ফন্ট সাইজ:
থিম:
আমৃত্যু প্রতিজ্ঞা তুমি

২য় পর্ব

লেখক: 𝐓𝐚𝐲𝐛𝐚 𝐢𝐬𝐥𝐚𝐦-তায়্যেবা ইসলান
#আমৃত্যু_প্রতিঙ্গা_তুমি
#লেখনিতে_Tayba_islam
#পর্ব_২
❌কপি করা নিষিদ্ধ ❌
***********************
রুহানা বেগম হাসলেন,,হালকা পাতলা নাস্তা করেছে আধীর,,খাওয়ার জন্য কত জোর করলেন রুমানা বেগম,শফিক শিকদার,আর হৃদয় কিন্তু আধীর নিজের মতামতে স্থীর থাকলেন...তাই আর কেউ জোর করলো না,,আধীরকে একটা রুমে দেওয়া হয়েছে তার পাশের রুমটাই, হৃদয়ের,,... 
_______________
আধীরের পুরো নাম আদনান মির্জা আধীর,,আধীরের পরিবারে তার বাবা,মা, আর একটা ছোট বোন আছে, আধীর তার পরিবারের এক মাএ ছেলে,,আধীরের বাবা চাচারা,, তিন জন দুই ভাই এক বোন আধীরের বাবার নাম (আব্ররার মির্জা) বাবার নামের সাথে মিল রেখে আধীরের নাম রাখা হয়,আধীরের চাচার নাম (মনির মির্জা)আর একটি মাএ ফুপু নাম (রেহেনা বেগম),,আধীরের মার নাম (সুরাইয়া রহমান)আর বোনের নাম (সাইরা মির্জা)আসলে আধীরের নাম রাখা হয়েছে তার বাবার নাম থেকে আর সাইরার নাম রাখা হয় তার মার নাম থেকে।আধীর এতটাই আদুরের যে তার বাবা যদি পারতেন তাহলে আকাশের চাঁদ টাও এনে দিতেন,,আব্ররার মির্জা বিয়ের বসয় যখন ছয় বছর তখন আধীর জন্ম নেয়,,কতো বড় বড় ডক্টর, কবি'রাজ দেখানোর পর এই আধীর হয়,,তাই সবার চোখের ম'নি আধীর....!
আধীরের যখন ১৬ বছর তখন তারা এই দেশ ছেড়ে চলে যায়,,সকল  সয়-সম্পতি বিক্রি করে দেশ ছেড়ে পারি জমান কানাডা,,,ছেলে শুধু এক বার বলে ছিলো এই দেশে তার দম বন্ধ হয়ে আসছে,,দ্বিতীয় কোনো প্রশ্ন না করেই বাবা তার সব সম্পর্ক মাটি চাপা দিয়ে চলে যায় ভিন্ন দেশে।সুরাইয়া রহমানও কোনো কথা বলেন নি,,তার যে এক মাএ কলি'জার টুকরো ধ'ন,, সে কি আর তার চোখের মনির কোনো কষ্ট দেখতে পারতেন। 
___________
ব্যালকনির রেলিং পাশে দারিয়ে আকাশের পানে এক পলকে তাকিয়ে পুরোনো দিনের কথা ভাবতে লাগে আধীর,,কখন যে চোখ বেয়ে এক ফোটা পানি গরিয়ে পরলো,,তার খে'য়াল নেই,,ভোর হলো,,মুয়াজিনের আযানের শুর ভেসে এলো,,পাখিদের কিচিরমিচির শব্দ আসতে লাগলো..দীর্ঘ-শ্বাস ছেড়ে ওয়াশরুমে চলে যায় আধীর,,বড় করে শাওয়ার নিয়ে বের হয়,,রেডী হলো..পরনে সাদা পাঞ্জাবি,সাথে ব্রাউন কালার টাওজার....দেখতে যেনো একজন সুদর্শন যুবক,আধীরের গঠন (লম্বা ৬" ২ফুট, গায়ের রং ফর্সা,,কালো ঘন মাথায় ঘাগরা চুল,জিম করার জন্য শরীর সিক্স প্যাক্স দেখা যায়,,মুখ ভর্তি কালো ঘন চাপ দাড়ি)
আধীর নামাজের জন্য মসজিদের দিকে রওয়ানা দিলো,,পাশে হৃদয়ের রুম ছিলো,,দরজা টা ভিরানো ছিলো,, আধীর রুমে ডুকলো,, বেডে হৃদয়কে দেখে ভূ-কুচকালো...
হৃদয় ঠিক বেডের আড়াআড়ি ভাবে শোয়া, মাথার সাইডে পা রাখা আর পা রাখার জায়গায় মাথা,,একটা কোলবালিশ জরিয়ে ঘুমানো,মুখ কোলবালিশের ভিতর গুজানো.. যা দেখে আধীর হত ভম্ব এভাবে মানুষ ঘুমায় নাকি?আযানের টাইম চলে যাচ্ছে দেখে আধীর হৃদয়ের মাথার কাছে এসে হৃদয়কে ডাকে কিন্তু হৃদয়ের সারা-শব্দ নেই নড়চড়ও নেই..আধীর বিরক্ত হলো..পাশে থাকা ট্টি-টেবিল থেকে গ্লাসে পানি ঢেলে নেয়,,পানিটা হৃদয়ের মুখের উপর ঢেকে দেয়,,ঘুমের মাঝে পানি পড়ায় তরিহরি করে উঠে বসে হৃদয়,, চোখ মুখে পানি দেখে আশেপাশে তাকায়,,মাথার সামনে আধীর কে দেখে ভু'ত দেখার মতো চমকে উঠে..আধীরের দারানোর স্টাইল ছিলো এক হাত পেন্টের পকেটে ডুকানো আর এক হাতে পানির গ্লাস,, চোখ ছিলো হৃদয়ের পানে তাকানো.. চোখ ভরা ঘুমের মধ্যে পানি পরা তার সাথে এক জন মানুষ কে ইস্টেচুর মতো দারিয়ে থাকতে দেখে হৃদয় ভরকে যায়...কষ্ট করে মুখ থেকে একটি কথা বের হয়.. 
আধীর তুইই? 
আধীর হৃদয়ের দিকে দৃষ্টি স্থীর রেখেই গম্ভীর কন্ঠে শুধায়... ৫ মিনিটের মধ্যে ফ্রেশ হয়ে আসবি...
হৃদয় আধীরের কথায় আগা মাথা কিছুই বুঝে নি..জিজ্ঞাসার দৃষ্টিতে তাকিয়ে প্রশ্ন করো হৃদয়.. 
কোথায় যাবো?এত সকালে...আর তোর এই গেটাপ কেনো কোথায় যাবি..
আধীর গম্ভীর কন্ঠে বলে...
নামাযে...
হৃদয় একটূ দীর্ঘ-শ্বাস ছাড়লো..হাই তুলতে তুলতে বলে....
আমি কাল থেকে যাব!আজ তুই যা,,আমার খুব ঘুম পাচ্ছে... 
আধীর হুমকির শুরে বলে.. 
আমি বলেছি পাচ মিনিটের মধ্যে রেডী হয়ে আসতে,,পাচ মিনিটের বেশি হলে তোর...
আধীর পুরো কথা টা শেষ করতে পারে নি তার আগেই হৃদয় এক লাফে বেড ছেড়ে ওয়াশরুমের দিকে দৌড় লাগায়...
আধীর সামান্য ঠোট বাকায়,,পকেটে থেকে ফোন বের করে কাউকে কল দেয়...
চলবে...
(কোনো রকম ভুল-ট্টুটি হলে ক্ষমরা দৃষ্টিতে দেখবেন,,লাইক কমেন্ট সেয়ার করুন প্লিজ 😇🙏)

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ২য় পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন