#দ্বিতীয়_বসন্তের_অপেক্ষা 🪶 [ #পার্ট_১৪ ]
[ 🚫 ছবিতে ভুলে পার্ট ১৩ লিখে ফেলেছি এটা ১৪ হবে।
আজকের পার্ট ১৭০০+ শব্দের। ৩৫০+ রিয়েক্ট তুলতে হবে নেক্সট পার্ট এর জন্য। যাদের ভালো লাগবে না সসম্মানে স্কিপ করবেন। পাখিরা next+ sticker কমেন্ট করবেন না প্লিজ। গল্প রিলেটেড কমেন্ট করবে। 😌]
মাহিরা কিছু না বলে বেরিয়ে গেল বাসা থেকে। মালিহা বেগম পেছন থেকে ডাকলেন কয়েক বার কিন্তু মাহিরা শুনলো না।
আমান বেরিয়েছে বাইক নিয়ে। আধা ঘন্টার রাস্তা পাড়ি দিয়ে পৌছালো মাহিরাদের বাসায়। মেনডোর এর কলিং বেলের শব্দে মালিহা বেগম এসে দড়জা খুললেন। ভেবেছিল মাহিরা চলে এসেছে । হঠাৎ আমান কে এই অসময়ে দেখে কিছু টা চমকে গেলেন তিনি।
____ তুমি!
আমান অল্প হেসে বললো
____ আসসালামুয়ালাইকুম ফুপু।
____ ওয়া আলাইকুম সালাম আমান। কেমন আছো? হঠাৎ এই সময়ে ? কিছু হয়েছে?
____ আছি আলহামদুলিল্লাহ ভালো। তেমন কিছু হয়নি ফুপু। এমনি আসলাম। মাহিরা কোথায়?
আমান এর এহেন প্রশ্নে মালিহা বেগম এর কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমেছে। ভয়ার্ত দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে আমান এর দিকে। কি বলবে কিছু বুঝে উঠতে পারলো না। আমান তার ফুপু কে এমন করতে দেখে ভ্রু কুঁচকে নিলো। চিন্তিত স্বরে জিজ্ঞেস করলো
____ফুপু কি হয়েছে? শরীর খারাপ লাগছে? এদিকে এসো বসবে চলো।
আমান মালিহা বেগম কে ধরে সোফায় বসালেন। এক গ্লাস পানি এগিয়ে দিলেন। মালিহা বেগম ঢকঢক করে পুরো গ্লাসের পানি মুহুর্তেই খেয়ে নিলেন।
_____ শরীর বেশি খারাপ লাগছে ফুপু? হসপিটালে যাবে?
____ না, এমনি।
____ মাহিরা কোথায় ওকে দেখতে পারছি না ?
মালিহা বেগম কয়েক সেকেন্ড আমান এর দিকে তাকিয়ে থেকে চোখ সরিয়ে নিলেন। তিনি খুব ভালো করে চিনেন আমান কে। আমান ভালোর ভালো খারাপ এর জম ! যদি একবার জানে মাহিরা এতো রাতে বেরিয়ে গেছে, কিছু না বলে তাহলে মাহিরার খবর আছে।
____ ফুপু চুপ করে কেনো? মাহিরা কি ওপরে?
মালিহা বেগম আমতা আমতা করলেন। মাথা হালকা নাড়াতে দেখে আমান ভাবলো হয়তো মাহিরা উপরেই আছে। আমান উঠে দাঁড়িয়ে বললো
____ ফুপু বসো তুমি। আমি ওকে ডেকে আনছি।
আমান উপরে যেতে নিতে লাগলে মালিহা বেগম কপালে হাত রাখলেন। আজ যে কি হবে? মালিহা বেগম দ্রুত কল করলেন মাহিরা কে। কয়েক বার রিং হতেই মাহিরা কল রিসিভ করলো।
____ হ্যালো আম্মু,,
মালিহা বেগম গলার স্বর নিচু করে ভয়ার্ত কন্ঠে বললেন
____ সর্বনাশ হয়ে গেছে মাহিরা !
____ কেন কি হয়েছে আম্মু?
____ তোমার খুঁজে আমান এই বাড়িতে এসেছে ।
মাহিরা চমকালো। বড়বড় চোখ করে মোবাইল এর দিকে তাকালো। ভয়ার্ত কন্ঠে বলল
____ কি বলছো আম্মু এসব ?
____ সত্যি বলছি এই মাত্র এসেছে। তোকে খুঁজতে তোর রুমে গিয়েছে।
____ ওহ্ শিট!
____ কি করবো এখন? আমান জানতে পারলে তছনছ করে ফেলবে সব ।
____ আম্মু রিলেক্স, আমি সামলে নিচ্ছি সবটা।
তোমাকে জিজ্ঞেস করলে বলবে আমি রুমেই আছি।
____ তুমি নেই এটা তো ও দেখতেই পাবে।
____ হুম,,হুম তুমি বলবে আমি রুমেই আছি। হয়তো ঘুমিয়ে আছি। এর বাইরে তুমি আর কিচ্ছু বলবে না।
____ কিন্তু,,
____ কোনো কিন্তু না। শুধু এতটুকুই বলবে। আমি বাকিটা সামলে নিবো। এখন রাখছি।
আমান মাহিরার রুমে কয়েকবার নক করলো । মাহিরার কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে দড়জা ঠেলে ভেতরে ঢুকলো। এদিকে ওদিক তাকালো। মাহিরা রুমে নেই। আমার ওয়াস রুমের দিকে একবার তাকালো । ভাবলো হয়তো মাহিরা সেখানে আছে। কিন্তু ওয়াস রুমের দরজা বন্ধ। আমান বেলকনিতে গিয়ে দেখলো সেখানেও নেই। আমান হতাশ হয়ে রুম থেকে বেরিয়ে আসলো। সিঁড়ির সামনে দাঁড়িয়ে মালিহা বেগম কে বললেন
____ ফুপু মাহিরা রুমে নেই।
মালিহা বেগম মেয়ের কথা অনুযায়ী অভিনয় করে বললেন
____ ভালো করে দেখো আমান, ও রুমেই আছে।
____ আমি ভালো করে দেখেছি ফুপু, ও রুমে নেই।
আমান দাঁড়ালো না , সাদে গিয়ে দেখে আসলো সেখানে কোথাও নেই। পুরো বাড়ি খুঁজলো। আমান কোথাও নেই। মালিহা বেগম ও আমান এর সাথে পুরো বাড়িতে মাহিরা কে খুঁজলো।
মাহিরা কোথাও নেই। এইবার আমান এর টেনশন হলো। এতো রাতে মেয়েটা বাড়ির কোথাও নেই তাহলে কোথায় যাবে ? আমান পকেট থেকে মোবাইল বের করে কল দিলো মাহিরা কে । মোবাইল ব্রাইব্রেট হতেই মাহিরা স্ক্রিনের দিকে তাকালো। মুচকি হাসলো
আমান কল করেছে তাকে । মাহিরা ইচ্ছে করেই কল রিসিভ করলো না।
আমান পর পর কয়েকটি কল করলো । মাহিরা একটা কল ও রিসিভ করলো না।
____ আমান ও কল ধরছে না কেন ?
____ ফুপু তুমি টেনশন করো না। আমি দেখছি।
মালিহা বেগম সোফায় বসে পড়লেন । কতদিন আমান কে এমন মিথ্যা বলতে হবে আল্লাহ জানে। মালিহা বেগম মেয়ের খারাপ কি করে চাইবে । সে
তো মনে মনে ভেবেই নিয়েছে আমান এর সাথে মাহিরার বিয়ে হলে সব ঠিক হয়ে যাবে।
আমান মাহিরার লোকেশন চেক করলো। লোকেশন দেখাচ্ছে তার বাড়িতে যাওয়ার রাস্তা। আমান খানিক টা অবাক হলো। এতো রাতে মাহিরা বাড়িতে যাচ্ছে মানে ?
আমান দ্রুত বাইক নিয়ে বেরিয়ে গেল। ফুল স্পীডে বাইক চালালো। এতো রাতে একা বেরিয়ে গেছে। মেয়েটার কি কোনো আক্কেল জ্ঞান নেই নাকি ? আমান রেগে দাঁতে দাঁত পিষে মাহিরার উদ্দেশ্য কথা গুলো বললো।
তুবা আধো আধো ঘুমে চোখ মেলার চেষ্টা করলো। মনে হচ্ছে কেউ তার এগিয়ে আসছে। শরীর ঘেমে নেয়ে একাকার। তুবা আহ্ শব্দ করে লাফিয়ে উঠে বসলো। বড়বড় নিঃশ্বাস ফেললো। কেমন অস্থির লাগছে বুকের ভেতর টা। তয়ন রুমের সামনে দিয়ে তার রুমে যেতে নিলে তুবার গলার শব্দ পেয়ে ভ্রু কুঁচকে দাঁড়িয়ে পড়লো। আমান এর রুমের দড়জা ঠেলে ঢুকলো । তুবা কে আমান এর বিছানায় শুয়ে হাঁফাতে দেখে তয়ন এগিয়ে আসলো। তুবার মাথায় হাত রেখে বললো
____ তুবা,, এই তুবা কি হয়েছে? এমন করছিস কেন?
____ আ,,আমি,, কে যেন আসছে ? তয়ন ভাই।
____ কোথায় কে আসছে ?
____ আমি দেখেছি।
তুবা ভয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠলো। তয়ন বুঝলো তুবা হয়তো কোনো দুঃস্বপ্ন দেখেছে ।
____ তুবা কিছু হয়নি । বাজে স্বপ্ন দেখেছিস।
তয়ন এক গ্লাস পানি এগিয়ে দিলো তুবার দিকে।
____ খেয়ে নে ।
তুবা সবটুকু পানি খেয়ে নিলো । তুবা শান্ত হলো খানিকটা। তয়ন স্বাভাবিক ভাবেই জিজ্ঞেস করলো
____ এখানে কেন ঘুমিয়েছিস ?
তুবা তয়ন এর দিকে এক পলক তাকিয়ে আবার এদিক ওদিক তাকালো।
____ এটা তো আমান ভাইয়ের রুম ।
____ হুম । তুই এখানে কেন ?
তুবা মনে করার চেষ্টা করলো সে এখানে কেন ? কিছুক্ষণ পর মনে পড়লো সব।
____ তয়ন ভাই আমি পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম।
____ ওহ্
____ উনি কই?
____ কে ?
____ আমান ভাই ?
____ বাসায় না । বেরিয়েছে ।
তুবা ভাবলো হয়তো কোনো কাজে বের হয়েছে। তয়ন হালকা হেসে বললো
____ আমি বই গুলো গুছিয়ে দিচ্ছি । রুমে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়।
____ আচ্ছা।
তুবা স্বপ্নটার কথা মুহুর্তেই ভুলে বসলো। ধীর পায়ে হেঁটে তার রুমে চলে গেল। তয়ন বইপত্র গুছিয়ে তুবার রুমে এনে রাখলো।
____ লাইট জ্বালিয়ে রাখি । তুই ঘুমিয়ে পড়।
____ আচ্ছা।
____ এই নে আমার মোবাইল টা রাখ। ঘুম না আসলে গেমস খেলিস। আর ভয় পেলে আমাকে ডাকিস।
____ আচ্ছা।
তয়ন তুবার দিকে তাকিয়ে হেসে চলে গেলো সেখান থেকে। মাহিরা গাড়ি থামিয়ে একটি সপিং মলে ঢুকলো । একটি শালীন পোশাক কিনে ট্রাইল রুমে গিয়ে তার স্টাইলিশ ডিজাইনের পোশাক খুলে পড়ে নিলো সেটা। এরপর আবার রওনা দিলো চোধুরী বাড়ির উদ্দেশ্যে। মিনিট দশেক পর চৌধুরী এসে বাড়িতে ঢুকলো। বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করতেই মুচকি হাসলো।
____ এই বাড়ি আমার, এই বাড়ির বউ আমি, হায় আফসোস সব আমার কিন্তু কিছুই আমার না। আমান তোমাকে সামনাসামনি দেখার পর সত্যিই আমার আফসোস হচ্ছে। বিশেষ করে তোমার জন্য আফসোস হচ্ছে আমার ।
মাহিরা কথা গুলো বিরবির করে বলে আমান এর রুমে চলে গেল। রুমে গিয়ে আমান এর বিছানায় আয়েশ করে বসে আছে । মাহিরা সিওয়র আমান তার লোকেশন ট্রাক করে এখানেই আসবে । দু'বছরের সম্পর্ক তাদের আমান কে ভালো করেই চিনে সে।
তুবা শুয়ে আছে বিছানায়। ঘুম আসছে না। অজানা ভয় বুকের ভেতরটায় চেপে বসে আছে। তয়ন এর মোবাইল হাতে নিয়ে মিরার বড় বোনের কাছে কল দিলো। তুবা সবার নাম্বার গুলো তার ডাইরিতে লিখে রেখেছে। তার তো আর মোবাইল নেই। তাই বুদ্ধি করে সবার নাম্বার নিয়ে রেখেছে। মিরার বড় বোনের নাম্বারে কল দিতেই কল রিসিভ হলো।
____ হ্যালো আপু।
____ কে ?
____ আমি তুবা
লিয়া মিষ্টি হেসে বললো
____ ওহ্ ,কেমন আছো তুমি? এতো রাতে কল করেছো ?
____ ভালো আছি। মিরা কোথায়?
____ আমার পাশেই আছে। আমরা মুভি দেখছি।
____ ওহ্।
____হুম । এটা কার নাম্বার?
____ তয়ন ভাইয়ের। আমান ভাইদের বাসায় আমি।
____ ওওও,,
____ হুম ।
____ কথা বলবে মিরার সাথে?
____ হুম ।
____ আচ্ছা নেও ।
লিয়া ফোনটা মিরার হাতে দিয়ে মুচকি হেসে বললো
____নে, তোর তুবার কল এসেছে।
মিরা অবাক হয়ে ফোন কানে তুলল।
____হ্যালো তুবা! কেমন আছিস? কতদিন হয়েছে স্কুলে আসিস না , আমার কোনো খবর নিচ্ছিস না?
কাহিনী কি বল তো ?
তুবা ঠোঁট কামড়ে বলল,
____ভালো আছি । মানে, ভালোই। আমি বাড়িতে না তাই স্কুলে যেতে পারিনি। আর আমার কাছে কি মোবাইল আছে যে তোর খবর নিবো ?
তুবা একদমে কথা গুলো বলে থামলো।
____তোর গলার আওয়াজ এমন লাগছে কেন?
তুবা কিছুক্ষণ চুপ থেকে নিচু স্বরে বললো,
____ আমার খুব ভয় করছে ।
____কেন ? কী হয়েছে?
____জানি না। একটা খুব খারাপ স্বপ্ন দেখেছি। মনে হচ্ছে কেউ যেন এই বাড়িতে আসবে । খুব খারাপ কিছু হবে।
মিরা হেসে ফেললো তুবার কথায়। ছোট বেলা থেকেই তুবা এমন বোকা আর ভীতু টাইপের ।
____আরে গাধা! স্বপ্ন নিয়ে এত ভাবিস কেন? স্বপ্ন তো স্বপ্নই।
____ কিন্তু আমার বুকটা কেমন করছে ?
____আল্লাহর নাম নে। আয়াতুল কুরসি পড়ে ফুঁ দিয়ে ঘুমিয়ে পড়। কিছু হবে না।
তুবা দীর্ঘশ্বাস ফেলল।
____হুম।
মিরা তার বোনের সামনে থেকে কিছুটা দূরে এসে তুবা কে ফিসফিসিয়ে বললো
____ তোর ব্যাক্তিগত পুরুষ মানে আমান ভাইয়া কোথায়?
____জানি না। তয়ন ভাই বলল, উনি বাইরে গেছেন।
____ এত রাতে?
____হ্যাঁ।
মিরা কয়েক মুহূর্ত চুপ করে থেকে বললো
____ আচ্ছা, তুই একদম টেনশন করিস না। কোনো সমস্যা হলে আপুর মোবাইলে কল দিস। ঠিক আছে?
____আচ্ছা।
____এখন ঘুমিয়ে পড়।
____ঠিক আছে।
কল কেটে গেলে তুবা কিছুক্ষণ মোবাইলটা হাতে নিয়ে বসে রইল। তারপর ধীরে ধীরে আয়াতুল কুরসি, তিন কুল পড়ে নিজের গায়ে ফুঁ দিল। তবুও বুকের ভেতরের অস্থিরতা যেন কিছুতেই কমছে না।
অন্যদিকে রাত প্রায় একটা বাজতে চলেছে।
ফাঁকা রাস্তায় ঝড়ের গতিতে বাইক চালাচ্ছে আমান। তার চোখে মুখে রাগ আর উদ্বেগ স্পষ্ট। একটা মেয়ে এত রাতে একা বের হয় কীভাবে? ফোনও ধরছে না!
দাঁতে দাঁত চেপে আবারো কল দিল মাহিরাকে।
মাহিরা মোবাইলের স্ক্রিনে আমানের নাম ভেসে উঠতে দেখে ঠোঁটের কোণে রহস্যময় হাসি ফুটিয়ে কলটা ধরলো না। মুচকি হেসে বললো
____আরেকটু অপেক্ষা করো আমান । আজ তোমার ধৈর্যের পরীক্ষা নেব। আমাকে টাকা দিবে না । হা!
মাহিরা আমানের বিছানায় হেলান দিয়ে বসে ঘড়ির দিকে তাকালো। কয়েক মিনিট পর বাইরে বাইকের শব্দ ভেসে এলো। মাহিরার ঠোঁটের হাসিটা আরও
গাঢ় হলো।
____এসে গেছো ?
বাড়ির গেট খুলে ভেতরে ঢুকল আমান। বাইকটা দাঁড় করিয়েই দ্রুত ভেতরে প্রবেশ করল। ড্রয়িংরুমে কাউকে না দেখে সোজা সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে গেল।
গটগট পায়ে হেঁটে আমান নিজের রুমের দরজা খুলে ভেতরে ঢুকলো। দরজা খুলতেই তার পা যেন থমকে গেল। তার বিছানায় শান্তভাবে বসে আছে মাহিরা।
সাদা রঙের শালীন পোশাকে তাকে অন্যরকম লাগছে। মাহিরা মুচকি হেসে বললো
____ এসেছো?
আমান কয়েক সেকেন্ড স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো।
পর মুহূর্তেই দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করে দিল। রাগান্বিত কন্ঠে বললো
____তুমি এখানে কী করছ?
মাহিরা ধীর পায়ে উঠে দাঁড়াল। আমান এর একদম কাছে এসে বললো
____তোমার জন্য অপেক্ষা করছি।
____তোমার মাথা ঠিক আছে?
____পুরোপুরি।
____এত রাতে বাড়ি থেকে একা বের হয়েছো কোন সাহসে ?
____ আমান জায়ান চৌধুরীর বউ হবো একটু আকটু সাহস না থাকলে চলে নাকি ?
____ মাহিরা সাহস ভালো কিন্তু অতিরিক্ত দুঃসাহস ভালো না।
মাহিরা হালকা হেসে চোখ ঘুরিয়ে এদিকে ওদিকে তাকালো। আমান অস্থির কন্ঠে জিজ্ঞেস করলো
____ফোন ধরছিলে না কেন?
____ ইচ্ছা হয়নি।
আমান রাগ সামলাতে না পেরে গর্জে উঠলো,
____তোমার কি কোনো কমনসেন্স নেই? যদি রাস্তায় কিছু হয়ে যেত?
মাহিরা শান্ত গলায় বললো
____ হলে হতো তাতে তোমার কি ? আমার সাথে টাকা নিয়ে যেই বাজে ব্যবহার টা করেছো সেটার পরে আমার সাথে কিছু হলেই ভালো হতো!
আমান চেঁচিয়ে উঠলো
____ মাহিরা!
চলবে,,,
🚫কপি করা কঠোর ভাবে নিষিদ্ধ🚫
#লেখিকা_অরোরা_ইমান_কায়নাত #fbpostviral #trendingpost #viralpostchallenge