ফন্ট সাইজ:
থিম:
মনের অন্তরালে কে

২য় পর্ব

লেখক: সিনথিয়া ইসলাম
#মনের_অন্তরালে_কে (পর্ব ২)
#সিনথিয়া_ইসলাম 
আহসান খান সিনথিয়ার দুই বছরের সিনিয়র। ভদ্র, মেধাবী ও শান্ত স্বভাবের জন্য পুরো বিশ্ববিদ্যালয়েই তার আলাদা পরিচিতি রয়েছে। খান পরিবারের একমাত্র উত্তরাধিকারী সে। বাবা আদিত্য খান ও মা আশিয়া খানের স্নেহ-ভালোবাসা আর সুশিক্ষার ছায়াতেই তার বেড়ে ওঠা।
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একটু দূরে দাঁড়িয়ে গল্প করছিল আহসান আর সিনথিয়া।এদিকে,রিয়ান আর ঈশান গল্প করতে করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান গেট পেরিয়ে বাইরে আসতেই দূর থেকে দুজনকে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলে। দুজনেই একবার একে অপরের দিকে তাকিয়ে সোজা তাদের সামনে গিয়ে দাঁড়াল।
দুইজনেই  একই সঙ্গে  প্রশ্ন ছুঁড়ে,
— ছেলেটা কে?
সিনথিয়া শান্ত গলায় বলল,
—" ইনি মিস্টার আহসান খান। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ও পরিচিত সিনিয়র। মিস্টার, এ হচ্ছে রিয়ান আমার চাচাতো ভাই। আর ও ঈশান, আমার বেস্ট ফ্রেন্ড ।"
রিয়ান আর ঈশান দুজনেই কৌতূহলী চোখে আহসানের দিকে তাকিয়ে রইল।
আহসান ভদ্রলোকের মতো হাসি দিয়ে হাত বাড়িয়ে বলল,
— হাই, ব্রো।
ঈশানও হাসিমুখে করমর্দন করল।
— "জি, ভাইয়া। সিনথিয়ার সঙ্গে আপনার পরিচয় হলো কীভাবে? আর আপনারা..."
ঈশানের কথা শেষ হওয়ার আগেই সিনথিয়া বাধা দিয়ে বলল,
— মিস্টারকে এত প্রশ্ন করার দরকার নেই। তোদের যা জানার, আমাকে জিজ্ঞেস কর।
কথাটা শুনে রিয়ান মুচকি হেসে  সিনথিয়ার মাথায় টোকা দিয়ে বলল,
— "মিস্টার কী, হ্যাঁ? আহসান বললেই তো হয়!"
সিনথিয়া  আহসানের দিকে তাকিয়ে  মৃদু হেসে বলল,
— বুঝবি না।
রিয়ান এবার সিনথিয়ার হাত টেনে নিজের পাশে এনে বলল,
— আমি রিয়ান আলী। সিনথিয়ার একমাত্র চাচাতো ভাই। বুঝলেন?
আহসান শান্ত দৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে হেসে বলল,
— হুম, বুঝলাম।
ঠিক তখনই আহসানের গাড়ি এসে থামল। বিদায়সূচক হাসি দিয়ে সে গাড়িতে উঠে চলে গেল।আহসান চোখের আড়াল হতেই রিয়ান আর ঈশান দুজন মিলে সিনথিয়াকে ঘিরে ধরল।
সিনথিয়া বিরক্ত হয়ে বলল,
— "তোদের আজ কী হয়েছে? এমন আচরণ করছিস কেন?"
ঈশান ঠোঁট ফুলিয়ে বলল,
— "মিস্টার  বানিয়ে নিলি আর আমাকে একবারও বললি না!"
রিয়ান হেসে উঠল।
—" মিস্টার না ছাই! উনার নাম তো আহসান খান!"
কথা শেষ হতেই সিনথিয়া রিয়ানের হাতে একটা চাপড় দিয়ে বলল,
— "বেশি বাড়াবাড়ি করবি না। উনার নামই তো মিস্টার আহসান খান। তাই সেভাবেই ডেকেছি।"
ঈশান হেসে বলল,
— আচ্ছা, চল। আগে কিছু খেয়ে আসি।
সিনথিয়াও মাথা নেড়ে সম্মতি জানাল।তিনজন পাশাপাশি হাঁটতে হাঁটতে রাস্তার পাশের একটি ছোট্ট দোকানের সামনে গিয়ে দাঁড়াল।ঈশান সিনথিয়ার পছন্দের চকলেট ফ্লেভারের জুস কিনে দিল। জুসে খেতে খেতে তিনজন গল্পে মেতে উঠল। কিছুক্ষণ পর ,হালকা নাস্তা সেরে তারা বাড়ির উদ্দেশে হাঁটা শুরু করল। ঈশানদের বাড়ি সিনথিয়াদের বাড়ি থেকে মাত্র তিনটি বাড়ি পরেই। তাই প্রায় প্রতিদিনই একসঙ্গে পথ চলা যেন তাদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।
***
বাড়িতে ফিরে ফ্রেশ হয়ে নিজের রুমে বিছানায় বসেছিল সিনথিয়া। ঠিক তখনই কোথা থেকে যেন রিয়ান এসে তার দিকে বালিশ ছুড়ে মারল।সিনথিয়াও চুপ করে থাকার মেয়ে নয়। মুহূর্তের মধ্যেই আরেকটি বালিশ তুলে ছুড়ে মারল রিয়ানের দিকে।ব্যস! শুরু হয়ে গেল দুজনের বালিশ যুদ্ধ।তাদের খুনসুটি প্রতিদিনই বাড়ি মাতিয়ে রাখে।
*****
বিকেলে সবাই ড্রইংরুমে বসে গল্প করছিল। ঠিক তখনই খুশি ট্রেতে করে চা এনে একে একে সবার হাতে তুলে দিল।গল্পের ফাঁকে সুযোগ বুঝে রিয়ান চুপিচুপি সিনথিয়ার হাতে চিমটি কেটে দিল।হঠাৎ ব্যথায় সিনথিয়া চোখ রাঙিয়ে তার দিকে তাকাতেই রিয়ান এমন ভাব করল, যেন সে কিছুই করেনি । সিনথিয়ার রাগ আরও বেড়ে গেল, আর রিয়ানের মুখে ফুটে উঠল দুষ্টু হাসি।
তুলি রহমান চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে সিনথিয়ার দিকে তাকিয়ে মৃদু হেসে বললেন,
— সিনথিয়া, এখন তো বড় হয়ে গেছ মা। একটু-আধটু রান্নাবান্নাও শিখে । পরের বাড়িতে গিয়ে কী করবে?
কথাটা শুনে আদুরি হেসে বলল,
— আমার মেয়ে পরের বাড়িতে গিয়ে কাজ করবে কেন? আমি তো আমার জামাইকে ঘরজামাই করে রাখব। আমার আদরের মেয়ে কোথাও যাবে না।
আদুরির কথা শুনে ড্রইংরুমজুড়ে হাসির রোল পড়ে গেল।
 রিয়ান দুষ্টু হেসে বলে উঠল,
— চাচি, সিনথু যেদিন কারও বাড়ির বউ হয়ে যাবে, সেদিন ওই বাড়ির সবাইকে সোজা পাবনা মানসিক হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে!
কথা শেষ করেই সে হো হো করে হেসে উঠল।সিনথিয়াও ছেড়ে দেওয়ার মেয়ে নয়। রিয়ানের মাথায় একটা চাপড় বসিয়ে বলল,
— আগে তোর বিয়ে হোক। তোকে যে বিয়ে করবে, তাকে আগে হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে!
আবারও হাসিতে ভরে উঠল চারপাশ।ঠিক তখনই ঈশান এসে সিনথিয়ার পাশের সোফায় বসে মুচকি হেসে বলল,
— কী রে সিনথু, আবার রিয়ানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু করলি?
সিনথিয়া বিরক্ত মুখে বলল,
— আর বলিস না! এই গাধাটা সুযোগ পেলেই আমার সঙ্গে ঝগড়া করতে চলে আসে।
রিয়ান সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবাদ করল,
— আমি গাধা?
সিনথিয়া ভেংচি কেটে বলল,
— হ্যাঁ, আস্ত একটা গাধা!
ঈশান তখন চায়ের কাপ হাতে ধরে  বসে ছিল। সিনথিয়া নিজের কাপটা তার হাতে দিয়ে বলল,
— নে, তুই খেয়ে নে। আমার আর চা খেতে ইচ্ছে করছে না।
ঈশান নিজের হাতের চায়ের কাপ রেখে খুশি মনে সিনথিয়া জুটা চা নিয়ে খেতে লাগলো।
****
সন্ধ্যা নামতেই হাসি, খুশি, সিনথিয়া, রিয়ান আর
 ঈশান—পাঁচজন মিলে সিনথিয়ার রুম জড়ো হলো। রুমের লাইট নিভিয়ে শুরু হলো ভূতের সিনেমা।খুশি আর হাসির ভয় লাগলেও মুখে কিছুই প্রকাশ করলে না। কারণ তারা জানে, একবার ভয় পেয়েছে বললেই সিনথিয়া সারাদিন তাদের পচাবে ।ঈশান বসেছিল সিনথিয়ার ঠিক পাশেই। সিনেমা চলাকালীন মুভির বাদ দিয়ে এক দৃষ্টিতে চেয়েছিল সিনথিয়ার  দিকে ঈশান । অথচ সিনথিয়া পুরো মনোযোগ দিয়েই সিনেমা দেখছিল। ভূতের সিনেমা তার বরাবরই ভীষণ পছন্দ।সিনেমা শেষ হতেই আবার শুরু হলো গল্পের আড্ডা।
হাসি হেসে বলল,
— "সিনথিয়া আপু, তুমি অনেক লাকি। তোমাকে যে-ই একবার দেখবে, পছন্দ করবেই। তার ওপর বাড়ির সবার এত আদরের!"
সিনথিয়া হালকা হেসে বলল,
— "লাকি তো... তবে কখনো কখনো বেশি লাকি হওয়াটাও বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।"
ঈশান কৌতূহলী হয়ে জিজ্ঞেস করল,
— কেন?
সিনথিয়া কিছু বলার আগেই রিয়ান ঈশানের কাঁধে হাত রেখে হেসে বলল,
— আরে, ওর কথা সিরিয়াসলি নিস না। ও সব সময় নাটক করে।
কথাটা শুনেই সিনথিয়া পাশের বালিশটা তুলে রিয়ানের দিকে ছুড়ে মারল।
— বের হয়ে যা আমার রুম থেকে, বেয়াদব!
রিয়ান নাটকীয় ভঙ্গিতে বুকের ওপর হাত রেখে দীর্ঘশ্বাস ফেলল।
—" আজ আমার মা নেই বলেই আমাকে সবাই এভাবে অপমান করতে পারলি..."
মুহূর্তের জন্য পুরো রুমটা নিস্তব্ধ হয়ে গেল।ছোটবেলায় মাকে হারালেও আদুরি কখনো রিয়ানকে নিজের সন্তানের চেয়ে কম ভালোবাসেননি। সিনথিয়ার সঙ্গে সমান আদর-যত্নেই মানুষ করেছেন তাকে। আর তারপরও সুযোগ পেলেই রিয়ান এই একই আবেগঘন সংলাপ বলে সবাইকে বিব্রত করার চেষ্টা করে।
খুশি শান্ত স্বরে বলল,
— সিনথু আপু, তোমার এভাবে বলা ঠিক হয়নি। রিয়ান ভাইয়া হয়তো সত্যিই কষ্ট পেয়েছে।
সিনথিয়া  রিয়ানের দিকে তাকিয়ে বলল,
— ওকে আমি খুব ভালো করেই চিনি। ও একটা আস্ত নাটকবাজ। সুযোগ পেলেই এই একই ইমোশনাল ডায়লগ দেয়।
রিয়ান মুখ ফুলিয়ে বলল,
— যা, তোর সঙ্গে আর কোনো দিন কথা বলব না।
সিনথিয়া স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে মুচকি হেসে বলল,
— যাক! পাগলের হাত থেকে অন্তত বাঁচা গেল।
রিয়ান কোনো উত্তর দিল না। চুপচাপ সিনথিয়ার দিকে তাকিয়ে রইল। সেই দৃষ্টির অর্থ বুঝা মুশকিল।
***
ক্লাসরুমে দাঁড়িয়ে গল্প করছিল সিনথিয়া আর রিয়ান। তারপাশেই বেঞ্চে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে একদৃষ্টিতে সিনথিয়ার দিকেই তাকিয়ে আছে ঈশান।রিয়ান হঠাৎ ঈশানের কাঁধে হাত রাখতেই সে চমকে উঠলে।
সিনথিয়া ভ্রু কুঁচকে শান্ত কণ্ঠে বলল, 
—" ঈশান, কী হয়েছে? ঠিক আছিস?"
ঈশান মুচকি হেসে উত্তর দিল, 
— "আরে, আমি একদম ঠিক আছি। চিল, ব্রো!"
রিয়ান হেসে বলল, 
— আজ ইতিহাসের ক্লাসটা বাদ দিয়ে একটু ঘুরে বেড়ালে কেমন হয়?
ঈশান সঙ্গে সঙ্গে সায় দিল, 
— আমারও ইতিহাস পাতিহাস ক্লাস একদম ভালো লাগে না। চল না, বাইরে একটু ঘুরে আসি।
সিনথিয়া ছোট্ট করে বলল, 
— আচ্ছা।
রিয়ান আর ঈশান দুজনেই ব্যাগ কাঁধে তুলে বলল,
 — চল, সিনথু।
সিনথিয়া নিজের ব্যাগটা কাঁধে নিতে যাবে, ঠিক তখনই ঈশান দ্রুত ব্যাগটা নিয়ে বলল,
— আমি নিচ্ছি তোর ব্যাগ। চল।
রিয়ান মুখ বাঁকিয়ে বলল,
 — নাটক! যতসব!
তিনজন ক্লাসরুম থেকে বের হয়ে ভার্সিটির মাঠে গিয়ে বসলো।সিনথিয়া ফোন বের করে সময় দেখে বলল, 
— এগারোটা বাজে।
রিয়ান কাঁধ ঝাঁকিয়ে বলল, 
— তো কী হয়েছে?
কথা বলতে বলতেই সিনথিয়া ব্যাগ থেকে লিপস্টিক বের করে হালকা করে ঠোঁটটা ঠিক করতে লাগল।
রিয়ান মুচকি হেসে বলল,
 — এত সাজার কী আছে, ভাই? তুই এমনিতেই অনেক সুন্দর।
কথাটা শুনে সিনথিয়ার ঠোঁটের কোণে লাজুক হাসি ফুটে উঠলো।
ঈশান চুপচাপ সিনথিয়ার দিকে তাকিয়ে ছিল। চোখ সরাতে পারছিল না। মনে মনে বলল,
–“যেদিনই তোকে প্রথম শাড়িতে দেখেছিলাম। তখন আমাদের বয়স কতই বা ছিল—তেরো-চৌদ্দ। সেই দিন থেকেই তোর প্রেমে পড়ে গেলাম। আজও তোকে দেখলে মন ভরে না। ইচ্ছে করে সারাজীবন এভাবেই তোকে দেখে যাই। তুই যদি কোনোদিন আমার না-ও হস, তবুও তোকে ভালোবাসা কোনোদিনও কমবে না।"
হঠাৎ সিনথিয়া ঈশানের হাতটা ধরে বলল,
— দোস্ত, শুন... আমার একটুও ভালো লাগছে না। হঠাৎ করেই খুব রাগ উঠছে।
ঈশান এক মুহূর্তও দেরি না করে নিজের ব্যাগ খুলে একটা চকলেট ফ্লেভারের জুস বের করে সিনথিয়ার হাতে দিয়ে বলল,
—" এটা খেয়ে নে। ভালো লাগবে।"
সিনথিয়া জুসে চুমুক দিয়ে অবাক হয়ে বলল,
— "আচ্ছা, তুই কি সব সময় ব্যাগে জুস রাখিস? আমি যখনই বলি ভালো লাগছে না, তখনই একটা জুস বের করে দিস!"
ঈশান মুচকি হেসে আকাশের দিকে তাকিয়ে শান্ত স্বরে বলল,
— "হুম, রাখি।"
— "কেন?"
ঈশান হেসে উত্তর দিল,
— "একজনের খুব পছন্দ এই চকলেট জুসটা... তাই ওর জন্য সব সময় ব্যাগে একটা রেখে দি।"
— "কিন্তু আমাকে তো দিয়ে দিলি। ওই মানুষটা রাগ করবে না?"
ঈশান সিনথিয়ার দিকেই তাকিয়ে নরম স্বরে বলল,
— "না... "
ঈশানের কথার গভীর অর্থটা বুঝতে না পেরে সিনথিয়া আবার জুসে চুমুক দিল।
সিনথিয়ার হাতে থাকা জুসের দিকে তাকিয়ে রিয়ান বলে উঠল,
— আমাকে দে, একটা জুস। আমিও খাব।
ঈশান শান্ত গলায় বলল,
— নেই।
রিয়ান ভ্রু কুঁচকে বলল,
— দেখি তোর ব্যাগটা!
ঈশান ব্যাগটা নিজের দিকে টেনে নিয়ে বলল,
— তোকে জুস দিতে পারব না। যা, দোকান থেকে কিনে খা।
রিয়ান এবার বিরক্ত হয়ে বলল,
— কেমন ধরনের বেয়াদবি এটা? সিনথিয়াকে জুস দিলি, আর আমাকে দিলি না! মানে কী?
ঈশান নির্বিকার কণ্ঠে উত্তর দিল,
— নেই মানে নেই। তোর জন্য কোনো জুস রাখা নেই। ব্যাস, কথা শেষ।
রিয়ান রেগে গিয়ে ঈশানের শার্টের কলার চেপে ধরল।
— "দেখ, ভালোয় ভালোয় জুসটা দিয়ে দে। না হলে..."
এর আগেই সিনথিয়া দ্রুত এসে রিয়ানকে ধাক্কা দিয়ে ঈশানের কাছ থেকে সরিয়ে দিল।
— "রিয়ান! কেমন ধরনের অভদ্রতা করছিস তুই? দিন দিন খুব বেয়াদব হয়ে যাচ্ছিস। বড় আব্বুকে বলা লাগবে মনে হচ্ছে!"
রিয়ান তিক্ত হেসে বলল,
— "হ্যাঁ, আমি-ই খারাপ। বাকি সবাই ভালো! তুই ওর সঙ্গেই থাক।"
কথাটা বলেই নিজের ব্যাগটা কাঁধে তুলে রাগে হনহন করে চলে গেল।রিয়ানের এমন আচরণে সিনথিয়া পুরোপুরি হতভম্ব। কিছুই বুঝতে পারছে না। একটু আগেও সব ঠিক ছিল, হঠাৎ এত রাগ কেন?
চলবে......

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ২য় পর্ব শেষ করেছেন।

আগের পর্ব উপন্যাস সমাপ্ত

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন