ফন্ট সাইজ:
থিম:
My waifi

২য় পর্ব

লেখক: সামিয়া আক্তার

**..my waifi..**

**..সামিয়া আক্তার..**
পর্ব- (০২)#..**
🌷🌷🌷🌷
⚠️ সতর্কবার্তা :এই গল্পে অনেক অশ্লীলতা রয়েছে 18+ নিচে
সবাই দূরে থাকুন আর বয়স অনুযায়ী নিজ দায়িত্ব পড়ুন এবং
ভালো না লাগলে স্কিপ করতে পারেন ধন্যবাদ.......
_____ দুপুর বেলায় সময় তখন 1:25 বাজে। সবাই ডাইনিং
টেবিলে বসেছে । দুপুরের খাবারের জন্য খাবারের টেবিলে সবাই
থাকলেও শুধু রাফসানই নেই । [ এই বেডায় সব সময় লেট
করেই আসে। নিজের মনে হয় নায়ক ভাবে তা ছাড়া আর কিছু
না ] তাই কেউ আর তার জন্য অপেক্ষা করলো না । সবাই এখন
খেতে বসেছে। কিন্তু রাইমা বাদে সে দাঁড়িয়ে সবাইকে খাবার
পরিবেশন করাচ্ছে । যার যেটা পছন্দ হচ্ছে সেটা থাকে বেরে
দিচ্ছে। এই দিকে রাফসানের আসা কোনো নাম গন্ধই নেই ।
রাইমা মনে আড়াল করে বললো।
রাইমা: ওই শয়তান টা না আসলেই ভালো হয় । দিন কেমন
জানি আমাকে দেখলেই ওমনি লুচ্চা" এলাজি উঠে যায়।
[ রাইমার এই বাক্যটা কিন্তু আমার খুব ভাল লাগছে । হিহি
😄লুচ্চা" এলাজি। ]
খাবারের শেষে সবাই যে যার রুমে চলে যাই । [ শুধু বাকি
রইলাম আমি আর তুমি 😊] রাফসানের মা ঘরে চলে যাওয়া
আগে রাইমা কে বলে গিয়েছে । সে যেনো রাফসানের রুমে গিয়ে
তাকে যেনো জিজ্ঞাসা করে । দুপুরের খাবার কি সে রুমেই খাবে
নাকি বসার ঘরে। রাইমা না বলতে গিয়ে ও পারলো না শেষ মেষ
সে রাজি হয়ে যাই। কারণটা হচ্ছে সে কখনো তার খালা মনির
কথা অমান্য করেনি তাই। তিনি চলে যাওয়ার পর রাইমা একে
একে ডাইনিং টেবিলে থাকা সকল জিনিসপত্র গুছিয়ে রাখে।
তারপর সে রাফসানের রুমের দিকে রওনা হয়। রুমে সামনে
দাড়িয়ে দরজায় টোকা দেয় । কিন্তু ভেতর থেকে কোনো রকম
আওয়াজ আসে না। দ্বিতীয় বার টোকা দিলে । রাফসানের
গলার আওয়াজ ভেসে আসে।
রাফসান: ভেতরে আয় দরজায় নক করতে হবে । রাফসানের
কথা শুনে রাইমা ঘরের ভেতরে ঢুকলো। দেখে রাফসান
মোবাইলে কি যেনো করছে। রাইমা কে দেখে রাফসান বলে
উঠল।
রাফসান: বাহ্ সূর্য কোন দিক দিয়ে উঠছে । যে তুই নিজেরই
থেকেই আমার রুমে আসলি। রাফসানের কথা শুনে রাইমা
বিরক্ত কন্ঠে বললো।
রাইমা : আমার খেয়ে দেয়ে কাজ নেই কি যে আমি নিজেই
থেকেই আপনার রুমে আসবো। খালা মনি পাঠিয়েছে তাই
এসেছি ।
রাফসান: ও আচ্ছা । তো কিসের জন্য আসলে সেটা বল।
রাইমা : আপনি খাবার খেতে নিচে নামেনি কেনো। খাবার কি
বেড়ে এখানে নিয়ে আসবো আপনার জন্য ।
রাফসান: না আমি পরে খাবো। তুই খেয়েছিস।
রাইমা: না আমি ও খায়নি পরে খাবো। রাফসান কি যেনো একটা
ভেবে বিছানা থেকে উঠে পড়লো। উঠে সে দরজা ভালো করে
আটকিয়ে দিলো। তা দেখে রাইমা হতভম্ব হয়ে গেলো।রাফসান
আবার ফিরে এসে রাইমা কে পাঁজাকোলে তুলে নিলো।
আচমকা কোলে তুলে নেওয়া তে রাইমা টাল সামলাতে
রাফসানের দুই কাঁধ চেপে ধরলো। রাফসান রাইমা কে সোজা
ওয়াশরুমে নিয়ে গেলো। রাইমা ভয়ে বলে উঠলো।
রাইমা: কি করছেন কি ছাড়ুন প্লিজ।
উফফ আপনার মাঝে মধ্যে কি গাড়ে জিন ভূত 👻 ভর করে
নাকি। ছাড়ুন বলছি প্লিজ ।
রাফসান: একদম চুপ কোনো কথা বলবি না।
রাইমা এইবার যেনো ধৈর্যের বাঁধ ভেঙ্গে গেলো। সে কান্না করতে
শুরু করলো। কিন্তু রাফসানেরকোনো হেলদোল নেই। সে
নিজের মধ্যে ব্যস্ত । সে রাইমার গায়ে থাকা কাপড় খুলে
ফেললো। উন্মুক্ত গায়ে এখন বাঁকি আছে। ইনার আর প্যান্ট।
সেটাও খুলে ফেললো। এখন পুরো শরীর উন্মুক্ত ।রাইমা ভয়ে
আতঙ্কিত হয়ে কান্না বেগ যেনো আরো বেড়ে গেলো । সে
অঝোরে কান্না করতে লাগলো আর রাফসান থামাতে লাগলো ।
রাফসান রাইমার পুরো শরীরে চোখ বুলাতে লাগলো। প্রতিটিকোণায় কুটিয়ে কুটিয়ে দেখতে লাগলো। রাইমা নিজের দুই হাত দিয়ে নিজের শরীর ঢাকতে রাখলো। রাফসান নিজের পড়নের সব কাপড় খুলে ফেললোনিজেকে উন্মুক্তি করে দিলো রাইমার কাছে রাইমা চোখ দুটো কিছে বন্ধ করে রাখলো। রাফসান রাইমার দুই রান নিজের কোমরে পেঁচিয়ে থাকে কোলে তুলে নিলো। তারপর দেয়ালের সাথে চেপে ধরলো। ঠোঁট দুটো নিজের ঠোঁটে সাথে মিলিয়ে নিলো। পাগলের মতো চুষে নিচ্ছে। আর দুটো হাত দিয়ে রাইমা বুকের দুধ দুটো টিপতে লাগলো। রাইমা ব্যথায় মুখ দিয়ে গোঙাতে লাগলো। রাইমা: আহ্হ্হ্ আহ্হ্হ্ উমমমম। ঠোঁট ছেড়ে রাইমার গালায় ঠোঁট ডুবালো। ছোট্ট ছোট্ট চুমু খেতে লাগলো। আর মাঝে মাঝে কামড় বসিয়ে দিতে লাগলো। রাইমা না চাইতে ও আওয়াজ করতে লাগলো। আওয়াজ টা যেনো রাফসান কে আরো পাগল করে তুললো। রাইমা: উফফফ। ছাড়ুন বলছি প্লিজ। আহ্হ্হ্ মরে গেলাম গো মাআআআ। রাফসান আস্তে আস্তে বুকের কাছে এলো। একটা দুধ নিজের মুখের নিয়ে চুষতে লাগলো। রাইমা এমন স্পশ পেতেই শরীর টা কেঁপে উঠলো। জিভ দিয়ে বোঁটা টায় কামড় দিতে লাগলো। রাইমা ব্যথায় রাফসানের গাড়ে কামড় দিয়ে ধরে রাখে। রাফসান রাইমা কে এইবার নিচে টাইসয়ে শুয়ে দেয়। আর নিজেই তার উপর ঝুঁকে পড়ে। রাইমার নিচের ঠোঁট টা ঠোঁট দিয়ে চেপে ধরে চুষতে থাকে। আস্তে আস্তে চুমুটা গভীর হতে থাকে। রাফসানের এক হাত বেয়ে রাইমার গোপন অঙ্গে নিয়ে যাই। রাইমা রাফসানের হাত টা দুই আত্মা চেপে ধরে। কিন্তু রাফসান কোনো বাঁধা মানলে না। তার এক হাত সাহায্য রাইমা দুই হাত মাথার উপর চেপে ধরে। আরেক হাত দিয়ে রাইমার গোপন অঙ্গে নিয়ে যাই। সেখানে আঙুল স্পশ করতেই দেখে। জায়গাটা পিছল হয় আছে। রাইমা ক্ষণে ক্ষণে কেঁপে উঠল রাফসানের স্পশ। রাফসান ঠোঁট ছেড়ে রাইমার নিচে গোপন অঙ্গে নিজের মুখ নিয়ে এলো। তারপর সেখানে নিজের গরম জিভ দিয়ে পিছল পদার্থটা চেটে খেতে লাগলো। কিছুক্ষণ পর গরম জিভ টা গোপন অঙ্গে ঢুকিয়ে দিলো। রাইমার কোমরটাজিভটা অনেক গভীরে নিয়ে যেতে চাইলো কিন্তু হলো না। রাইমা রাফসানের চুল গুলো মুঠি বন্ধ করে রাখলো। অনেক কষ্ট করে ঠোঁট দুটো নাড়িয়ে বলতে লাগলো। রাইমা: উমমম প্লিজ আর না ছাড়ুন আমি আর পারছি না। উফফফ। রাফসান কোনো কথা শুনলো না। সে জিভটা বের করে আনলো। তারপর রাইমা পা দুটো নিজের কাঁধে তুলে নিলো। রাইমা কান্না জড়িতো করে বললো। রাইমা: প্লিজ না না এমন করবেন না। আমি এই সবের জন্য এখনো প্রস্তুত নয়। দয়া করুন প্লিজ ছাড়ুন বলছি। রাফসান নিজের লিঙ্গ ডগা টা রাইমা গোপন অঙ্গে ফাঁকে ঘষতে লাগলো। রাইমা আবার ও ক্ষণে ক্ষণে কেঁপে উঠল। ঠোঁট দুটো দাঁত দিয়ে কামড় ধরে রাখলো। রাফসান রাইমার কোমর দুই পাশে হাত দিয়ে চেপে ধরে। তারপর দোয়া পড়ে ফাঁকের মধ্যেই নিজের পুরুষ লিঙ্গ টা ঢুকিয়ে দিলো। রাফসান: বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। রাইমা ব্যথায় পুরো দেয়াল জুড়ে চেঁচিয়ে উঠল। রাইমা: আহ্হ্হ্হ্হ্হ্হ্। কুত্তা বাচ্চা। লিঙ্গ টা পুরোপুরি ঢুকে নাই। শুধুই লিঙ্গর ডগাটা ঢুকেছে। এতেই যেনো রাইমার জান যাই যাই অবস্থা। রাফসান দীর্ঘ হতাশা আর বিরক্ত নিয়ে বললো। রাফসান: এই কুত্তা বাচ্চা তুই এমনি বড় হয়েছিস। তোকে মনে হয় ছোট্ট বেলায় হরলিক্স খাবাই নাই। তাই তোর এই জায়গাটা খুব ছোট সাথে তোর বুকের স্তর ও। তোর এই অঙ্গ আমার লোড নিতে পারছে না। ভবিষ্যতে তোর সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করলে যে আর কি কি দেখা লাগবে আল্লাহই জানে। একজন জিজ্ঞাসা করছে এই গল্পটা হ্যাপি এন্ড সেড ইডিং নাকি । আমি বলি কী এই গল্প টা দুটো টা থেকে একটাও নয়। 
এই গল্পটা হচ্ছে dark romantic বুঝছেন। প্রথম মনে হবে। একটু রোমান্টিক কিন্তু যখন গলার মাঝখানে যাবে তখন অতিরিক্ত রোমান্টিক পর থাকবে। তাই আমি আবার ও বলছি সবাই নিজ দায়িত্বে পড়বেন। আর অবশ্যই বেশি লাইক করবেন। আপনাদের রেসপন্সই আমাকে লিখতে বেশি উৎসাহী করে তুলে তাই। আজকের জন্য টাটা 👋.... আবার কালকে গল্প নিয়ে যাবেন। ভুল লিখতে একটু দেরি হয় তাই জন্য আমি দুঃখিত।

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ২য় পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন