ফন্ট সাইজ:
থিম:
যতনে রাখিব তারে

৫ম পর্ব

লেখক: সুরাইয়া জান্নাত সুমী

#যতনে_রাখিব_তারে

#পর্ব_৫

#লেখনিতে_সুরাইয়া_জান্নাত_সুমী

(কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ)

দুপুরের তীব্র রোদের মাঝে শানায়া একটা পার্কে এসেছে। পার্কের ভেতরে বেড়ে উঠা একটা বড় আম গাছের নিচে মানুষের বসার জন্য বেঞ্চ দেওয়া হয়েছে। শানায়া চোখমুখ কুচকে সেখানে বসে আছে। আশেপাশে তাকিয়ে তার টানা টানা চোখজোড়া কাওকে খুজতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। তার অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অদ্ভুত ভাবে মিনহাজ পেছন থেকে বেঞ্চের হাতল টপকে বসে পড়ে শানায়ার পাশে। শানায়া বসা থেকে হুরমুর করে উঠে দাঁড়ায়। মিনহাজকে দেখে বড় একটা নিঃশ্বাস ফেলে বুকে থুথু দেয়।রাগী কন্ঠে সে মিনহাজকে বলে,

"আমাকে শান্তিতে দেখলে তোমার শরীর চুলকায় তাই না?এভাবে কে বসে ভাই?ভয় পেয়েছি তো। "

মিনহাজ শানায়ার হাত ধরে টেনে বেঞ্চে বসিয়ে দেয় তার পাশে।অপর হাতে থাকা বাদামের ঠোঙা শানায়ার হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলে,

"এই নাও বাদাম,এবার মাথা ঠান্ডা করে টপাটপ খোসা ছাড়িয়ে দাও দেখি।"

শানায়া কপাল কুচকে তাকায় মিনহাজের দিকে।যে কিনা কাধের পিছনে দু হাত গুজে বেঞ্চে হেলান দিয়ে বসে তার দিকেই তাকিয়ে আছে।মিনহাজের শ্যাম বর্ণের মুখখানা দেখে শানায়ার রাগ উবে গেল।বাদাম থেকে খোসা ছাড়িয়ে মিনহাজের হাতে দিলে মিনহাজ একটা নিজের মুখে পুরে অপর বাদামটা শানায়ার মুখে পুরে দিল।বরাবর এমনটাই হয়ে আসছে।তবে শানায়ার কাছে মিনহাজের ব্যবহার অদ্ভুত না লেগে বরাবর তা ভালো লাগায় পরিণত হয়।সে মিনহাজকে বলে,

"চাকরির ইন্টারভিউ দিলে যে,সেটার কি খবর আসলো?এবার কি হবে চাকরিটা?"

মিনহাজ দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলল,

"এবারেও বুঝি হবে না।প্রত্যেকবার ভালোভাবে ইন্টারভিউ দিলেও ফলাফল শূন্য আসে।বাবা মাও এ নিয়ে আমার উপর বিরক্ত বোধহয়। তবে একমাত্র ছেলে বিধায় বিরক্ত প্রকাশ করছে না।"

শানায়ার মনটা বিষিয়ে উঠলো। সে মন খারাপ করে বলল,

"চাকরি পাওয়ার আগে কি আমাকে বিয়ে করা যায় না?"

"উমম,তা যায় বটে।তবে আমার বউয়ের ভরণপোষণ আমার বাবা মায়ের কাধে থাকবে।এর থেকে লজ্জাজনক ব্যাপার আর কি হতে পারে আমার কাছে বলো।তাই ভেবেছি!"

"কি ভেবেছ?"

"আগে চাকরিটা পেয়ে যাই একবার।তারপর বাবা মা সমেত তোমার বাড়িতে গিয়ে হাজির হবো।"

"তারপর কি হবে?"

"ওরে আমার ন্যাকা শালিক পাখি গো!তারপর তোমাকে বিয়ে করে নিজের ঘরনি করবো।"

শানায়া মুচকি হাসে।এই কথোপকথন যে এইবার নিয়ে কয়বার হলো তার হিসেব শানায়ার কাছে নেই।মিনহাজ আবারও হতাসা নিয়ে বলল,

"বেকার ছেলেকে বুঝি তোমার বাবা মা মেনে নিবে?তার থেকে বরং চাকরিটা পাই এরপর আমার শালিককে আমার খাঁচায় সারাজীবনের জন্য বন্দিনী করে নিব।"

শানায়া বাদামের খোসা ছাড়িয়ে আবারও তা মিনহাজের নিকট পৌঁছে দিয়ে বলে,

"তারাতাড়ি চাকরিটা পেয়ে যাও আল্লাহর কাছে প্রতিনিয়ত এই দোয়া করি।"

মিনহাজ বেঞ্চ থেকে উঠে শানায়ার সামনে ঘাসের উপর এসে বসে পড়ে শানায়ার মুখের দিকে দৃষ্টি নিক্ষেপ করে বলে,

"আমার শালিক পাখি যখন দোয়া করেছে তখন আল্লাহ নিশ্চয়ই কবুল করবেন দেখে নিয়ো।"

----------

"আরে আরে,এত গা চুলকাচ্ছে কেন বলো তো তৃপ্তি। আমার আর সয্য হচ্ছে না।উফফ, কি জ্বালা!গোসল করেই তো পরিষ্কার পোশাক পরলাম।"

তৃপ্তি ব্যতিব্যস্ত হয়ে নিশাতকে দেখতে থাকে।হঠাৎ গা চুলকাবে কেন।তৃপ্তি নিশাতের কাছে এগিয়ে আসে।ভালো করে নিশাতকে পরোখ করে নিশাতের পরিহিত শার্টের এক জায়গায় দেখিয়ে বলে,

"এগুলো কি নিশাত?সাদা পাউডারের মত দেখা যাচ্ছে।আমার মনে হচ্ছে কেউ তোমার পোশাকে ইচিং পাউডার দিয়েছে।"

নিশাত ভালো করে তার শার্ট দেখে রেগে যায়।তার মুখে কতগুলো বাজে গালি চলে আসে।সেগুলো মুখ থেকে নির্গত করে সে আবারও ওয়াশরুমে চলে যায় গোসল করতে।

গোসল করে নিশাত ওয়াশরুম থেকে বেরিয়ে দেখে তৃপ্তি বিছানায় আরাম করে বসে আছে।

নিশাত গায়ে শুধু একটা তোয়ালে জরিয়ে বের হয়ে এসেছে।তৃপ্তি বিছানা থেকে নেমে নিশাতের উন্মুক্ত বুকে তার ওষ্ঠ ছোঁয়ায়। নিশাত তৃপ্তিকে দূড়ে সরিয়ে দিয়ে বলে,

"কি হচ্ছে তৃপ্তি? সারারাত শেষেও কি তোমার শ*রীরের উত্তেজনা কমেনি?অবশ্য আমার মত ছেলের জন্য তোমার মত মেয়েরা পাগল হবেই।"

অপমানে তৃপ্তির মুখ থমথমে হয়ে গেল।সে নিশাতকে বলে,

"আমি তোমার স্ত্রী নিশাত।এটা ভুলে কোনো বাজে কথা আমাকে বলবে না।তুমি তো আগে কখনো এমন কথা বলোনি।তাহলে এখন কি হলো?নাকি বিয়ে করে একরাত কাটানোর পরেই তোমার মন বিষিয়ে উঠেছে।"

নিশাত তৃপ্তির দু গাল চেপে ধরে বলে,

"আমি এমনই সুইটহার্ট। আমাকে এভাবেই মানতে পারলে থাকো।আর নাহয় আমার বাড়ির দরজা একদম খোলা আছে,আসতে পারো বেবিগার্ল। "

তৃপ্তি নিশাতের হাত ঝারা দিয়ে ছাড়িয়ে নিয়ে বেলকনিতে চলে যায়।

তার হিসেবে গরমিল হচ্ছে।অভিমানে, রাগে, কষ্টে তার চোখ জলে টইটম্বুর হয়ে যায়।নিশাত তো এমন ছিল না।এমনকি রিলেশনে থাকা অবস্থাতেও কখনো বাজে কথা বা ঝগড়া হয়নি।নিশাতকে মন থেকে ভালোবেসেছিল বিধায় তৃপ্তি তার প্রিয় মানুষটাকে ঠকালো।তার বেস্ট ফ্রেন্ড মেহরিমাকে কষ্ট দিল।তবে এ সকল কিছুই বৃথা গেল বুঝি!নিশাত নিজেকে যেমনটা দেখিয়েছিল আদও সে তেমটা নয়।তার মনে ভয় ঢুকলো।বাবা মাকে না বলে সে পালিয়ে এসেছে নিশাতের সাথে।এখন বাড়িতে যাওয়ার পথ ও তার জন্য বন্ধ। চিন্তায় তার মাথা ফেটে যাচ্ছে মনে হয়।

ড্রয়িং রুমে বসে সায়ান আর মাহির হেসে গড়াগড়ি খেয়ে একে অপরের গায়ে ঢলে পরছে।

নিশাতের পোশাকে ইচিং পাউডার সায়ান আর মাহির মিলে প্লানিং করে দিয়েছে।

সায়ান তার হাসি থামিয়ে বলে,

"আমার বোনকে ঠকানো তাই না।তোর ভাইকে হারে হারে উচিত শিক্ষা দিব আমি।কেবল তো গায়ে চুলকানি ধরালাম।এরপর আরও বাকি আছে মনু।"

মাহির সায়ানের কথায় সহমত প্রকাশ করে বলে,

"যতোই আমার আপন ভাই হোক না কেন আমিও তোর সাথে আছি।মেহরিমা মনে খুব কষ্ট নিয়ে বাড়ি ছেড়েছে রে।ওকে কিভাবে আমরা মুখ দেখাবো বল তো।"

সায়ান ও ভীতিগ্রস্ত হলে।মেহরিমা খুব অভিমানী মেয়ে।তার বোনটা তার সাথে পরবর্তীতে ভালো করে কথা বলবে তো?

তখন বাড়ির গেট পেরিয়ে শানায়া ভেতরে আসে।

সায়ান আর মাহিরকে একসাথে চেপে বসে থাকতে দেখে বলে,

"কিরে উজবুকের দল?এভাবে গে দের মত চাপকে বসে আছিস কেন?ইশ তোদের দেখেই তো আমার গা গুলাচ্ছে, ছিইই।"

শানায়ার কথা শুনে মাহির আর সায়ান এবার গলা ধরে বসে সায়ান বলে,

"শোন কুটনি মেয়ে,তোর ভাই আর আমি হলাম জানের বন্ধু প্রাণের বন্ধু। আর বাহিরে বের হলে যমজ ভাই। সর,এখান থেকে যা।আমরা তোর সাথে কথা বলতে ইন্টারেস্টেড না।"

"একশো কথা বলা শেষে বলছে ইন্টারেস্টেড না কথা বলতে।তোদের মত দুমুখো আমি আমার জীবনে দেখিনি।"

শানায়ার কথা শুনে মাহির বলে,

"তাহলে এখন দেখে নে বোন আমার।আর দেখা শেষ হলে দুটো নোবেল ছুড়ে মারিস।দুমুখো হতেও অনেক কষ্ট করা লাগে বুঝলি।"

শানায়া তাদের ভেংচি কেটে সেখান থেকে চলে যায়।সায়ান আর মাহির শানায়াকে যেতে দেখে একে অপরের থেকে ছিটকে দূরে সরে যায়।

------

তাহসিন তার মাথা চেপে ধরে বিছানার এক কোনায় বসে আছে।তার চোখদুটো রক্তাভ বর্ণ ধারণ করেছে।

মেহরিমা টেবিলের সামনে থাকা একটা চেয়ারে মাথা নিচু করে বসে আছে।তাহসিনকে দেখে তার ভয় লাগছে।সে আর চুপ থাকতে না পেরে তাহসিনকে বলে,

"আপনার কি কোনো সমস্যা হচ্ছে?অসুস্থ দেখাচ্ছে আপনাকে।আমাকে বলুন আপনার কি সমস্যা হচ্ছে।"

তাহসিন তার রক্তাভ চোখ নিয়ে মেহরিমার দিকে তাকায়।মেহরিমার পিলে চমকে ওঠে।তাহসিন রাগান্বিত স্বরে ধমকিয়ে বলে,

"আপনি কি ডাক্তার? আমার সমস্যা আপনাকে বললেই কি আপনি বুঝবেন?আমাকে রাগাবেন না।চুপচাপ বসে থাকুন আর নাহয় বেরিয়ে যান।আরে শালার আমি আপনাকে বের হতে বলছি কেন?

তখন থেকে দেখছি জোকারের মত বসে আছে।"

মেহরিমা মাথা নিচু করে নেয়।তার একটাই সমস্যা। সে তার সামনে থাকা কোনো মানুষের মুখের উপর কথা বলতে পারে না।কেউ উচ্চস্বরে কোনো কথা বললে বা ধমক দিলে তার বুক ধরফর করে, কান গরম হয়ে যায়,সাথে চোখেও জলের ছিটেফোঁটা দেখা দেয়।

তাহসিন ঘর থেকে বের হয়ে যায়।মেহরিমা তার পিছু পিছু এসে আঙিনায় দাঁড়ায়। তাহসিন থমকে দাড়িয়ে গিয়ে মেহরিমাকে আগের থেকে দ্বিগুণ ধমক দিয়ে বলে,

"এই মেয়ে এই?আপনার সমস্যা কি বলুন তো?সব সময় দেখছি পিছু পিছু চলে আসছে,যেখানে যাচ্ছি সেখানেই।মাথায় সমস্যা আছে নাকি?"

"আপনাকে অনুসরণ করেই তো আমার এত দূর আসা।আপনিই তো নিজ ইচ্ছায় আমাকে এখানে নিয়ে এসেছেন।তবে এখন এমন ব্যবহার করছেন কেন?"

মেহরিমা আবারও বলে,

"আমাকে ধমক দিয়ে কথা বলবেন না।আমার কষ্ট লাগে।কান্না চলে আসে।"

মেহরিমা একটু পিছিয়ে দাড়ায়।তার মুখ দিয়ে ব্যথাতুর শব্দ বের হয়ে আসে।মেহরিমা সেখানে বসে পরে।পায়ের তলায় ইটের ছোট্ট একটা খোয়া পরেছে। তাহসিন বিরক্তিতে কপাল কুচকে নেয়।

তার নিজের মাথা চাপরাতে ইচ্ছে করছে।না চাইতেও সে আবারও মেহরিমাকে ধমক দিয়ে বলে,

"আপনার মাথায় কি বুদ্ধি নেই নাকি?জুতো পায়ে না দিয়ে এসেছেন কেন?"

মেহরিমা পা ডলে নিয়ে উঠে দারায়। আমতা আমতা করে বলে,

"আমি তো জুতো নিয়ে আসিনি বাড়ি থেকে।"

তাহসিন অবিশ্বাস নিয়ে বলে,

"আপনাদের বাড়ি থেকে খালি পায়েই চলে এসেছেন?ওরে পাগল মেয়ে রে।আমার গলায় একটা পাগল মেয়েকে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।"

"আমি তো বলেই এসেছি,ওই বাড়ি থেকে কোনো কিছু নিয়ে আসবো না।তাই জুতাটাও নিয়ে আসিনি।"

মেহরিমার কথা শুনে তাহসিন বলে,

"তাহলে যে জামাটা পড়ে আসলেন?ওটাও খুলে রেখে আসতেন।যত্যসব ন্যাকা মেয়ে মানুষ।"

মেহরিমার চোখে অশ্রুকণা ভিড় জমায়।তাহসিন আরও কিছু কথা শোনাবে তার আগেই বাড়ির সদর দরজা পেরিয়ে প্রীতির আগমন ঘটে।তার পিছু পিছু রেশমাও এসেছে।বাড়ির আঙিনায় এসেই তাহসিনকে একটা মেয়ের সাথে দাড়িয়ে থাকতে দেখে প্রীতির চোখ দিয়ে আপনা আপনি জল গড়িয়ে পড়ে। তাহসিন এ সময়ে প্রীতিকে তাদের বাড়িতে আসতে দেখে তার মনে ভয় হয়।

প্রীতি যা বোঝার বুঝে যায়।তবুও ভালোবাসার মানুষটার উপর বিশ্বাস রেখে বলে,

"শুনলাম বিয়ে করে নাকি সুন্দরী বউ নিয়ে এসেছো?"

তাহসিন এগিয়ে এসে প্রীতিকে বলে,

"প্রীতি আমার কথা শোন? তোকে অনেক কিছু বলার বাকি আছে আমার।"

প্রীতি তাহসিনকে থামিয়ে দিয়ে বলে,

"কিন্তু তোমার থেকে আমার বেশি কিছু শোনার নেই।শুধু একটা কথা বলো?বিয়ে করেছো তো?"

তাহসিন নিজেকে আটকাতে পারে না।তার চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ে। পুরুষ মানুষ নাকি কান্না করে না।তবে তাহসিন নিজেকে আটকাতে পারে না।তার কেন যেন কষ্ট পেলে কান্নারা বের হয়ে আসে।

তবুও কষ্ট করে মুখ দিয়ে উচ্চারণ করলো,

"আমার এই পাপী মুখখানা দিয়ে কবুল বলে নিজেকে মেরে এসেছি প্রীতি।"

মেহরিমা জমে যায় তাহসিনের কথা শুনে।তবে কি তাহসিন ও তার অমতে বিয়ের আসরে বসেছিল।তৃপ্তি ইচ্ছে করে তাকে ঠকিয়েছিল।তার ভালোবাসার মানুষটাকে কেড়ে নিয়েছিল।তবে সেও কি একি ভুল করে বসলো?তাহসিনকে তবে কি সেও তার ভালোবাসার মানুষটার থেকে কেড়ে নিল?ভয়ে অনিশ্চয়তায় মেহরিমা জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে ঢলে পরতে চায়।তবে তাকে এতক্ষণ প্রীতি লক্ষ করছিল।তাই মেহরিমাকে এভাবে পড়ে যেতে দেখে সে ছুটে গিয়ে আগলে ধরে তাকে।

চলবে,,,,,

গল্পটা আপনাদের কাছে কেমন লাগছে বলবেন কিন্তু। আর গল্প বিষয়ক মন্তব্য করবেন,তাহলে কোনো জায়গায় ভুল হলে আমি আরও ইম্প্রুভ করার চেষ্টা চালিয়ে যাবো ইনশাআল্লাহ।পরবর্তী পর্ব পড়তে পেইজটিতে ফলো দিয়ে রাখুন।

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ৫ম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন