#my waifi #
লেখিকা সামিয়া আক্তার )
(পর্বে ৩ !
সতর্কবার্তা: এই গল্পে অনেক অশ্লীলতা রয়েছে 18+ নিচে সবাই দূরে থাকুন আর বয়স অনুযায়ী নিজ দায়িত্ব পড়ুন এবং ভালো না লাগলে স্কিপ করতে পারেন ধন্যবাদ..
.... রাফসানের মুখে এমন অশ্লীল কথাবার্তা শুনে রাইমা রেগে গেলো। কিন্তু মুখে কিছু বললো না।
ব্যথায় চোখ দুটো থেকে পানি পড়ছে। গাল দুটো লাল হয়ে গেছে। মনে হচ্ছে তার গোপন অঙ্গে গরম লোহা ঢোকাতে যাচ্ছে। রাফসান অনেক ধাক্কা দেয়। অনেক চেষ্টা করে কিন্তু তাতে ও কোনো কাজ হচ্ছে না। ধাক্কা দেওয়ার ফলে রাইমা আরো ব্যথা অনুভব করে। পরক্ষণে বলে উঠে।
রাইমা: আহ্হ্হ্ আহ্হ্হ্ প্লিজ আপনার ওইটা ওখান থেকে বের করুন। আমি মরে যাচ্ছি প্লিজ বের করুন। উফফফ।
রাফসান কিছু বললো না সে অঙ্গ থেকে নিজের লিঙ্গ টা বের করে আনলো। পরক্ষণে তার একটা আঙুল ফাঁকে ঢুকিয়ে দিলো। পরক্ষণে আরেকটা আঙুল দিতে চাইলো কিন্তু ঢুকলো। না ।
রাফসান তার আঙুল দিয়ে মেপে দেখলো। তারপর রাইমা কে বলে উঠল। রাফসান: তোর সাওয়া টা আমার লিঙ্গ কিভাবে লোড নিবে। জায়গাটা দেখছি এক ইঞ্চি ফাঁক। রাফসানের কথা শুনে রাইমা চোয়াল শক্ত করে বললো।
রাইমা: জানোয়ার একটা।
রাফসান কিছু বললো না। সে নিঃসঙ্গ ভাবে একটা হাসি দিলো। তারপর রাইমা কে টেনে দাঁড় করালো। দুজনেই গোসল করে ওয়াশরুম থেকে বের হলো। তারপর দুইজনে কোনো কথা না বলে সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামলো।
টেবিলে বসেই তারা দুপুরের খাবার বিকেলে শেষ করলো। খাওয়া শেষে যার যার রুমে চলেগেলো। বিকেল গড়িয়ে এখন সন্ধ্যা নেমেছে।
সময় এখন 7:36 বাজে।
রাফসান বসার ঘরে সোফার উপর বসে টিভি দেখেছে। আর রাইমা রান্না ঘরে রাফসানের জন্য কফি তৈরি করছে। উপরের রুম থেকে রাফসানের মা আর বাবা সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামতে লাগলো। রাফসান তাদের কে সাজিয়ে গুছিয়ে নিচে নামতে দেখে বলে উঠল। রাফসান: মাম্মি, তোমার রেডি হয়ে কোথায় যাচ্ছো। রাফসানের মা নিচে নেমে সোফার কাছাকাছি আসে রাইমা কে ডাকতে লাগলো। ডাক শুনে রাইমা রাইমা ধীর কন্ঠে বলে উঠল।
রাইমা: আসছি খালা মনি জাস্ট দুই মিনিট। এই বলে সে তারাতারি করে কফি বানিয়ে রান্না ঘর থেকে বের হয়ে বসার ঘরে আসলো।
রাইমা : হুম বলো খালা মনি কিসের জন্য ডেকে ছিলে। রাফসানের মা দুনো জনের দিকে তাকিয়ে বললো। রাফসানের
মা: আমরা এখন বের হচ্ছি।
জারিন কে দেখতে অনেক দিন হয়েছে আমার মেয়ে কে দেখি না তাই আজকে আমি তাকে দেখতে যাচ্ছি। তাই তোরা সাবধানে থাকবি। সাথে আমি আমার মাকে ও দেখে আসবো। তাই আসতে হয়তো দেরি হবে। রাফসানেরমায়ের কথা শেষ হলে রাফসানের বাবা বলে উঠল। রাফসানের
বাবা: আর রাফসান আজকে তুই বাসা থেকে বের হসনা। রাইমা একা তাই ওর খেয়াল রাখবি। আমরা যাবো আর আসবো। বুঝলি। রাফসান তার মা বাবার কথা শুনে তো মহান খুশি। ঠোঁটে কোণে একটা বিজয়ের হাসি ফুটে উঠলো। তারপর বললো।
রাফসান: ঠিকাছে সমস্যা নেই। তোমরা চিন্তা করো না।
ওর খুব ভালো করে খেয়াল রাখবো। যেনো তোমাদের কাছে আমার আবার নালিশ না করে। লাস্টের কথাটা বলতে তার ঠোঁটে একটা দুষ্টু হাসি খেলে গেলো। রাইমা তা দেখে বুঝে গেছে। রাফসানের মনে কি গুটি চালছে। সে চট জলদি করে বলে ফেললো।
রাইমা: না না আমি তোমাদের সাথে যাবো। আমার একা থাকতে খুব ভয় লাগে। প্লিজ খালা মনি আমাকে নিয়ে চলো তোমাদের সাথে। রাফসানের
মা: আরে আমরা যাবো আর আসবো। তোকে কষ্ট করে আবার যেতে হবে না। তুই থাক রাফসান তোর সাথে থাকবে। চিন্তা করিস না তারাতারি চলে আসবো। রাইমা উত্তেজিত হয়ে বললো।
রাইমা: কষ্ট হলে হক। কিন্তু আমাকে নিয়ে চলো তোমাদের সাথে সমস্যা নেই। রাফসানের
মা: আরে বললাম তো চলে আসবো। চিন্তা করো না যাবো আর আসবো। বুঝলি পাগলি মেয়ে একটা। এতক্ষণ রাফসান কিছু না বলেএ ও এখন বিরক্ত কন্ঠে বললো।
রাফসান: উফফফ মাম্মি তোমরা কি শুধু করেছো।
গেলে যাও জলদি সময় গড়িয়ে যাচ্ছে। পরে না হয় আর যেতে পারবে না। রাইমা কে তোমাদের সাথে নিয়ে যেতে হবে না ও ওখানে গিয়ে কি করবে। শুধু শুধু তোমাদের ঝামেলা হবে। তোমরা আর লেট করো না বেড়িয়ে পরো। রাফসানের কথা শুনে তারা আর কথা বাড়ালো না। রাইমা কে আর রাফসান কে বিদায় দিয়ে তারা রওনা দিলো। রাইমা আর কিছু বলতে পারলো না। সে আস্তে করে সদর দরজা টা বন্ধ করে দিলো। দরজার আওয়াজ বন্ধ হওয়া টা যেনো তার মনে হচ্ছে। সে কোনো খাঁচায় বন্দী হয়ে গেছে। তার মুখে ভয়ের চাপ কিন্তু তা বাহিরে দেখা দিলো না। আতঙ্কে তার বুকে ধুকপুক করছে। রাইমা পিছন ফিরে দেখে। রাফসান তার একদম কাছাকাছি এসে দাড়িয়ে আছে। মাথাটা একটু কাথ করে তার দিকে তাকিয়ে একটা পৈশাচিক হাসি দিলো। রাফসান তার মুখনিয়ে রাইমার কানের কাছে গেলো। অতঃপর বলে উঠল।
রাফসান: ঘরের মধ্যে এখন কেউ নেই। শুধু তুই আর আমি বাদে। ব্যাপারটা কেমন অদ্ভুত তাই না।
রাইমা কিছু বললো না। সে জানে রাফসান ইচ্ছে করেই এইসব কথাবার্তা বলছে। হঠাৎ রাফসান রাইমার একহাত চেপে ধরলো। তারপর বলে ফেলো।
রাফসান: চল উপরে চল। এতদিন পর একটা সুযোগ পেয়েছি। সেটা কিভাবে হাত ছারা করি। রাইমার হাত ধরাতে সে বলে উঠল।
রাইমা: আমার হাত ধরেছেন কেন। ছাড়ুন বলছি প্লিজ। আর উপরে কেন যাবো। কি করবেন আমার সাথে।
রাফসান রাইমার এই ভুলাভালা মুখ দেখে বলে উঠলো।
রাফসান: উফফফ sexy তুই বড্ড বেশি কথা বলিস। তোর সাথে অনেক কিছু করবো। না গেলে কিন্তু এখানেই শুরু করবো বলে দিলাম।
রাইমা হতভম্ব মতো দাড়িয়ে থাকলো। কিছু বুঝা ওঠার আগেই রাফসান রাইমা কে পাঁজাকোলে তুলে নেই। রাইমা বিরক্ত আর ভয়ে মিশ্রিত কন্ঠে বলে।
রাইমা: উফফফ আপনার আবার লুচ্চা বৈরাম হয়েছে নাকি। কি করছেন কি ছাড়ুন বলছি। নামান নিচে আমাকে।
রাফসান কোনো কথা শুনলো না। সে সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে নিজের রুমে যাই। সেখানে রাইমা কে বিছানায় শুয়ে দেয়। রাইমা নিজেকে ছাড়ানোর জন্য ছটফট করতে থাকে। রাফসান কিলবিল করে বলে।
রাফসান: যতই ছটফট করার করে নে। বসায় কিন্তু কেউ নেই বুঝলি। তোকে আজকে মন ভরে শুধু আদর করবো।
রাইমা আতঙ্কিত হয়ে কান্না করে দেয়। কিন্তু তাতে কোনো লাভ হয় না। বাইরে তখন আকাশে মেঘ একদম কালো বর্ণের ধারন করেছে। বৃষ্টি আসার একটা ভাব। কেমন যেনো আকাশে বিজলি মারতে লাগলো। রুমের ভেতর জানালা দিয়ে বাতাস ঢুকতে লাগলো। তারপর অঝোরে আকাশ ডাক দিয়ে বৃষ্টি পরতে শুরু করলো। বাহির থেকে বেধ করে রুমে ভেতর বৃষ্টির ফোঁটা ঢুকতে লাগলো। তাই রাফসান জানালার সামনে গিয়ে পর্দা টা টেনে দিলো। আবার বিছানার কাছে এসেই দেখলো রাইমা নেই। রুমের মধ্যে তখনই বুঝতে পারলো যে মেয়ে টা পালিয়েছে। কিন্তু পালিয়ে যাবেটা কোথায় নিশ্চয়ই রুম থেকে বের হতে হবে। তাই রাফসান কোনো আওয়াজ ছাড়াই সে রুম থেকে বের হলো।
To be continued..🫶🌷
এই যে আপু রা তোমাদের আবদার পুরোন করার জন্য আমি এখন তারাতারি এপিসোেড টা লিখে আপলোড দিয়ে দিয়েছি। তাই ভুল হলে ক্ষমা ক্রুটির চোখে দেখবেন ধন্যবাদ। আর বেশি বেশি লাইক করবেন। আপনাদের রেসপন্সই আমাকে লিখতে বেশি আগ্রহী করে তুলে বুঝলেন। আজকের জন্য আল্লাহ হাফেজ। টাটা । সবাই ভালো থাকবেন