৬৭.
গবেষণাগারের দরজা পেরিয়ে বাইরে বেরোতেই মেঘ একবার থেমে গেল। দিনের আলো কেমন অদ্ভুত রকম ফিকে হয়ে আসছে। আকাশে হালকা মেঘ, বাতাসে অদ্ভুত এক ভার। পৃথিবীও যেন তার জানা সত্যের মতোই চাপা, গুমোট। তার হাতের মুঠোয় শক্ত করে ধরে রাখা নোটপ্যাড। ভেতরে লেখা প্রতিটা শব্দ যেন আগুন। তার সদ্য রিসার্চ করা তথ্যে ভরপুর এটা। মেঘ আর সময় নষ্ট না করে গাড়িতে উঠে ইঞ্জিন স্টার্ট করলো। লম্বা পথ পেরিয়ে বাড়ির ভেতরে ঢুকতেই কাঁকন সুলতানার কণ্ঠ ভেসে এলো, “এতক্ষণ কোথায় ছিলি তুই?”
তিনি যে একটা লম্বা সময় মেঘের অপেক্ষায় বসে ছিলেন সে সব তার মুখে দৃশ্যমান। মেঘ জুতা খুলতে খুলতেই বলল, “গবেষণাগারে গিয়েছিলাম। একটু জরুরি কাজ ছিল।”
কাঁকন সুলতানা চোখ কুঁচকে তাকালেন। “তুমি কি নতুন কিছু অনুসন্ধান করছো?”
“খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু। তোমাকে সব জানাবো।”
কাঁকন সুলতানা আর কিছু বললেন না। শুধু দীর্ঘশ্বাস ফেলে সরে গেলেন। তার মেঘের জন্য বিশেষ চিন্তাভাবনা হয় না বললেই চলে। মেঘ বুদ্ধিমান, শুধু ঝামেলা এটাই যে কিছু একটা ঘটনার আগে কখনোই কাউকে জানায় না সে। সে তার মন মর্জির মালিক।
মেঘ দ্রুত পায়ে নিজের ঘরে ঢুকেই দরজা বন্ধ করল। এক মুহূর্ত দেরি না করে ফোনটা বের করেই ইমরানকে কল করল। এই এখের পর এক ঘটনায় পুরো বন্ধু মহলের আর কেউ কলেজের বারান্দা অবধি না পেরোলেও একমাত্র ইমরানকে বাধ্য হয়ে প্রতিদিন কলেজে যেতেই হয়। তার একটি বিশেষ কারণ তার বাবা। এখন নিজের বাবা যদি কলেজের লেকচারার হয় তবে ছেলেকে তো বাধ্য হয়ে কলেজে যেতেই হবে! তাছাড়া গতকালকের থানা পুলিশের নানান কাহিনী একপ্রকার মাটি চাপা দিতেই বাবার বাধ্য ভদ্র ছেলের মত সে কলেজের উদ্দেশ্যে বের হচ্ছিল। ঠিক তখনই মেঘের ফোন ইমরানের ফোন এলো। ইমরান সাথে সাথে রিসিভ করল। এত সকাল সকাল মেঘ অবশ্য কল করে না। ইমরান কল রিসিভ করেই বলল, “হ্যালো? কিরে এত সকালে? কলেজে আসবি?”
মেঘ ইমরানের সব প্রশ্ন এড়িয়ে এক নিঃশ্বাসে বলল, “এখনই আমার বাসায় আয়। খুব জরুরি।”
“কিছু হয়েছে নাকি?”
“এসে পড়। সব বলবো।” এটুকু বলেই মেঘ লাইন কেটে দিল।
ইমরান শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে রইলো। গত রাতে থানার কাহিনী নিয়ে তার বাবা তাকে যে পরিমাণ কথা শুনিয়েছে। এখন এসবের পরে কি করে সে কলেজে না গিয়ে মেঘের বাড়িতে যাবে!! ইমরান একবার তার বাবার শক্ত মুখের তাকিয়ে নিজের পরিস্থিতির উপর উপহাস করে নিলো। উপস্থিত কোন বাহানা নজরে না পেয়ে ইমরান পেট ধরে বসে পড়লো। এরপর চেঁচিয়ে বলল, “আ…আ আবার ব্যথাটা বাড়ছে।”
আমিনুল হক এগিয়ে এসে বললেন, “কি হয়েছে।”
“গত রাত থেকেই খুব পেটে ব্যাথা আব্বু।”
“আমাকে তো একবারও বলিস নি।”
“তুমি রেগে ছিলে তাই সাহস হয় নি।”
“রেগে থাকলে কি সব শরীর নিয়ে হেলা ফেলা করবি? বেশি ব্যথা করছে? ডাক্তারের কাছে একবার দেখানো লাগবে?”
“না না। ডাক্তার লাগবে না। খাবারের সমস্যার কারনে হয়েছে বোধহয়। আমি একটু রেস্ট করলেই ঠিক হয়ে যাবো।”
“আমিও তাহলে কলেজে না যাই?”
আমিনুল হক এটুকু বলতেই ইমরান তাড়াহুড়ো করে বলল, “না না। আমি ঠিক আছি। সামান্য ব্যথা। তুমি কলেজে যাও। ভালো লাগলে আমিও চলে আসবো।”
আমিনুল হক ব্যপারটা বেশি ঘাটালেন না। তিনি সময় দেখে চলে গেলেন কলেজে। তিনি বেরিয়ে যেতেই ইমরানও ছুটে গেল মেঘের বাড়িতে।
সকালের এই প্রথম প্রহরের পরের প্রহরটা “সুখনীর” প্যালেসটা একেবারে নিঃশব্দ থাকে। শাফিন আহমেদ একদম ভোরে ভোরে বেরিয়ে পড়েন অফিসের উদ্দেশ্যে। কাঁকন সুলতানা চলে যান তার কাজে। বিভিন্ন রকম সমাজ সেবা মূলক অ্যাসোসিয়েশন, অর্গানাইজেশন এবং এই সংক্রান্ত বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তিনি যুক্ত। বলা চলে বাড়ি বসে কি বা করবেন, তাই স্বামীর পয়সা দিয়ে উন্নয়নমূলক কাজে হাত বুলান। আর রোদ্দুর ছোটে তার কলেজে।
ইমরান এসে সোজা মেঘের কক্ষে গিয়ে প্রবেশ করলো তার চোখে স্পষ্ট উৎকণ্ঠা, “কী হয়েছে বল তো? তোর গলাটা এমন লাগছিল কেন?”
মেঘ কোনো কথা না বলে টেবিলের ওপর নোটপ্যাডটা ছুড়ে দিল তার সামনে, “পড়।”
ইমরান পাতা উল্টাতে লাগল। প্রথমে স্বাভাবিক… কিন্তু পরের মুহূর্তেই তার চোখ বড় হতে লাগল। একে একে শেষ পাতায় পৌঁছে সে থমকে গেল। “মানে… এটা… এটা সিরিয়াসলি বলছিস? এসব তথ্য তুই কোথায় পেলি?”
মেঘ কিছুই বলল না। ইমরান এক ঝটকায় উঠে দাঁড়াল, “এই পাথরটা বাইরে নিরীহ, কিন্তু শরীরের সংস্পর্শে বিষ হয়ে যায়? এটা… এটা তো… এটা তো একদম পারফেক্ট রিসার্চ! রুশ নিয়ে এ তথ্য তো কোথাও নেই!”
মেঘ ঠাণ্ডা গলায় বলল, “আরও আছে।”
সে ধীরে সব ব্যাখ্যা করতে লাগল, অক্সিডেটিভ রিঅ্যাকশন, বৃষ্টির পানিতে ডুবিয়ে রাখা, লিচিং প্রসেস, এনজাইম্যাটিক অ্যাক্টিভেশন… একটা একটা করে সব খুলে বলল। ইমরান যেন বসে থেকেও বসে নেই। তার মাথার ওপর যেন সত্যিই আকাশ ভেঙে পড়েছে। “মানে… এই জিনিসটা… ইচ্ছা করে কেউ ব্যবহার করলে। কাউকে মারতে পারবে… অথচ বাইরে থেকে কিছুই ধরা পড়বে না?”
মেঘ এবার ধীরে বলল, “হ্যাঁ। আর সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপারটা হলো বিষ নিষ্ক্রিয় করা যায়। কিন্তু পুরোপুরি না।”
ইমরান ভ্রু কুঁচকে তাকাল, “মানে?”
মেঘ টেবিলের ওপর রাখা একটা পুরোনো বই খুলে দিল। পাতায় আঙুল রেখে বলল, “বাইরের টক্সিসিটি মানে পাথরের পৃষ্ঠের বিষক্রিয়া ওটা কমানো যায়। বৃষ্টির পানিতে দীর্ঘক্ষণ ডুবিয়ে রাখলে, কিছু রাসায়নিক ধুয়ে যায়। তারপর হলুদ, দুধ এগুলো একটা প্রোটেক্টিভ লেয়ার তৈরি করে।
কিন্তু ভেতরের কম্পোজিশন যেটা আসল বিষ ওটা থেকে যায়। মানে… পাথরটা দেখতে নিরীহ কিন্তু শরীরে এর সামান্য ধোঁয়া পানি ঢুকলেও তা ভেতরের সব নষ্ট করার ক্ষমতা রাখে। এক কথায় পৃথিবীর সব থেকে ভয়ংকর বিষ এটা।”
“তাহলে… এটা পুরোপুরি থামানোর কোনো উপায় নেই?”
মেঘ মাথা নাড়ল ধীরে, “না। আমরা শুধু এটাকে ঘুম পাড়িয়ে রাখতে পারি। কিন্তু জাগিয়ে তোলা সেটা খুব সহজ। এখন সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় করার কিছু তো উপায় থাকার কথা। সেটা এখনো জানা নেই।”
“এই পাথরের ব্যবহার কেউ যদি জানে তাহলে…”
“তাহলে সে মানুষ না… সে একটা চলন্ত বিপর্যয়। দামী হীরর লোভ থাকলে তাও ভালো যে শুধু হীরে নিয়ে ভাববে। তবে যদি পাথরের বিষকে কাজে লাগাতে চায় তবে দুনিয়া ধ্বংস করার ক্ষমতা পেয়ে যাবে। তবে এখন অরূপ বিপর্যয় কিনা কে জানে!”
ইমরান তাকাল, “কী অরূপ?”
“ওই আংটিটা মনে আছে? যেটা অরূপ প্রীয়তাকে দিয়েছিল। তারপর আবার নিয়ে গেল?”
“ওই যে কালো পাথরের আংটিটা? হ্যাঁ মনে আছে।”
“ওটা হয়তো রুশ থেকে তৈরি হীরে। অরূপ হয়ত জানে কীভাবে রুশ থেকে হীরে আলাদা করতে হয়।”
ইমরান পেছনে সরে বসলো, “তুই… তুই কি বলছিস বুঝছিস? তাহলে তো…”
“মনে কর প্রীয়তার হাতের এলার্জির কথা। কেমন বাজে হাল হয়েছিল। এখন হামজা আংকেল এর নোটবুকের রিপোর্ট দেখ। সাথে এগুলোও। খনিতে কাজ করা শ্রমিকদেরও একই হাল।”
ইমরান থমকে গেল। ওর গলা শুকিয়ে এল।
মেঘ এবার একটু জোরে বলল, “প্রীয়তাকে এন্টিডোজ দিতে হবে। এখনই। কিন্তু তার আগে অরূপের কাছ থেকে সবটা শুনতে হবে। ও কী করেছে… কতদূর গেছে…”
ইমরান এক মুহূর্ত দেরি করল না। ফোন বের করেই বলল, “আমি এখনই ওকে এখানে আনছি। ও এসব কিছু লুকিয়ে কিভাবে!”
ইমরান অরূপকে কল দিল। একবার, দুইবার, তিনবার। কল বেজে গেল। কিন্তু কেউ ধরল না। “ধরছে না…”
মেঘ বলল, “আবার কর।”
ইমরান আবার কল দিল। এবারও একই। ইমরান রাগ সংযত করে বলল, “আমি… আমি ওর মাকে কল করছি।”
অরুপের মা সাথে সাথেই কল ধরে বসলেন। তিনি খুবই স্বাভাবিক ভাবে বললেন, “হ্যালো, ইমরান বাবা?”
“আন্টি, অরূপ কোথায়? ফোন ধরছে না কেন?”
“ও তো সকালে বেরিয়েছিল একটু আগে এসে ঘরে ঢুকেছে। দাঁড়াও ডাকছি।”
কিছুটা সময় পেরোলো। অরুপের মা দরজা ধাক্কালেন কয়েকবার। কোন সাড়া শব্দ এলো না। হুট করেই আচমকা তিনি চেঁচিয়ে উঠলেন। ইমরান ঘাবড়ে জিজ্ঞেস করল, “কি হয়েছে আন্টি?
তিনি কাদো কাদো গলায় চেঁচিয়ে বললেন, “অরুপ কিছু করে বসেছে। দরজার নিচ দিয়ে… র/ক্ত… র/ক্ত বের হচ্ছে…!”
ইমরান আঁতকে উঠলো, “কি…কি বলছেন?!”
ওপাশে কান্না, চিৎকার আরো বাড়লো। “ও দরজা খুলছে না! বাবা রে… কেউ আসো…!” এইটুকু বলে সারা বাড়ি জড়ো করে নিলেন যেন তিনি।
এদিকে মেঘ আর এক সেকেন্ড দেরি করল না। ও উঠে দ্রুত গাড়ির চাবি হাতে নিয়ে বলল, “ফোন রাখ আগে চল।”
একেবারে তারাহুরো করেই দুজন বেরিয়ে পড়ল। রাস্তা, ট্রাফিক, সিগন্যাল কিছুই যেন আর গুরুত্বপূর্ণ না। অরুপের আগে ওদের কাছে সব ঠুনকো।
অরূপের বাবাসহ আশেপাশের কয়েকজন মিলে দরজা ভেঙ্গে কক্ষে প্রবেশ করলেন। ভেতরের দৃশ্য একেবারে অপ্রত্যাশিত। অরূপ মেঝেতে পড়ে আছে। হাতে ব্লেডের আঁচড়ে কব্জির অনেকাংশ কা/টা, চারপাশে র/ক্ত ছড়িয়ে রয়েছে। এতো পরিমাণ র/ক্ত বেরিয়ে গেছে যে গেট অবধি ঢেউয়ে পড়েছে। অরুপের মা চেঁচিয়ে উঠলেন। সাথে সাথেই এম্বুলেন্স খবর দেয়া হল। কিছু সময়ের মাঝেই ইমরান আর মেঘ এসে পৌঁছালো। দুজনেই একেবারে জ্ঞান শূন্য যেন। মেঘ এক ঝটকায় এগিয়ে গিয়ে আগে পালস চেক করে ইমরানকে বলল, “অ্যাম্বুলেন্সের অপেক্ষা করার সময় নেই। দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে!”
ওরা উঠাতে যাবে ঠিক তখনই সাইরেন বাজিয়ে অ্যাম্বুলেন্স এসে হাজির হল। দ্রুত অরুপকে তুলে নেয়া হল হাসপাতালে। সব কিছু অপ্রত্যাশিত, অস্বাভাবিক। উপস্থিত মানুষেরা যেন জ্ঞান শূন্য হয়ে পড়েছে। ঠিক কি করবে তারা!
হাসপাতালে গিয়েই সময় যেন দৌড়ে ছুটতে লাগলো। সবকিছু যেন ঝাপসা হয়ে গেছে। স্ট্রেচার, সাইরেন, দৌড়ে চলা করিডোর ডাক্তারের তাড়াহুড়ো গলা, “Severe blood loss! Immediate transfusion লাগবে!”
মেঘ এক মুহূর্ত দেরি করল না, ও আগে থেকেই জানে অরুপের র/ক্তের গ্রুপ আর ওর একই। মেঘ এগিয়ে গিয়ে বলল, “আমার ব্লাড গ্রুপ একই। আমি দেবো।”
ডাক্তাররা দ্রুত কিছু টেস্ট করে ওকে র/ক্ত দেবার জন্য প্রস্তুত করে নিল। সময় ছুটতে লাগলো। হাসপাতাল জুড়ে কেমন এক গুমট অবস্থা। অরুপের অবস্থা সিরিয়াস। আইসিইউতে অক্সিজেন দিয়ে রাখা হয়েছে। রগ কাটে নি, তবে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে।
অরুপের পরিবার সহ মেঘ, ইমরান সবাই বাইরে অপেক্ষা করছে। রাফি কলেজেই ছিল। অরুপের এমন অবস্থার কথা শুনে পাগলের মতো দৌড়ে এসেছে। এমন কি শাফিন আহমেদ, কাঁকন সুলতানা, আমিনুল হক সকলেই ছুটে এসেছেন।
ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেটে গেল। শেষ বিকেলের আলো ফিকে হয়ে সন্ধ্যা নেমে এলো। ডাক্তার অবশেষে বেরিয়ে এলেন, “Patient stable. ভাগ্য ভালো, অল্পের জন্য বেঁচে গেছে।”
ডাক্তারদের “স্টেবল” কথাটা আশ্বাস দিলেও, পুরোপুরি নিশ্চিন্ত হতে পারলো না কেউ। অরূপ বেঁচে গেছে কিন্তু সে এখনও ঝুঁকির বাইরে না। এই একটা ঘটনার মধ্যেই যেন অনেক অজানা সত্য হঠাৎ প্রকাশ্যে চলে এলো। অরূপ এবং প্রীয়তার বিষয়টা আর স্পষ্ট ভাষায় বলতে হলো না। উপস্থিত মানুষজন কাহিনীর সাথে অরূপের প্রতিক্রিয়া মিলিয়ে নিলেন।
অরূপ ছোট থেকে বেশ দুষ্টু ছেলে। তুখোর মেধাবী বলা যায়। তবে তার মেধা সে কাজে তেমন একটা খাটায় না। পড়াশোনার ক্ষেত্রেও প্রচন্ড ফাঁকিবাজ। কিন্তু তারপরও সব জায়গায় নিজের জায়গা কি করে বানিয়ে নিতে হয় সেটা সে খুব ভালো করে জানে। অরুপের বাবা জগদীশ ঘোষ সবসময় চাইতেন পারিবারিক খানদানি যেই মিষ্টির ব্যবসা আছে তাদের, অরূপ সেটাকে নিয়েই কাজ করবে। তবে ছোটবেলা থেকেই অরুপের শখ একদম বাবার অপজিট। ইচ্ছে করে এক প্রকার নতুন স্বপ্নে বেঁচেছে সে। অরূপদের পুরো বংশে ভূমি গবেষণা সংক্রান্ত জায়গায় কারোই যোগদান নেই। তবে অরুপের রহস্য খোঁজার একটা অন্যরকম আগ্রহ। সে কখনোই এত অত্যাধিক ইমোশনাল মানুষ না। আর না ভালোবাসার খাতিরে নিজেকে শেষ করে দেওয়ার মতো ছেলে। তবে কথায় আছে না, ভালোবাসা অন্ধ হয়। তাছাড়া আর একটা কথাও আছে, সব থেকে বেশি বিচক্ষণ মানুষেরাই সবথেকে বড় বড় ভুল করে থাকে। তাই বোধহয় অরুপের এমন পদক্ষেপ।
চলবে.... 💝
#রুশ_রহস্য_দ্বিতীয়_পরিচ্ছেদ
#রুশ_রহস্য (রুশ এবং রহস্য)
#সাদিয়া_তিন্তি
বিঃদ্রঃ অনুগ্রহ পূর্বক কার্টেসি ছাড়া কপি করবেন না।
{ভুলত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আর নিজেদের মন্তব্য রেখে যাবেন অবশ্যই ♥️}