ফন্ট সাইজ:
থিম:
যতনে রাখিব তারে

৬ষ্ঠ পর্ব

লেখক: সুরাইয়া জান্নাত সুমী

#যতনে_রাখিব_তারে

#পর্ব_৬

#লেখনিতে_সুরাইয়া_জান্নাত_সুমী

(কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ)

প্রীতি আর রেশমা মেহরিমাকে ধরে ঘরে নিয়ে গিয়ে শুইয়ে দিয়েছে বিছানায়।প্রীতি মেহরিমার দিকে একবার দৃষ্টিপাত করে মেহরিমার পরনে জুবুথুবু হয়ে থাকা শাড়িটা ঠিক করে দেয়।বোঝায় যাচ্ছে কোনোরকম অপারদর্শী হাতে সুতির শাড়িটা পেচিয়ে গায়ে জরিয়েছে মেয়েটা।প্রীতির মায়া লাগলো বেশ মেহরিমার সরল মুখখানা দেখে।বাঁচ্চা মেয়েটাকে দেখেই তো তার মায়া হচ্ছে।সে কি করে এই মেয়েটাকে অভিশাপ দিবে।বয়স কতই বা হবে এই মেয়ের?তার বয়স বিশ এ পদার্পণ করেছে।তার কাছে মেহরিমাকে বাচ্চা লাগলো।কত সুন্দর একটা গোলগাল মুখশ্রী। রেশমা পানি এনে দিলে প্রীতি মেহরিমার মুখ মুছিয়ে তাকে কিছুটা পানি খাইয়ে দেয়।প্রীতির থেকে এমন আদর আদর একটা ভাব পেয়ে মেহরিমা গলে যায়।প্রীতির একটা হাত টেনে ধরে সে হাতের উল্টো পিঠে কপাল ঠেকিয়ে ফুপিয়ে কেঁদে ওঠে। প্রীতি মেহরিমার পাশে বসে তার পিঠে হাত বুলিয়ে দেয়।কন্ঠ নরম করে বলে,

"কি হয়েছে তোমার? এভাবে কান্না করছো কেন বাচ্চাদের মতো?"

মেহরিমা হেচকি তুলে বলে,

"আমি জানতাম না কিছু আপু।আমাকে মাফ করে দিন।আমি এসব জানলে কখনোই এমনটা হতে দিতাম না।আমাকে কি মাফ করা যায় না আপু?"

কি সুন্দর কথা এই মেয়েটার। দোষ না করেও মাফ চাইছে সে প্রীতির কাছে।প্রীতির কাছে মেহরিমাকে একটা স্বচ্ছ কাচের মতো লাগলো।যাকে একটু হাতালেই ভেতরে কি আছে সব দেখা যাবে।

মেহরিমা প্রীতির হাত ছেড়ে শাড়ির আচল দিয়ে চোখমুখ মুছে নিল।সাথে নাকে আসা সর্দিও শব্দ করে মুছে নিল।প্রীতি আর রেশমা না চাইতেও হেসে দেয়।প্রীতি মুখে হাত চেপে ধরে হাসলেও রেশমা শব্দ করে হেসে দেয়।মেহরিমা রেশমাকে বলে,"আপনি হাসছেন কেন আপু?এই আপু কি তাহলে আমাকে মাফ করে দিয়েছে?"

প্রীতি মেহরিমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বলে,

"তোমার তো কোনো দোষ নেই। তাই তোমাকে এত করে মাফ চায়তে হবে না। তোমার স্বামীর সাথে কিন্তু আমার গভীর প্রণয় ছিল না।সে বলেছিল আমাকে বিয়ে করবে আর আমি বলেছিলাম তার জন্য বউ সাজতে রাজি আছি।তুমি অনেক ভালো একটা মেয়ে বুঝলে তো।

তা তোমার নাম কি মেয়ে?"

মেহরিমা আরেকবার নাক টেনে তা শাড়ির আঁচল দিয়ে মুছে নেয়।রেশমা তার হাসি আটকাতে বাহিরে চলে যায়।মেহরিমা মুচকি হাসি দিয়ে বলে,

"মেহরিমা চৌধুরী আমার নাম।না,না শুধু মেহরিমা।আমি মেহরিমা।আপনার নাম কি আপু?"

মেহরিমার এলোমেলো কথাগুলোও প্রীতির নিকট বেশ মিষ্টি লাগলো।বুঝলো মেয়েটা হয়তো গুছিয়ে কথা বলতে পারে না।তবে মনে যা আছে তা ঢেলে দিতে জানে।প্রীতি বিছানা থেকে নেমে মেহরিমাকে বলল,

"প্রীতিলতা নাম আমার।সবাই ডাকে প্রীতি।তুমি আমাকে তুমি করেই বলতে পারো।"

মেহরিমা প্রীতির পুরো নামটা তার মুখে আওরায়। তার কাছে নামটা অনেক আনকমন লেগেছে।অনেক সুন্দর নামটা, প্রীতিলতা!

প্রীতি ঘর থেকে বের হতে নিলে মেহরিমা বিছানা থেকে তার কাছে এগিয়ে এসে বলে,

"আমার সাথে আবার দেখা করতে আসবে তো প্রীতিলতা? আপু বললাম না।তোমাকে নাম ধরে ডাকতে ভালো লাগছে।নামটা অনেক সুন্দর। "

"আচ্ছা ডেকো নাম ধরেই।তোমার মুখে নামটা শুনতে মন্দ লাগছে না বটে। "

মেহরিমা আরও কিছু বলবে তার আগে তাকে বাধা দিয়ে রেশমা দরজা দিয়ে তার মাথা ভেতরে ঢুকিয়ে বলে,

"তোর বান্ধবী এখনো জীবিত আছে।তাই আর বান্ধবী বানানোর দরকার নেই চল এখন।"

রেশমার হিংসুটে কথা শুনে প্রীতি মুচকি হাসে।মেহরিমা কপাল কুচকে রেশমার দিকে তাকায়।রেশমা প্রীতির হাত ধরে টেনে বাহিরে নিয়ে যায়।মেহরিমা নিজেও বিছানা থেকে বারান্দায় এসে দাড়িয়ে রেশমাকে উদ্দেশ্য করে চিল্লিয়ে বলে,

"তোমার বান্ধবী এখন থেকে আমারও সখী ।বুঝলে তো হিংসুটে আপু।"

রেশমা কপাল কুচকে তাকায় মেহরিমার দিকে।তাহসিন আঙিনায় দাড়িয়ে আছে।এদের এত স্বাভাবিক দেখে সে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে।তাহসিন প্রীতিকে বলে,

"মেয়েটা তো দেখছি লাফাচ্ছে। একটু আগেই না জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিল।"

"এখন ঠিক আছে।তোমার বউ তো খুব মিষ্টি একটা মেয়ে দেখছি।এরজন্যই বুঝি আমাকে ভুলে গেলে?সে যাই হোক, চলো রাস্তায় হাটতে হাটতে কথা বলা যাক কিছু।"

তাহসিন সম্মতি জানালো না।বলল,

"মেয়েটা বাড়িতে একা আছে।মা ও নেই।আমরা এখানে বসেই নাহয় কথা বলি।"

প্রীতির ইশারা পেয়ে রেশমা দূরে গিয়ে দাড়ায়। প্রীতি তাহসিনকে বলে,

"তুমি তো বিয়ে করে নিলে।তাই এখন আমারও আর প্রয়োজন নেই তোমার জন্য অপেক্ষা করার।আব্বা আমার বিয়ে ঠিক করেছেন যেখানে,সেখানেই তাহলে এখন আমি সম্মতি জানাচ্ছি।"

তাহসিন কি বলবে বুঝতে পারলো না।তার বুকটা ছলাৎ করে উঠলো।প্রীতির দিক থেকে তার ভালোবাসা কেমন তার প্রতি এটা সে জানে বা জানে না।তবে সে তো জানে তার নিজের হৃদয়ের কথা। সেখানটায় চিনচিন করে ব্যথা শুরু হলো বুঝি।তবে সে বলল,

"একটু দাঁড়া প্রীতি। আমি এখনি আসছি।"

এই কথা বলে তাহসিন হম্বিতম্বি করে তার ঘরে যায়।দরজার কাছে দাড়িয়ে থাকা মেহরিমাকে যেন সে চোখেই দেখলো না।একটা শপিং ব্যাগ হাতে নিয়ে সে আবারও প্রীতির কাছে এসে দাঁড়ায়। প্রীতির দিকে তাহসিন ব্যাগটা এগিয়ে ধরে বলে,

"এটা নে প্রীতি।বউ না হলি,তবে তোকে একবার এই শাড়িতে বউ রুপে দেখতে চাই।সাজবি তো?"

প্রীতি উপেক্ষা করল না তার পাওনা নিতে।এই শাড়িটাকে তার কাছে অভিশাপ মনে হলো।যা তাহসিন নিজ হাতে তার দিকে এগিয়ে দিচ্ছে।প্রীতি হাত বাড়িয়ে শপিং ব্যাগটা নেয়।

সেখানে আর না দাড়িয়ে সে তার পা চালিয়ে যেতে যেতে বলে,

"বিয়ে পাকাপোক্ত হলে তোমার বউকে নিয়ে আমার বিয়েতে এসো কিন্তু।অপেক্ষায় থাকবো তোমার লাল টুকটুকে বউয়ের জন্য।"

তাহসিনের মনে হলো তাকে ধিক্কার জানাতে প্রীতি বারবার তোমার বউ,তোমার বউ বলে তাকে ধিক্কার জানাচ্ছে।প্রীতি রেশমাকে নিয়ে বের হয়ে যায়।তাহসিন সেদিকে আর তাকায় না।তার জন্য প্রীতিকে আল্লাহ হারাম বলে ঘোষণা দিয়েছেন তাহলে।তাহসিন আকাশ পানে তাকায়।

মেহরিমা ঘরের দরজা হাত দিয়ে আকরে ধরে তাহসিনের দিকে তাকিয়ে আছে।আর তাহসিন আকাশ পানে তাকিয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলে নিজে নিজেই বলে,

"এটাকেই কি তবে ভাগ্য বলে?শহরে যাওয়া তবে আমার উচিত হয়নি?ভাগ্যই কি তবে টেনে নিয়ে গিয়েছিল আমাকে সেখানে?ইয়া আল্লাহ, আমাকে ক্ষমা করুন।আমি হয়তো আমার নফছ ঠিক রাখতে পারিনি।বহুদিন হয় আপনার দরবারে হাত তোলা হয় না।শুনেছি আপনার থেকে যদি কেও অন্য কিছুকে বেশি প্রাধান্য দেয়,তবে সেটা থেকেই আপনি আমাদের বঞ্চিত করবেন।হে আমার রব!তবে কি আমিও একই ভুল করেছিলাম?"

কথাগুলো বলতে বলতেই তাহসিনের চোখ থেকে জল গড়িয়ে পড়ে।তখন আশেপাশে থাকা মসজিদ থেকে আজানের সুমধুর ধ্বনি ভেসে আসে।তাহসিন শার্টের হাতা দিয়ে চোখ মুছে নেয়।আসরের নামাজের সময় হয়ে গেছে।তাহসিন আর দেড়ি না করে চটজলদি ওজু করে নামাজের জন্য বের হয়ে পড়ে।অনেকদিন পরে আজকে তাহসিন নামাজ পড়তে গেল।মেহরিমা তখনো দরজার কাছে দাড়িয়ে। তাহসিন বের হওয়ার পরে রুহানি বেগম এসেছেন।তিনি পাড়ার একজনের বাড়িতে গিয়েছিলেন। সেখানে গল্পতে মশগুল হয়ে যাওয়ায় বাড়ির কথা ভুলেই বসেছিলেন যে বাড়িতে এখন নতুন একজন এসেছে।মেহরিমাকে ঘরের দরজা ধরে দাড়িয়ে থাকতে দেখে তিনি তার কাছে এসে বলেন,

"এখানে দাড়িয়ে আছো কেন এভাবে?তাহসিন কই গেল?"

"আমি জানি না কোথায় গেল।বলে যাননি।"

কথাটা বলে মেহরিমা আবারও বলে,

"আন্টি আমাকে একটু খাবার দিবেন?খিদে পেয়েছে খুব।সকালে খেয়েছিলাম, তারপর আর খাওয়া হয়নি।আমার খুব খিদে পেয়েছে।"

রুহানি বেগম মেহরিমাকে হাত দিয়ে ইশারা করে বলল,

"এই ঘরে সব পেয়ে যাবে।তুলে নিয়ে খেয়ে নাও।একটু পর তো রান্নাও করতে হবে।তারাতাড়ি খেয়ে রান্নাঘরে আসো যাও।আর মা বলে ডাকবে।আমি শাশুড়ী হই তোমার।"

মেহরিমার মনটা খারাপ হয়ে গেল।তবে খিদেয় পেট চু চু করছে।তাই আর না ভেবে গায়ে থাকা শাড়ি টেনেটুনে একটু কোনরকম ঠিক করে খাওয়ার রুমে চলে যায় সে।টেবিলের উপরে ভাত তরকারি সব আছে।তবে মনে হচ্ছে আর কিছুক্ষণ থাকলে সেগুলো নষ্ট হয়ে যাবে।মেহরিমা খুজে একটা প্লেট নিয়ে সেখানে দুই চামচ ভাত নিয়ে তরকারি ঢেকে রাখা পাত্র থেকে ঢাকনা সরায়।সেখানে দুই টুকরো মাছ আর ঝোল রয়েছে।মেহরিমা মাছ খায় না।তাই সেখান থেকে একটু ঝোল তুলে নিয়ে কোনোরকম পানির সাথে ভাতটুকু গিলে নিল।তবে কেন যেন খাওয়ার সময় তার ভেতর থেকে কান্নারা বের হয়ে তা চোখ দিয়ে পতিত হলো।

মেহরিমা খাওয়া শেষে এঁটো প্লেটটা নিয়ে কলপাড় থেকে তা ধুয়ে আগের জায়গায় রেখে দিল।

মেহরিমার খাওয়া শেষ হয়েছে কি না হয়েছে রুহানি বেগম তাকে ডাক দিলেন রান্নাঘরে আসার জন্য।মেহরিমা শাশুড়ীর ডাক শুনে রান্নাঘরের যায়।রুহানি বেগম তাকে আসতে দেখে বললেন,

"রান্না করতে পারো তো?নাকি সেটাও বাবা মা শেখায়নি?"

মেহরিমার ভালো লাগলো না রুহানি বেগমের কথা।সে বলল,

"আমি রান্না করতে পারি না।কখনে করা হয়নি।তবে শিখে নেব এখন।আপনি একটু শিখিয়ে দিলেই পারব।"

রুহানি বেগম কপাল কুচকে বলেন,

"তা পারবে কেন?অন্য কাজে মগ্ন ছিলে কিনা।বসো এখানে, কাটাকাটি শিখিয়ে দিচ্ছি।আমি সবজি একটা করে কেটে দেখাচ্ছি তারপর তুমি সেভাবে কাটবে সবজিগুলো বুঝলে তো?"

মেহরিমা মাথা নাড়িয়ে সায় জানায়। রুহানি বেগম একটা করে কেটে দেখিয়ে দিলেন।তবে জীবনে এসব না করা মেহরিমা তা খুব সহজে আয়ত্ত করতে পারল না।শেষমেশ রুহানি বেগম বিরক্ত হয়ে নিজেই সব কাজ করলেন।

মেহরিমা মনযোগ সহকারে রুহানি বেগম কিভাবে কি করছেন তা পরোখ করতে থাকলো।

আর এটা সেটা এগিয়ে দিল।আবারও মাছ রান্না করা হচ্ছে সবজির সাথে।মেহরিমা মাছ খায় না এটা বললে যদি রুহানি বেগম বিরক্ত হোন,তাই মেহরিমা তার মনের কথা মনেই রাখলো।

রান্না করা শেষ হলে মেহরিমা আর রুহানি বেগম মিলে তা খাওয়ার ঘরে রেখে আসেন।রুহানি বেগম সদর দরজা বন্ধ করে মেহরিমাকে ঘরে যেতে বলে নিজের ঘরে চলে গেলেন।মেহরিমা বারান্দায় দাড়িয়ে থাকে।সন্ধ্যা পার হয়ে রাত নামতে চললো তবে তাহসিন এখনো বাড়ি আসলো না।তাহসিনের প্রতি তার কোনে অনুভূতি জন্মায়নি এক দিনে।তবে সে অপেক্ষা করছে।নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে এখন থেকেই।তাহসিনের সাথে তার কথাও আছে কিছু।

তাহসিন সদর দরজা ধাক্কিয়ে তার মাকে ডাকে দরজা খুলে দিতে।মেহরিমা তাহসিনের আওয়াজ পেয়ে আবারও খালি পায়ে ছুটে যায় দরজা খুলে দিতে।দরজা খুলে দিলে তাহসিন মেহরিমাকে দেখে কিছু না বলে ভেতরে ঢোকে।মেহরিমা আবারও তার পিছু আসে দরজা বন্ধ না করেই।তাহসিন মনে মনে নিজেকেই গালি দিয়ে দরজা বন্ধ করে দিয়ে আসলো।কিছু একটা মনে পড়ে যাওয়ায় তাহসিন মেহরিমার পায়ের দিকে তাকায়।আঙিনায় লাগানো হলদেটে বৈদ্যুতিক আলোয় দেখা গেল বোকা মেহরিমা এখনো খালি পায়েই আছে।তাহসিন তার হাতে থাকা শপিং ব্যাগ গুলোর মধ্যে থেকে একটা ব্যাগ থেকে এক জোড়া জুতো বের করে মাটিতে রেখে বলল,

"এই জুতোটা পায়ে দিয়ে পা ধুয়ে নিন যান।"

মেহরিমা মাথা নাড়িয়ে জুতো পায়ে দিয়ে কলপাড়ে গিয়ে চাপকল থেকে পা ধুয়ে আসলো।

তাহসিন ততক্ষণে ঘরে চলে গিয়েছে।

মেহরিমা ঘরে গেলে তাহসিন বিছানার দিকে তার আঙুল তাক করে বলল,

"এই ব্যাগে আপনার জন্য কিছু পোশাক আনা হয়েছে।দেখে নিন হয় কিনা।"

চলবে,,,,

আপনাদের সাথে কিছু কথা না বললেই নয়।তাহসিনকে নিয়ে একেকজনের একেকরকম মন্তব্য।কেও বলছেন হ্যা ঠিক আছে।আবার কেও মেনে নিতে পারেন নি।তো আমি ভেবেছি সমস্যা নেই,নিকৃষ্ট এই তাহসিনকে শাস্তি দেওয়ায় যায় তাই না?তাহসিনকে অবশ্যই শাস্তি দেওয়ার ব্যবস্থা মনে পুষেছি।তবে আমার মন যদি পাল্টে যায়,সেক্ষেত্রে অন্য বিষয়।

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ৬ষ্ঠ পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন