ফন্ট সাইজ:
থিম:
Blood Touch

২৩তম পর্ব

লেখক: মারিয়াম হোসাইন

᪥🩸#𝑩𝒍𝒐𝒐𝒅𝒕𝒐𝒖𝒄𝒉🩸᪥

#𝗪𝗿𝗶𝘁𝗲𝗿_𝗠𝗮𝗿𝗶𝗮𝗺_𝗛𝗼𝘀𝘀𝗮𝗶𝗻

#𝐏𝐚𝐫𝐭⦄• 𝟐𝟑

✿❃ᚔᚓᚔᚓᚔᚓᚔ❉ᚔᚓᚔᚓᚔᚓᚔ❃✿

🚫⛔নাম ও হ্যাশট্যাগ ছাড়া কপি করা কঠোর ভাবে নিষিদ্ধ।⛔🚫

✿❃ᚔᚓᚔᚓᚔᚓᚔ❉ᚔᚓᚔᚓᚔᚓᚔ❃✿

পেন্টহাউসের স্টাডি রুমে রিভান তখন অস্থিরভাবে পায়চারি করছিল। হঠাৎ ল্যাবের এনার্জি ডেস্কে লুইসের রক্তমাখা ছায়াশরীর এসে আছড়ে পড়ল। রিভান এক লহমায় এগিয়ে গিয়ে লুইসকে ধরে ফেলল।

❝মাস্টার... আমি... আমি নিয়ে এসেছি...❠

লুইস কাঁপতে কাঁপতে পাত্রটি রিভানের হাতে দিয়ে অজ্ঞান হয়ে গেল।

❝লুকাস! এক্ষুনি লুইসকে সিক্রেট চেম্বারে নিয়ে যাও আর ওর ক্ষত পরিষ্কার করো!❠

রিভান আদেশ দিয়ে পাত্রটি নিয়ে দ্রুত বেডরুমে ছুটে গেল।

বেডরুমে কায়রাভ তখন তীব্র জ্বরে ছটফট করছে। তার ছোট ছোট দাঁতগুলো মাড়ি চিরে বের হতে চাইছে, আর চোখ দুটো বন্ধ অবস্থাতেই লাল আভা ছড়াচ্ছে। দিলরুবা বিছানায় বসে ছেলেকে জড়িয়ে ধরে কাঁদছে।

❝দিলরুবা, সরো! জল এসে গেছে।❠

রিভান বিছানায় উঠে বসল।

সে নিজের হাতের কব্জিটা আবার চিরে দিল। রাজকীয় লাল রক্ত টপটপ করে পড়তে লাগল সেই নীল জলের ভেতর। জল আর রক্তের এই মিলনে পুরো পাত্র থেকে এক অপার্থিব বেগুনি আলো ঠিকরে বেরোলো।

রিভান কায়রাভের মাথাটা একটু উঁচিয়ে ধরে সেই মিশ্রণের কয়েক ফোঁটা তার মুখে দিল। জলটুকু কায়রাভের গলায় নামা মাত্রই এক অলৌকিক কাণ্ড ঘটল।

কায়রাভের পুরো শরীর এক ঝটকায় ধনুকের মতো বেঁকে গেল। তার গায়ের সমস্ত কাপড় সেই ভেতরের উত্তাপে পুড়ে ছাই হয়ে গেল। দিলরুবা ভয়ে রিভানের বুক খামচে ধরল। রিভান দিলরুবাকে এক হাতে শক্ত করে নিজের বুকের সাথে লেপ্টে নিল, তার অন্য হাতটা তখন কায়রাভের পেটের ওপর রাখা।

কায়রাভের শ্বেতশুভ্র নগ্ন শরীর থেকে এক ধরণের কালো ধোঁয়া আর নীল বিদ্যুৎ বের হয়ে পুরো বেডরুমের আলো-বাতাসকে স্তব্ধ করে দিল। তার পিঠের চামড়ার নিচে ভ্যাম্পায়ার রাজবংশের সেই প্রাচীন উইংস বা ডানার হাড়গুলো এক মুহূর্তের জন্য ভেসে উঠে আবার মিলিয়ে গেল। ওর শরীরের সমস্ত মানবীয় দুর্বলতা আর রোগ এক সেকেন্ডে পুড়ে খাক হয়ে গেল। কায়রাভ এক তীব্র, পৈশাচিক চিৎকার দিয়ে চোখ মেলল। ওর চোখের মণি এখন আর সাধারণ ভ্যাম্পায়ারের মতো কেবল লাল নয়; ওটা রিভানের চেয়েও গাঢ়, এক রাজকীয় রক্তিম দ্যুতিতে জ্বলছে।

ছেলের এই পূর্ণতা পাওয়ার পর ঘরের ভেতরের ঝড় থামল। কায়রাভ শান্ত হয়ে বিছানায় শুয়ে পড়ল। ওর গায়ের তাপমাত্রা এখন একদম স্বাভাবিক, এক শীতল শান্তিময় অনুভূতি। ও গভীর ঘুমে তলিয়ে গেল—তবে এবার আর যন্ত্রণার ঘুম নয়, ওটা এক অপরাজেয় রাজপুত্রের ক্লান্তিহীন বিশ্রাম।

দিলরুবা ছেলের এই শান্ত রূপ দেখে রিভানের বুকে মাথা রেখে ডুকরে কেঁদে উঠল।

❝ও ঠিক আছে তো, এ্যারোন?.?.❠

❝ও এখন সম্পূর্ণ সুরক্ষিত, দিল। ও এখন এই পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী হাইব্রিড।❠

রিভান দিলরুবার চিবুকটা ধরে তার মুখটা ওপরে তুলল। রিভানের চোখে এখন এক আদিম আসক্তি আর তীব্র অধিকারবোধের আগুন। ছেলে সুস্থ হতেই তার ভেতরের সেই ওভার-পসেসিভ পুরুষটা আবার জেগে উঠেছে।

সে দিলরুবাকে এক ঝটকায় নিজের নিচে চেপে ধরল। তিন বছর ধরে যে নারী তার সন্তানকে বুকে নিয়ে পৃথিবীর ধুলোবালিতে কষ্ট পেয়েছে, তাকে আজ রাতে নিজের প্রতিটি কোষে মিশিয়ে নিতে চায় রিভান। সে দিলরুবার নগ্ন কাঁধে, তার স্তনযুগলের নিবিড়ে নিজের ধারালো ঠোঁট ডুবিয়ে দিল। দিলরুবা আর বাধা দিল না; সে রিভানের এই বন্য, পৈশাচিক ভালোবাসার গভীরতা খুব ভালো করেই চেনে।

রিভান যখন চূড়ান্ত তীব্রতায় দিলরুবার শরীরের প্রতিটি ভাঁজ উন্মত্তের মতো ভোগ করছিল, তখন সে দিলরুবার কানের কাছে ফিসফিস করে বলল—

❝তুমি আমার অন্ধকারের সম্রাজ্ঞী, দিলরুবা। আমাদের সন্তান আজ পূর্ণতা পেয়েছে। এবার সময় এসেছে আর্কানাসের সেই বিশ্বাসঘাতকদের বুক চিরে রাজত্ব ছিনিয়ে নেওয়ার। তুমি কেবল আমার পেন্টহাউসের রানী নও, তুমি পুরো ভ্যাম্পায়ার সাম্রাজ্যের সম্রাজ্ঞী হতে চলেছ।❠

এদিকে, আর্কানাসের আন্ডারগ্রাউন্ডে ইলেক্ট্রা যখন জানতে পারল যে লুইস নামের এক অনুপ্রবেশকারী পবিত্র জল চুরি করে নিয়ে গেছে, সে ক্রোধে পাগল হয়ে গেল। সে তার জাদুকরী আয়নার সামনে গিয়ে দাঁড়াল। আয়নার সেই ধূসর ধোঁয়ায় সে দেখতে পেল পৃথিবীর বুকে রিভানের সেই পেন্টহাউস, যেখানে রিভান, দিলরুবা আর এক অত্যন্ত শক্তিশালী ছোট শিশুর অবয়ব ভেসে উঠছে।

❝হাইব্রিড! রিভানের এক সন্তান আছে পৃথিবীতে?!❠

ইলেক্ট্রার মুখ ক্রোধে বিকৃত হয়ে গেল। সে তার তরবারি দিয়ে সেই আয়না চুরমার করে দিল।

❝গার্ডস! পৃথিবীর পোর্টাল আবার খোলো! আমি নিজে যাব ওই মানবী আর ওর অভিশপ্ত বাচ্চাকে টুকরো টুকরো করতে!❠

ᚔᚓᚔᚓᚔᚓᚔᚔᚓᚔᚓᚔᚓᚔ

মেগাসিটির পেন্টহাউসে তখন প্রলয় শেষের এক মায়াবী নিস্তব্ধতা। কায়রাভ বিছানার এক কোণে গভীর ঘুমে মগ্ন—তার তুষারশুভ্র অবয়ব থেকে এখন এক শান্ত, অতিপ্রাকৃত নীল আভা ছড়িয়ে পড়ছে। তিন বছরের তীব্র দহন আর কষ্ট আজ এক রাতের মধ্যেই উধাও হয়ে গেছে। কিন্তু জানালার ওপাশে মেগাসিটির আকাশটা আর স্বাভাবিক নেই; মেঘের স্তরগুলো কেমন যেন জমাট বেঁধে রক্তিম বর্ণ ধারণ করছে।

রিভান বিছানা থেকে নেমে জানালার সামনে গিয়ে দাঁড়াল। তার চোখে এখন আর বিরহ বা অনুশোচনা নেই, সেখানে জ্বলছে এক একচ্ছত্র অধিপতির ক্রূরতা। সে বুঝতে পারছে, আর্কানাসের পবিত্র জল চুরির পর ইলেক্ট্রা আর চুপ করে বসে থাকবে না। মহাবিশ্বের সীমানা পেরিয়ে সেই বিষাক্ত ভ্যাম্পায়ার সেনাপতির ক্রোধ এখন পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে।

দিলরুবা বিছানায় উঠে বসে রিভানের সেই দীর্ঘ, চওড়া পিঠের দিকে তাকিয়ে রইল। তার মনের সমস্ত ভয় কেটে গেছে, কিন্তু এক অজানা আশঙ্কা এখনো তার বুক কাঁপিয়ে তুলছে। সে রিভানের পেছনে এসে দাঁড়াল এবং তার শক্ত পিঠে নিজের কপালটা ঠেকিয়ে দিল।

❝রিভান... আমরা কি আর কখনো শান্তিতে বাঁচতে পারব না?❠ দিলরুবার কণ্ঠস্বরে এক অদ্ভুত ক্লান্তি।

❝ছেলেটা সবেমাত্র সুস্থ হলো...❠

রিভান এক ঝটকায় ঘুরে দাঁড়াল এবং দিলরুবাকে তার চওড়া বাহুবন্ধনে এমনভাবে আবদ্ধ করল যেন সে তাকে নিজের শরীরের ভেতরেই লুকিয়ে ফেলতে চায়। তার সেই চরম ওভার-পসেসিভ হাত দুটো দিলরুবার কোমরের নিচে নেমে এসে তাকে আরও কাছে টেনে নিল। রিভান দিলরুবার কপালে নিজের ঠোঁট ঠেকিয়ে শান্ত কিন্তু হিমশীতল স্বরে বলল—

❝শান্তি মানুষের জন্য, দিলরুবা। আমরা রাজকীয় রক্তের অধিকারী, আমাদের ভাগ্য লেখা হয় শত্রুর রক্ত দিয়ে। তুমি গত তিন বছর অনেক কেঁদেছ, কিন্তু এখন আমি এই পৃথিবীর বুকে এমন এক প্রাচীর তৈরি করব, যা ভাঙার ক্ষমতা স্বয়ং শয়তানেরও নেই।❠

রিভান দিলরুবার ঠোঁটে এক সর্বগ্রাসী, উষ্ণ চুম্বন দিল। তার হাত দুটো দিলরুবার সিল্কের পোশাকের ওপর দিয়ে এক তীব্র কামড়াকামড়ির নেশায় মেতে উঠল, যেন সে তার এই রানীকে আশ্বস্ত করতে চাইছে যে—পৃথিবী ধ্বংস হয়ে গেলেও রিভান ক্রিমসন তার নিজের বুক দিয়ে দিলরুবাকে আগলে রাখবে। মিলন শেষের এই অবশ মুহূর্তেও রিভানের চোখজোড়া লাল হয়ে জ্বলছিল, যা তার পসেসিভনেসের চরম বহিঃপ্রকাশ।

রিভান বেডরুম থেকে বের হয়ে সোজা আন্ডারগ্রাউন্ডের সিক্রেট মেডিকেল চেম্বারে চলে গেল। সেখানে লুইসকে বিশেষ এক কাঁচের জারে ‘সিন্থেটিক ব্লাড’ আর অ্যান্টি-সিলভার লিকুইডের মিশ্রণে ডুবিয়ে রাখা হয়েছে। রিভানের দেওয়া রক্তের শক্তিতে লুইসের পিঠের সেই রুপোর বিষের ক্ষত দ্রুত শুকিয়ে আসছে।

রিভান জারের সামনে গিয়ে দাঁড়াতেই লুইস চোখ মেলল। জারের তরল থেকে মুখ বের করে সে দুর্বল গলায় বলল,

❝মাস্টার... ইলেক্ট্রা জেনে গেছে। ও জাদুকরী আয়নায় রাজপুত্রের অবয়ব দেখে ফেলেছে।❠

রিভানের ঠোঁটে এক পৈশাচিক হাসি ফুটে উঠল।

❝ওকে জানতে দাও, লুইস। আমি নিজেই চেয়েছিলাম ও জানুক। ও ভাবছে আমি এখানে দুর্বল হয়ে বসে আছি। লুকাস!❠

লুকাস মুহূর্তের মধ্যে অন্ধকারের মধ্য থেকে বেরিয়ে এসে মাথা নত করল।

❝ইয়েস, মাস্টার।❠

❝আমাদের ‘ক্রিমসন পাওয়ার ইন্ডাস্ট্রি’-র সমস্ত আন্ডারগ্রাউন্ড ড্রোন আর সুপার-ভ্যাম্পায়ার সোলজারদের অ্যাক্টিভেট করো। মেগাসিটির চারপাশের পোর্টাল এন্ট্রি পয়েন্টগুলোতে ‘রুপোলি লেজার গ্রিড’ বসাও। ইলেক্ট্রা যদি তার বাহিনী নিয়ে এই পৃথিবীতে পা রাখে, তবে এই শহরই হবে ওদের জীবনের শেষ কবরস্থান।❠

সকাল হওয়ার ঠিক আগে, পেন্টহাউসের ঘরে এক অদ্ভুত ঘটনা ঘটল। কায়রাভ চোখ মেলল। কিন্তু এবার আর সে সাধারণ তিন বছরের বাচ্চার মতো চঞ্চল নয়। তার হাঁটার ভঙ্গিতে এক রাজকীয় গাম্ভীর্য। ও ধীরে ধীরে হেঁটে রিভানের স্টাডি রুমে গিয়ে দাঁড়াল, যেখানে রিভান আর দিলরুবা তখন মানচিত্র নিয়ে আলোচনা করছিল।

কায়রাভকে দেখে দিলরুবা ছুটে যেতে চাইল, কিন্তু রিভান তাকে হাত দিয়ে থামাল। রিভান দেখল, কায়রাভের চোখের মণি এখন পুরোপুরি রক্তিম।

❝বাবা❠

কায়রাভের কণ্ঠস্বর আর ছোট বাচ্চাদের মতো আধো-আধো নয়, ওর গলায় এখন এক গম্ভীর অতিপ্রাকৃত অনুরণন।

❝আকাশের ওপার থেকে যারা আমাদের মারতে আসছে, আমি তাদের গন্ধ পাচ্ছি। ওরা খুব নোংরা।❠

রিভান নিজের ছেলের সামনে হাঁটু গেড়ে বসল। সে কায়রাভের ছোট কাঁধে হাত রেখে বলল,

❝তুমি কি ভয় পাচ্ছ, রাজপুত্র?❠

❝না…❠

কায়রাভ এক ক্রূর হাসি দিল, যা হুবহু রিভানের মতো।

❝আমি ওদের রক্ত পান করতে চাই। ওরা মাম্মাকে কষ্ট দিয়েছে।❠

ছেলের মুখে এই কথা শুনে দিলরুবা শিউরে উঠল, কিন্তু রিভান এক পৈশাচিক উল্লাসে হেসে উঠল। সে বুঝতে পারল, আর্কানাসের পবিত্র জল কায়রাভের ভেতরের সেই আদিম রাজকীয় যোদ্ধাকে জাগিয়ে তুলেছে। ও কেবল এক হাইব্রিড চাইল্ড নয়, ও হলো আগামী দিনের ‘ডার্ক কিং’’।

ঠিক সেই মুহূর্তে, মেগাসিটির কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত সেই প্রাচীন পরিত্যক্ত গির্জার ওপর এক বিশাল বজ্রপাত হলো। আকাশের মেঘগুলো চিরে এক বিশালাকার রক্তবর্ণের পোর্টাল খুলে গেল।

সেখান থেকে কালো ঘোড়ায় চড়ে নেমে এল ইলেক্ট্রা। তার পেছনে প্রায় পাঁচ হাজার ব্লাড-গার্ড আর অন্ধকারের দানব বাহিনী। ইলেক্ট্রার হাতের সেই অভিশপ্ত তরবারি থেকে তখন কালো আগুন নির্গত হচ্ছে।

সে মেগাসিটির হাইরাইজ বিল্ডিংগুলোর দিকে তাকিয়ে চিৎকার করে উঠল,

❝রিভান ক্রিমসন! আমি জানি তুমি তোমার ওই নোংরা মানবী আর অবৈধ সন্তানকে নিয়ে এখানে লুকিয়ে আছ! আজ রাতে আমি এই পুরো শহর পুড়িয়ে ছারখার করে দেব, যতক্ষণ না তুমি আমার পায়ের নিচে এসে ক্ষমা চাইছ!❠

ইলেক্ট্রার এই গর্জনে পুরো মেগাসিটির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল। কিন্তু ঠিক তখনই, CPI-এর টাওয়ারের ওপর থেকে এক বিশাল নীল আলোর বিম আকাশের দিকে উঠে গেল। রিভানের ড্রোন বাহিনী অন্ধকার আকাশকে নীল আলোয় ভরিয়ে দিয়ে ইলেক্ট্রার বাহিনীকে ঘিরে ফেলতে শুরু করল।

✤ᚔᚓᚔᚓ✤✥

—চলবে—

✤ᚔᚓᚔᚓ✤✥

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ২৩তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন