ফন্ট সাইজ:
থিম:
আমার কাদম্বিনী

২০তম পর্ব

লেখক: অরোরা ইমান কায়নাত

#আমার_কাদম্বিনী 🍂-- [ #পার্ট_২০ ]

আবরার কামড়ে ধরলো রুশার কাধ। রুশা চেঁচিয়ে উঠলো।

____ আহ্। ছাড়ুন ব্যাথা পাচ্ছি।

____ ছেড়ে যাওয়ার কথা কেন বললে?

____ আপনি যে মেরে ফেলার কথা বললেন তখন?

____ মেরে ফেলবো আমি জানে মারার কথা বলিনি।

____ তাহলে।

____ আমার সাথে রেখে মারবো আমার অভাব বুঝিয়ে মারবো।

____ সেটা আবার কিভাবে?

____ যদি কখনো সেরকম করার দুঃসাহস করো তাহলে দেখতে পারবে।

রুশা আবারো শুলো আবরার এর বুকে। আবরার রুশার শরীরে আলতো হাত বুলাতে বুলাতে বুকের কাছে চলে আসলো। রুশা খপ করে আবরার এর হাত চেপে ধরলো।

____ কি করছেন?

____ কিছু না হাত ধরলে কেন?

____ ওখানে হাত দিবেন কেন ?

____ দিবো না বলছো?

____ হাত সরান। ঘুমাবো আমি ঘুম পেয়েছে।

আবরার রুশা কে ছেড়ে উল্টো ঘুরে শুয়ে পড়লো।

রুশা হতভম্ব হলো। কি হলো বুঝলো না। রুশা আবরার এর পিঠে মুখ ঠেকিয়ে বললো,,,

____ কি হলো ?

আবরার রাগি কন্ঠে বললো,,,

____ ঘুমাও।

আবরার এর এমন কন্ঠস্বরে রুশা কেঁপে উঠলো।

সঙ্গে সঙ্গে ফুঁপিয়ে উঠলো। রুশা ঠোঁট কামড়ে কান্না আটকালো। সে উল্টো ঘুরে শুয়ে পড়লো। কম্বল দিয়ে শরীর ঢেকে শুয়ে রইলো।

আবরার চোখ বন্ধ রেখে সবটা আন্দাজ করতে পারলো। অতটুকু আদরে মন ভরে নি তার । তবে রুশার অবস্থা নাজেহাল। এবার আদর করতে গেলে রুশাকে খুঁজে পাওয়া যাবে না আর । আবরার তো শুধু ছোট আদর করতে চেয়েছিলো। কিন্তু রুশা সে তো উল্টাপাল্টা বুঝে তাকে সরিয়ে দিলো। আবরার রুশার দিকে কাত হয়ে শুলো। রুশা বুঝতে পেরে বিছানার কিনারে খানিকটা চেপে এলো। অভিমান হয়েছে তার আবরার এর উপর এত ব্যথা দিয়েও লোকটা আবার ব্যাথা দেওয়ার জন্য রাগ দেখাচ্ছে।

আবরার হালকা হেসে রুশার লতানো কোমড়ের ওপর দিয়ে পেট খামচে ধরে তার একদম কাছে নিয়ে আসলো। রুশা বুঝে উঠতে পারলো কি হলো। আবরার এর দিকে ঘুরতে যাবে তার আগেই আবরার তার কন্ঠেদেশে মুখ ডুবালো। রুশা তার পেটের ওপর থাকা আবরার এর হাত খামচে ধরলো। আবরার রুশার কন্ঠেদেশ মুখ ডুবাতে আরো উন্মাদ হলো। মেয়েটার শরীরে মাতাল করা ঘ্রাণ। একবার কাছে আসলে খই হারায় আবরার। রুশা ঠোঁট উল্টিয়ে ভাঙা কন্ঠে বললো,,,

____ ছাড়ুন আমাকে।

____ কিছু করবো না বেইবি ভয় পেও না। তবে ঘুম ভাঙলে রেহাই পাবে না। মাইন্ড ইট।

রুশা কেঁপে উঠলো। ঘুম ভাঙলে ছাড়বে না মানে !

____ মানে ?

____ হুস,,, ঘুমাও আর আমাকে আমার কাজ করতে দাও একদম ডিস্টার্ব করবে না । নয়তো নিজের স্বাভাবিক করার জন্য যতটুকু সময় পেয়েছো সেটা হারিয়ে ফেলেবে।

রুশা মুহুর্তেই চুপ মেরে গেলো। মনে মনে ভেবে নিলো আবরার এর ঘুম ভাঙ্গার আগেই রুম থেকে বেরিয়ে যাবে ভুলেও আর এই রুমে ঢুকবে না।

রুশার পিঠ ঠেকে আছে আবরার এর বুকে। আবরার রুশার পেটের মধ্যে আকি বুকি করতে করতে বুকে চলে আসলো। রুশা পূর্বের ন্যায় খপ করে হাত ধরলো। আবরার নেশালো স্বরে বললো,,

____ হাত উপরে উঠছে বাধা দিলে এই হাত নিচে যাবে। রুশা কাঁদো কাঁদো মুখে ঠোঁট উল্টে ফেললো।

রুশা মনে মনে ভাবলো আবরার এর দিকে ঘুরে শুলে হয়তো কিছু করতে পারবে না। যেই ভাবা সেই কাজ, শরীরের পুরো শক্তি দিয়ে ঘুরে আবরার এর বুকে মুখ গুঁজলো। ভাবলো আবরার আর কিছু করতে পারবে না। তবে রুশার ভাবনার মধ্যে এক বালতি পানি ঢেলে রুশার বুকে মুখ ডুবিয়ে দিলো আবরার। রুশা আশ্চর্যের উপর আশ্চর্য হলো। কি ভেবেছিল আর কি হলো। আবরার ধীরে ধীরে ভারসাম্য হারিয়ে ফেললো।

রুশার নিঃশ্বাস ভারি হওয়ায় তার বুক বার বার উঠা নামা করলো। এতে আবরার আরো বেশি নেগেটিভ ফিল করলো। আবরার না পেরে রুশার উপরে উঠলো। রাগি কন্ঠে ঝাড়ি মেরে বললো,,,

____ কি সমস্যা আমাকে ডিস্টার্ব করতে মানা করেছি ! কেন করলে এখন কি করে সামলাবো নিজেকে ? কন্ট্রোল হারিয়ে ফেলেছি।

রুশা চোখ খিচে বড় বড় নিঃশ্বাস ফেললো। শরীর পুরো গরম হয়ে গেছে। এদিকে আবরার এর ও একি অবস্থা। আবরার পূণরায় রাগি স্বরে বললো,,,

____ তাকাও আমার দিকে।

রুশা নিজেকে সামলে পিটপিট করে তাকালো। আবরার কে দেখে পূণরায় চোখ খিচে বন্ধ করে নিলো। ভয়ে রুহু বের হওয়ার অবস্থা। কি দেখলো সে তখন দেখেছিল তবে এখন শুধু পড়নে প্যান্ট আছে , তখন তো সেটাও ছিলো না। রুশা ভয়ের চোটে ঠোঁট কামড়ে কেঁদে উঠলো। চোখ বন্ধ রত অবস্থায় বললো,,,

____ প্লিজ কিছু করবেন না। শরীরে অনেক ব্যাথা সত্যি। পরে পরে সব দিবো। কিছু করবেন না এখন।

রুশার এরকম ফেশ দেখে আবরার এর মায়া হলো। কিন্তু বড় সমস্যা হচ্ছে সে নিজেকে কোনোভাবেই সামলাতে পারছে না ।

আবরার শুয়ে রুশাকে কাছে টানলো। রুশা ছটফট করতে নিলে গম্ভীর কন্ঠে বললো,,,

____ কিছু করছি না তো , ছটফট করা বন্ধ করো।

রুশা মুহুর্তেই ছটফট করা বন্ধ করে দিলো।

আবরার এর সাথে তার শরীর ঠেকতে তড়াক করে ভেজা চোখ জোড়া মেললো।

আবরার এর শরীরের বিশেষ অংশ তার শরীর ঠেকে আছে। রুশা সরতেও পারছে না আবরার চেপে ধরে আছে তাকে।

**

সন্ধ্যা সাতটে বাজতে রুশার ঘুম ভাঙলো। শরীরে ভারি কিছু অনুভব হলো। আস্তে আস্তে চোখ মেলে দেখলো আবরার তাকে আস্টে পৃস্টে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে আছে। রুশা দীর্ঘশ্বাস ফেললো।

____এই লোক ঘুমিয়ে পুরো বাচ্চাদের মতো ঘুমিয়ে আছে দেখলে কেউই বলবে না এই লোক যে কত বড় অশ্লীল আর নির্লজ্জ।

রুশা এসব ভেবেই মুচকি হাসলো। কতো পাগলামো করে ঘুমিয়েছে । পরমুহূর্তেই আবার ভয় পেলো। আবরার তখন তাকে বলেছিল ঘুম ভাঙলে ভুলেও ছাড় দিবে না তাকে। রুশা বিছানা ছেড়ে উঠার চেষ্টা করলে ব্যার্থ হলো সে। আবরার এর শরীরের নিচে থেকে এক চিমটি পরিমান ও নড়তে পারলো না।

পাঁচ মিনিট ধরে চেষ্টা চালাতে চালাতে অবশেষে সফল হলো সে।

বিছানা থেকে উঠে দাঁড়াতে মাথা ঘুরে উঠলো ধপ করে ফ্লোরে পড়লো। শরীর ব্যথায় ঝিম মেরে আছে। কিছু সময় নিয়ে নিজেকে স্বাভাবিক করে তাকালো আবরার এর দিকে, ঘুমিয়ে আছে। দীর্ঘশ্বাস ফেললো রুশা। ধীর পায়ে উঠে ওয়াস রুমে গেলো, মিররের সামনে আসতে আহ্ শব্দ করে চেঁচালো সাথে সাথেই নিজের মুখ নিজেই চেপে ধরলো।

____ আহ্, শরীরের একি অবস্থা?

পুরো শরীর জুড়ে নীল নীল ছোপ ছোপ দাগ হয়ে আছে। আবরার কামড়ে এমন টা করেছে।

____ ওনি মানুষ ! হায়না কোথাকার কামড়ে পুরো শরীরের বারোটা বাজিয়ে দিয়েছে।

রুশা সময় নিয়ে ফ্রেশ হয়ে রুমে আসলো। শাড়ি পড়া যাবে না, তখন আবরার তাকে সাওয়ার করিয়ে তার একটা টি-শার্ট আর টাওজার পড়িয়ে দিয়েছিল শুধু।

এখন এই অবস্থায় শাড়ি পড়া যাবে না। কি করবে কি করবে ভেবে মুখ কালো করে ফেললো। বিয়ের আগে গোল ফ্রোক পড়লো। এখন তো সে শাড়ি পরে ফ্রোক বা থ্রি পিস কিছুই নেই। মুহুর্তেই ইশার কথা মনে পড়লো ইশা গোল ফ্রোক সাথে প্লাজো পড়ে। আপাতত ইশার থেকে একটা ড্রেস এনে পড়তে হবে।

যেই ভাবা সেই কাজ । ডেস্কে থেকে আরেকটা শাড়ি নিয়ে শরীরে ভালো করে পেঁচিয়ে রুম থেকে বের হলো। রুম থেকে বেরিয়ে রুশা খানিকটা অবাক হলো কেউ নেই , বুঝে উঠতে পারলো না রুশা বাড়ির সবাই তো এই সময় ড্রয়িং রুমে থাকে তাহলে এখন কোথায়। এসব ভাবতে ভাবতে ইশার রুমের দিকে এগিয়ে গেল। রুমে ঢুকে দেখলো ইশা ঘুমিয়ে আছে।

অসময়ে কেন ঘুমিয়েছে বুঝলো না সে। আশ্চর্য জনক ভাবে সোফার উপর কয়েক সেট ড্রেস দেখতে পেল।

নতুন ই মনে হলো। রুশা হাফ ছেড়ে বাঁচলো, ইশা কে আর ডাকতে হবে না । ইশার ওয়াস রুম থেকে ড্রেস টা পড়ে শরীরে ওরনা পেঁচিয়ে নিলো ভালো করে যাতে কেউ না দেখতে পায় শরীরের দাগ গুলো। আয়নার সামনে এসে নিজেকে এক পলক দেখে নিলো সে অন্যরকম সুন্দর দেখাচ্ছে তাকে । হালকা গোলাপি রঙের আনার কলি। বেশ মানিয়েছে। রুশা মিষ্টি হাসলো। আবরার এর আদর করার মুহুর্ত গুলো শুধু মাথার মধ্যে ঘুরপাক খেলো । শরীরের ব্যাথা সামান্য পরিমাণে কমেছে। রুশা রুম থেকে বেরিয়ে নিচে নামলো উদ্দেশ্য কিছু খাবে প্রচন্ড রকমের খুদা লেগেছে। কিচেন রুমের দিকে এগোতে মুখোমুখি হলো আদিব এর । মাত্রই এই বাড়িতে ঢুকলো। রুশা চমকে গেল ।

____ ভয় পেয়েছিস?

রুশা বুকে হালকা থু, থু, দিতে লাগছে কিছু দাগ চোখে পড়লো আদিব এর।

____ রসমালাই তোর গলায় কি হয়েছে ?

রুশা লজ্জা পেয়ে ওড়না টা ভালো করে জড়িয়ে নিলো। লজ্জা মাখা মুখে মিনমিন করে বললো,,,

____ কি ,,কিছু না । তুমি কি এই মাত্র আসলে ?

____ হুম।

রুশার লজ্জা পাওয়ার ব্যাপার টা আবরার এর কাছে ভালো লাগলো না । সে যা ভাবছে তা নয়তো।

____ আবরার কোথায়?

____ রুমে ।

____ কি করছে ।

রুশা তাকালো আদিব এর দিকে।

____ ঘুমিয়ে আছে আদিব ভাই।

আদিব দাত কিরমির করে বললো,,,

____ তুই কোথায় ছিলি?

____ ঘুমিয়ে ছিলাম কেন ?

আদিব চোখ জোড়া খিচে বন্ধ করে উল্টো দিকে ঘুরে দাড়ালো। প্রাপ্ত বয়স্ক সে বুঝলো সবটাই। সহ্য হলো না তার। সব কিছু উলোট পালোট করে ফেলতে ইচ্ছে করছে। রুশা কিছুই বুঝলো না আদিব হঠাৎ এমন কেন করলো।

____ আদিব ভাই খুদা লেগেছে তোমার ? খাবে না ?

আদিব উপরে যেতে যেতে দাত কিরমির করে বললো,,,

____ হুম লেগেছে।

____ তাহলে তুমি ফ্রেশ হয়ে আসো আমি খাবার বাড়ছি।

আদিব আর কিছু বললো না। রেহানা বেগম ড্রয়িং রুমে আসলেন । রুশা শরীরের ড্রেস তিনি তেমন ভাবে খেয়াল করলেন না।

ভাবলো শাড়ি পড়তে ভালো লাগে নি তাই ড্রেস পরেছে। রেহানা বেগম এগিয়ে এসে জিজ্ঞেস করলো,,,

____ আবরার কোথায় ?

____ ঘুমিয়ে আছে আম্মু।

রেহানা বেগম ভাবলেন হয়তো সারাদিন মিটিং করে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে তাই ঘুমাচ্ছে।

____ তুমি খেয়েছো?

____ না আম্মু। খাবো এখন । তুমি খাবে?

____ হুম।

____ বসো আমি বেড়ে দিচ্ছি।

**

আবরার এর ঘুম হালকা হতেই বিছানায় হাতরালো। কাঙ্ক্ষিত মানুষ টাকে না পেয়ে চোখ মেললো।

রুশা নেই তার পাশে ফুরফুরে মেজাজ টা নিমিষেই খারাপ হলো তার। উঠে বসলো ধীরে সুস্থে ফ্রেশ হতে গেল। মেয়েটা কে সে বার বার বলেছিলো ঘুম থেকে উঠে যাতে বিছানার মধ্যে পায় । তবে মেয়েটা শুনলে তো। আবরার ফ্রেশ হয়ে রুমে আসলো। উদ্দেশ্য নিচে আসবে। তার কাদম্বিনী নিচেই আছে তাকে দেখবে।

এরপর ভুল ভাল বুঝিয়ে উপরে এনে আরেক দফা বাসর সারবে।

**

একে একে সবাই নিচে আসলো । ইশা আর তানিয়া বেগম একসাথে নিচে নামছিলেন , রুশা কে দেখে থমকে দাঁড়ালো দুজনই। তানিয়া বেগম এর চোখে পানি জমলো । এগিয়ে গেল খাবার টেবিলের সামনে ইশা এক প্রকার জোর করে তাকে খাওয়াতে নিয়ে এসেছে। নিরবে চেয়ার টেনে বসলো তারা। আদিব ও এসে বসেছে। রুশা আদিব এর পাশে দাঁড়িয়ে খাবার বাড়ছে। ইশা রুশা কে কিছু বলতে যাবে তখনি তানিয়া বেগম থামিয়ে দিলেন । ঠোঁট কামড়ে ভাঙা স্বরে বললেন ,,,

____ জানে না হয়তো কিছু বলিস না তুই।

রুশা পূনরায় কিচেন রুমে গেলে । আবরার এসে আদিব এর উল্টো পাশের চেয়ার টেনে বসলো।

আদিব তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে আবরার এর দিকে। নিক্ষুত দৃষ্টিতে খেয়াল করলো আবরার এর গলায় খামচে ফেলার দাগ। দাঁতে দাঁত পিষলো আদিব। আবরার নিমিষেই বুঝে ফেললো আদিব এর মনোভাব। তার ভাবনাই ঠিক হলো। যা ভেবেছিল আদিব এর সমন্ধে সেটাই হলো। আবরার এক চিমটে বাঁকা হাসলো।

আদিব এর আরো রাগ হলো। আদিব বুঝলো হয়তো আবরার এভাবে কেনো হেসেছে। রুশার নানি এসে মিমির পাশে বসলো। রুশা কিচেন থেকে এসে আদিব এর সামনে পানির গ্লাস রাখতেই আবরার শরীরের সব শক্তি দিয়ে খাবার টেবিলের উপর সজোরে ঘুষি মাড়লো। ধপ করে চের টেনে দাঁড়ালো। সবাই চমকে গেল সাথে রুশাও। চমকালেন না তানিয়া বেগম তিনি বুঝলেন আবরার এর এমন করার কারন । আবরার রাগান্বিত চোখে তাকালো রুশার দিকে। রুশার ভয়ে আত্মা বেরিয়ে যাওয়ার অবস্থা। না চাইতেও কয়েকবার কেঁপে উঠলো।

[ পাখিরা বড় করে দেওয়ার চেষ্টা করেছি। তোমার পার্ট ১৯ এ যে পরিমাণ রেসপন্স করছো আমি খুব খুব খুশি হয়েছি। এভাবে সাপোর্ট করলে আমি নিয়মিত নতুন নতুন পার্ট আপলোড দিবো ইনশাল্লাহ। আর উপন্যাস টা বড় করবো । তাহলে সুন্দর হবে । আর প্রতিদিন এই সময়েই আপলোড দিবো । আর অনেকেই আমার লেখিকা নাম টা নিয়ে কনফিউজড। আসলে আরায়া আরশি এবং অরোরা ইমান কায়নাত এই দুইটাই আমার ছদ্মনাম । আর উপন্যাস গুলো আমার নিজস্ব লেখা পাখিরা। ]

চলবে,,,

🚫 কপি করা নিষিদ্ধ 🚫

#লেখিকা_অরোরা_ইমান_কায়নাত #fbpostviral #trendingpost #viralpostchallenge

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ২০তম পর্ব শেষ করেছেন।

আগের পর্ব উপন্যাস সমাপ্ত

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন