম বলে ডাকে এই যেমন এখন।
তারপর কথায় সামিয়া রাগী সরে বললো কি সমস্যা তোমার আমার এতো সুন্দর নাম ডারে থুইয়া কি কইয়া ডাকো হে।
সর এনতে ফকিন্নি বইতে দে জা বাইত যা। ( ভাইয়া ) 
ফকিন্নি বলায় তার মেজাজ উঠে গেছে তুঙ্গে চিৎকার করে মাকে ডাক দিয়ে বলে ওই মা তোমার পোলারে কিছু কইবা। কি কইয়া ডাকে খালি আমারে।
ভাইয়া :ফকিন্নিরে ফকিন্নি কইছি তাতে তোর কি। যা সর ঘরে যাইয়া পড়তে বয়।
ভাইয়ের কথায় মুখ ফুলিয়ে ঘরে চলে যায়। ঘরে দেখে তারপর মা সন্ধ্যার নাস্তা বানাচ্ছে সে গিয়ে চুপ চাপ বসে খাওয়া শুরু করে। খাওয়া শেষে বই খাতা নিয়ে পড়তে বসে আর এক মাস পরে তার বার্ষিক পরীক্ষা তাই মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে। পড়তে বসে পড়ায় মন বসাতে পারছে না ভালো করে বিকালের সেই ছেলেটার মুখ শুধু চোখের সামনে ভেসে উঠছে। আসলে তাঁদের বাড়ির পাশেই সিঙ্গাপুর ট্রেনিং সেন্টার আছে ছেলেটা মূলত সেখান থেকেই আসছে। ছেলেটার কথা শুনে যা মনে হলো ছেলেটার গ্রাম সম্ভবত পাবনায়। তাঁদের এই এলাকায় স্থানীয় মানুষ শুধু সে আর তারপর বান্ধবী রুপা। আর সবাই একেক জেলা থেকে আসছে জীবিকা নির্বাহ করতে। হটাৎ শব্দে ভাবনার জগৎ থেকে বের হয়। শব্দের উৎস খুঁজে বাইরে যেয়ে দেখে তারপর বড়ো বোন চলে আসছে। সবে মাত্র বোরকা খুললো সে যেয়ে বিছানায় বসতে বসতে বলে আপু কেমন দেখলে ছেলে।
আপু :  ধুরু বা**** বুইড়া বেডা এককেরে ডিপজল এর মতো দেখলেই তো কেমন লাগে এই বেডা বিয়ে কেমনে করমু।
আপু কথা শেষ হওয়ার সাথে সাথে হাসিতে ফেটে পড়লো তারা টিন ভাই বোন। মা এসে সব গুলাকে চুপ করতে বললে সবাই বাধ্য বাচ্চার মতো চুপ হয়েছে যায়। 
আপু : মা এই বেডা  আমারতে অনেক বড়ো আমি এই বেডারে বিয়ে করমু না।
বড়ো আপু দেখতে বেস গোলগাল মাথার চুল স্ট্রেট করা।
আর মুখে বেস কয়টা জায়গায় ব্রণ আছে টিন বোনের মধ্যে বড়ো আপুই একটু গোলগাল। আর বাকি দুই বোন শরীর এর দিক দিয়ে এক একদম সুখনা। শুধু শরীরেই মিল মনের দিক দিয়ে কোনো মিল নেই তাঁদের কেউ কাউকে দেখতে পারে না। তাঁদের উঠতে বসতে শুধু ঝগড়া লাগে। সেই দিক দিয়ে আবার বড়ো বোন ভালো কোনো বকে না ঝগড়া করে না একদন শান্ত শিষ্ট। বড়ো আপুর কথায় মা প্রতিবাদ করে বললো মাইনসের বাইরে দিয়া দেইখা কহন বিচার করবি না। কম পাত্র তো ফিরে গেলো না এটা না করিস না মা। ইনশাআল্লাহ এইডা ভালো হইবো। বড়ো আপু বললো কিন্তু মা এইডা কেমনে হয় হেরা বলে দুই একদিনের মধ্যে আইবো আবার দেখতে।
মা বললো আহক সমস্যা কি তুই মা না করিস না এতো ভালো একটা সমন্ধ আর পাবি না।
বড়ো আপু আর কিছু বলতে পারলো না হতাশা দীর্ঘ শ্বাস ছাড়লো। হটাৎ আপুর সামিয়া আর ভাইয়ার দিকে চোখ পড়তেই চিৎকার করে বললো এই তোগো না সামনে পরীক্ষা তোরা না পইড়া এনে কি করোস যা পড়তে বো।
কি আর করার চুপচাপ যেয়ে পড়তে বসলাম 
চলবে.........

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ২য় পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন