ফন্ট সাইজ:
থিম:
আমার প্ৰিয় সর্বনাশ

৩য় পর্ব

লেখক: Sumaiya Khatun

#আমার_প্ৰিয়_সর্বনাশ |০৩|

#সুমাইয়া_খাতুন 
[এই গল্পের চরিত্র, সংলাপ ও দৃশ্য কপি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ]
সকালে বৃষ্টির ঘুম ভাঙলো নিচে অন্বেষার চেঁচামেচিতে।বৃষ্টির তো মনে হয় ইচ্ছা করেই সে এইসব করে তাকে শান্তিতে থাকতে দিবে না বলে বৃষ্টির উপর কম অত্যাচার করেনি সে।বৃষ্টি বিছানা ছেড়ে উঠে বাথরুমের দিকে প্রবেশ করলো ইহান গভীর ঘুমে ঘুমছে ভীষণ ঘুম পাতলা তার একটু শব্দেই ঘুম ভেঙে যায় তাই সাবধানে উঠলো একটু ঘুমিয়ে নিক সে।
ওয়াশরুম থেকে বেরিয়ে ধীর আওয়াজে ইহানকে ডাক দিলো, ইহান এক ডাকেই ঘুম থেকে উঠে বসে পড়লো তারপর একবার দেওয়াল ঘড়িতে সময় দেখে ওয়াশরুমে ছুটলো। ঘড়ি দেখা সে বৃষ্টির থেকে শিখেছে।
মা ছেলে দুজন মিলে বেরিয়ে পড়লো রুটিন মাফিক কাজে। আজকে শনিবার স্কুলে অর্ধেক ছুটি। একটা বাংলা দুইলাইনের প্রচলিত কবিতা বলা চলে খুবই জনপ্রিয় 
 'সোমবার সুখীবার, মধুমাখা রবিবার, হতভাগা সোমবার কেনো আসে বারবার? '
স্কুলে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য রবিবার হলো একটা দূর্গা পুজোর মতো সমান। ভীষণ খুশির দিন।বৃষ্টি ইহানকে স্কুলের ভিতরে ঢুকিয়ে একা একা বাড়ি না যেতে মানা করে বাসে উঠে পড়লো। আরেকটু দেরী হলে দশটার বাসটা মিস হয়ে যেতো।বাস থেকে নেমে দোকানের দিকে পা বাড়ালো কাঁধের ব্যাগ ঠিক করতে করতে।
বৃষ্টি দোকানের সামনে যেতেই দেখলো দোকানের মালিক সব স্টাফদের বকাঝকা করে জিনিষপত্র গোছানো করাচ্ছে সব মাল গুছিয়ে নিচ্ছে দোকানের যেনো দোকান বন্ধ করে কোথাও চলে যাবে।বৃষ্টি প্রথমে মালিকের কান্ডগুলো হয়তো বোঝার চেষ্টা করলো কিন্তু আফসোস!কিছুই বুঝতে পারলো না।বৃষ্টি নিজের স্বরে অবাক আশ্চর্যতা বজায় রেখে জিজ্ঞাসা করলো 
 "কি.. কি হয়েছে দোকানের মাল গোছাচ্ছো কেনো?"
মালিকের গলা থেকে কোনোদিন মিষ্টি কথা সোজাভাবে বেরোয়নি তাই আজও বেরোলোনা বরঞ্চ বেশি তিক্ততা প্রকাশ পাওয়া গেলো তার কথার ধরণে
  "আমার শখ জেগেছে দোকান বন্ধ করে নাকে সর্ষের তেল দিয়ে ঘুমানোর তাই দোকান বন্ধ করে দিয়ে ভাবছি বাড়ি যেয়ে ঘুমাবো"
তারপর আসতে আসতে বিড়বিড় করতে শুরু করলো কিন্তু সবাই শুনতে পেলো 
  "এতো সব দোকান থাকতে এমপির নজর আমার দোকানেই পড়লো? কত শখ করে এই দোকান বানিয়েছিলাম এখন কিনা এটা ভেঙে এই জায়গায় তারা মল নাকি ঢল কি সব বানাবে? ক্ষমতা আছে বলে কি সব করবে?"
বৃষ্টির কানেও গেলো কথাটা।
 "কি বলে গেছেন উনি?"
মালিকের গলাতে যেনো তিক্ততা বেড়েই চলেছে তিনি ভ্রু দুটো আরো কুঁচকিয়ে নিলেন 
  ''কি আর বলবে? বলে দিয়ে গেছে সরাসরি ভাবে আমাকে দোকান তাদেরকে ছেড়ে দিতে হবে নইলে আমার সমস্ত কিছু তারা ধ্বং'স করে দেবে"
 "আপনি কিছু বললেন না? তারা বললো আর আপনি দোকান খালি করে দেবেন? এর সাথে তো শুধু আপনার রুজি যুক্ত নেই আমাদের সবার আছে এমন করে কিভাবে কেড়ে নেবে তারা?"
 "এই জ্ঞান এখানে না দিয়ে যাও বাপু যেয়ে তাঁদের কে দিয়ে এসো যদি একটু কাজ হয়। তুমি আমার দোকান রক্ষা করতে পারলে আমি তোমার মাইনেও বাড়িয়ে দিবো দুইগুন"
বৃষ্টির মালিকের কথা শুনে চোখ দুটো চকচক করে উঠলো। যাক!এবার তাদের আর লাঞ্ছনা-বাঞ্চনা সহ্য করে গায়ের জোর খাটিয়ে ঐবাড়িতে পরে থাকতে হবে না। মাইনে বাড়ালে দুই মা ছেলের দিন ভালো ভাবেই চলবে আর নতুন বাড়ির জন্যও জমবে।
কিন্তু তারপরেই সমস্ত খুশি যেনো জানালা দিয়ে পালালো।এমপিকে কে রাজি কি করে করাবে এই দোকান না ভাঙার জন্য যেখানে মালিকের কথা বলার সাহস নেই সেখানে সে একজন কর্মচারী হয়ে কিভাবে বলবে? আর তিনিও তো নিজের ক্ষতি নিশ্চই করবেন না একজন অপরিচিতর জন্য? তাহলে হবে কিভাবে?
অনেক্ষন ভাবনা চিন্তা করার পর সে নিজেকে সাহস দিয়ে মনে মনে ঠিক করে নিলো সে যাবে তিনার কাছে এবং যেয়ে এই দোকান ভিক্ষা চাইবে এই দোকান যে তার সব তার ভরসা অনেক জায়গায় চাকরি খুঁজেও না পেয়ে এখানে তার ঠাই হয়েছে এটাও কিভাবে হারাবে?
বৃষ্টি এমপির বাড়ির উদেশ্যে রওনা দিলো।এমপির সাথে দেখা করা মানে চাট্টিখানি ব্যাপার না কত বড়ো বড়ো মানুষেরাও কাঠ কয়লা পুড়ি'য়েও তার সাথে দেখা করতে পারেনি আর বৃষ্টি একজন কর্মচারী হয়ে বিনা এপয়েন্টমেন্ট না নিয়েই তিনার সাথে দেখা করতে যাচ্ছে দেখা পাবে নাকি সন্দেহ।
বাস থেকে নেমে হেঁটেই এমপির বাড়িতে পৌছালো সে। এদিকে সমস্ত রকম জানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ তাই হেঁটেই আসতে হয়।বাড়িটা পুরোটাই সাদা রং করা। রাজীনীতিবিদ লোকেদের এমনই বাড়ি হয় নিশ্চই? পুরো মহল আর ফর্মাল পোষাকে জমরাজের মতো বড়ো বড়ো লোকেরা পাহারাতে আর এক একটা পাথর ভীষণ দামি।
বৃষ্টি বাইরের বড়ো লোহার গেটে টোকা মারলো।গেট খুলে একজন পাহারাদার বেরোলো হাতে মস্ত বড়ো ব'ন্দু'ক এসেই কড়া কড়া ভারী আওয়াজে বৃষ্টিকে জিজ্ঞাসা করলো 
  "কাকে চাই?"
বৃষ্টির বাইরে কারো সাথে কথা বলতে গেলেই গলা আটকে যায় আওয়াজ বেরোতে চাই না।
  "এ.. এমপি সাহেবকে"
 "সাহেব বাইরে আছেন বাড়িতে নেই"
 "কখন আসবেন?"
লোকটা ঘড়িতে সময় দেখে নিলো একবার হাত উঁচু করে।
  "কিছুক্ষনেই চলে আসবেন"
 "আমি তাহলে একটু বসে অপেক্ষা করি? অনেকদূর থেকে এসেছি"
লোকটা কিছুক্ষন ভাবলো তারপর গেট খুলে বৃষ্টিকে ভেতরে ঢুকতে দিলো। বৃষ্টি ভেতরে এসে বুঝতেই পারলো না সে কোনো এমপির বাড়িতে এসেছে তার মনে হতে লাগলো সে কোনো রাজার রাজপ্রাসাদে এসেছে। 
এতো বড়ো বাড়ির মালিকের ঐ ছোটো দোকানটা ভাঙার প্রয়োজন কি?বৃষ্টিকে লোকটা ওয়েটিং রুম দেখিয়ে দিলো এমপির চেম্বারের সামনে যেখানে আরো অনেক লোক আগে থেকেই বসে আছে।
--
মেন গেট পেরিয়ে একটা কালো রঙের দামি চকচকে গাড়ি প্রবেশ করলো। গাড়িটিকে দেখা মাত্রই সব গার্ড সহ সবাই সেখানে উপস্থিত দাঁড়িয়ে সালাম ঠুকলো।গাড়িটি গেটের সামনে থামতেই তার ভেতর থেকে কালো লেদারের জ্যাকেট পরিহিত একজন শক্তপোক্ত পুরুষ নামলো গালে হালকা হালকা দাড়ির আভা দেখে মনে হয় বয়স পঁয়ত্রিশ হবে বা আরো কম।
গাড়ি থেকে নেমে আঙুলে চাবি ঘোরাতে ঘোরাতে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ির ভেতর প্রবেশ করলো।সে ভেতরে প্রবেশ করতেই লিভিং রুমে বসে থাকা সমস্ত মানুষ যারা এমপির আন্ডারে কাজ করে তারা সঙ্গে সঙ্গে উঠে দাঁড়ালো। সে তাঁদের হাতের ইশারা করে বসতে বললো।তাঁদের চোখে মুখে হালকা ভয়ের ছাপ আছে।
নিজের বিলাসবহুল কক্ষে যেয়ে জ্যাকেটটা ছুড়ে দিলো এক মেয়ে কাজের লোকের মুখে মেয়েটাও মাথা নিচু করে জ্যাকেটটা নিয়ে সেখান থেকে চলে গেলো। কিছক্ষন পর সেখানে একজন লোক আসলো তারপর মাথা ঝুকিয়ে তার উদ্যেশে বললো 
 "স্যার..মালিকের চেম্বারে অনেক মানুষ অপক্ষা করে বসে আছেন তারা জানাল মালিক নাহলেও আপনি গেলেই হবে তাঁদের ভীষণ দরকারি কাজ"
  "আমি যাচ্ছি"
লোকটা আর এক মুহূর্ত দাঁড়ালো না। গটগট করে সেখান থেকে চলে গেলো। এদিকে এই মানুষটা আলমারি থেকে আরেকটা কালো রঙের শার্ট বের করে পরে পা বাড়ালো চেম্বারের দিকে।
মানুষটা তাড়াহুড়ো করে ওয়েটিং রুমে প্রবেশ করলো ওয়েটিং রুমের পাশ দিয়েই চেম্বারে ঢুকতে হয়। মানুষটা ওখান থেকে যাবার সময় সেখানে উপস্থিত সবাই তাড়াতাড়ি করে দাঁড়িয়ে গেলো, বৃষ্টি এমন আচমকা সবাইকে দাঁড়িয়ে যেতে দেখে সেও দাঁড়িয়ে গেলো তারপর সবার চোখ অনুসরণ করতে দেখতে পেলো একজন সুদর্শন পুরুষ তার দিকে তাকিয়েই চেম্বারের দিকে যাচ্ছে।তার চোখে কিন্তু কোনো অশ্লীলতার ছাপ নেই।
মানুষটা বৃষ্টিকে যখন দেখলো তার চারিদিক থমকে গেলো। জীবনে বহু নারীর সাথে উঠা-বসা মেলামেশা করেছে তারা সবাই আধুনিক এবং একস্ট্রা অডিনারি এবং খুবই মডার্ন প্রেটেন্ড করে নিজেদের, তবে এখন কেনো এই সাদার কালো কাজ করা সুতির শাড়ি পরিহিতা লম্বা বেনুনি চুলের সাজে সাজা মেয়েকে কেনো অন্য রকম লাগছে তার? মনে হচ্ছে এতদিন সেই এই মানুষকেই খুঁজেছে। 
একটা দমকা হাওয়া বৃষ্টির সামনের চুল গুলো উড়িয়ে দিলো এতক্ষন বৃষ্টিও সেই মানুষটার দিকে তাকিয়ে ছিলো সবার এমন সম্মান দেওয়ার কারণ জানার জন্য।মানুষটা চোখের সামনে থেকে আড়াল হয়ে চেম্বারে ঢুকে পড়লো।
মানুষটি চেম্বারে ঢুকে সোফাতে বসে সামনে টেবিলে রাখা গ্লাসে এক গ্লাস পানি এক নিঃশ্বাসে শেষ করলো।হয়তো বৃষ্টির সাধারণতা তাকে আকর্ষণ করছে।কিছক্ষন পর স্বাভাবিক হয়ে একজন কে ডেকে জিজ্ঞাসা করলো 
 "ঐবাইরের মেয়েটা কে?হলাক সাদা রঙের শাড়ি পরে?"
 "ওনাকে চিনি না আগে কখনো দেখিনি। বহরমপুর থেকে এসেছে শুনলাম"
 "আচ্ছা ওনাকে ভেতরে পাঠিয়ে দাও"
লোকটা সেখান থেকে 'আচ্ছা' বলেই এক মুহূর্ত না দাঁড়িয়ে চলে গেলো।কিছক্ষন পর বৃষ্টি দরজার সামনে এসে দাঁড়ালো 
 "আসবো?"
 "হ্যাঁ আসুন"
বৃষ্টি ভেতরে ঢুকে দাঁড়িয়ে রইলো আর শাড়ির আঁচল আঙুলে পেঁচাতে লাগলো। লোকটি উঠে দাঁড়ালো এখনও বৃষ্টির দিকে সরু চোখে তাকিয়ে আছে তার মুখের দিকে।
বৃষ্টি ভীষণ ভাবে লোকটিকে আকর্ষণ করছে নিজের সরলতা ভীরুতা দিয়ে সেটা হয়তো বৃষ্টির অজানা। লোকটি হয়তো বুঝতে পারলো সে তো বৃষ্টিকে বসতে বলতেই ভুলে গেছে পরক্ষনেই সে নীরবতা এবং অস্বস্তি কাটিয়ে ব্যাস্ত হয়ে বৃষ্টির উদ্দেশ্যে বলে 
 "বসুন না বসুন"
বৃষ্টি আরেকটা সোফায় বসলো তারপর মানবতার খাতিরে তাকেও বসতে বললো। লোকটি বসলো তার মুখোমুখি।আবার চললো কিছক্ষন অস্বস্তিকর নীরবতা। লোকটির চোখ যেনো বৃষ্টির মুখে আটকে গাছে নজরই সরছে না। কি হলো এই হাজারও মেয়ের মন নিয়ে খেলা মানুষটার হটাৎ?
 ''আপনার নাম?"
 "বৃষ্টি। বৃষ্টি প্রিয়া"
 ''প্রিয়া হাই আমি ঋত্বিক। ঋত্বিক সেন"
বৃষ্টি চোখ তুলে তার দিকে তাকালো সবাই তাকে বৃষ্টি বলে ডাকে প্রিয়া বলে কেউ ডাকে না। হটাৎ অপরিচিত একজন ডাকনাম দিয়ে ডাকতে শুরু করে দিলো অদ্ভুত না?
 "আসলে স্যার আমি এসেছি ঐ বহরমপুরের রাস্তার পাশে যেই দোকানটা আপনার খালি করে দিয়েছেন ওটার ব্যাপারে কথা বলতে"
ঋত্বিক পুরোই শান্ত আছে খুবই মনোযোগ দিয়ে বৃষ্টির কথাগুলো শুনছে।
 "দোকানটা আপনাদের?"
  ''না দোকানটা আমাদের না আমি ঐ দোকানের একজন কর্মচারী এর বেশি আমি কিছু বলতে পারবো না প্লিজ ঐদোকান আমাদের ছেড়ে যেতে বলবেন না"
 "আচ্ছা আপনাদের ঐ দোকানের কোনো ক্ষতি হবে না আপনি নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন"
বৃষ্টি স্বস্তির নিশ্বাস ফেললো এখানে আসার আগে সে অনেকরকম কথা শুনেছে এদের ব্যাপারে কিন্তু সবগুলোই ভুল প্রমান হলো।
 "তাহলে আসি?"
 "আরেকটু থাকুন না প্লিজ"
 "জি?"
ঋত্বিক হুসে ফিরলো।
 ''ইয়ে মানে,, একটু বসুন চা খেয়ে যাবেন"
 ''না না আমার আরো একটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ আছে অনেকটা দেরী হয়ে গেছে অলরেডি, পরে একদিন"
বৃষ্টি উঠে চলে গেলো সেখান থেকে ঋত্বিকের অনুমতী নিয়েই সে ভীষণ খুশি এবার থেকে আর মালিক তাকে বকবে না তার এখন ভীষণ সম্মান মালিকের কাছে আর মাইনেও বেড়ে গেলো দুইগুন আর কোনো সমস্যায় নেই। বৃষ্টি উঠে চলে যেতেই ঋত্বিক পায়ের উপর পা তুলে বসলো যা এতক্ষন সে করেনি যেটা ছিলো তার স্বভাবের বাইরে, তারপর নিজের মনেই বিড়বিড় করে বললো 
 ❝আপনাকে দেখে মনে হলো, কবিতারা আজ মানুষ হয়ে হাঁটছে।❞ 
চলবে.........
এই গল্প শুধু মাত্র আমার আইডি তেই দেওয়া হবে কেউ দয়া করে কোনো গ্রূপে পোস্ট করবেন না। কোনো ডাউট থাকলে কমেন্টেই জিজ্ঞাসা করবেন আমি উত্তর দিবো ইনে জিজ্ঞাসা করার কোনো মানে হয়না 🤧 হ্যাপি রিডিং 🫶🏻

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ৩য় পর্ব শেষ করেছেন।

আগের পর্ব উপন্যাস সমাপ্ত

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন