#হেদায়েতের_নুর
#নাফিসা_বিনতে_সুলতান
পর্ব: ২৫
কিছুক্ষন আগে বিয়ের সকল আলাপ আলোচনা শেষ করে বাসায় এসেছে সাদিফরা। বাসায় এসেই সবাই বিয়ের আলোচনা নিয়ে বসেছে। সাদিফ সেখান থেকে নিজের রুমে এসে দরজা বন্ধ করে দরজায় হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ে। তার পুরো শরীর কাপছে। অবশেষে সেই সময়টা আসতে চলেছে যার জন্য সে দিন রাত পরিশ্রম করে গিয়েছে। সে তার নূরকে হালাল ভাবে নিজের করে নিচ্ছে। সাদিফের চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ছে। এটা তো খুশির কান্না । এটা তার সুখের কান্না। সাদিফ নিজের চোখের পানি মুছে মুচকি হাসে আর বলে,
নুর তুমি আমাকে কি থেকে কি বানিয়ে ফেলেছো হুম? আমাকে মেয়েদের মতো আবেগী বানিয়ে ফেলেছো। কথায় কথায় শুধু চোখ দিয়ে পানি পড়ে। ছেলে মানুষের কি কাদতে আছে??? কিন্তু তোমার জন্য এই কয়েক মাসে কত গুলা চোখের পানি ফেলছি হুম! আমার প্রত্যেকটা চোখের পানির হিসাব তোমাকে ভালোবাসা দিয়ে পোষাতে হবে।
সাদিফ ওযু করতে চলে যায়। সে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করার জন্য নফল নামাজ পড়বে।
দুই বাড়িতেই বিয়ের কাজ জোরেশোরে শুরু হয়ে গিয়েছে। আজ সোমবার এবং শুক্রবার বিয়ে। হাতে সময় অনেক কম। দুই পরিবারেরই প্রথম সন্তানদের বিয়ে। সবার মনে অনেক বেশি আনন্দ কাজ করছে। সাদিফ তার মা বাবার সাথে বিয়ের সব শপিং করে এসেছে কিছুক্ষন আগে। নূরের জিনিসপত্র গুলো এখন নূরদের বাসায় পৌঁছানো হবে। সাদিফের সব কাজিনরা বসেছে ডালা সাজাতে। সবাই গল্পে মেতে উঠেছে। গল্প করতে করতে সবাই বিয়ের কাজ গুলো করে যাচ্ছে। সাদিফের কাজিনরা খুব সুন্দর করে নূরের ডালা তৈরি করে ফেলে। সবাই দেখে প্রচুর পরিমাণে প্রশংসা করছে। তাদের কথার মাঝখানে সাদিফ সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে আসছিলো । সাদিফকে দেখেই তার কাজিন হুমাইরা তাকে ডাক দেয়। সাদিফ তাদের দিকে এগিয়ে যায়।
সাদিফ: কি হয়েছে ডাকছিস কেনো?
হুমাইরা: ভাইয়া দেখো ভাবির জন্য আমরা সবাই মিলে ডালা সাজিয়েছি। সবার অনেক পছন্দ হয়েছে। এবার তুমি তোমার মতামত দাও।
ওদের কথা শুনে সাদিফ ডালার দিকে তাকায়। আসলেই খুবই পরিপাটি এবং সুন্দর করে সাজিয়েছে তারা। সাদিফ ডালার থেকে চোখ ফিরিয়ে আবার ওদের দিকে তাকায়।
সাদিফ: অনেক সুন্দর হয়েছে। জাযাকাল্লাহু খায়রান।
হুমাইরা: উহুম ! শুধু তারিফ করলে হবে না ভাইয়া। আমরা অনেক পরিশ্রম করেছি । আমাদের বকশিস দাও।
পিছন থেকে সিয়াম বলে উঠে ,
সিয়াম: আমরা ও কিন্তু ভাগ পাই । বাড়ির লাইটিং এবং অন্যান্য কাজ কিন্তু আমরা দেখছি।
সাদিফ ওদের দিকে ব্রু কুচকে কিছুক্ষন তাকিয়ে থেকে মুচকি হাসি দিয়ে পকেট থেকে মানিব্যাগ বের করে। সেখান থেকে ৫ টা ১০০০ টাকার নোট বের করে ওদের হাতে দেয়।
সাদিফ: তোরা সবাই মিলে তোদের পছন্দের খাবার খেয়ে নিস। এবার সবাই খুশি?
সব কাজিনরা একসাথে: হ্যাঁ!
****************************************
কিছুক্ষন আগে সাদিফদের বাড়ি থেকে নূরের ডালা এসেছে। নূরের পরিবারের সবাই তা দেখতে ব্যস্ত। সবাই ছেলে পক্ষের পছন্দের অনেক প্রশংসা করছে। বিয়ের জামা থেকে শুরু করে সব কিছু অনেক সুন্দর করে ম্যাচিং করে দেয়া হয়েছে। সবার কথার মাঝখানে নূরের মেঝো ফুপি বলেন- নুর কোথায়? ওর বিয়ের ডালা ও দেখবে না? এই মরিয়ম মা যাও তো নূরকে ডেকে নিয়ে আসো।
মরিয়ম: জ্বি আচ্ছা ফুপি।
মরিয়ম নূরকে ডাকতে চলে যায়। নুর তার রুমে শুয়ে আছে। ঠিকমতো খাচ্ছে না ঘুমাচ্ছে না। মুখটা একদম ফ্যাকাশে হয়ে আছে। তার জীবনে এত দ্রুত কি হচ্ছে সে নিজেই বুঝতে পারছে না। সাদিফ তো তাকে তার বন্ধুদের সাথে বাজি রেখে ভালো ব্যবহার এবং তাকে পছন্দ করার নাটক করছিলো। সব তো শেষ হয়ে গিয়েছে। তাহলে সাদিফ কেনো তাকে বিয়ে করতে চাচ্ছে? এর পিছনের কারণ কি? এই সব চিন্তায় নূরের মাথা ব্যথা করছে। মরিয়ম তার রুমে এসে তাকে ডেকে তুলে। নুর যেতে চাচ্ছিলো না কিন্তু মরিয়ম তার কোনো কথা না শুনে জোর করে নিচে নিয়ে গিয়ে সবার মাঝখানে বসায়। সবাই নূরকে ডালার বিভিন্ন জিনিস দেখাতে থাকে। নুর জোরপূর্বক হাসি দিয়ে দেখতে থাকে সব। বেবী পিংক কালারের গাউন সাথে ম্যাচিং স্টোনের কাজ করা হিজাব এবং দুপাট্টা। ম্যাচিং হালকা হিল জুতা এবং হেভী কাজ করা পার্স ও রয়েছে। সাথে রয়েছে বেবী পিংক কালারের নিকাব। মেকআপ আইটেম থেকে শুরু করে যা যা প্রয়োজন সব পাঠানো হয়েছে। নূর মলিন মুখে সব দেখে যাচ্ছে। নূরের মা আয়েশা আক্তার নূরের পাশে বসে নূরের থুতনিতে হাত দিয়ে নূরের মুখ তার দিকে ফিরায়।
আয়েশা আক্তার: কি হয়েছে মা তোর? মুখটা এত মলিন হয়ে আছে কেন? তোকে খুশি লাগছে না কেন?
নূর: কই আম্মু আমি তো খুশি। তোমার এমন মনে হচ্ছে কেনো?
আয়েশা: তোকে অনেক চিন্তিত লাগছে।
পাস থেকে নূরের ফুপি বলেন,
তুমি শুধু শুধু চিন্তা করছো আয়েশা। প্রত্যেকটা মেয়ে বিয়ের আগে টেনশনে থাকে, ভয়ে থাকে, নার্ভাস থাকে এটা স্বাভাবিক। তোমার উচিত এখন নূরকে সাহস দেয়া এবং ভরসা দেয়া ।
আয়েশা মেয়েকে কে কিছুক্ষন বুকে জড়িয়ে বসে থাকেন। মন তো তার ও অশান্তিতে রয়েছে। তার এত আদরের মেয়েকে ছাড়া তিনি কিভাবে থাকবেন? কিন্তু এটাই তো নিয়ম প্রত্যেকটা মেয়েকে বিয়ে করে স্বামীর বাড়িতে যেতেই হয়। নূরকে তার মা ,খালা, ফুপীরা সবাই মিলে সংসারের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে বুঝিয়ে বলছেন। তাকে সংসার জীবন নিয়ে বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ দিচ্ছে।
দেখতে দেখতে আরও দুটো দিন কেটে গেছে। আজকে বৃহস্পতিবার। আগামীকাল সাদিফ নূরের বিয়ে। নূরের সব কাজিনরা মিলে পার্লার থেকে কিছু মেয়েকে ডাকিয়ে এনেছে। বাসায় বসে তারা নূরের ফেসিয়াল, হেয়ারস্পা করিয়ে দিয়েছে। সবার খুশির জন্য নূর বাধ্য মেয়ের মতো সব কিছু মেনে নিচ্ছে কিছু বলছে না। মাগরিবের নামাজ পড়ে সবাই নূরের রুমে জড়ো হয়েছে হাতে মেহেন্দি লাগাবে বলে। নূরকে একটা সবুজ কালার শাড়ি পরানো হয়েছে। মাথায় ঘোমটা দিয়ে সে খাটে চুপচাপ বসে আছে। নূরের দুইজন কাজিন নূরের দুই হাত ভরে মেহেদী দিয়ে দেয়। বাকিরাও নিজেদের মতো গল্প করছে এবং একে অপরকে মেহেদী দিয়ে দিচ্ছে। এই রুমে মেয়েরা ছাড়া আর কেও নেই। রান্না ঘরে আয়েশা আক্তার রান্না বাড়ার দায়িত্ব পালন করছে তাকে সাহায্য করছে নূরের খালা, ফুপুরা। মাঝে মাঝে তারা নূরের রুমে গিয়ে জিজ্ঞেস করে আসছেন কারো কিছু প্রয়োজন কিনা। বাহিরে নূরের বাবা এবং ছেলে কাজিনরা লাইটিং করাচ্ছেন। পুরো বাড়ি এবং আশেপাশের রাস্তা বিভিন্ন রঙের আলোয় আলোকিত হয়ে উঠেছে। ছাদে প্যান্ডেল করা হচ্ছে। আগামীকাল ছাদে ছেলেদের খাবারের ব্যবস্থা করা হবে এবং বরের বসার জন্য স্টেজ করা হচ্ছে। মেয়েদের ঘরের মধ্যে খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সবাই গল্প করছে এবং একজন আরেকজনের হাতে মেহেদী পরিয়ে দিচ্ছে। খাবার খাচ্ছে আনন্দ করছে। অন্যদিকে ছেলেরা বাহিরে বসে লাইটিং এর সব কাজ এবং আগামীকালের কাজ গুলো নিয়ে আলোচনা করছে এবং খাবার খাচ্ছে। তারাও একে অপরের সাথে গল্পে মেতে উঠেছে। নুর এবং সাদিফের বিয়েটা পুরোপুরি সুন্নতি ভাবে করা হচ্ছে। এখানে কোনো ধরনের গান বাজনা নেই , ছেলে মেয়ে মিলে হইহুল্লোড় নাচানাচি নেই। সবাই আলাদা আলাদা নিজেদের মতো আনন্দ করছে। নূরের হাতে সাদিফের নাম লিখে দেয়া হয়েছে। নূরের কিছুক্ষন আগে দুই হাত ভরে মেহেদী দেয়া শেষ হয়েছে। সাদিফের নামটি তার হাতে জ্বল জ্বল করছে। নুর ভাবছে সাদিফ যদি বাজি না ধরতো তার সাথে অভিনয় না করতো তাহলে হয়তো আজ পরিস্থিতি অন্যরকম হতো। নুর এখন খুশি মনে সাদিফের জন্য হাতে মেহেদী পড়তো। কিন্তু এখন সব উলটপালট হয়ে গেছে। কি থেকে কি হচ্ছে সে কিছুই বুঝছে না। নূরকে এখন অন্যরকম সুন্দর লাগছে। সবুজ রঙের শাড়ি মাথায় আঁচল দিয়ে ঢেকে রাখা, হাত ভর্তি মেহেদী যেনো উপরূপ করে তুলছে। আসলেই বিয়ের সময় হলে মেয়েদের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। তা না হলে দুইদিন আগেও যে মেয়েকে দেখতে ফ্যাকাশে লাগছিলো আজকে তাকে এত রূপবতী লাগছে কি করে? সে তো কোনো প্রকার মেকআপও করে নি। সামান্য লিপস্টিক টা পর্যন্ত দেয় নি। তাও তার গায়ের রঙ যেনো জ্বল জ্বল করছে।
সাদিফদের বাসার ও একই হাল। মেয়েরা মেহেদী দিচ্ছে কেউ কেউ ফেসিয়াল করছে। মা চাচিরা রান্নাবান্না করতে করতে আড্ডা দিচ্ছেন। ছেলেরা বাড়ির লাইটিং এবং অন্যান্য কাজ নিয়ে বাহিরে বসে আলাপ করছে। ছোট বাচ্চারা ছোটাছুটি করে খেলাধুলা করছে। সাদিফ তার রুমে বসে কোরআন তেলাওয়াত করছে। এভাবেই রাতটা পার হয়ে যায়।
*****************************************
শুক্রবার সকাল সকাল উঠে রান্নাবান্নার ধুম পড়ে গিয়েছে। ছেলেরা ছাদে চেয়ার টেবিল সেটিং করছে। মেয়েরা কে কোন জামা পড়বে কিভাবে সাজবে সেসব নিয়ে আলোচনায় বসেছে। নূরকে ঘুম থেকে তুলে হালকা নাস্তা খাইয়ে গোসল করতে পাঠিয়ে দেয়া হয় । কিছুক্ষণের মধ্যেই তাকে সাজাতে পার্লার থেকে মেয়েরা চলে আসবে।
নুর গোসল করে চেয়ারে বসে আছে। পার্লার থেকে আসা মেয়েরা তাকে সাজানো শুরু করে দিয়েছে। নুর ওযু করে সাজতে বসেছে। যত যাইহোক নামাজ মিস দেয়া যাবে না। এক দেড় ঘণ্টার মধ্যে নূরকে পুরোপুরি সাজানো শেষ। বেবী পিংক ফুল হাতা গাউন । মাথায় হিজাব পরিয়ে তার উপর দুপাট্টা সেট করা। ম্যাচিং গয়না গুলো পরিয়ে মুখে নোস নিকাব টা পরিয়ে ফুল লুক কমপ্লিট করা হয়েছে । নূরকে রেডি করার পর নুর খাটের উপর বসে আছে। তার অন্যান্য কাজিনরা যে যার মতো করে রেডি হচ্ছে।
সাদিফ একটা বেবী পিংক কালারের শেরওয়ানি পড়েছে। নূরের গাউনের সাথে ম্যাচিং করে কিনেছে। হাতে ঘড়ি , চুল গুলো সেট করে জুতা পরে সে রুম থেকে বের হয়। নিচে নামার পর তার বাবা তার মাথায় টুপি পরিয়ে দেয় । সবাই রেডি হয়ে বরযাত্রী নিয়ে রওনা হয়। দুপুর ২:৩০ মিনিটে বরযাত্রীর ছেলেরা মসজিদে গিয়ে পৌছায় এবং মেয়েরা সোজা নূরদের বাসায় চলে যায়। মসজিদে বরযাত্রী বসানোর জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা করা হয়ে ছিলো। কাজী সাহেবকে নিয়ে প্রথমে নূরদের বাসায় যাওয়া হয়। নূরের কাছে গিয়ে স্বাক্ষী এবং উকিল নির্ধারণ করে নূরকে কবুল বলতে বলা হয়। নূরের ঠোঁট কাপছিলো। মুখ দিয়ে যেনো কবুল শব্দটা বের হতেই চাচ্ছিলো না। গলায় কথা দলা পাকিয়ে যাচ্ছিলো । চোখ ঝাপসা হয়ে আসছিলো । আল্লাহর নাম নিয়ে অবশেষে নুর কবুল বলে দেয়। তাকে যখন সিগনেচার করতে দেয়া হয় নূরের হাত থর থর করে কাপছিলো। সে কোনোভাবেই কলম ঠিক মত ধরতে পারছিলো না। তখন পাশ থেকে নূরের বাবা নূরের মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়। নুর ঝাপসা চোখে বাবার দিকে তাকায়। বাবা তাকে চোখের ইশারায় আশ্বস্ত করে ভরসা দেয়। নুর কাপা কাপা হাতে সাইন করে দেয়। কাজী এবং বাকি সবাই এরপর মসজিদে যায়। মসজিদে গিয়ে এবার সাদিফকে কবুল বলতে বলা হয়। সাদিফ কবুল বলে এবং সাইন করে দেয় । কাজী এবার বলে উঠেন আপনাদের বিয়ে আল্লাহর রহমতে হয়ে গিয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। সবাই বলে উঠে একসাথে আলহামদুলিল্লাহ। নূরের এবং সাদিফের কাজিন মিলে সবার মাঝে খেজুর ছিটিয়ে দেয়। সবাই খুশি মনে খেজুর খেতে শুরু করে। ( মসজিদে বিয়ে করা এবং বিয়ে হয়ে গেলে খেজুর সবার মাঝে ছিটিয়ে দেয়া সুন্নত)। নূরের বাবা সাদিফের কাছে গিয়ে সাদিফের হাত নিজের হাতে তুলে নিয়ে বলেন,
আজ থেকে আমার মেয়ে তোমার আমানত বাবা। আজ থেকে তার সকল দায়িত্ব তোমার। তার সুখে দুঃখের সাথী তুমি। আমার মেয়েটাকে কখনো কষ্ট দিও না। তিনি কান্না করে ফেলেন।
সাদিফ তার হাত শক্ত করে ধরে ভরসার সাথে বলে,
ইন শা আল্লাহ । বাবা আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো নূরকে সুখে রাখার। আল্লাহ আমাকে সেই তৌফিক দান করুক। আমিন।
নূরের বাবা সাদিফকে জড়িয়ে ধরে কান্না করতে থাকেন। সাদিফ তাকে আশ্বস্ত করে।
বিয়ে পড়ানো শেষ হয়েছে খবর পেয়ে নূরদের বাসায় ও সবার মাঝে খেজুর ছিটিয়ে দেয়া হয়। নবদম্পতির জন্য দোয়া করা হয়। মেয়েদেরকে রুমের মধ্যে খাবার দেয়া হয়। ছেলেদের মসজিদ থেকে আসার পর ছাদের প্যান্ডেলে বসিয়ে খাবার দেয়া হয়।
চলবে।
কেমন হয়েছে জানাবেন। আমার লেখায় ভুলত্রুটি হয়ে থাকলে আমাকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। জাযাকাল্লাহু খায়রান ।