ফন্ট সাইজ:
থিম:
প্রনয়ের ঘ্রাণ

৩৭তম পর্ব

লেখক: ইরফা মাহনাজ

#প্রণয়ের_ঘ্রাণ

#লেখিকা_Irfa_Mahnaj

#পর্ব_৩৪

❌ কপি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ❌

*

*

*

মাথা ভার হয়ে আছে সাথে কেমন ঝিমঝিম ও করছে। চোখ দুটো খুলতে চাইলেও খুলছে না।

সারা শরীর ব্যথায় জর্জরিত। এতো ব্যথা যে নড়তেও পারছে না। হটাৎ এমন হওয়ার কারণ খুঁজে পেলো না আভা।

তবে কারণ যাই হোক তাকে এখন নিজের চোখ দুটো খুলতে হবে। চোঁখের সাথে একপ্রকার যুদ্ধ করে অবশেষে খুলতে সক্ষম হলো সে।

পিট পিট করে চোখ খুললেই দেখা মিলে সাদা রংয়ের সিলিংয়ের। কিছুক্ষণ পিট পিট করে তাকিয়ে থেকে আবারো বন্ধ করে ফেলে আভা।

মস্তিষ্ক বোধহয় তার নিজ কার্যক্রম শুরু করছে। সম্পূর্ণ না করলেও আংশিক করছে তাইতো আভা অনুভব করতে পারছে।

অনুভব করছে একটা ভারি পাথর এর বস্তা ওর শরীরের উপর। দম নিতেও কষ্ট হচ্ছে। মনে হচ্ছে কোনো কিছু ওকে খুব শক্ত করে পেঁচিয়ে আষ্টেপিষ্টে জড়িয়ে ধরে আছে।

ঘাড় কাত করে বাম পাশে ফিরলেই নজরে আসে কারো বৃহৎআকার প্রশস্ত ন*গ্ন বক্ষের। ব্যক্তিটি আভাকে এমন ভাবে নিজের বাহুডোরে আটকে রেখেছে যে পারলে বুকের মধ্যে ঢুকিয়ে ফেলে।

বন্ধন থেকে মুক্ত হতে যেইনা আভা একটু নড়াচড়া করলো অমনি তুরাজ ওকে আরো নিজের সাথে চেপে ধরে।

এবার বুঝি আভার হাড্ডি মাংসের মধ্যেই ডুকে যাবে। বিরক্তির "চ" বর্গীয় শব্দ উচ্চারণ করে ভালোভাবে চোখ বুলাতেই চোখ দুটো যেনো নিজের কোটর থেকে বেরিয়ে আসবে আভার।

মুখ দিয়ে অস্ফুটে আওয়াজ বের করে,

--- তু... তুরাজ!

একি দেখছে সে।তুরাজ আর সে এতো কাছে! কি মনে করে নিজেদের দিকে তাকাতেই মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ে আভার।

অসম্ভব! এটা কীভাবে সম্ভব। যেই হাত টা তুরাজের বন্ধনে নেই সেটা দিয়ে এবার নিজেদের উপরে থাকা চাদর সরায় আভা।

যেটা আশঙ্কা করেছিল সেটাই হয়েছে। হ্যাঁ। এক সুতা পর্যন্ত ওদের গায়ে নেই। কিন্তু কীভাবে কি? ওরা তো এখনো নিজেদের মধ্যে স্বাভাবিক একটা সম্পর্কই স্থাপন করতে পারলো না।

তার আগেই এসব! তখনই ধীরে ধীরে মনে পড়তে লাগলো রাতের কথা।

রুমে এসে দুজনেই দেবদাস হয়ে গিয়েছিল। আসলে সত্যি বলতে ওদের দুজনের মনেই যে অন্য কারোর বাস রয়েছিল এটা দুজনের কেউই অস্বিকার করে না।

তাই তো মনের কষ্টে তুরাজ ড্রিঙ্ক করা আরম্ভ করলো। যদিও এসব আগে কখনোই খায়নি তাইতো অল্পতেই নেশা চড়ে গেছিলো দুজনের।

তুরাজ যখন আভাকেও অফার করলো কি মনে করে আভাও আর না করেনি। তুলে নিয়েছিল একটা গ্লাস।

ও যখন প্রভার বিয়ের কথাটা বলতে রুদ্ধকে ফোন দিতে নিয়েছিল তখন কোথাও একটা থেকে ওকে ওর ভিতরের একটা সত্তা সেটা করতে বারণ করেছিল।

বলেছিলো স্বার্থপর হতে। কিন্তু বোনের সুখ আর তার মুখ টা ভেসে উঠতেই সব স্বার্থপরতা মাটি চাপা দিয়ে ফোন দিয়েছিলো।

সেই কি কম কষ্ট! তুরাজ তো তাও ওরা চলে যাওয়ার পর এসেছিল কিন্তু আভা তো সেই শুরু থেকেই সব দেখছিলো।

যাকে তুমি চাও সে যদি আরেকজনের জন্য নিজের জান দিতে চায় সেই দৃশ্য দেখা যে কতোটা কষ্টের তা কেবল যারা একপাক্ষিক ভালোবাসে তারাই জানে।

অতীত থেকে বেরিয়ে আসে আভা। পরিস্থিতি যাই হোক এখন সেটার মুখোমুখি তাদের হতেই হবে।

এখন তুরাজ আর সে স্বামী স্ত্রী। নিজেদের এই হালাল সম্পর্কে আভা একটা পরিচয় দিতে চায়। এগিয়ে নিতে চায়।

এবং সে একা নয়। সে চায় তুরাজ ও এগিয়ে আসুক। আর এটা তুরাজকে করতেই হবে। ফোস করে দম ফেলে আভা।

তারপর চোখ দুটো বুজে কিছু একটা বিড়বিড় করে। বলা শেষ হলে তুরাজকে ডাকতে লাগে।

--- তুরাজ ? তুরাজ? শুনছেন?

ডাকলেও যখন কাজ হয় না তখন হাত দিয়ে ধাক্কাতে থাকে আর ডাকতে থাকে। এপর্যায়ে গিয়ে তুরাজ নড়েচড়ে উঠে।

আরো কিছুক্ষণ একা ধারে এভাবেই ডাকাডাকি করে অবশেষে তুরাজকে উঠাতে সক্ষম হয় আভা।

হাতের সাহায্যে মাথার চুল টেনে ধরে তুরাজ। এতো পরিমাণে মাথা ব্যথা করছে মনে হচ্ছে মাথা ব্যথায় ছিঁড়ে যাবে।

কষ্ট হলেও চোখ খুলে ভালোভাবে আশপাশ তাকায়। কেমন জানি অস্বস্তি হতে লাগে। নিজের শরীর হালকা অনুভব হয়।

তার থেকেও বড় কথা নিজের শরীরের সাথে তুলতুলে কিছুর অস্তিত্ব অনুভব করে তুরাজ। মাথায় ঝট করে কিছু একটা খেলে যেতেই বিদুৎ বেগে পাশে তাকায় ।

যা সন্দেহ করেছিল ঠিক তাই। মুখ থেকে তার আপনা-আপনি বেরিয়ে আসে,

--- ওহ শিট!

*********************

চুল বেয়ে টপটপ করে পানি পড়ছে প্রভার। চুল মোছার মতো কিছুই নেই। বলতে গেলে টোটালি তাদের কাছে কিছু নেই।

বিয়ের জন্য যেই শাড়িটা ওটাই গোসল শেষে পড়েছে। শুধু গহনা গুলো পড়েনি। আর মাথার সেই ভারি গহনা।

এছাড়া করবেই বা কি ওর জামাকাপড় তো কিছুই নেই। এখন চিন্তা সেটা না। চিন্তা হচ্ছে রুদ্ধকে নিয়ে।

প্রভার তো তাও শাড়ি ছিলো। ও বেচারার তো কিছুই নেই। বলতে যেই জামা পড়েছিলো সেই এক কাপড়েই তো বের হয়ে এসেছে।

এখন ছেলেটা পড়বে কি? প্রভার ভাবনার মাঝেই ওয়াশরুম থেকে ভেসে আসে রুদ্ধের হাক ডাক।

--- প্রভাত। প্রভাত। কিরে কোথায় তুই?

--- আসছি বাবা।

কথা বলতে বলতে ওয়াশরুমের দরজায় কড়া নাড়ে প্রভা। দরজা খুলেই যেইনা রুদ্ধ ওকে ওয়াশরুমের মধ্যে টেনে নিবে তার আগেই প্রভা ওর মতলব বুঝে যায়।

গো ধরে খিচ দিয়ে দাড়িয়ে থাকে। এতে বেশ বিরক্ত হয় রুদ্ধ। দরজার ফাঁক গলিয়ে মাথা বের করে বলে,

--- হাজবেন্ডের কথা শুনিস না তার উপর বড় বড় দুটো ভূল ও করছিস!

ভূল তাও আবার বড় বড় কবে কখন সেই ভূল করলো প্রভা! অবাক গলায় শুধায়,

--- প্রথম ব্যাপারটা নাহয় বুঝলাম কিন্তু ভূল করলাম কখন?

--- বাহ রে এতো তাড়াতাড়ি ভুলে গেলি?

--- আশ্চর্য কিছু করলামই তো না ভুলাভুলির প্রশ্ন আসছে কোথা থেকে।

--- প্রথমত আই এম ইউর হাজবেন্ড নট ইউর ফাদার তাই বাবা বলে ভূল করেছিস। দ্বিতীয়ত আমি তোকে টানলাম আর তুই কিনা না এসে গো ধরে দাড়িয়ে আছিস!

এতক্ষণ পর পুরো ব্যাপারখানা বোধগম্য হলো প্রভার। ও চোখ ছোট ছোট করে বলল,

--- সারারাত জ্বালিয়েও মন ভরেনি তোর?

--- না ভরেনি।

--- না ভরলে নাই।

--- হাজবেন্ডের মন ভরেনি স্ত্রী হিসেবে তোর একটা দায়িত্ব আছে। এভাবে এড়িয়ে যেতে পারিস না তুই প্রভাত।

রুদ্ধকে এবার ঠেলে ঠুলে ওয়াশরুমের ভিতরে ঢুকিয়ে দিলো প্রভা। তারপর বলল,

--- চুপচাপ গোসল করতে থাক। জামা কাপড় যে কিছুই আনিস সেই খেয়াল আছে? আসছেন আমাকে স্ত্রীর দায়িত্ব শিখাতে।

আসলেই রোমান্সের তাল উঠায় জামার কথা বেমালুম ভুলে গেছিলো রুদ্ধ। অগত্যা কোনো উপায় নেই ভোঁতা মুখে পুনরায় গোসল করতে চলে যায়।

হুট করে মাথায় আসে ওর জামা? পরণের টা তো ভিজে গেছে। এখন?

তড়িঘড়ি করে দরজা খুলে ফের ডাকে,

--- প্রভাত?

প্রভা সবে মাত্র কয়েক কদম এগিয়েছে তখনি রুদ্ধের ডাকে ওর কপালে ভাঁজ পড়ে। পিছনে ফিরে ঝাঁঝালো গলায় বলে,

--- কি হয়েছে কি? সমস্যা কি তোর একটু বলবি?

ইনোসেন্ট ফেইস বানিয়ে তারপর রুদ্ধ বলে,

--- রাগ করিস না বউ। জামা নেই গোসল করে পড়বো কি?

এভাবে কথা বললে কেউ রাগ করতে পারে বুঝি? না প্রভা তো একদমই পারে না। ফোস করে একটা শ্বাস ফেলে বলে,

--- আমি সেজন্যই তো নিচে যাচ্ছি দেখি বাড়িয়ালি দাদির কাছে পাই কিনা।

*********************

সচরাচর যেমন হাসি ঠাট্টা আর মজার মধ্যে মেতে থাকে আলোককুঞ্জ বাড়ি আজ তার ছিটেফোঁটাও নেই।

কেমন শুনশান, নীরব আর প্রাণহীন সবকিছু। নির্জীব এই পরিবেশে শুধু মায়েদের সন্তান ছাড়ার কান্না, বাবাদের দীর্ঘশ্বাস আর বোনের হাহাকার ভরা আর্তনাদ।

কেমন মৃত্যুপুরী মনে হচ্ছে সবসময় আনন্দে থাকা বাড়িটা। আর হবেই না কেনো। বাড়ির প্রাণ গুলোই যে বাড়ি নেই।

যারা পুরো বাড়ি মাতিয়ে রাখতো তারাই আজ বাড়ির বাহিরে। একটা ঝড় পুরো বাড়ির পরিবেশকে লণ্ডভণ্ড করে দিয়েছে।

মুখে আঁচল গুঁজে অশ্রু ফেলছেন আর কাজ করে যাচ্ছেন এলিনা। উদাসীন বদনে রিয়ানাও সাহায্য করছে তাকে।

ডাইনিং এ খাবার আনা নেওয়া করছে রিয়ানা। কেমন চাপা একটা নিঃশ্বাস তার বুক চিড়ে বেরিয়ে আসলো।

এসব খাবার আনা নেওয়ার কাজ গুলো প্রভাই করতো। টুকটাক কাজ সে করতো। আভাও যে বসে থাকতো এমন নয় সেও সাহায্য করতো।

তবে আজ? আজ দুজনের কেউই নেই। আর না তো আছে রুদ্ধের হাকডাক। কেউ চিৎকার ও করছে না।চোঁখের জল মুছে আবারো কাজে লেগে পড়ে রিয়ানা।

রিয়ানা নিজেকে সামলালেও সামলাতে পারে না দুজন মা যাদের মানিকরা যাদের কোলে নেই।

রুটি সেকতে গিয়ে শব্দ করে কেঁদে উঠলেন এলিনা। কাদতে কাদতেই অনুভব করলেন তার কাঁধে কেউ হাত রেখেছে।

পাশে ফিরলেই দেখেন রুহানি। যার চোখ জোড়াও টলমল করছে। কোনো কিছু না বলেই এলিনাকে জড়িয়ে ধরলেন রুহানি।

দুজনের চোখ দিয়েই বয়ে যাচ্ছে জলের স্রোত। কান্না আটকাতে পারছে না দুজন মাই। প্রভা চলে গেলো আর আভাকেও বিদায় দিতে হলে।

তার দুই মেয়ে, দুই কলিজার টুকরো একই দিনে চলে গেলো। এই কষ্ট সইবে কেমনে। তিনি তো সব সময় চেয়েছিলেন একজন গেলেও আরেকজন থাকবে।

কিন্তু এখন একজন গেলেও আরেকজন আঁকড়ে ধরার মতো কেউ নেই।

--- আপা ও আপা আমার ছেলেটা কই? ও তো বাড়ি ছেড়ে থাকতে পারে না। তুমি তো জানো রুদ্ধ আমার কত কষ্টের ফসল। ওকে জন্ম দিতে গিয়ে কত কি সহ্য করেছি। যেই ছেলেকে আমি এক মুহুর্তও চোখের আড়াল করিনা সেই ছেলে আজ একদিনেরও বেশি হয়ে গেলো দেখি না।

রুদ্ধের জন্য যে কষ্ট হচ্ছে না এমন নয়। বরং প্রভা রুদ্ধ দুজনের জন্যই চিন্তা হচ্ছে এলিনার।

এই এতো বড় শহরে ছেলে মেয়ে দুটো কোথায় গেছে? কি করছে? কেমন আছে?খাচ্ছে কিনা কিছুই জানে না।

জায়ের মাথায় হাত বুলিয়ে তাকে সান্ত্বনা দেন এলিনা। তার নিজেরও তো কষ্টে বুকটা ফেটে যাচ্ছে।

--- আপা আমি বোধহয় ভূল করে ফেলেছি। প্রভার সাথে আমার এমন করা উচিৎ হয়নি। ও আপা ওদের খুঁজে এনে দেও। বলো আমি মেনে নিয়েছি ওদের সম্পর্ক। ওরা ভালো থাকলেই আমি ভালো থাকবো।

এলিনার দুই হাত জড়িয়ে বলেন রুহানি। রুহানির কথায় চোখের পানি ফেলতে ফেলতে এলিনা বলে,

--- আমাদের যে বড় ভূল হয়ে গেছে মেজ। এখন এই ভুলের প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে।

--- তুমি ঠিক বলেছো আপা। আমি আজকেই রুদ্ধের বাবাকে বলবো ওদের খোঁজ করতে।

**********************

নিজের লেয়ার কাট চুলগুলো ঝাঁকিয়ে তার পানি প্রভার মুখে ছিটিয়ে দিচ্ছে রুদ্ধ। রুদ্ধের চুল শাড়ির আঁচল দিয়ে মুছতে মুছতে সাবধান করে প্রভা।

--- উফ রুদ্ধ! আমাকে ভালো মতো মুছতে দে পাছে ঠান্ডা লেগে যাবে।

প্রভার কথা তো শুনলোই না উল্টো দুষ্ট হেসে প্রভার কোমড় চেপে নিজের সাথে মিশিয়ে ফেলে রুদ্ধ।

পুরুষালী ঠান্ডা হাতের স্পর্শ নিজের কোমরের খাঁজে পেতেই কেঁপে ওঠে প্রভা। সঙ্গে থেমে যায় ওর হাতের কাজ।

প্রভাকে থামতে দেখে বাকা হাসলো রুদ্ধ। মাথা নুইয়ে চুলের পানি গুলো সব প্রভার গলায় ঝাড়ল।

শিহরণ বয়ে গেলো প্রভার শরীর জুড়ে। রুদ্ধের হাত কোমর থেকে সরিয়ে দিতে চাইলেই রুদ্ধ আরও শক্ত করে খিঁচে ধরে।

প্রভার গলার খাঁজে মুখ গুঁজে দেয় রুদ্ধ। নাক দিয়ে ঘষতে থাকে। প্রভার গায়ের ঘ্রাণ পাগলের মতো নিজের মধ্যে ইনহেল করতে থাকে।

প্রভার গলায়, ঘাড়ে কালকে রাতে করা রুদ্ধের চিত্রশিল্পী গুলো দেখে রুদ্ধ। খুব মনোযোগ দিয়ে দেখে। তারপর প্রভার কানের কাছে মুখ নামিয়ে ডিপ হাস্কি গলায় বলে,

--- খুব তো আমাকে বয়সের খোটা দিতিস। বলতিস ছোট। তা কালকে রাত্রের পর কি এখনো সন্দেহ আছে আমার এবিলিটি নিয়ে? বয়সে ছোট হলেও আসল কাজে কিন্তু ছোট নই। বরংচ একটু বেশিই পারফেক্ট। গত কালকের পারফরম্যান্স দেখেই বুঝে গিয়েছিস নিশ্চয়ই!

___________

চলবে~

"ইরফা মাহনাজ"

[আমি যেমন কষ্ট করে লিখি শুধু আপনাদের জন্য তেমন আপনাদের উচিত আমার জন্য কিছু করা। এমন চুপিচুপি গল্প পড়ে চলে গেলে হবে না। সাথে রিয়েক্ট আর গঠনমূলক মন্তব্য ও করতে হবে।]

🚫 মাঝে মাঝে তো রিভিউ আর প্রচার ট্রচার ও করে দিতে পারেন গল্পের 😒

[রিচেক পরে করে দিবো।]

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ৩৭তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন