ফন্ট সাইজ:
থিম:
ক্রাশ কনফেশন

৫ম পর্ব

লেখক: আফিয়া আপ্পিতা

ক্রাশ কনফেশন

লেখকঃ আফিয়া আপ্পিতা

পর্ব- ৫

এই মুহুর্তে আমি আমার ক্রাশের দেয়া গিফট হাতে দাঁড়িয়ে আছি। 'গিফট' শব্দটা শুনলেই মনের ভিতরে থাকা কবুতরগুলো বাক-বাকুম করে উঠে। গিফট এসেছে শুনে আমার মনের কবুতরগুলো ও বাক-বাকুম করে উঠেছিলো। কিন্তু গিফট দেখার পর তা হাওয়াই মিঠাইয়ের মতো উধাও হয়ে গেছে। গিফটাই ছিলো তেমন ভয়ংকর।

গিফটটা এসেছে সকালে। তখন আমি বিছানা নামক তুলতুলে বস্তুতে ডুবে গিয়ে ঘুম নামক রাজ্যে বিচরণ করছিলাম। আমাকে সেই রাজ্য থেকে তুলে নিয়ে এসেছে বান্ধবী নামক প্রাণীটি। ভেবেছিলাম আজ কলেজ না গিয়ে অনেক বেলা অবধি ঘুমাবো কিন্তু আমার ঘুম তো বান্ধবী নামক পাশের বাসার আন্টির মেয়ের সহ্য হয় না তাই প্রতিদিন আমার কাঁচা ঘুম ভাঙিয়েই দম নিবে। এ যেন তার স্কুলের এসেম্বলিতে করা শপথ,যা পূরণ করাই লাগবে। আমার ঘুম ভাঙিয়ে সমুদ্র থেকে সদ্য তোলা ইলিশ মাছের মতো টাটকা টাটকা খবরাখবর আমদানি রপ্তানি করবে। এটাই দিতিয়ার নিত্য কাজ। দিতিয়ার এই কাজে আমি বেশ বিরক্ত। সাথে রাগ ও আছে। সেই রাগ থেকেই ঘুম ঘুম গলায় বললাম,

"দিতুনী বেয়াইনশো বেয়াইন্না দাব্বা গরুর মতো এইচ্ছা চিল্লোরে কিল্লাই? শান্তিমত ঘুম যাইবেল্লাই দেসসা এক্কানা।"

"অভিহা তোর এই চাইনিজ ভাষা আমার বুঝে আসে না। প্লিজ অনুবাদ কর। আমি ভয় পাই।"

দিতিয়া বুঝতে না পারায় অগত্যা চোখ বন্ধ করেই নিজের কথার অনুবাদ করলাম। কাউকে বকলে সে যদি নাই বুঝে তবে মজা আছে? বকাগুলো অনর্থক হয়ে যায়। সেই ভেবেই অনুবাদ করা।

"দিতুনী সকাল সকাল ষাঁড়ের মতো এমন চিৎকার করছিস কেনো? শান্তিমতো ঘুমোতে দে না একটু!"

আমার কথায় দিতিয়া হাফ ছেড়ে বলল,

"যাক ভালো কথা বলেছিস। আমি ভেবেছি তুই আমাকে ভয়ংকর গালি দিয়েছিস। আচ্ছা শুন, কান্ড তো ঘটে গেছে। তোর ক্রাশ...

'ক্রাশ' শব্দটা কানে যেতেই আমি চোখ থেকে ঘুমকে মাছির মতো তাড়িয়ে লাফ দিয়ে উঠে বসলাম। হাকচেকিয়ে বললাম,

" কী হয়েছে ক্রাশের? আজ আবার কী কান্ড ঘটেছে! আজ আবার কোন বিপদ আসতে চলেছে! দেখ ভাই? আমি এসবে নাই। আমি দুই গালে দুই চড় দিয়ে তাওবা বলে ভালো হয়ে গেছি। আমি আর কোন বিপদে পড়তে চাইনা। "

দিতিয়া ভ্রু কুঁচকে বলল,

"তুই এত হাইপার হচ্ছিস কেনো! সামান্য একটা গিফটের জন্য এমন করা লাগে? আর কি বিপদ আসবে?"

আমি অবাক কণ্ঠে বললাম,

"গিফট!"

"হ্যাঁ, তোর জন্য তোর ক্রাশ গিফট পাঠিয়েছে। "

আমি ভ্রু কুঁচকালাম।

"আমার জন্য কী গিফট আসলো! দে দেখি।"

দিতিয়া র‍্যাপিং পেপার মোড়ানো একটা প্যাকেট দিলো। আমি ভাবলাম গল্পে পড়া নায়কের সারপ্রাইজ গিফটের মতো হবে একটা নীল শাড়ি, সাথে রেশমি চুড়ি,এক পাতা নীল টিপ আর একটা গোলাপ। সাথে অবশ্য আবেগমাখার লেখা ভর্তি চিরকুট ও থাকবে। গল্পের বইয়ের পাতায় বিচরণ করা অবস্থায় দিতিয়া র‍্যাপিং পেপার মোড়ানো প্যাকেটটা খুললো। তারপর আমাকে ধাক্কা দিয়ে বলল,

"অভিহা এটা তো একটা বক্স।"

ভাবনা থেকে বেরিয়ে আমি তাকিয়ে দেখলাম ভিতরে একটা মোটা বড় প্লাস্টিক বক্স। আমার নীল শাড়ি,নীল চুড়ির স্বপ্ন ঘুনে ধরা কাঠের মতো মটমট শব্দে ভেঙে চুরমার হয়ে গেলো। আমি হতাশ চেহারা নিয়ে প্লাস্টিক বক্সের ঢাকনা খুললাম।

বক্সের ভিতরে চোখ বুলিয়ে আমি হা হয়ে গেলাম । এমন গিফট দেয় কেউ কাউকে!

গিফট দেখে আমার চেয়ে দিতিয়া আরো বেশি অবাক হয়েছে। সে তার শ্যামবর্ণের চেহারাটাকে বিস্ময়ের রাজ্যে ডুবিয়ে দিয়েছে। অবাক কাটিয়ে দুজনে বক্সের দিকে একবার তাকালাম তারপর একে অপরের দিকে তাকিয়ে একসাথে বলে উঠলাম,

"কটকটি!"

আমার সামনে দৃশ্যমান গিফট হলো নব্বই দশকের বাচ্চা ছেলেমেয়েদের বিখ্যাত খাবার, কটকটি। পুরোনো লোহা,বোতল,ও টিনের বিনিময়ে পাওয়া যেত এক টুকরো কটকটি। গ্রামের অলিতে-গলিতে কটকটিওয়ালাদের বিচরন ছিলো লক্ষনীয়। এক টুকরো কটকটি পেয়ে ছেলেরা সেকি খুশি হতো! গালে পুরে কট কট করে কটকটি খেতে। আর এমন ভাব করতো যেন অমৃত খাচ্ছে। তবে এই কটকটি যে কটকটিওয়ালার লোহার ট্রে থেকে র‍্যাপিং পেপার মোড়ানো বক্সে চলে আসবে ভাবতে পারিনি। কটকটিও কেউ কাউকে গিফট করে! তাও আবার কারো ক্রাশে! আজব কান্ড। অবশ্য দুনিয়ায় সব আজব কান্ড তো আমার সাথেই হয়। তাও আবার ক্রাশ কতৃক!

এক দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে আমি আবারো বক্সে চোখ বুলালাম। এবার বক্সের সাথে লাগোয়া সাদা চিরকুট চোখে পড়লো। আমি ভাজ করা চিরকুট হাতে নিলাম। আজব কথাবার্তা পড়ার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করলাম। কারণ আমার মন বলছে চিরকুটের লেখা জঘন্য হবে। মনে মনে দোয়া করছে জঘন্য হলে ও নিন্মমানের হোক। পাশে দিতিয়া আছে মানসম্মান সব যাবে। মনে মনে দোয়া দরূদ পড়া শেষে চিরকুট খুললাম।

"প্রিয় হবু কটকটি ক্লাবের শ্রদ্ধাভাজনী প্রেসিডেন্ট,

তুমি এতো পেটুক কেনো? তোমার মতো পিচ্ছি মেয়েকে দেখে মনে হয়না তুমি এত খাদক। কাল কুকুরের তাড়া খেয়ে তারপর আমার সাথে ধাক্কা খেলে। বাড়ি থেকে বেরুনোর আগে নিশ্চয়ই খালি পেটে বের হওনি? নাস্তা করেই বেরিয়েছিলে। নাস্তা খাওয়ার পর ও তোমার পেটে এত জায়গা ছিলো যে তুমি কুকুরের তাড়া ও খেলে, তারপর আমার সাথে ধাক্কা খেলে তারপর আবার তোমার বাড়ির কাছে গিয়ে আছাড় খেলে। সারাদিন এত খাও কেনো! এত খাও তবু মোটা হওনা কেনো! নেক্সট টাইম আছাড় বা ধাক্কা যেটাই খাও হেলদি দেখে খাবে। এতে তোমার স্বাস্থ্য উন্নত হবে।

যাক গে, তুমি কুকুরের তাড়া খেয়ে আমায় দেখা দিলে,নিজে ধাক্কা দিয়ে আমাকে এক বদনা বকা দিলে। বকা শেষে দৌড় দিলে। এই দেয়া আর দেয়ার ব্যাপারটা দেখে বুঝা যায় তুমি বেশ দয়ালু একজন মানুষ । তুমি শুধু খাদক নয়, দয়ালু ও। তোমার সাথে প্রথম দেখাতেই তোমার আরো একটা গুন আবিস্কার করে ফেলেছি। তা হলো, সব বিষয়ে তোমার জ্ঞান ও দক্ষতার গুন । যে কোন বিষয়ে কিছু না ভেবেই দীর্ঘক্ষণ বক্তৃতা দিতে পারো। এই যেমন, কটকটি। কটকটি নিয়ে তুমি কাল যেই ভাষন দিলে আমি ভাবছিলাম নিশ্চয়ই তুমি কটকটি নিয়ে অনার্স করছো। যদি নাও করে থাকো তবে এখনি বিষয় চেঞ্জ করে কটকটি ডিপার্টমেন্টে ভর্তি হও। আমি তোমার ভিতরে লুকিয়ে থাকা কটকটি প্রতিভা দেখেছি। আমার বিশ্বাস একদিন তুমি কটকটি নিয়ে গবেষণা করে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করবে। সবাই তোমাকে কটকটি বিশেষজ্ঞ বলে চিনবে,অটোগ্রাফ চাইবে। তবে তোমার গবেষণা শেষ হলেই আমি তোমাকে কটকটি ক্লাবের প্রেসিডেন্ট বানাবো। তুমি আসনে বসে ভাষণ দিবে। কটকটি ক্লাবের প্রেসিডেন্টের যোগ্যপার্থী হিসেবে তোমাকে আমি আজ থেকেই মান্য করলাম। তোমার জীবন কটকটি ময় করতে কটকটি পাঠিয়ে দিলাম। সবসময় কটকটি খাবে,কটকটির সাথে থাকবে,কটকটির বিছানায় ঘুমাবে,কটকটির জুস খাবে,ভাত খাবে, কটকটির নতুন নতুন রেসিপি আবিস্কার করবে। দেখবে তোমার জীবন হবে সুখী এবং কটকটিময়।

ও হ্যাঁ, বলতে ভুলে গেছি তোমাকে কটকটি ক্লাবের প্রেসিডেন্ট করতে আমার লোহার দেহটাকে সের মাপে বিক্রি করতে হয়েছে। বিনিময়ে তারা পাঁচ কেজি কটকটি দিয়েছে। তার থেকে এক কেজি তোমার জন্য পাঠালাম। ভাগ্যিস কাল তুমি আমার লোহার দেহ বিক্রি করার আইডিয়া দিয়েছিলে নাহয় আজ আমি তোমাকে কটকটি ক্লাবের প্রেসিডেন্ট পদের যোগ্যপ্রার্থী বানাতে পারতাম না। ধন্যবাদ তোমার বুদ্ধির তান্দুরী করা মস্তিষ্ককে, এত ভালো একটা বুদ্ধি দেয়ার জন্য।

আজ আর নয়, আমার কলেমের কালি শেষ। ভালো থেকো আর নিজের খেয়াল রেখো। কটকটি ক্লাবের প্রেসিডেন্টের আসন তোমার অপেক্ষায় আছে। কটকটি দিয়ে বানানো মাথার তাজ তোমার আসনে বসার প্রহর গুনছে। তাড়াতাড়ি গবেষণা শেষ করো। অল দ্যা বেস্ট ফর ইউর কটকটিময় ভবিষ্যতের।

ইতি

কটকটি ক্লাবের আহ্বায়ক

লোহ মানব।"

চিরকুট পড়ে আমি যেন দুই লাফে অবাক নামক বিল্ডিংয়ের ছাদে উঠে গেলাম। আমি কল্পনাও করতে পারিনি বিড়াল ছানা আমার কথাকে কেন্দ্র করে চিরকুট নামক অপদস্তের ভান্ডার উপহার দিবে। দেখতে বিড়াল ছানার মতো কী কিউট! আর স্বভাবে বান্দরকেও হার মানাবে! এদেরই বলে মিসকি শয়তান। ভাবতেই অবাক লাগে এই ছেলের উপর আমি মনে মনে ক্রাশ খেয়েছিলাম! বিনিময়ে সে আমাকে কটকটি ক্লাবের প্রেসিডেন্ট বানিয়ে দিলো! জীবনটা কটকটিময়। আমি এবার নিজের দিকে তাকালাম। আমার মনে হলো আমার শরীর আর অনুভুতি গুলোও কটকটি গ্রাস করেছে। হঠাৎ পাশ থেকে কিছু পড়ে যাওয়ার শব্দ কানে এলো। তাকিয়ে দেখিয়ে দিতিয়া চিরকুট হাতে অজ্ঞান হয়ে নিচে পড়ে আছে। ওর জ্ঞান ফিরানোর জন্য আমি পানি খুঁজতে লাগলাম। আমার কটকটি রঙের ওয়াটার বোতলে পানি নেই। চোখ বুলিয়ে দেখলাম কিন্তু পানি চোখে পড়লো না। চোখের সামনে পড়লো কেবল কটকটির বক্স। আমি কিছু না ভেবে এক টুকরো কটকটি নিয়ে দিতিয়া মুখে মারলাম। আশ্চর্য কান্ড, দিতিয়ার জ্ঞান ফিরে এলো। আমি কটকটির শক্তি দেখে মুগ্ধ হলাম। খানিকের মাঝে নিজেকে কটকটি ক্লাবের প্রেসিডেন্ট ভাবতে লাগলাম। আমার ভাবনাতেই দিতিয়া কপাল ধরে চেঁচিয়ে উঠলো,

"কটকটি মেরেছিস কেনো! আমি তোকে কটকটির মতো কটকট করে চিবিয়ে খাবো।"

*

দিনটা কোনভাবে পার হলো। পরদিন সকালে আবার পার্সেল আসলো। পার্সেল আসার সংবাদ শুনে আমি আঁতকে গেলাম। আজ আবার কে কোন ক্লাবের প্রেসিডেন্ট বানাবে! ভাবতে ভাবতেই আভান প্যাকেট হাতে হাজির হলো। আমি আভানকে চকলেট দিয়ে বিদায় করলাম। তারপর দরজা বন্ধ করে পার্সেল খুললাম। খুলে দেখলাম ভিতরে রূপালী চেইনের একটা লেডিস ঘড়ি আর কেরাসিন তেল রঙের একটা জর্জেট ওড়না। সাথে ছাই রঙের চিরকুট। আমি কাঁপা কাঁপা হাতে চিরকুট খুললাম।

"প্রিয় মা,

কেমন আছেন? আমাকে ভুলে গেছেন? আমি আপনার হবু স্বামীর প্রথম পক্ষের প্রথম ছেলে প্রদীপ। প্রথমেই আমি ক্ষমা চাচ্ছি আপনার আপ্যায়ন করতে না পারার। কাল আপনি আমাদের বাসায় এসেছিলেন অথচ কিছু না খেয়ে কুকুরের তাড়া খেয়ে চলে গেলেন। ব্যাপারটা দুঃখজনক। আসোলে দোষটা আমার-ই। আপনাকে বাগানে নিয়ে যেতেই প্রকৃতির ডাক নামক অফিস থেকে বসের জুরুরি তলব পড়েছে। না গেলেই হয় না। তাই অগত্যা চলে যেতে হলো। এই ফাঁকে ঘটলো ভয়ানক কান্ড। যাক গে, কাল আপনি না আসায় কোন কাজ হয় নি। বিয়েটাও হলো না। বিয়ের হবে বলে আমি আপনার জন্য বাবার ঘড়ির সাথে মিলিয়ে ঘড়ি নিয়েছি। বাবার ঘড়ি আটকে যাবার জন্য ওড়নাও কিনেছি। বিয়ে না হওয়ায় দেয়া হয়নি। বিয়ে হোক বা না হোক মা হিসেবে আপনাকে যেহেতু মেনেছি তাই উপহারটা প্রাপ্ত। এই ভেবেই দিলাম। যত্নে রাখবেন। অতি শীঘ্রই বাবাসহ আসবো বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে।

ইতি

যার ঘড়িতে আপনার ওড়না আটকে গেছে তার ছেলে।"

চিরকুট পড়ে বেডের পাশে ফ্লোরে এক কোণে বসে থাকা বড় টেডিবিয়ারটাকে জড়িয়ে ধরে ঘণ্টাখানেক কাঁদলাম। বারবার বলতে লাগলাম,

"আর কিছু বাকি আছে? আর কেউ কিছু বানাবে?"

হয়তো আরো কিছু বানানোর বাকি আছে তাই তো পরদিন আবারো পার্সেল এলো। এবার পার্সেলে একটা একটা সুন্দর কার্ড যাতে দুইটা ভূত আঁকা। একটা সম্ভবত নারী ভুত আরেকটা পুরুষ ভূত। দুজনে মালা বদল করছে। নিচে লেখা,

"কবে আইবো আমগো পালারে? ও চিৎপটাং রে! তোমার পেত্মা তোমার ভালোবাসার অপেক্ষা করে রে। ৩৪৫টাকা দেনমোহর লোইয়্যা কাজি অফিসে ঘুরে রে। রাজি থাকলে আসো রে। দুজনে পেত্না পেত্মীর সংসার গড়বো রে।

ইতি

পেত্নীর পেত্না।"

চিরকুট পড়ে আমি বালিশের নিচ থেকে ফোন নিয়ে একটা নাম্বারে কল দিলাম। রিসিভ করতেই বললাম,

"হ্যালো পাবনা একটা সিট বুকিং দিয়েই দিন। রোগীর নাম কটিকটি ক্লাবের প্রেসিডেন্ট। না, না! সৎ মা, সরি সরি, চিৎপটাং। ধ্যাৎ মনেই আসছেনা। আপনারা ভ্যান পাঠান।"

চলবে....

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ৫ম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন