᪥🩸#𝑩𝒍𝒐𝒐𝒅𝒕𝒐𝒖𝒄𝒉🩸᪥
#𝗪𝗿𝗶𝘁𝗲𝗿_𝗠𝗮𝗿𝗶𝗮𝗺_𝗛𝗼𝘀𝘀𝗮𝗶𝗻
#𝐏𝐚𝐫𝐭⦄• 14
✿❃ᚔᚓᚔᚓᚔᚓᚔ❉ᚔᚓᚔᚓᚔᚓᚔ❃✿
🚫⛔নাম ও হ্যাশট্যাগ ছাড়া কপি করা কঠোর ভাবে নিষিদ্ধ।⛔🚫
✿❃ᚔᚓᚔᚓᚔᚓᚔ❉ᚔᚓᚔᚓᚔᚓᚔ❃✿
ক্যাথিড্রালের সেই প্রাচীন কক্ষটি এখন নীল মোমবাতির আলো আর চন্দনের গন্ধে মাতাল হয়ে আছে। বাইরে লাল চাঁদটা মেঘের আড়ালে ঢাকা পড়লেও ঘরে রিভানের চোখের রক্তিম আভা পুরো পরিবেশকে এক আদিম উত্তেজনায় ভরিয়ে দিয়েছে। রিভান দিলরুবাকে সেই বিশাল রাজকীয় শয্যায় শুইয়ে দিয়ে তার ওপর ঝুঁকে পড়ল। আজ আর কোনো বাধা নেই, কোনো সামাজিক শৃঙ্খল নেই—দিলরুবা এখন আইনত এবং আত্মিকভাবে রিভানের অর্ধাঙ্গিনী।
রিভান তার বলিষ্ঠ হাত দিয়ে দিলরুবার মুখের ওপর থেকে সেই লম্বা ওড়নাটি সরিয়ে দিল। দিলরুবার কম্পিত ঠোঁট আর লজ্জিত চোখের চাহনি রিভানের ভেতরের শতাব্দী প্রাচীন তৃষ্ণাকে এক নিমেষে জাগিয়ে তুলল। রিভান তার আঙুল দিয়ে দিলরুবার গলার সেই রুবি লকেটটি স্পর্শ করল, যা দিলরুবার বুকের ওঠানামার সাথে সাথে কাঁপছে।
❝আজ থেকে তোমার শরীরের প্রতিটি কণা আমার স্বাক্ষরিত দলিল।❠
রিভান তার গম্ভীর আর নেশাতুর কণ্ঠে ফিসফিস করে বলল।
সে দিলরুবার শুভ্র গাউনের ফিতেগুলো এক এক করে খুলতে শুরু করল। প্রতিটি পরত খোলার সাথে সাথে রিভানের স্পর্শে এক ধরণের পৈশাচিক অধিকারবোধ ফুটে উঠছিল। রিভান তার নগ্ন বুক দিলরুবার বুকের সাথে লেপ্টে দিল। দিলরুবা অনুভব করল রিভানের সেই পাথুরে শরীরের শীতলতা এখন আগুনের মতো উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।
রিভান নিচু হয়ে দিলরুবার বুকের বৃন্তে নিজের ঠোঁট রাখল। তার সেই আদিম কামড় নয়, বরং এক দীর্ঘ আর গভীর চোষণে দিলরুবা শিউরে উঠে রিভানের প্রশস্ত কাঁধ আঁকড়ে ধরল। রিভানের হাত এখন দিলরুবার উরুর ভেতরের দিকে অগ্রসর হচ্ছে, যেখানে তার আঙুলের প্রতিটি ছোঁয়ায় দিলরুবা এক অদ্ভুত যন্ত্রণাময় সুখে চোখ বুজে ফেলল।
❝এ্যা এ্যারোন... আর পারছি না… পি প্লিজ।❠
দিলরুবা অস্ফুট স্বরে আর্তনাদ করে উঠল।
রিভান এক পৈশাচিক হাসি দিল। সে দিলরুবার দুপায়ের মাঝখানে নিজের জায়গা করে নিল। সে তার নিজের ঠোট কামড়ে ধরে সামান্য চিরে এক ফোঁটা রক্ত দিলরুবার ঠোঁটে লেপ্টে দিল।
❝আমার প্রাণ, আমার দিল!.. আজ রাতে আমাদের শরীর আর আত্মা এক হয়ে যাবে।❠
দিলরুবা যখন রিভানের সেই রক্ত পান করল, তার শরীরের 'পিউর ব্লাড' যেন এক অলৌকিক বিদ্রোহ শুরু করল। সে অনুভব করল তার ভেতরের সমস্ত মানবিক জড়তা ভেঙে চুরমার হয়ে যাচ্ছে। রিভান যখন চূড়ান্তভাবে দিলরুবার শরীরের গভীরে প্রবেশ করল, তখন গির্জার সেই প্রাচীন দেয়ালগুলো যেন এক আদিম শক্তির কম্পনে কেঁপে উঠল।
রিভানের গতি ছিল বন্য আর হিংস্র, কিন্তু তাতে ছিল এক অদ্ভুত মায়া। সে দিলরুবাকে এমনভাবে ভোগ করল যেন সে কোনো মোমের পুতুল, আর রিভান তার একমাত্র উপাসক। রিভানের দীর্ঘ নখগুলো দিলরুবার পিঠের চামড়ায় গভীর আঁচড় কাটল, যা ব্যথার চেয়েও বেশি মাদকতা ছড়িয়ে দিল। দিলরুবা তার হাত দিয়ে রিভানের মুখটা নিজের দিকে টেনে নিয়ে এক সর্বগ্রাসী চুম্বনে হারিয়ে গেল।
সেদিন রাতে সেই পরিত্যক্ত ক্যাথিড্রালের নিস্তব্ধতা ভেঙে কেবল তাদের দ্রুত নিঃশ্বাস আর হৃদস্পন্দনের শব্দ প্রতিধ্বনিত হতে লাগল। রিভান দিলরুবাকে তার বাহুবন্ধনে এমনভাবে পিষে ফেলল যে তাদের চামড়ার তলার রক্তগুলো যেন একই ছন্দে বইতে শুরু করল। রিভান দিলরুবার কানের কাছে তার শেষ ঘোষণা দিল—
❝এখন থেকে মৃত্যুও আমাদের আলাদা করতে পারবে না। তুমি আমার চিরকালীন দিল, আর আমি তোমার অভিশপ্ত
ভালোবাসা।❠
ঘোর কাটার পর রিভান দিলরুবাকে নিজের ডানার আড়ালে জড়িয়ে ধরে শুয়ে রইল। দিলরুবা বুঝতে পারল, সে আর সেই সাধারণ মানুষ নেই; সে এখন এক ভ্যাম্পায়ার কিং-এর একমাত্র নেশা, যার জন্য রিভান পুরো পৃথিবী ছারখার করে দিতে পারে।
ভোরের আলো যখন ক্যাথিড্রালের ভাঙা জানালার রঙিন কাঁচ ভেদ করে ভেতরে এল, তখন চারপাশটা এক অপার্থিব সৌন্দর্যে ছেয়ে গেছে। রিভান তখনো দিলরুবাকে তার বিশাল বাহুবন্ধনে আগলে রেখেছে, যেন একটু আলগা করলেই এই মানবী ভোরের কুয়াশার মতো মিলিয়ে যাবে। দিলরুবা চোখ মেলল। তার শরীরে কালরাতের সেই উন্মত্ততার ক্লান্তি, কিন্তু মনে এক অদ্ভুত স্থিরতা। সে এখন রিভানের আইনত এবং রক্তে সই করা স্ত্রী।
রিভান দিলরুবার কপালে এক দীর্ঘ চুম্বন এঁকে দিল।
❝আজ থেকে তুমি যেখানেই যাবে, তোমার এই গলার রক্তিম চিহ্ন পৃথিবীকে মনে করিয়ে দেবে যে তুমি কার। তৈরি হও, আজ আমরা তোমার সেই প্রিয় হসপিটালে যাব। আমি চাই ওই ডক্টর আরিয়ান স্বচক্ষে দেখুক আমার শাহজাদী কে।❠
দিলরুবা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। রিভানের এই ঈর্ষা যেন এক ভয়ংকর নেশা। সে সাদা ডক্টর অ্যাপ্রনটা আবার গায়ে জড়াল, কিন্তু আজ সেই অ্যাপ্রনের নিচ দিয়ে রিভানের দেওয়া হিরের লকেট আর ঘাড়ের সেই কালচে লাল 'ব্লাড-মার্ক' স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে।
রিভানের কালো লিমুজিন যখন হসপিটালের গেটে থামল, তখন পুরো হসপিটাল স্টাফ যেন থমকে দাঁড়াল। রিভান নিজে গাড়ি থেকে নেমে দিলরুবার হাত ধরল। তার আজ আর কোনো লুকোছাপা নেই। সে দিলরুবাকে করিডোর দিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় তার কোমরে এমনভাবে হাত রাখল, যা এক চূড়ান্ত মালিকানা প্রকাশ করে।
ডক্টর আরিয়ান করিডোরে দাঁড়িয়ে ফাইল চেক করছিলেন। রিভান আর দিলরুবাকে একসাথে দেখে তার হাতের ফাইলটা মেঝেতে পড়ে গেল। তার নজর গেল দিলরুবার ঘাড়ের সেই বিশেষ চিহ্নের দিকে। একজন ডাক্তার হিসেবে সে ভালো করেই জানে, ওটা কোনো সাধারণ অ্যালার্জি বা ক্ষত নয়—ওটা এক আদিম দংশনের চিহ্ন।
❝ডক্টর দিলরুবা... আপনি ঠিক আছেন?.?..❠
আরিয়ান এগিয়ে আসার চেষ্টা করতেই রিভান এক অলৌকিক গতিতে আরিয়ানের সামনে গিয়ে দাঁড়াল।
রিভানের উচ্চতা আর তার শরীরের সেই হিমশীতল আভা আরিয়ানকে স্থবির করে দিল। রিভান আরিয়ানের খুব কাছে গিয়ে তার চোখে চোখ রাখল। রিভানের চোখের মণি এখন টকটকে লাল।
❝সে এখন ডক্টর দিলরুবা ক্রিমসন।❠ রিভান খুব ধীর এবং শীতল গলায় বলল।
তার এক হাত আরিয়ানের কাঁধে এমনভাবে চেপে বসল যে আরিয়ানের হাড় মটমট করে উঠল।
❝আমার স্ত্রীর স্বাস্থ্যের চিন্তা করা তোমার কাজ নয়। নিজের সীমা মনে রেখো ডক্টর, নইলে এই হসপিটাল তোমার সমাধিস্থল হতে বেশি সময় লাগবে না।❠
দিলরুবার কেবিনে ঢুকে রিভান দরজায় তালা দিয়ে দিল। সে দিলরুবাকে টেবিলের ওপর বসিয়ে তার দুই পাশে হাত রাখল।
❝আমি দেখেছি আরিয়ান তোমার দিকে কীভাবে তাকাচ্ছিল। আমি চাইলে এখনই ওর জিভটা ছিঁড়ে ফেলতে পারি।❠
❝এ্যারোন, ও আমার সহকর্মী! তুমি কেন এত হিংস্র হচ্ছ?.?..❠
দিলরুবা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করল।
রিভান দিলরুবার অ্যাপ্রনের কলারটা একটু সরিয়ে সেই ব্লাড-মার্কটা জিভ দিয়ে আলতো করে চাটল।
❝কারণ আমি স্বার্থপর। আমি চাই না কোনো বাতাসের ঝাপটাও তোমাকে আমার অনুমতি ছাড়া স্পর্শ করুক।❠
সে পকেট থেকে একটি ছোট ইনজেকশন বের করল। তাতে এক ধরণের সোনালী তরল।
❝এটি কোনো ওষুধ নয়। এটি আমার দেওয়া সুরক্ষা। আজ থেকে যখনই কেউ তোমাকে ভুল নজরে দেখবে বা স্পর্শ করতে চাইবে, তোমার শরীর থেকে এক ধরণের বিষাক্ত আভা নির্গত হবে যা তাদের অবশ করে দেবে।❠
ঠিক তখনই রিভানের ফোনের স্ক্রিনে একটা মেসেজ ভেসে উঠল। মেসেজটি এসেছে এক অজানা নম্বর থেকে।
❝শুভ বিবাহ, মিস্টার ক্রিমসন। তবে মনে রাখবেন, পিউর ব্লাড-এর মিলন মানেই অভিশাপের জাগরণ। আজ রাত থেকেই মিস্টহ্যাভেনের মৃত পিশাচেরা জাগতে শুরু করবে। আপনার শেহজাদীকে সামলে রাখুন।❠
— এড্রিয়ান।
রিভান মেসেজটা দেখে অট্টহাসি দিয়ে উঠল। সে দিলরুবাকে আবার নিজের সাথে জাপটে ধরল।
❝এড্রিয়ান হয়তো জানে না, রিভান ক্রিমসন তার দিলের জন্য পুরো পৃথিবী পুড়িয়ে ছাই করে দিতে পারে। আজ রাতে আমরা শহরের সেরা নাইটক্লাবে যাব। আমি চাই সারা শহর দেখুক—আমার অন্ধকার কতটা সুন্দর।❠
ᚔᚔᚔᚔᚔᚔᚔᚔ
হসপিটালের সেই থমথমে পরিস্থিতি পেছনে ফেলে রিভান দিলরুবাকে নিয়ে যখন তার ব্ল্যাক লিমুজিনে ফিরল, তখন শহরের আকাশজুড়ে কালো মেঘের ঘনঘটা। রিভানের চেহারায় এখন এক অজেয় আত্মতৃপ্তি। সে দিলরুবার হাতটা নিজের হাতের মুঠোয় নিয়ে আঙুলের গিঁটগুলোতে আলতো করে চুমু খেল। তার স্পর্শে এখন কেবল প্রেম নয়, বরং এক বিশাল সাম্রাজ্যের অধিপতির দম্ভ মিশে আছে।
শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ১০০ তলা বিশিষ্ট একটি গগনচুম্বী অট্টালিকা, যার চূড়ায় রক্তবর্ণের নিয়ন আলোয় জ্বলজ্বল করছে একটি লোগো—
❝C.P.I❠
(The Crimson Power Industries)।
শহরবাসী জানে এটি একটি গ্লোবাল টেক জায়ান্ট এবং ইনভেস্টমেন্ট ফার্ম, কিন্তু কেউ জানে না এই বিশাল ইমারতের প্রতিটি ইটের নিচে রিভানের শতবর্ষের জমানো রক্ত আর সম্পদ মিশে আছে। দিলরুবাকে এই সাম্রাজ্য সম্পর্কে এখনো অন্ধকারে রেখেছে রিভান। তার কাছে দিলরুবা কেবল তার হৃদস্পন্দন, ব্যবসার কোনো ঘুঁটি নয়।
❝আমরা কোথায় যাচ্ছি এ্যারোন?.?.
পেন্টহাউসে তো এই পথ নয়।❠
দিলরুবা জানালা দিয়ে বাইরের অচেনা রাস্তা দেখে প্রশ্ন করল।
❝আজ আমাদের উদযাপনের রাত, দিল।❠
রিভান তার গম্ভীর স্বরে বলল।
তার এক হাত এখন দিলরুবার উরুর ওপর, যা ধীরে ধীরে ওপরের দিকে উঠে আসছে।
❝পুরো শহর আজ জানবে, ক্রিমসন সাম্রাজ্যের সম্রাজ্ঞী কে। আমরা যাচ্ছি ‘দ্য ভল্ট’-এ।❠
‘দ্য ভল্ট’ হলো শহরের সবচেয়ে অভিজাত এবং গোপন নাইটক্লাব, যা আসলে দ্যা ক্রিমসন পাওয়ার ইন্ডাস্ট্রি-র একটি শাখা। এখানে কেবল রিভানের অনুমতিপ্রাপ্ত লোকেরাই প্রবেশ করতে পারে।
ক্লাবের সামনে গাড়ি থামতেই একদল ব্ল্যাক-স্যুট পরা গার্ড মাথা নিচু করে দাঁড়াল। রিভান গাড়ি থেকে নেমে দিলরুবার কোমর জড়িয়ে তাকে নিজের শরীরের সাথে মিশিয়ে ভেতরে নিয়ে গেল। ভেতরে মৃদু ভায়োলিনের সুর আর দামী মদের গন্ধে এক মায়াবী পরিবেশ।
রিভান যখন দিলরুবাকে নিয়ে ভিআইপি লাউঞ্জে বসল, তখন ক্লাবের প্রতিটি মানুষ—যাদের মধ্যে শহরের বাঘা বাঘা ব্যবসায়ী আর প্রভাবশালী ব্যক্তিরা আছে—সবাই উঠে দাঁড়াল। দিলরুবা অবাক হয়ে দেখল, রিভানের এক ইশারায় সবাই মাথা নত করছে। সে ভাবতে শুরু করল, রিভান কি কেবল একজন ভ্যাম্পায়ার প্রিন্স, নাকি এই আধুনিক শহরের অর্থনীতির নাটাইও তার হাতে?
রিভান দিলরুবাকে তার কোলের ওপর টেনে নিল। লাল মখমলের সেই সোফায় রিভানের দুপায়ের মাঝখানে বসে দিলরুবা এক অদ্ভুত অস্বস্তি আর উত্তেজনার দোলাচলে দুলতে লাগল। রিভান তার গ্লাসের লাল পানীয় (যা আসলে ভ্যাম্পায়ারদের জন্য বিশেষ ওয়াইন) দিলরুবার ঠোঁটে ছোঁয়াল।
❝একটু স্বাদ নাও, আমার দিল। এটি তোমাকে আজকের রাতের বাকি সময়ের জন্য উন্মাতাল করে দেবে।❠
রিভান ফিসফিস করে বলল।
দিলরুবা কয়েক চুমুক দিতেই তার মাথা হালকা হয়ে এল। রিভান এবার তার ঠোঁট নামিয়ে আনল দিলরুবার পিঠের খোলা অংশে। তার জিবের উষ্ণ আর আর্দ্র ছোঁয়ায় দিলরুবা কেঁপে উঠল। ক্লাবের সেই ভিড়ের মাঝেও রিভানের কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। সে দিলরুবার কানের লতিতে দাঁত দিয়ে মৃদু চাপ দিয়ে বলল,
❝সবাই দেখছে তোমাকে, আর জ্বলছে। কারণ তারা জানে, তোমার এই শরীরের প্রতিটি ভাঁজ কেবল আমার আঙুলের ছোঁয়া চেনে।❠
রিভান দিলরুবার ড্রেসের নিচ দিয়ে তার হাত চালিয়ে দিল। সেই উন্মুক্ত উত্তেজনায় দিলরুবার মুখ দিয়ে এক অস্ফুট গোঙানি বেরিয়ে এল। রিভান তাকে নিজের দিকে ঘুরিয়ে নিয়ে তার ঠোঁট দুটোকে এক সর্বগ্রাসী চুম্বনে পিষে ফেলল। আজ রাতে রিভান কেবল স্বামী নয়, সে এক ক্ষুধার্ত মালিক—যে তার সম্পত্তিকে সবার সামনে অন্ধকার ছোঁয়া দিচ্ছে।
ঠিক তখনই রিভানের সেক্রেটারি, এক সুন্দরী রোবটিক চেহারার নারী, এসে রিভানের কানে কিছু একটা বলল।
❝স্যার, ক্রিমসন পাওয়ার ইন্ডাস্ট্রি-র বোর্ড মিটিং শুরু হতে যাচ্ছে। নতুন ল্যাবের প্রজেক্ট সাকসেসফুল।❠
রিভান একটু হাসল। দিলরুবা প্রশ্নাতুর দৃষ্টিতে তাকালে সে তার কপালে চুমু খেয়ে বলল,
❝ব্যবসায়িক কিছু জটিলতা, আমার দিল। তুমি চিন্তা করো না। আমি যা করছি, তা কেবল আমাদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করার জন্য।❠
দিলরুবা জানত না, এই 'ল্যাব' আসলে রিভানের সেই গোপন প্রজেক্ট, যেখানে মানুষের কৃত্রিম রক্ত বা 'সিন্থেটিক পিউর ব্লাড' তৈরির কাজ চলছে—যাতে সে পৃথিবীকে নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে।
✤ᚔᚓᚔᚓ✤✥
—চলবে—?.?...
✤ᚔᚓᚔᚓ✤✥