ফন্ট সাইজ:
থিম:
বসন্তের চৈত্র

১০ম পর্ব

লেখক: নুসরাত পুতুল

#বসন্তের_চৈত্র

পর্ব-১০

অর্ণ তার বাহুডোরে আঘলে নিতে চাইলো আমায়। বুঝাতে চাইলো সাত পাঁচ আমি মানলাম না। কারন আমার সামনে সবটা স্পষ্ট।

একটু আগে তুলির রুমে অর্ণের শার্ট দেখে এসেছি।

আর এই যে এখন অর্ঙর গায়ে তুলির পারফিউম এর গন্ধ। আমার চেচামেচির শব্দে শাশুড়ী আর তুলি দু জনে উপস্থিত হলো এখানে।

অর্ণ মুখ খুলছে না, সাথে তুলি ও বলতে চাইলো,

" ফুপি এসব কি বলছো তুমি।

তুলির কন্ঠ শোমে আমি খেপা বাঘিনীর মতো গর্জে উঠে এগিয়ে গেলাম।

" একদম চুপ, একটা কথা বলবি তো জ্বিব ছিড়ে ফেলব ৷ বলে চর দেওয়ার জন্য হাত উচু করতেই অর্ণ এসে হাত টা ধরে ফেললো আমার।

গর্জে উঠে বললো,

" যথেষ্ট হয়েছে। কি জানতে চাও?

কি সম্পর্ক তুলির সাথে?

পছন্দ করি আমি ওকে। আর খুব শীঘ্রই আমরা বিয়ে করব।

ব্যাস আর ও কিছু জানার আছে তোমার?

তুলি রুমে যাও। মা আপনিও রুমে যান।

শাশুড়ী আর তুলি দু জনে চলে গেলো।

আমার রা বন্ধ। অর্ণের বলা বাক্য গুলো বারংবার বাজছে কানে।

বিয়ে করবো, তুলিকে। কথাটা যেন দুনিয়ার সব থেকে ভাড়ি কথা। যার ওজন আমি নিতে পারছিনা।

থ মেরে বসে আছি মেঝেতে। অর্ণ ও বসে আছে খাটের উপর পা জুলিয়ে।

মিনিট বিশেক পর অর্ণ এগিয়ে আসলো।

" এ ভাবে বসে আছো কেন? উঠো শরীর খারাপ করবে নয়তো।

কথাটায় হাসি পেলো। জীবন নষ্ট করে নাকি আমার শরীর নিয়ে ভাবছে।

আমার সারা না পেয়ে অর্ণ আমার হাতধরতে আসলেএক ঝরে ঝটকায় দূরে সরিয়ে দেই তাকে আমি। ধ

" নষ্ট পুরুষ। কাছে আসবি না আমার। চরিত্রহীন। অর্ণ কিছু বললো না,

তার চিপ থাকা আমার গায়ে জ্বালা বাড়িয়ে দিচ্ছে। উঠে গিয়ে কলার চেপে ধরলাম অর্ণের।

" দুশ্চরিত্র পুরুষ। নষ্ট, ।

কি করে পারলি এমন করতে।

তুই পারিস না এমন করতে। না না পারিস না,

" অই বল এসব মিথ্যা। অভিনয় করছিস আমার সাথে তাই না?

অর্ণ জবাব না দিয়ে আমায় ঘুমাতে বললো,

" উঠে শুয়ে পরো।

' না আগে বল সব মিথ্যা।

" কিছু মিথ্যা না।

আমার মাথায় বাজ পরলো,

চোখে অগ্নি নিক্ষেপ করে বললাম।

" তাহলে আমার কাছে কেন তুমি। যাও দূর হয়ে যাও সামনে থেকে।

অর্ন যেন এরই অপেক্ষায় ছিল। চুপচাপ চলে গেলো।

আমি দরজা বন্ধ করে কেঁদেছি সারা রাত।

হিসেব মিলছে না।

যাকে নিজের মেয়ে ভেবে বুকে রেখেছি। সে মেয়ে আমার বুকে থেকে আমার বুকেই ছুড়ি মারল।

এ কি করে সম্ভব,

সমস্ত রাত অনেক চিন্তা ভাবনা করেছি। দু চোখের পাতা এক করতে পারিনি।

ফজরের আজান শোনে মেঝে থেকে উঠে দাড়ালাম।

নিস্তেজ গওয়া পায়ে এগুি গেলাম তুলির রুমে।

দরজা খোলাই আছে।

অর্ণ এখন আর এখানে নেই।

তুলি শুয়ে আছে খাটে।

ঘুমায়নি হয়তো সে ও।,

আমার পায়ের শব্দে উঠে বসলো সে।

আমি চুপচাপ তার কাছে গিয়ে ঠাস করে এক চর বসিয়ে দিলাম তার গালে।

হঠাৎ তাল সামলাতে না পেরে খাটের কোনায় গিয়ে পরলো তলি। ঠোঁটের পাশে কেটে গেছে খানিকটা

তুলি ব্যাথায় খানিকটা আহ বোধক শব্দ করে আবার মাথা নুয়িয়ে রাখলো।

রক্ত ঝরছে সেখান থেকে

সে দিকে তাকিয়ে আমিও দাঁড়িয়ে ছিলাম অনেক্ক্ষণ।

এরপর ফাস্ট এইসড বক্স নিয়ে ঔষধ লাগিয়ে দিলাম তুলির ক্ষত স্থানে।

তুলি ডেবডেব করে তাকিয়ে রইলো শুধু।

ঔষধ লাগানো শেষে আমি গম্ভীর গলায় জিগ্যেস করলাম।

" কতো দিন ধরে?

#চলবে

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ১০ম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন