ফন্ট সাইজ:
থিম:
আমার কাদম্বিনী

১৯তম পর্ব

লেখক: অরোরা ইমান কায়নাত

#আমার_কাদম্বিনী 🍂 __ [#পার্ট_১৯ ]যাদের ভালো লাগবে সসম্মানে নিজ দায়িত্বে স্কিপ করবেন 🥰🥀___

আবরার পেছন ঘুরে আবরার এর দিকে এক পলক তাকিয়ে আচমকাই বিছানার নিচে ঢুকে পরলো। বেডটা বক্স সিস্টেম হওয়ায় রুশার অসুবিধা হলো না।

আবরার এর বুঝতে মিনিট খানেক সময় লাগলো। পরপরই বাঁকা হাসলো। শরীর পোশাক খুলে বিছানার উল্টো দিক দিয়ে সেও ঢুকে পরলো।

রুশাকে জড়িয়ে ধরল। রুশা চমকে গিয়ে চিৎকার দিতে যাবে তখনি আবরার মুখ চেপে ধরলো।

____হুস,,, তোমার এধরনের ইন্টারটেনমেন্ট ভালো লাগে আগে বলবে না। আবরার এক হাতে রুশার পেটি*গোট খুলে সে রুশার উপরে উঠে রুশার কপালে চুমু খেয়ে তার কাজ শুরু করলো। রুশা ব্যাথায় চিৎকার দিতে পারলো না, আবরার তার মুখে হাত চেপে রেখেছে। না পেড়ে রুশা কামড় বসালো সেখানে। আবরার এই সামান্য ব্যাথায় যেন কিছুই হলো না। রুশার মুখ ওভাবেই চেপে ধরে আবরার এর এক হাত দিয়ে রুশার চুল গুলো মুঠোয় নিল। রুশার কানের কাছে মুখ নিয়ে কয়েকটি ছোট ছোট চুমু খেলো।

____ একটু সহ্য করে নাও কিছু সময় গেলে তুমিও এনজয় করবে।

রুশা আরো জোরেই কামড় বসালো আবরার এর হাতে। এতেও আবরার এর কিছুই হলো না।

একদিকে ব্যাথা অন্যদিকে শ্বাস আটকে আছে। তারউপর এতো ভারি শরীর। আবরার এর মতো সুঠাম দেহের মানুষ কে রুশার মতো নরম তুলতুলে শরীর যেন সহ্য করতে পারছে না। ব্যাথায় দুমরে মুচড়ে যাচ্ছে। আবরার রুশার দিকে তাকিয়ে রুশার উপর উন্মাদ হয়ে ছিল এতোক্ষণ যাবৎ। বিছানার নিচে থাকায় এতক্ষনে ঘেমে নেয়ে একাকার হয়ে গেছে দুজনে।

প্রায় মিনিট দশেক পর আবরার দেখলো রুশার চোখ মুখ লাল হয়ে গেছে। নিঃশ্বাস নিচ্ছে না ঠিক ভাবে।

আবরার সাথে সাথেই রুশার মুখ ছেড়ে দিলো।

রুশা হাফ ছেড়ে বাঁচলো যেন। বড় বড় কয়েকটি শ্বাস টানলো । আবরার ও থেমে গেলো ওভাবেই। রুশা খামচে ধরে আছে আবরার এর পিঠ।

____ বেইবি গরম লাগছে ? তোমার ইন্টারটেনমেন্ট এর সাধ নেওয়া হয়ে গেলে আমি বিছানায় উপর গিয়ে আবার শুরু করবো। আমার গরম লাগছে।

রুশা ঠোঁট কামড়ে চাঁপা কান্না করলো।

আবরার পরম যত্নে রুশার মাথায় হাত বুলিয়ে দিলো।

____ কি হয়েছে কাদম্বিনী?

____

____

____

রুশাকে কাঁদিয়ে ভুলিয়ে ভালিয়ে তিন ঘণ্টা পর আবরার থামলো। সে থামতো না রুশার অতিরিক্ত জোড়া জুড়িতে থামতে বাধ্য হয়েছে। আবরার এর বুকের উপর লেপ্টে শুয়ে আছে রুশা। দুজনেই হাপাচ্ছে। বড় বড় শ্বাস টানছে। রুশা শ্বাস টানার সাথে সাথেই ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠছে বারবার।

ব্যাথায় পুরো শরীর দুমড়ে মুচড়ে যাচ্ছে। আবরার বুঝলো রুশার যন্ত্রণা তবে সে ও কন্ট্রোল লেশ হয়ে পড়েছিলো নিজেকে সামলাতে পারেনি।

আবরার বিছানা থেকে উঠে ফ্লোরে পরে থাকা চাদর টা কোমর পেঁচিয়ে নিলো। নিস্তেজ রুশার শরীরে চাদর পেঁচিয়ে কোলে তুলে নিলো। বিছানার দিকে তাকিয়ে তৃপ্তি করে হাসলো। পুরো চাদর ফ্লোরে বিছানার নিচে ছোপ ছোপ দাগ হয়ে আছে। রুশার কপালে ভেজা চুমু একে এরপর দুজনে সাওয়ার নিলো আবরার রুশাকে সাওয়ার করিয়ে সোফায় সুয়িয়ে রেখে নিজে গিয়ে সাওয়ার নিলো। রুমে এসে দেখলো রুশা পিটপিট করে তাকিয়ে আছে বিছানার দিকে।

আবরার এসে চাদর চেঞ্জ করতে নিলে রুশা ক্লান্ত কন্ঠে বললো,,,

____ আমি করে দিবো আপনি রাখুন।

রুশার কথা আবরার শুনলে তো বিছানার চাদর চেঞ্জ করে ফ্লোর সহ বিছানার নিচে সব পরিষ্কার করে রুশা কে কোলে নিয়ে বসালো বিছানার ওপর। চুল গুলো টাওয়াল দিয়ে আলতো করে মুছে লিলো।

____ আপনি রাখুন আমি পারবো।

____ এতো কথা কেন ?

____ আমি পার,, পারবো।

____ ঠিক মতো তো তাকাতেই পারছো না। মুখে বড় বড় কথা। যদি এতো পারো তাহলে আমি আরেক দফা তোমার সর্বনাশ করতে চাই দিবে?

রুশা এক ছিটকে আবরার এর হাত সরিয়ে দিলো।

____ অসম্ভব, একদম কাছে আসবেন না। ভুলভাল বুঝিয়ে সব সর্বনাশ করেছেন ।

আবরার শব্দ করে হেসে উঠলো। সাইড টেবিল থেকে পেন কিলার দিয়ে রুশা কে নিয়ে শুয়ে পড়লো। ঘুম দরকার এরপর উঠে না হয় খেয়ে নিবে।

রুশা কে পরম আবেশে বুকে জড়িয়ে আবরার নরম স্বরে বললো,,,

____ রুশা তোমাকে ছাড়া আমি একদম অসহায়।

তোমাকে অনেক ভালোবেসে ফেলেছি । কখনো আমার সাথে বেইমানি করার সাহস করো না । জানে মেরে দেবো এরপর নিজেও মরে যাবো।

রুশা কেঁপে উঠলো। আবরার এর সাথে আরো মিশে গেলো। মিনমিনে স্বরে বললো,,,

____ আমিও ভালোবাসি আপনাকে। যদি আপনি আমার সাথে বেইমানি করেন তাহলে?

আবরার মুচকি হেসে বললো,,,

____ মেরে ফেলবে আমাকে।

____ নাহ ,

____ তাহলে কি করবে ?

____ ছেড়ে চলে যাবো ।

আবরার কামড়ে ধরলো রুশার কাধ। রুশা চেঁচিয়ে উঠলো।

____ আহ্। ছাড়ুন ব্যাথা পাচ্ছি।

____ ছেড়ে যাওয়ার কথা কেন বললে?

____ আপনি যে মেরে ফেলার কথা বললেন তখন?

____ মেরে ফেলবো আমি জানে মারার কথা বলিনি।

____ তাহলে।

____ আমার সাথে রেখে আমার অভাব বুঝিয়ে তিলে তিলে মারবো।

____ সেটা আবার কিভাবে?

____ যদি কখনো সেরকম করার দুঃসাহস করো তাহলে দেখতে পারবে।

রুশা আবারো শুলো আবরার এর বুকে। আবরার রুশার শরীরে আলতো হাত বুলাতে বুলাতে বুকের কাছে চলে আসলো। রুশা খপ করে আবরার এর হাত চেপে ধরলো।

চলবে,,

🚫 কপি করা নিষিদ্ধ 🚫,,

[ বেশি পার্ট চাইলে কমেন্ট করবা অনেক পাখিরা বলতেছে পার্ট বাড়িয়ে দিতে । তোমাদের কথা মতোই হবে। পার্ট বাড়ালে উপন্যাস টা আরো সুন্দর হবে আমার মতে। জানি একটু ছোট হয়েছে পার্ট তবে তোমরা যেভাবে সাপোর্ট করতেছো এভাবে আমার পাশে থাকলে আমি নিয়মিত গল্প আপলোড দিবো। আর যারা #তুমি_নেই উপন্যাস পড়ো নি তারা অবশ্যই অবশ্যই পড়ে দেখো ভালো লাগবে। কাজিন রিলিটেড উপন্যাস, সাদ সারার লুকিয়ে সংসার যে সমস্ত পাখিরা পড়েছে তারা বুঝবে। ]

#লেখিকা_অরোরা_ইমান_কায়নাত

#oponass_lover #fbpostviral #viralpostchallenge

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ১৯তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন