ফন্ট সাইজ:
থিম:
যতনে রাখিব তারে

১২তম পর্ব

লেখক: সুরাইয়া জান্নাত সুমী

#যতনে_রাখিব_তারে

#পর্ব_১২

#লেখনিতে_সুরাইয়া_জান্নাত_সুমী

(কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ)

মায়ের কবর আগলে ধরে তাহসিন এখনো একই ভাবে শুয়ে আছে।সেই সকাল পেরিয়ে দুপুর হতে চললো তবুও তাহসিনের নরচর নেই।সে একইভাবে কি যেন বিরবির করছে আর বারবার চোখ মুছছে হাত দিয়ে।অদূরেই মেহরিমা ও দাঁড়িয়ে আছে।দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে তার পা ব্যথা হয়ে গেছে তবুও তাহসিনকে এভাবে রেখে যেতে তার মন সায় জানায় না।মেহরিমার মাথাটা ঘুরে উঠলো।খিদেয় সে যেনো চোখে সরিষা ফুল দেখতে পাচ্ছে।কালকে থেকেই না খেয়ে থাকা।শাশুড়ীকে নিজ হাতে খাইয়ে দিলেও নিজের খাওয়াটা হয়ে ওঠেনি।আর এতসব কিছুর মধ্যে কোনো ব্যবস্থাও নেই খাওয়ার।

মেহরিমা তাহসিনের কাছে এগিয়ে আসে। তার শরীর আর তাকে সায় জানায় না এগিয়ে যেতে।তাহসিনের থেকে কয়েক হাত দূরত্বে মেহরিমা জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।তাহসিন শব্দ পেয়ে পেছনে তাকালে মেহরিমাকে পড়ে থাকতে দেখে দ্রুত উঠে আসে তার কাছে।তাহসিন মেহরিমার গালে আলতো করে থাপ্পড় দেয়।কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে মেহরিমাকে পাঁজা কোলে তুলে নেয় তাহসিন।কোনোরকম ঘরে এনে বিছানায় শুইয়ে দেয় সে মেহরিমাকে।গ্লাসে করে পানি এনে মেহরিমার মুখে পানি ছিটিয়ে গামছা দিয়ে মুখটা মুছে দেয়।তাও মেহরিমার রেসপন্স না পেয়ে গালে আবারও থাপ্পড় দেয় তাহসিন।আবারও থাপ্পড় মারতে যাবে তখন মেহরিমা তাহসিনের হাত ধরে বসে বলে,

"এত মারছেন কেন আজব!মরে গেছি নাকি আমি?বউ পেটানো ভালো স্বভাব নয় একদম।"

তাহসিন ধপ করে বিছানায় বসে পড়ে।এই মেয়ে তাকে পাগল বানিয়ে ছাড়বে নির্ঘাত।

তাহসিন মেহরিমার কান টেনে ধরে বলে,

"এই বোকা মেয়ে!আপনি পড়ে গেলেন কিভাবে ওখানে বলুন?জ্ঞান হারানো স্বভাব নাকি?"

"উফ্,কান ছাড়ুন বলছি।লাগে তো!আমার খিদে পেয়েছে খুব।কালকে থেকে খায়নি।"

তাহসিন মেহরিমার কান ছেড়ে দেয়।তার খেয়াল রাখা উচিত ছিল।মায়ের শোকে সে সব কিছু ভুলে বসেছিলো।মেহরিমার খিদে পাওয়ার কথা শুনে তার-ও নিজের খিদের কথা মনে পড়ে গেল।তারও কিছু খাওয়া হয়নি।তাহসিন উঠে বিস্কুটের বৈয়ম এনে মেহরিমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলে,

"এখনকার মতো বিস্কুট খেয়ে পানি খেয়ে নিন।দেখি রান্নার ব্যবস্থা করা যায় কিনা।"

মেহরিমা বৈয়ম থেকে বিস্কুট বের করে তাহসিনের দিকে এগিয়ে দিয়ে বলে,

"এই নিন আপনিও খান।আপনারও নিশ্চয়ই খিদে পেয়েছে।খেয়ে পানি খান।"

"নাহ খাবো না।আপনি খান,আমার খিদে নেই।"

"আরেহ নিন না,ধরুন।খেয়ে নিন।"

তাহসিন হাত বাড়িয়ে বিস্কুট নেয়।

তখন আঙিনা থেকে একজন মহিলা তাহসিনকে ডাক দেয়।তাহসিন ঘর থেকে বের হয়।পিছু পিছু মেহরিমার ও আসে।

তাহসিন রেশমার মা রাধা সেন কে এ-সময় দেখে অবাক হয়।মায়ের সাথে রেশমা এসেছে।রাধা এগিয়ে এসে তাহসিনের হাতে একটা টিফিন বক্স ধরিয়ে দিয়ে বলে,

"রান্না করে নিয়ে আসলাম তোমাদের জন্য।নিশ্চয়ই কিছু খাওনি এখনো তোমরা।তোমার কাকার বাজার করে নিয়ে আসতে একটু দেরি হলো তাই তারাতাড়ি আসতে পারিনি।দুজন মিলে খেয়ে নিয়ো।রাতের খাবারও আছে এখানে।দুপুর হয়ে গিয়েছে তাই ভাবলাম একেবারে রাতের খাবারটাও রান্না করে নিয়ে আসি।দুজন মিলে খেয়ে নিয়ো বাবা, ঠিক আছে?"

তাহসিনের চোখজোড়া বুঝি ভিজে উঠলো।সে এতটা আশা করেনি।বেশি কিছু তার মাথায় আসলো না।তাই মাথা নাড়িয়ে তাহসিন রাধাকে বলে,

"ধন্যবাদ কাকি।ঘরে এসে বসুন না?"

রাধা তাহসিনের মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বলে,

"এখন বসবো না বাবা।বাড়িতে অনেক কাজ আছে।কালকে সকালে রেশমা এসে তোমাদের খাবার দিয়ে যাবে।শুনেছি মুসলিমদের বাড়ির কেউ মারা গেলে নাকি সেই বাড়িতে তিনদিন আগুন জ্বালানো যায় না।তাই ভেবেছি এই তিনদিন আমি রান্না করে তোমাদের জন্য খাবার নিয়ে আসবো।"

"না কাকি,এমন কোনো কথা নেই।এসব কুসংস্কার।এসব মানুষের তৈরি রীতিনীতি।আপনি চিন্তা করবেন না।কালকে থেকে আমরা রান্না করবো।"

"সে যায় হোক।আমি যখন বলেছি তিনদিন আমার হাতের রান্না খেতে হবে। তুমি কিন্তু নিষেধ করতে পারবে না।আমি ভালোবেসেই তোমাদের জন্য রান্না করবো।"

তাহসিন রাধার এমন আন্তরিকতার পর আর নিষেধ করার সাহস পায় না।

রাধা মেহরিমাকে দেখে মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়।আর তাহসিনকে উদ্দেশ্য করে বলে,

"তোমার বউ তো অনেক সুন্দরী তাহসিন।ভাগ্য করে কিন্তু এমন বউ পেয়েছো।মেয়েটাকে আদর যত্ন করো।আর নিজেদের কখনো একা ভাববে না।আমরা সবসময় তোমাদের পাশে আছি।যে কোনো প্রয়োজনে আমাকে অথবা তোমার কাকাকে জানাবে।"

"জ্বি আচ্ছা কাকি, জানাবো।অনেক ধন্যবাদ।"

"ধূর বোকা ছেলে।এতে ধন্যবাদ দিতে আছে নাকি।"

রাধা আর-ও কিছুক্ষণ কথা বলে বাড়িতে যাওয়ার জন্য বেড়িয়ে পড়ে।এতক্ষন নিরব থাকা রেশমা যেতে যেতে মেহরিমাকে বলে,

"চিংড়ি মাছটা আমি রান্না করেছি।খেয়ে বলবে কিন্তু কেমন হয়েছে।তা নাহলে তোমার খবর আছে।"

রেশমা কথা শেষ করে তার মায়ের হাত বগলদাবা করে তাহসিনদের বাড়ির গেট দিয়ে চলে যায়।

মেহরিমা রেশমার কথা শুনে মুচকি হাসে।

"এই মেয়ে ঘরে চলুন।খেয়ে নিবেন, অনেক বেলা হয়েছে।"

মেহরিমা মাথা নাড়ায়।ক্ষুধায় তার পেট চো চো করছে।মেহরিমা পেট চেপে ধরে তাহসিনের সাথে ঘরে যায়।তাহসিন একটা প্লেটে ভাত আর গোস্তের তরকারি নিয়ে মেহরিমাকে দেয়।

মেহরিমা তাকে খেতে বললে সে জানায় খাবে না।

মেহরিমা আবারও বলে,

"কেন খাবেন না বলুন?না খেয়ে কি মানুষ বাঁচতে পারে?আচ্ছা আমি তুলে খাওয়াই?

শেষোক্ত কথাটা বলে মেহরিমা ভাতের লোকমা তাহসিনের মুখের সামনে ধরে।

তাহসিন না করে না। মেহরিমার হাত থেকে ভাতের লোকমা টা নিজের হাতে নিয়ে খেয়ে নেয়।মেহরিমা ভেংচি কাটে।

এরপর ভাতের প্লেট রেখে উঠে এসে আরেকটা প্লেটে ভাত বেড়ে তাতে চিংড়ি মাছ,গোস্তো আর আলুর ভর্তা নিয়ে তাহসিনের হাতে ধরিয়ে দেয় সে।

তাহসিন কপাল কুচকে বলে,

" মহা ভোজ আয়োজন করে আমাকে দিচ্ছেন উনি।গোস্তো খাই না আমি।"

প্লেট থেকে গোস্তো তুলে তাহসিন মেহরিমার প্লেটে দিয়ে চিংড়ি মাছ আর আলুর ভর্তা দিয়ে খেতে শুরু করে।মেহরিমা মাছ খেতে পারবে না তাই রেশমার কথাটাও তার পক্ষে রাখা সম্ভব হলো না।

তাহসিন খেতে খেতে আবারও মায়ের কথা মনে করে কান্না করে দেয়।তাহসিনের চোখে পানি দেখে মেহরিমাও কান্না করে দেয়।

-------

শানায়া একনাগাড়ে মিনহাজকে কল দিয়েই যাচ্ছে তবে মিনহাজের ফোন বন্ধ দেখাচ্ছে।শানায়া বিছানার উপর ধপ করে বসে পড়ে হাতে থাকা ফোনটা ছুড়ে মারে।দুদিন ধরে একি কাহিনি। শানায়া কল দিয়েই যাচ্ছে আর মিনহাজের ফোন বন্ধ বলছে।সে আর এক জায়গায় স্থির হয়ে বসে থাকতে পারে না।ওরনাটা ভালো করে গায়ে জড়িয়ে নিয়ে শানায়া তার ফোনটা তুলে নেয়।উদ্দেশ্য মিনহাজের বাড়িতে যাওয়া।

শানায়া তার ঘর থেকে বের হলে জয়ন্তী বেগমের সাথে দেখা হয়ে যায়।শানায়া কোথায় যাবে জিগ্যেস করলে বলে বন্ধুর বাড়িতে যাচ্ছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নোটস নেওয়ার জন্য।তাই জয়ন্তী বেগম আর কিছু বলেন না শানায়াকে।

শানায়া বাড়ি থেকে বের হয়ে একটা রিকশা ডেকে উঠে বসে।

রিকশা মিনহাজদের বাড়ির কাছে এসে দাঁড়ালে রিকশাওয়ালাকে তার পাওনা বুঝিয়ে দিয়ে শানায়া নেমে পড়ে।সামনে থাকা গলির ভেতর দিয়ে কিছুক্ষণ হাঁটার পরে শানায়া মিনহাজদের বাড়ির সামনে এসে দাড়ায়।বাড়ির মূল ফটকে গোটা গোটা অক্ষরে লেখা রয়েছে আকন্দ নিবাস।

শানায়া মেইন গেইট এ তালা ঝুলে থাকতে দেখে।

তার কপালে ভাজ পড়ে যায়।মনে হচ্ছে মিনহাজ তার অস্তিত্ব শানায়ার জীবন থেকে মুছে ফেলতে তৎপর। তাই শানায়া মিনহাজকে হাতের নাগালে পেয়েও পাচ্ছে না।কি এক মসিবত!

বাড়ির সামনে দিয়ে একজন লোককে যেতে দেখে মিনহাজদের প্রতিবেশী মনে করে শানায়া তাকে থামিয়ে জিগ্যেস করে,

"আকন্দ নিবাসের কেউ কি নেই?সবাই কোথায় গিয়েছে আপনি কি জানেন?জানলে আমাকে একটু বলুন দয়া করে,খুব প্রয়োজন। "

লোকটি শানায়াকে আগাগোড়া দেখে নিয়ে বলে,

"তা তো জানি না কোথায় গেছে।তবে শুনলাম আকন্দদের মধ্যে একজনের এক্সিডেন্ট হয়েছে।গুরুতরভাবে ভাবে নাকি আঘাত ও পেয়েছে।আমি পাশ থেকে শুনেছি আসতে গিয়ে।তবে কার এক্সিডেন্ট হয়েছে সেটা বলতে পারব না,শুনিনি আমি।"

শানায়া আরো কিছু জিগ্যেস করতে চাইলে লোকটি তার ব্যস্ততা দেখিয়ে চলে যায় সেখান থেকে।

মিনহাজের চিন্তায় তার বুকটা ধরফর করে ওঠে।মিনহাজের আবার কিছু হলো না তো!

সে এখন কোথায় মিনহাজকে খুজবে।শানায়া আরো কিছুক্ষণ সেখানে দাড়ায়।

যদি কারো থেকে কিছু জানতে পারে।

তবে তাকে নিরাশ হতে হয়।সে কোনো কিছুই জানতে পারে না মিনহাজের পরিবারের বিষয়ে।শানায়ার চোখে জ্বালা শুরু হয়।চিন্তায়,অভিমানে আর ভয়ে চোখদুটোয় অশ্রুকণা ভিড় জমায়।

সে এখন কোথায় খুজবে মিনহাজকে।

শানায়া মাথা নিচু করে সেখানেই দাড়িয়ে থাকে।তাকে নিরাশ হওয়া থেকে বাঁচাতেই বুঝি একজন ছেলের আবির্ভাব ঘটলো সেখানে।

শানায়াকে বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে বলল,

"আপনি এভাবে এখানে দাঁড়িয়ে আছেন কেন মিস?কোনো সমস্যা হয়েছে কি?আমাকে বলতে পারেন, সাহায্য করার চেষ্টা করবো।"

শানায়া মাথা তুলে ছেলেটির দিকে তাকায়। গৌড় বর্ণের ছেলেটির মুখে চিন্তার আভাস।

শানায়া ব্যতিব্যস্ত হয়ে পূর্বের ন্যায় বিনয়ের সাথে বলে,

"আমাকে কি মিনহাজের খবরটা একটু দিতে পারবেন?খুব প্রয়োজন তার।মিনহাজের খোঁজ দিতে পারলে খুবই উপকৃত হতাম।দয়া করে বলবেন কি একটু?"

মায়ান নিজের চাচাতো ভাইয়ের খোজে একটা মেয়ে এসেছে ভেবেই কপালটা কুচকে নেয়।

কিছু একটা ভেবে অস্বীকার করে বলে,

"না,না মিনহাজের খোজ আমিও জানি না।সন্ধ্যা হয়ে আসবে আর কিছুক্ষণ পড়ে।আপনি এখন বাড়িতে চলে যান।"

শানায়া পুনরায় মিনহাজকে খুজে পাওয়ার আস্থা হারায়।তার চোখ দিয়ে অশ্রুকণা গড়িয়ে পড়ে।শানায়াকে কান্না করতে দেখে মায়ান বলে,

"আপনি কান্না করবেন না প্লিজ।মানুষ তো আর হারিয়ে যায় না।নিশ্চয়ই তাকে খুজে পাবেন।"

শানায়া কোনো কথা বলে না আর।ব্যথিত মন নিয়ে সে চওড়া গলিটি থেকে বের হওয়ার জন্য হাঁটতে শুরু করে।মায়ানের খারাপ লাগলো শানায়ার জন্য।

শানায়া রাস্তায় এসে আবারও একটা রিকশা ডেকে নেয়।রিকশাওয়ালাকে নিজের ঠিকানা বলে উঠে বসে।শানায়া মাথা নিচু করে ফুপিয়ে কেঁদে ওঠে।

রিকশাওয়ালা শানায়ার ফুপিয়ে কান্না করার শব্দ পেয়ে একঝলক পিছনে তাকায়।

পকেট থেকে দশ টাকায় কেনা টিস্যুর পেকেট থেকে একহাত দিয়ে কোনোরকম একটা টিস্যু বের করে পিছনে থাকা শানায়ার দিকে এগিয়ে দেয়।

শানায়া হাত বাড়িয়ে টিস্যু নিয়ে নেয়।এটার প্রয়োজনীয়তা বোধ করছিল সে।চোখ মুছে রিকশাওয়ালা কে ধন্যবাদ জানালে তিনি শানায়াকে বলেন,

"কি হইছে আম্মা?কান্না করো ক্যা?"

শানায়া আবারও চোখ মুছে নেয়।আর উত্তরে বলে,

"একজন কাছের মানুষকে খুঁজে পাচ্ছি না মামা।তার জন্য ভয় হচ্ছে ভীষণ। তাকে হারিয়ে ফেলার ভয়ে আপনাআপনি চোখে পানি চলে আসছে।"

রিকশাওয়ালা শানায়ার ব্যাপারটা বুঝতে পেরে অভয় দিয়ে বলল,

"ধৈর্য ধরো আম্মা।আল্লাহ যদি চান তাহলে আবার তোমাদের দেখা হবে।এক আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কোনো কিছুই হয় না বুঝলে তো।তাই আমাদের সবসময় সঠিক সময়ের জন্য অপেক্ষা করা উচিত।আল্লাহ উত্তম পরিকল্পনাকারী। তাই তার উপর আমাদের সবসময় আস্থা রাখতে হবে।"

রিকশাওয়ালা মামার মুখে এত সুন্দর কথা শুনে শানায়া কিছুটা ভরসা পায়।

সে অপেক্ষা করবে। যতটা সময় অপেক্ষা করলে মিনহাজের খোঁজ পাওয়া যাবে ঠিক ততটা সময়ই সে অপেক্ষা করবে।

চলবে,,,,,

আসসালামু আলাইকুম সকলকে।কেমন আছেন আপনারা?রোজার মাস তাই নিশ্চয়ই সবার মনে ঈদের খুশি তাই না?আমার জন্য দোয়া করবেন কিন্তু।সবাই ভালো থাকবেন।ধন্যবাদ।।❤️❤️🫰

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ১২তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন