ফন্ট সাইজ:
থিম:
অতৃপ্তির মাঝে তৃপ্তিময় সে

২৮তম পর্ব

লেখক: সালসাবিল সারা

#অতৃপ্তির_মাঝে_তৃপ্তিময়_সে

#লেখিকা- সালসাবিল সারা

পর্ব -২৮

_________________

৬২.

--"মন খারাপ করছিস কেনো?আদ্রিন হয়তো রেগে আছে।যোগাযোগ করবে ঠিকই।তোর বাবা ঘুমানোর আগে বলেছে,তোকে খেয়ে নিতে।অথচ তুই মেয়ে না খেয়ে মুখ গোমড়া করে বসে আছিস।"

চামেলী পরপর কথাগুলো বললো।তৃপ্তি মেয়েটা কেবিনের সম্মুখে রাখা পেশেন্টের ওয়েটিং চেয়ারে বসে আছে চুপচাপ।মুখ গম্ভীর।আদ্রিন চলে যাওয়ার পূর্বে তার ঘাড়ে নখের আঁচড় দিতে ভুলেনি ভুলবশত।ছেলেটা এক প্রকার হিংস্র হলেও খুব কষ্টে রাগ সংবরণ করেছে তখন,এটা তৃপ্তির অজানা নয়।তৃপ্তির বাবা অসুস্থ বা এটা যদি হাসপাতাল না হতো,নিশ্চয় ছেলেটা তাণ্ডব চালাতে ভুলতো না। ঘাড়ে চিনচিন জ্বলছে।ছেলে মানুষের নখ লম্বা না হলেও ধার।

একে তো বাবার সম্মুখীন হতে পারছে না সে,তার বাবার ব্যান্ডেজের কারণে।আহত বাবাকে সাদা ব্যান্ডেজে মুড়িয়ে থাকা অবস্থায় দেখতে মনে শায় দিচ্ছে না বিন্দুমাত্র।বিয়ে দেরীতে হওয়ার ঘোষণা দিয়ে বাবা নিজেও ভেতরে পুড়ছে,এটা তৃপ্তি জানে। শেষ বাবার সাথে সাক্ষাৎ করেছে ঘণ্টা খানেক হলো।এরপর থেকেই বাহিরে বসে সে।চামেলীর কথায় ঘাড় তুলে তাকায় মেয়েটা,

--"আদ্রিনের কথা তুলবে না,লাভি।ছেলেটার রাগের আর জিদের আভাস পেয়ে বাবা কেমন ভেতরে ভেতরে খুঁড়ে যাচ্ছে,দেখেছো!বিয়ে এক সপ্তাহ পর হোক বা একমাস পর,বিয়ে তার সাথেই হবে।কিন্তু,নাহ। হঠাৎ করেই ধৈর্য্যের কমতি দেখা দিচ্ছে তার মাঝে।এই আদ্রিন ধৈর্য নিয়েই আমার পিছে পিছে ছিলো শুধু আমার ভালোবাসা পেতে।আর এখন?"

তৃপ্তির মায়াময়ী অভিমানে হাসে চামেলী।রাগলে,

অভিমান করলে মেয়েটার নাকটা কেমন আকর্ষণীয় লাগে। চীন দেশীয় নারীর ন্যায় চেহারার গঠনে ভ্রু জোড়া দ্বারা যখন অভিমান করে সামনের মানুষটা রাগ ভাঙ্গাতে না পারলেও প্রেমে পড়বে নিশ্চিত!চামেলী তৃপ্তির থুতনিতে হাত রাখে,

--"এতো অভিমান করলে,ছেলেটা এইভাবেও পাগল হবে।তুই যে তার কাছে বড্ড দামী,তাই ছেলেটা দেরী করতে চায় না।আমি এমন মেয়ের প্রেমিক হলে এক মিনিট নষ্ট করতাম না।উঠিয়ে বিয়ে করে নিতাম।তুই বলছিস আদ্রিনের ধৈর্যের কমতি আছে?আমি বলবো,ছেলেটার প্রচুর ধৈর্য।নাহলে সে অঘটন ঘটাতে দু'মিনিট অপেক্ষা করতো না।"

হকচকিয়ে যায় তৃপ্তি।চামেলীর মুখে দুষ্টু হাসি।হেসে দেয় তৃপ্তিও।মুখে হাত চেপে বলে,

--"তুমিও না?আজকাল বেশি বাজে বকছো।"

--"যাক,হাসি ফুটেছে তবে।"

চামেলী মাথায় হাত বুলায় তৃপ্তির মাথায়।পরবর্তী বাক্য আওড়ানোর পূর্বে রূপম বের হয় কেবিন হতে,

--"প্রিয় তোমাকে ডাকছে,লাভি।আমি বাসায় যাচ্ছি।কোনো সমস্যা হলে ফোন করবে।"

চামেলী দ্রুত ভেতরে যায়।তৃপ্তি অনড়।তার সম্মুখে এসে রূপম তাড়া দেয় যেনো,

--"চল।"

--"কই যাবো?"

তৃপ্তির মুখে অবাকের ছাপ।

--"বাড়িতে।আদ্রিন ভাইয়া বলেছে তোকে নিয়ে বাড়ি যেতে।তোর নাকি সারাক্ষণ প্রেসার লো থাকে।"

বেশ রসাত্মক শোনালো রুপমের কথা।যেনো তৃপ্তি প্রেসারের রোগী!যেমন বদ আদ্রিন,তেমন বদ তার নিজের ভাই।বেশি টেনশন বা অতিরিক্ত চাপ আর মাঝে মাঝে খাবার না খেলেই তার প্রেসারের সমস্যা দেখা দেয়।তাই বলে সেই দুইজন এমন রসিকতা করবে!তেজ বাড়ে তৃপ্তির,

--"তুমি যাও।আমি যাবো না কোথাও।আমি ঠিকাছি এইখানে।তোমার আদ্রিন ভাইয়ার এতো দরদ হলে আমার ফোন রিসিভ করতো।যত্তসব।"

--"ওকেই,বসে থাক।আমি যায়। আদ্রিন ভাই আসুক আর তোর একটা ব্যাবস্থা করুক।যত্তসব।"

রুপম তৃপ্তির চুল টেনে হেলেদুলে হেঁটে যাচ্ছে।

তৃপ্তিও চুপ থাকেনি। ক্ষীণ কণ্ঠে জবাব দেয়,

--"তোর আদ্রিন ভাইয়ের বয়ে গিয়েছে এইখানে আসবে উনি।সবগুলোর এতো দেমাগ!"

রুপম শুনেও ফিরেনি।কেবল মোবাইলে সংবাদটা পাঠিয়ে দিলো আদ্রিনকে। সে নিজেও জানতো তৃপ্তি যাবে না হাসপাতাল থেকে কোথাও,তাও বাবাকে এইখানে ফেলে!রূপম জানে,তৃপ্তির নিকট নিজের পরিবার মানে অনেক বড় কিছু।আগে কতো সুন্দর ছিল তাদের পরিবার!মা ছিলো তখন।ছেলে মানুষ সে, তাই নিজের দূর্বলতা কখনো দেখায়নি।অথচ মা মারা যাওয়ার পর নেশার মাঝেই নিজেকে ডুবে রেখেছিল।বোনের দায়িত্ব,ভাইয়ের দায়িত্ব কিছুই বুঝতো না। রাত হলে মাকে মনে পড়তো।সবটা কেমন এলোমেলো।সবচেয়ে বেশি কাঁদতো তৃপ্তি।মাকে বেশি ভালোবাসতো সেই।বোনের এমন আহাজারি কেমন দম বন্ধ লাগতো রুপমের।তাই তো রাতের বেলা নেশাকেই আপন করছিলো। সবশেষে হুঁশ আসে সেদিন,যেদিন বোনের কষ্ট,বাবার সাথে বোনের অমিলের বেদনায় বোনের আঘাত পাওয়া মনটা বিষে ভরে যাওয়া,বোনের অস্থিরতা সবকিছু উপলব্ধি করেছিল।নিজে ভাই হিসেবে কতোটা নিষ্ঠুর ছিলো!অথচ বোন কোনোদিন আক্ষেপ করেনি।নেশাগ্রস্ত ভাইকে দূরে সরায়নি। সময়ের সাথে রুপম বাস্তবতা বুঝে।একপর্যায়ে ছেড়ে দেয় নেশা।বেশ দেরী হয়নি এই কাজ ছেড়েছে সে।এখন সে খুশি।পরিবারে মা না থাকলেও,বাকিরা আছে।পরিপূর্ণ লাগে নিজেকে।নেশার ঝাঁজ লাগলে পরিবারের সবার মাঝে সঁপে দেয় নিজেকে।আড্ডায়,মাতামাতি,বোনদের খুনসুটির সাথে সেই আবদার কই যেনো উবে যায়।সন্তুষ্ট রূপম।পরিবার জিনিসটা খুব বড় জিনিস। যার নেই সে বুঝে না।

রূপম উঠে পড়ে নিজের গাড়িতে। তখনই মেসেজের সুর।মোবাইলে আলো জ্বলে।আদ্রিনের বার্তা।গোটা অক্ষরে লেখা,

--"তোমার বোনকে ভালোবাসি বলে কড়া কথা শোনাতে পারি না।"

রুপম মুচকি হাসে।সে জানে,এই লোকটা তার বোনের জন্যে পারফেক্ট।সবদিকেই যেনো ষোলো আনা পরিপূর্ণ এই আদ্রিন নামের মানব।

৬৩.

রাত বারোটা কি পৌনে একটা।তৃপ্তি হাতের স্যান্ডুইচে কামড় দেয়।দৃষ্টি স্থির হাসপাতালের বাগানের দিকে।যেখানে সোনালী আলোয় লাল গোলাপের সমারোহ দৃশ্যমান। ঘাড়ের চিকন নখের ক্ষত ঢাকতে এতক্ষণ চুল বিলিয়ে রেখেছিল পিঠের উপর।কিন্তু,এখন অসহ্য লাগছে সবটা।তাই হাতের অল্প চুলে আটকে থাকা ক্লিপ নিয়ে সম্পূর্ণ চুল উঁচু করে বাঁধে সে।মলিন পবন সেই ক্ষতে লাগলে বেশ আরামবোধ করে মেয়েটা।আবেশে চোখ বুঁজে আসে।আদ্রিন নামক ছেলেটা লাপাত্তা।ফোন ধরছে না।এখন আবার বন্ধ শোনাচ্ছে।স্যান্ডউইচের শেষ অংশে কামড় এমন ভাবে দিলো যেনো আদ্রিনের আস্ত ঘাড় তা। রাগে তার মুখশ্রী কেমন রক্তিম!সাথে বিন্দু অশ্রু চিকচিক করছে নেত্রয়।কিছু মানুষের অতিরিক্ত রাগ অশ্রু হিসেবে গড়ায়।তৃপ্তি তার কিঞ্চিৎ ব্যতিক্রম হলেও,মাঝে মাঝে তার চরিত্র সেই কায়দায় পড়ে।

দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে তৃপ্তি। সব ম্যানেজ করেছে সে বাবার সাথে, বাবা গভীর ঘুম যাওয়ার আগে কথা বলেছে। আদ্রিনকে খুশির সংবাদটা দিতেই পারছে না কোনো ভাবে সে।

সব ঠিক করার কায়দা জানে,তৃপ্তি। কেবল সময়ের দরকার হয়।তবে,আজ লোকটা বেহুদা রাগ করে বসে আছে।অভিমান হয় তৃপ্তির।বড্ড অভিমান।

সকল মানুষ যার যার কেবিনে ঘুম হয়তো। কেউ নেই এইদিকে।বাবার কেবিনে থাকা একজন সাথীর জন্যে সিটে চামেলীকে ঘুমাতে বলেছে।মহিলাটা সারাদিন কতো খাটুনি করেছে।সেই প্রথম থেকেই।

অর্ক এসেছিলো। প্রিয়কে‌ তার সাথে নিয়ে গেল বাড়িতে।

নিস্তব্দতার মাঝে মাঝে কিছু যানের হালকা শব্দ শোনা যাচ্ছে।হাসপাতাল, তাই হয়তো এমন নিয়ম মানছে সবাই।না হলে,সড়কে কে মানে এইসব নিয়ম?যে যার জোর অনুযায়ী হর্ণের প্রতিযোগিতা করে!রেলিং এ হাত রেখে নিচে তাকালেই পেছন থেকে ভারী পরিচিত স্বর ভেসে আসে,

--"এমন করছো কেনো?পড়ে যাবা!দেখি,সোজা হয়ে দাঁড়াও।"

তৃপ্তির কাজ সারতে হয়নি।আদ্রিন এসেই তার বাহু আঁকড়ে ধরে।তৃপ্তি সোজা হয়ে দাঁড়ায়।কিন্তু,মুখ ফেরালো না।আদ্রিনের কঠোর দৃষ্টি তৃপ্তির ঘাড়ে আবদ্ধ হয়।লাল চিকন লম্বা নিশান।আঁখি জোড়া মুহূর্তেই অন্য রঙ ধারণ করে।তৃপ্তিকে তার দিকে ফেরায়।তৃপ্তির নজর জমিনে।

--"ঘাড়ে কি হয়েছে?"

নিশ্চুপ তৃপ্তি মুখ বাঁকায়।আদ্রিনের উপর তার ভীষন রাগ জমে।এতক্ষণ ফোন না ধরে এইখানে কেনো এসেছে! রঙ করতে?নাকি আবারও বিয়ে নিয়ে কটু কথা শোনাতে!

চুপ থাকায়,তৃপ্তির গালে দু'হাত স্পর্শ করে,

--"বলো,মেহেবুবা কি হয়েছে?কে করেছে?"

--"যে করেছে তার নাম বললে কি করবেন? মারবেন তাকে?"

তৃপ্তির কথায় আদ্রিনের ভেতরকার ক্রোধ যেনো জ্বলে উঠে আপনাআপনি।আঁখি বুজে আবারও নেত্র জোড়া খুলে সে।কেমন রাগ সেথায়,আগুনের মতো ঝলসে দিবে যেনো!

তৃপ্তির গালে শক্তহাতে আলিঙ্গন করে বলে,

--"নাম বলো।বেঁচে থাকবে না নিশ্চিত।"

সাথে সাথেই তৃপ্তি হাত রাখে আদ্রিনের অধরে,

--"এতো বেশি কথা বলেন আপনি!"

--"বলো না,জান।আমার ধৈর্য্যের বাদ ভাঙছে।"

কেমন নেশাক্ত,কিন্তু মধুর শোনাচ্ছে আদ্রিনের কণ্ঠ।লোকটা সরাসরি অফিস থেকেই এসেছে।খেয়েছে কি কিছু!

--"আপনি করেছেন।তখন।রেগে গেলে একটু সামলে নিবেন নিজেকে।আপনি ডিনার করেছেন?"

শেষ প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে আদ্রিন বলে,

--"আমি করেছি? দেখি।"

তৃপ্তিকে ঘুরিয়ে ঘাড় দেখে।বিচলিত হয়ে পড়ে সে মুহূর্তেই।কি করবে না কি করবে যেনো আয়ত্তে আসলো না।ঠিক তখনই একটা অচেনা কাজ করে বসলো।নিজের অধর ছুঁয়ে দিলো লাল চিকন ক্ষতে।পরপর কয়েকবার স্পর্শ করলে তৃপ্তির সত্তা ঠেকে তার বুকের সাথে।হাত জোড়া তার পৌঁছে যায় মেহেবুবার উদরে। কম্পিত তৃপ্তি তার হাত খামচে করুণ সুরে বলে,

--"হসপিটাল এটা।"

শান্ত হয় আদ্রিন। হুঁশে ফিরে।চারিদিকে তাকায়।মানুষজন নেই। ক্ষতের উপর এখন অন্য দাগ দেখা যাচ্ছে। ব্যথা কমাতে পেরেছে কি সে আদৌ?

তৃপ্তি সামনে ফিরতেই নিজের ঘাড়ের ছোট চুলে হাত বোলায়।হুট করে ক্লিপ খুলে দেয়,

--"খোলা চুলে বেশি সুন্দর লাগে তোমাকে। পরে অয়েন্টমেন্ট লাগিয়ে নিও।"

তার সন্দিহান নজর তৃপ্তি বুঝে।হাত পৌঁছে যায় সেথায়,

--"আপনি... আপনি একদম বাজে।"

আদ্রিন হাসে।খানিক পূর্বের ক্রোধে ভরপুর ছেলেটা যেনো এই আদ্রিন নয়।তৃপ্তি সায় দেয় আদ্রিনের হাসির সমেত।

পরপর সে আবারও জিজ্ঞাসা করে,

--"ডিনার করেছেন?"

--"হ্যাঁ।আম্মির সাথে ফিরেছিলাম।একসাথে খেয়েছি রেস্টুরেন্টে।"

আদ্রিন রেলিঙে ঠেস দিয়ে জবাব দেয়।

--"আন্টি এসেছে!"

আদ্রিন উপর নিচ মাথা দোলায়।

--"চলুন তবে।"

তৃপ্তি হাঁটছে।তার পাশে আদ্রিন।সে তৃপ্তিকে পুনরায় শুধায়,

--"বাসায় গিয়ে রেস্ট নাও।প্রেসারের প্রব্লেম করবে আবারও।"

--"শুনুন,আমি বাবাকে রাজি করিয়েছি আগামী সপ্তাহে বিয়ের জন্য।এখন আমার মন মত কাজ করতে দিন।"

তৃপ্তির উত্তর একেবারে অপ্রত্যাশিত।

আত্মখুশিতে সে জড়িয়ে ধরতে নিলে,তৃপ্তি সরে যায়।ইশারায় দেখায়,নার্স একজন তাদের দিকেই আসছে।

তৃপ্তি দাঁড়ায় না।লজ্জায় এক প্রকার দৌড় দেয়।

আদ্রিন লজ্জা পায়নি,বিরক্ত হয়েছে।নার্সের দিকে করুণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিলো কিয়ৎপল।এই মহিলার জন্যে এমন সুখের সময় বৃথা গেলো তার!

কেবিনে আসে দুজন।অরিত্রন ঘুমিয়ে।চামেলী আর ইনায়া কথা বলছে।

আদ্রিন তৃপ্তিকে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়ে বেরিয়ে পড়লো মাকে নিয়ে।ইনায়ার গম্ভীর মুখশ্রী দেখে আদ্রিন বলে,

--"সামনের সপ্তাহে বিয়ে ফাইনাল।"

--"মেয়েটা পারেও বটে।আমার ছেলের জন্যে সে সবকিছু,আবার তার বাবার জন্যেও।চালু বেশ মেয়েটা।তার বাবাকে নাকি বলেছে,তোমার সুখটাই নাকি ওর জন্যে মুখ্য।বিয়ে সাদামাটা হলেও বাবাকে কোনো কাজ করতে দিবে না বলে ওয়াদা করিয়েছে।অতটুকু মেয়ে,কেমন পটু সব কাজে!"

আদ্রিন আনন্দে যেনো সাত আসমানে উঠেছে।স্টিয়ারিং ঘুরিয়ে বেশ গর্ব নিয়ে সে তার মাকে জবাব দেয়,

--"এইবার বুঝেছো,তোমার ছেলে কেনো মেয়েটার জন্যে পসেসিভ! এই মেয়েটাকে ছাড়া তোমার ছেলের চলবে না, আম্মি।কখনোই না।হাজারো অতৃপ্তির মাঝে এই মেয়েটাই আমার একমাত্র শান্তি,আমার তৃপ্তি সে।"

চলবে.....

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ২৮তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন