#নূরের_পথে_ফিরে_আসা
#পর্ব_১৯ ( সমাপ্তি পর্ব )
#লেখনিতে_নূরায়া_মেহনাজ
ইস্তাম্বুলের সেই বিশাল কনফারেন্সের পর বহু বছর কেটে গেছে। আয়েশা এখন আর সেই চঞ্চল তরুণী নয়; বরং অভিজ্ঞতার ভারে নুইয়ে পড়া এক মহীয়সী নারী। জীবনের শেষবেলায় সে শহরের কোলাহল ছেড়ে দূরে এক নির্জন ও প্রশান্ত ইসলামিক শিক্ষা কেন্দ্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। তাঁর হাতে গড়া “নূরের ছায়া” এখন কেবল একটি নাম নয়, এটি একটি বিশ্বব্যাপী আন্দোলন। হাজারো পথভ্রষ্ট নারী এখানে খুঁজে পায় তাদের আত্মার শান্তি আর হিদায়াতের আলোকবর্তিকা।
আয়েশা এখন কিছুটা ক্লান্ত। বয়সে তেমন বেশি না হলেও শরীর দুর্বল। জানালার পাশে বসে সে তাঁর ডায়েরিতে শেষ কিছু কথা লিখছিল,
“জীবনটা কত ছোট, অথচ আমাদের ওপর অর্পিত আমানত কত বিশাল! আমি কেবল এক নগণ্য মুসাফির ছিলাম। আমার একমাত্র চাওয়া—আমার প্রদীপ্ত মশালটি যেন আমার প্রস্থানের পরেও নিভে না যায়।”
🌜
একদিন কুয়াশাচ্ছন্ন এক সকালে, আয়েশা তার প্রিয় ছাত্রীদের নিয়ে শেষবারের মতো ক্লাসে বসল। আজকের আলোচনার বিষয় ছিল— “তাওহীদ ও তাওয়াক্কুল” (আল্লাহর একত্ববাদ ও তাঁর ওপর ভরসা)।
"আমার আদরের কন্যারা, মনে রেখো—যে ব্যক্তি আল্লাহর রজ্জুকে শক্ত করে ধরে মহাবিশ্বের কোনো একাকিত্ব তাকে স্পর্শ করতে পারে না। এই পৃথিবীর মোহময় ভালোবাসা একদিন কুয়াশার মতো মিলিয়ে যাবে, কিন্তু আরশের অধিপতির ভালোবাসা হবে চিরন্তন।”
আয়েশা পবিত্র কুরআনের একটি আয়াত পাঠ করল:
“তোমরা আল্লাহর রজ্জুকে (দ্বীনকে) শক্তভাবে আঁকড়ে ধরো এবং পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না।” (সূরা আলে ইমরান ৩:১০৩)
মাদ্রাসার নিভৃত কক্ষটি আজ যেন জান্নাতের এক টুকরো বাগানে পরিণত হয়েছে। ছাত্রীরা গোল হয়ে বসে আছে, তাদের মাঝখানে সাদা হিজাব পরিহিত আয়েশা—যাঁর মুখে এক অপার্থিব স্নিগ্ধতা। সে আজ জীবনের সারকথাগুলো তাঁর উত্তরসূরিদের হাতে আমানত হিসেবে তুলে দিচ্ছেন।
আয়েশা একটু থেমে সবার মুখের দিকে চাইল। আয়েশা বলতে থাকল,
“আমরা প্রায়ই এই দুনিয়ার চাকচিক্যে ভুলে যাই যে আমাদের আসল ঠিকানা অন্য কোথাও। আল্লাহ আমাদের সতর্ক করে বলেছেন—
‘আর এই পার্থিব জীবন ক্রীড়া-কৌতুক ছাড়া আর কিছুই নয়। আর পরকালের আবাসই হলো প্রকৃত জীবন যদি তারা জানত!’
(সূরা আল-আনকাবুত,( ২৯:৬৪)
তাই তোমাদের প্রতিটি পদক্ষেপ যেন হয় পরকালের সেই স্থায়ী জীবনের প্রস্তুতির জন্য। দুনিয়াকে হাতের তালুতে রেখো, কিন্তু হৃদয়ে জায়গা দিও না।”
"তোমরা দ্বীনের কাজ করবে, কিন্তু সাবধান! যদি তোমাদের নিয়তে এক বিন্দু পরিমাণও লোকদেখানো ভাব থাকে তবে সব আমল বিফলে যাবে। আমাদের প্রিয় নবী (সা.) বলেছেন—
‘নিশ্চয়ই সমস্ত আমল নিয়তের ওপর নির্ভরশীল।’ (সহীহ বুখারী, হাদিস নং ১)
তোমরা যখন পর্দা করবে, যখন কুরআন পড়বে কিংবা যখন কাউকে দ্বীনের দাওয়াত দেবে—প্রতিটি মুহূর্তে নিজেকে প্রশ্ন করো, 'আমি কি এটা কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করছি?' যদি উত্তর 'হ্যাঁ' হয়, তবেই তোমরা সফল।”
"আমার কন্যারা, পর্দা কোনো শৃঙ্খল নয় এটি তোমাদের রক্ষা কবচ। আর লজ্জাশীলতা হলো একজন নারীর সবচেয়ে দামি অলঙ্কার।
রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন—
‘লজ্জাশীলতা ঈমানের একটি অবিচ্ছেদ্য শাখা।’ (সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ৩৫)
এই লজ্জা কেবল পোশাকের নয় বরং তোমাদের চোখের, তোমাদের জবানের এবং তোমাদের অন্তরের। যে মেয়ে নিজের লজ্জা ও পবিত্রতাকে রক্ষা করতে জানে, আল্লাহ তাকে দুনিয়া ও আখিরাতে সম্মানিত করেন।”
আয়েশা অস্ফুট স্বরে বলল, "সবশেষে একটি কথাই বলব—আল্লাহকে ভয় পেয়ো না তাঁর শাস্তির জন্য বরং আল্লাহকে ভয় পেয়ো এই জন্য যে, পাছে তিনি তোমার ওপর অসন্তুষ্ট হয়ে যান। কারণ তাঁর ভালোবাসার চেয়ে দামী আর কিছুই নেই। আল্লাহ বলেছেন—
‘আল্লাহ তাদের ভালোবাসেন এবং তারাও আল্লাহকে ভালোবাসে।’ (সূরা আল-মায়িদাহ, ৫:৫৪)
তোমরা যেন আল্লাহর সেই প্রিয় বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হতে পারো, আমি কেবল সেই দোয়াই করে গেলাম।"
আয়েশা যখন কথাগুলো শেষ করল তখন মাদ্রাসার সেই কক্ষে এক আধ্যাত্মিক আবহ তৈরি হলো। ছাত্রীরা হয়তো বুঝতে পেরেছে যে আয়েশা তার জীবনের নিংড়ানো উপলব্ধিগুলো তাদের রূহে গেঁথে দিচ্ছে।
গভীর রাতে আয়েশা তাহাজ্জুদ নামাজে মগ্ন। জানালার ওপার থেকে চাঁদের রুপালি আলো আয়েশার জায়নামাজকে ছুঁয়ে দিচ্ছে। আয়েশা একাকী বসে আল্লাহর সাথে নিভৃত সংলাপে মগ্ন।
"হে আমার মালিক, আমি যদি তোমার দ্বীনের জন্য সামান্যতম কিছুও করে থাকি, তবে তা কেবল তোমারই দয়া। আমার ভুলগুলো তোমার রহমতের চাদরে ঢেকে দিও। আমি তোমারই আহ্বানে সাড়া দিয়ে ফিরেছিলাম, আজ তোমারই কোলে ঠাঁই পেতে চাই।”
এরপর আয়েশা সিজদায় মাথা রাখল। দীর্ঘ সময় নিয়ে সে সিজদায় পড়ে থাকল। কান্নার শব্দ ছাপিয়ে সেখানে এক অপার্থিব শান্তি বিরাজ করছিল। আয়েশা ফিসফিস করে শেষবারের মতো চাইলেন— "আমায় তোমার জান্নাতের আলোয় ডেকে নিও।”
——————————
ফজরের আজানের ধ্বনি যখন আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত করছিল। ছাত্রীরা তখন তাদের প্রিয় শিক্ষিকা আয়েশার দরজায় কড়া নেড়ে বলল,
"আপু, ফজরের সময় হয়েছে...।”
কিন্তু ভেতর থেকে কোনো উত্তর এলো না।
দরজা ঠেলে ভেতরে ঢুকতেই তারা স্থবির হয়ে গেল। জায়নামাজের ওপর সিজদার ভঙ্গিতে নিথর হয়ে পড়ে আছেন তাঁদের প্রিয় আয়েশা আপু। তাঁর ঠোঁটের কোণে লেগে আছে এক প্রশান্ত হাসি যেন তিনি সিজদায় থাকাকালীন স্বয়ং মালিকের পক্ষ থেকে জান্নাতের সুসংবাদ পেয়ে গেছেন। পাশে পড়ে থাকা খোলা কুরআনের পাতায় তখন ভোরের প্রথম আলো এসে পড়েছে, যেখানে লেখা ছিল:
“হে প্রশান্ত আত্মা! তোমার রবের দিকে ফিরে এসো সন্তুষ্ট ও সন্তোষপ্রাপ্ত হয়ে। প্রবেশ করো আমার বান্দাদের মাঝে এবং প্রবেশ করো আমার জান্নাতে।”
(সূরা আল-ফাজর ৮৯:২৭–৩০)
ঠিক সেই মুহূর্তে লাঠি ভর দিয়ে দরজার সামনে এসে দাঁড়ালেন আয়েশার বৃদ্ধ বাবা। এক সময়ের দাপুটে, দুনিয়াদার এই মানুষটি আজ মেয়ের নূরের স্পর্শে বদলে যাওয়া এক শুভ্র বৃদ্ধ। তিনি মসজিদ থেকে নামাজ শেষ করে কেবল ফিরেছেন।
ছাত্রীদের কান্নার আওয়াজ শুনে তাঁর বুকটা ধক করে উঠল। তিনি কাঁপতে কাঁপতে ঘরের ভেতরে ঢুকলেন। সিজদায় পড়ে থাকা মেয়ের সামনে গিয়ে তাঁর কণ্ঠস্বর আটকে গেল। তিনি মেঝেতে বসে পড়লেন। মেয়ের মাথায় হাত রেখে অস্ফুট স্বরে ডাকলেন— "মা? ওরে আমার মা আয়েশা... আজ কি তুই বাবাকে ফেলে সেই মায়ের কাছেই চলে গেলি?”
বৃদ্ধ বাবার চোখের লোনা জল আয়েশার নিথর পিঠের ওপর আছড়ে পড়তে লাগল। তিনি স্মৃতির পাতায় ফিরে গেলেন—সেই দিনগুলোর কথা, যখন আয়েশা অন্ধকার পথে হারিয়ে গিয়েছিল। তিনি তাকে শাসন না করলেও তার মা করেছিলেন, কিন্তু ভালোবেসে ফিরিয়ে আনতে পারেননি। আয়েশা নিজে আল্লাহর নূরে সিক্ত হয়ে ফিরে এসে কেবল নিজেকেই বদলায়নি, এই বৃদ্ধ বাবাকেও জাহান্নামের কিনারা থেকে হাত ধরে জান্নাতের পথে টেনে এনেছে।
তিনি ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠে বলতে লাগলেন—
"মা রে, তুই না আমায় শিখিয়েছিলি তাওবা করতে? তুই না বলেছিলি মানুষের মৃত্যু মানে শেষ নয়, বরং নতুন শুরু? আজ আমার ঘরে সেই নূর নেভানোর আগে আমাকে কেন নিয়ে গেলে না মা? কে এখন আমার শিয়রে বসে কুরআনের আয়াত পড়ে আমাকে শান্ত করবে?”
পিতার এই বিলাপ যেন বাতাসের প্রতিটি কণা ভারি করে তুলছিল। তিনি আয়েশার শীতল কপালে শেষ একটি চুমু খেয়ে আকাশপানে হাত তুললেন— "হে আল্লাহ! আমার মেয়েটি তোমার পথে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিল। সে আমাকে পথ দেখিয়েছে, হাজারো মেয়েকে কলঙ্ক থেকে বাঁচিয়ে সম্মানের পথে এনেছে। তুমি তাকে কবুল করে নাও মালিক... তুমি তাকে তোমার জান্নাতের সর্বোচ্চ শিখরে রেখো।”
সেদিন কেবল আয়েশার বাবাই কাঁদেননি, কেঁদেছিল পুরো মাদ্রাসা, কেঁদেছিল ঢাকার সেই রাজপথ যেখানে আয়েশা একদিন পথ হারিয়েছিল আর কেঁদেছিল সেই হাজারো নারী যারা আয়েশাকে দেখে নিজেদের জীবন বদলেছিল।
আয়েশা আজ নেই, কিন্তু তাঁর রেখে যাওয়া জায়নামাজটি আজও সাক্ষী দিচ্ছে তাঁর প্রতিটি রাতের সিজদার, প্রতিটি অশ্রুবিন্দুর। সে শিখিয়ে দিয়ে গেছে —মানুষ যত বড় পাপীই হোক না কেন, আল্লাহর দয়া তার চেয়েও বিশাল।
আয়েশার জানাজায় যখন হাজারো মানুষের ঢল নামল, তখন সবার মুখে একটিই কথা ছিল—
"আমরা একজন সাধারণ মানুষকে হারাইনি, আমরা হারিয়েছি আমাদের পথের আলোকবর্তিকাকে।" আয়েশা চলে গেছেন, কিন্তু তাঁর রেখে যাওয়া 'নূরের উত্তরাধিকার' ছড়িয়ে পড়েছে ঘর থেকে ঘরে।
আয়েশা আজ পার্থিব জগতের সীমানা ছাড়িয়ে চলে গেছেন, কিন্তু তাঁর রেখে যাওয়া নূরের মহিমা আজ বিশ্বজুড়ে এক জীবন্ত অলৌকিকতা। “নূরের ছায়া” আজ কেবল ইট-পাথরের কোনো প্রতিষ্ঠান নয়; এটি কোটি নারীর আত্মমর্যাদা, পবিত্রতা এবং অস্তিত্বের এক দুর্ভেদ্য দুর্গ। তাঁর এই ত্যাগের ফসলে মরুভূমিতে ফুটেছে বিশ্বাসের পুষ্পরাজি, আর তাঁরই স্মৃতিকে অম্লান রাখতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে— “আয়েশা ইনস্টিটিউট ফর ইসলামিক উইমেন এমপাওয়ারমেন্ট”।
সেখানে প্রতিটি ক্লাসের শুরুতে শিক্ষকরা আজও শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন সেই মেয়েটিকে, যে একদিন অন্ধকারে হারিয়ে গিয়েও নূরের সন্ধান পেয়েছিল।
"আমরা তাঁকে চর্মচক্ষে আর দেখি না সত্য, কিন্তু তিনি আমাদের রক্তে ও রূহে এক চরম সত্য বুনে দিয়ে গেছেন —আল্লাহর পথে ফেরা মানে কেবল নিজের পরিবর্তন নয়, বরং অন্যের জীবনকেও আলোকিত করা।”
————————
এক সময়কার সেই পথভ্রষ্ট শহুরে মেয়েটি আজ কোটি কোটি ব্যাকুল তরুণীর ধ্রুবতারা। তাঁর জীবন ছিল এক দীর্ঘ তাওবার উপাখ্যান, এক নিঃশব্দ কান্নার বিজয়গাথা। আল্লাহর যে নূর তাঁর হৃদয়ের শূন্যতায় একদিন বসন্ত এনেছিল, সেই নূর আজ তাঁর অবর্তমানেও প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে প্রস্ফুটিত হয়ে চলেছে।
সূর্য ডুবে গেলে যেমন আকাশে নক্ষত্ররা জেগে ওঠে, আয়েশাও তেমনি পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে আজ আমাদের চেতনার আকাশে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে ভাস্বর। তার রেখে যাওয়া ডায়েরির শেষ পঙ্ক্তিটি আজও সকলের হৃদয়ে প্রতিধ্বনিত হয় —
“এই ধরাতলে সবচেয়ে সুন্দর প্রত্যাবর্তন হলো আল্লাহর দিকে ফিরে আসা। আমি অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিলাম, আল্লাহ আমাকে নূরের পথ দেখিয়েছেন। এখন আমার দায়িত্ব—সেই আলো পৃথিবীর শেষ প্রান্ত পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়া।”
★সমাপ্ত★
[ লেখিকার কলম থেকে পাঠিকাদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা — আসসালামু আলাইকুম আমার জোনাকি পাখিরা। #নূরের_পথে_ফিরে_আসা গল্পটি কিন্তু কোনো কাল্পনিক গল্প না। এটা হয়তো আপনারা ইতোমধ্যেই জানেন। হতে পারে আয়েশা আমাদের মধ্যেই কেউ একজন। যে ভুল করেছিল, ভুল পথে গিয়েছিল। কিন্তু দয়াময় আল্লাহর অসীম রহমতে সে ইসলামের পথে ফিরে এসেছিল এবং সেখানেই সে আসল উদ্দেশ্য খুঁজে পেয়েছিল।
এই গল্পের প্রতিটি প্রার্থনা যেন আপনাদের হৃদয়েও আল্লাহর প্রতি ভালোবাসার এক নতুন স্পন্দন তৈরি করে। মনে রাখবেন, আপনার অতীত যাই হোক না কেন আল্লাহর তওবার দরজা আপনার জন্য সবসময় খোলা। আয়েশা যদি অন্ধকারে হারিয়ে গিয়েও নূরের সন্ধান পেতে পারে, তবে আপনি কেন নয়?
আয়েশা চলে গেছে, কিন্তু তাঁর আদর্শ এখনো আমাদের মাঝে জীবন্ত। আপনারা যারা এই স্বল্প যাত্রা জুড়ে আয়েশার জীবনযাত্রায় শামিল হয়েছেন, আপনাদের জন্য একটি আনন্দের সংবাদ নিয়ে আসছি। তবে আপনারা কি এই গল্পের দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ চান?]
আমার লেখা সকল ইসলামিক গল্প পড়তে চাইলে আমার এই নিচের দেওয়া লিংকে ফলো দিয়ে রাখুন।
https://www.facebook.com/share/1DFdrtMU7h/