ফন্ট সাইজ:
থিম:
সবটাই তুমিময় (সিজন ২)

৪র্থ পর্ব

লেখক: মিথিলা মাশরেকা

#সবটাই_তুমিময়-২

#লেখনীতে:মিথিলা মাশরেকা
পর্ব-৪
এবার খুশি তো আপনি এ এস এ? এবার শান্তি হয়েছে আপনার? বহুরুপি ঠকবাজ লোক একটা! শুনে রাখুন সবাই,এই লোকটা! এই আরিয়ান সার্ফরাজ অঙ্কুর নামে,বিডির ক্রিমেটটিম ক্যাপ্টেন নামের লোকটা এই সব কিছুর জন্য দায়ী! হি ইজ দ্যা মেইন কার্লপ্রিট! ইউরো নাইন্টিন হাইজ্যাকিংয়ের মাস্টারমাইন্ড এই এ এস এ! হি ইজ দ্যা ওয়ান!
অদ্রির কথায় সবাই বিস্ফোরিত চোখে অঙ্কুরের দিকে তাকালো। অঙ্কুরের হেরফের নেই। রাগে কাপছিলো অদ্রি। তানহা অজ্ঞান মেয়েটিকে আস্থার কাছে ছেড়ে ওর সামনে দাড়িয়ে অসহায় চেহারা করে বুঝালো চুপ থাকতে। তৎক্ষনাৎ এক বন্দুকধারী এসে চড় লাগলো অদ্রিকে। পিচঢালা রাস্তায় মুখ থুবড়ে পরলো অদ্রি। ঠোটের কোনায় কেটে গিয়ে ফিনকি দিয়ে রক্ত পরছে। পেছনে বাধা দুহাত মুঠো করে চোয়াল শক্ত করে অন্যদিক তাকিয়ে রইলো অঙ্কুর। অদ্রির সাথের এক লোক এগোতে যাচ্ছিলো ওর দিকে। অদ্রি চেচিয়ে বললো,
-এগোবেন না ক্যাপ্টেন! আমার কথা ভাববেন না! যে ভাবেই হোক,সবাইকে বাচান প্লিজ! ওই এ এস এ...
চুল মুঠো করে ধরে টেনে তুললো ওকে একজন। আবারো ওর মুখ বেধে দেওয়া হলো। হাত আরো শক্তিতে বাধা হলো ওর। লোকটা ওকে ধাক্কা মেরে অন্য আরেকজনের দিকে ঠেলে দিয়ে বললো,
-বলছিলাম পিযুশকে পেলেই ছেড়ে দেবো! বাট শি ইজ....কিল হার!
একজন পেছন থেকে হাত ধরলো অদ্রির,ওকে মারবে বলে। তখনই আওয়াজ এলো,
-পিযুশ ইজ হেয়ার।
দুর থেকে মাইকে বললো কেউ। অদ্রিকে ছেড়ে লোকদুটো উৎসুকভাবে সামনে এগোলো। এরইমাঝে দুরবীন নিয়ে আসলো একজন। রাস্তা থেকে এগিয়ে গেলেই জলাশয়। ওপারে অনেকগুলো লোক দেখা যাচ্ছে। খালি চোখে কিছুই বুঝে উঠলো না অদ্রি বা কেউ। আক্রমনকারীদের একজন মাইক নিয়ে ইংরেজীতে বললো,
-আমাদের আগে পিযুশ চাই।
-আমরা আগে ইউরো নাইন্টিনের প্রত্যেকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাই!
ওরা কিছু একটা ভেবে সবাইকে সারিবদ্ধ করতে লাগলো। রাস্তার পাশের জলাশয়ে বড় একটা লঞ্চ এসে থামলে একে একে সবাইকে তোলা হলো তাতে। চুপচাপ মাথা নিচু করে সবার সাথে পা বাড়ালো অদ্রি। আর কোনোদিক তাকায়নি। বসে রইলো নিচদিক তাকিয়ে। লঞ্চ ছেড়ে দিলো। কিছুটা আসার পর পাশ দিয়ে আরেকটি লঞ্চ চলে গেলো। ওখান থেকে আরো একবার ইংরেজীতে বলা হলো,
-পিযুশ আমাদের সাথে আছে।
একজন এসে হাত খুলে দিলো সবার। হাত ছাড়া পেতেই মুখের বাধন নিজে থেকে খুলে অদ্রি দাড়িয়ে গেলো। আশেপাশে সবাই ওর সহযোগী আর যাত্রী। হাত,মুখ খোলা সবারই। হুশ ফিরলো ওর। ওদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিনিময়ে কুখ্যাত সন্ত্রাসীকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আর এ সবটার পেছনে দায়ী অঙ্কুর। চেচিয়ে বললো,
-এ সবকিছু এ এস এ...
-প্লিজ আহানা! নট নাও। প্লিজ!
শান্তভাবে কপাল চেপে ধরে বললো ক্যাপ্টেন। অদ্রি তারদিকে এগিয়ে বললো,
-বাট ক্যাপ্টেন,এসবের জন্য যে দায়ী,তাকে এভাবে...
তানহা বললো,
-প্লিজ চুপ কর আহানা। এখন কেউই তোর এসব শোনার অবস্থায় নেই।
-কিন্তু তানহা,এ এস এ'ই এসব...
আস্থা ওকে ঠেলে বসিয়ে দিলো আবারো। উচ্চস্বরে বললো,
-এতোবড় একটা বিপদ থেকে বেচে ফিরেছি,কোথায় উপরওয়ালার শুকরিয়া আদায় করবি! তা না এ এস এ কে নিয়ে পরেছিস কেনো তুই আহানা? এমন করছিস কেনো?
-কারন এসব উনিই প্লান করে করেছেন। ইউরো নাইন্টিন হাইজ্যাকিংয়ে উনি জরিত! ও্ ওরা এ এস এ কে স্যার বলছিলো আস্থা! আমি নিজে কানে শুনেছি! আ্ আর ওই মুখোশ পরা লোকটা? উ্ উনি আর কেউ নয়,এ এস এই ছিলো! তুই...
-জাস্ট স্টপ ইট আহানা! এনাফ ইজ এনাফ!
ক্যাপ্টেনের ধমকে কেপে উঠলো অদ্রি। বিরক্তির শ্বাস ফেললো তানহা আস্থা। ওরা চেনে অদ্রিকে। একটা সন্দেহ যখন ওর মাথায় বসে যায়,যতোক্ষন না সেটা নিয়ে সন্দেহ কাটছে,অদ্রি থামার নয়। ক্যাপ্টেন উঠে অদ্রি দিকে এগিয়ে বললো,
-এ এস এ বিডির ক্রিকেটটিমের ক্যাপ্টেন! তার দিকে পুরো বিডি তাকিয়ে আছে! সে নাগরিক দায়িত্ব যেমন পালন করে,তেমনি মানবিক দায়িত্বপালনের প্রমানও রেখেছে! তার পুরো লাইফের নজির আছে আমাদের সবার কাছে আহানা! আর তুমি তখন সব্বার সামনে,লাইক সবার সামনে বলেছো,ওই টেরোরিস্ট টিমের লিডার এ এস এ? হাউ ডেয়ার ইউ টু সে দ্যাট? হাউ ক্যান ইউ ইভেন থিংক আবাউট ইট?
-বাট ক্যাপ্টেন...
-কোনো প্রমান আছে তোমার কথার?
অদ্রি চুপ করে রইলো। ক্যাপ্টেন আবারো বললো,
-দেন উইল ইউ প্লিজ কিপ কোয়ায়েট আহানা? আমি কিন্তু তোমাকে আমার ছোটবোনের চোখেই দেখি এবং ভালোবাসি। আমি...আমি চাইনা তোমাকে আর কিছু বলে অপমান করতে। 
চোখ ভরে উঠলো অদ্রির। আজ অবদি কোনোদিন ইউরো নাইন্টিনের কোনো ক্রিউ মেম্বার কড়া গলায় কথা বলে নি ওর সাথে। সেখানে ক্যাপ্টেন এভাবে বলায়। মাথা নামিয়ে নিলো ও। সত্যিই তো! ওর এসব কথার কোনো মানে হয়না কারো কাছে। কোনো প্রমান নেই ওর কাছে। মাথার চুল উল্টে ধরে বসে রইলো ও। ক্যাপ্টেন শান্তভাবে কিছু বলে গেলো,কানে যায়নি ওর। আস্থা বুকে হাত গুজে চুপচাপ দাড়িয়ে। তানহা এসে অদ্রির কাধে হাত রেখে বললো,
-এতো স্ট্রেস কেনো নিচ্ছিস আহানা? আমাদের তো খুশি হওয়া উচিত,আমরা সবাই সেইফ আছি। তাইনা?
একপলক ওর দিকে তাকিয়ে আবারো চুপ রইলো অদ্রি। বিপদ কি আদৌও কেটে গেছে? নাকি বিপদ সাথে নিয়েই সাচ্ছন্দে নতুন বিপদের দিকে চলেছে ওরা?
•
লঞ্চের এককোনে হাতল শক্তহাতে ধরে জলরাশির দিকে তাকিয়ে অঙ্কুর। যেখান থেকে লঞ্চ ছেড়েছে,জায়গাটা এখনো আবছা দেখা যায়। পিযুশকে পাবার উৎসব চলছে ওখানে এতোক্ষনে। রোহান আস্তেধীরে ওর পাশে এসে দাড়ালো। কেবিনে বাকি খেলোয়াররা অদ্রির কথাকে গুরুত্বই দেয়নি। সবাই আরো অঙ্কুরকেই বোঝাচ্ছিলো,সাধারন একটা মেয়ের কথাকে গুরুত্ব না দিতে। তাই ও বিষয়টা বিষয়ই না কোনো অঙ্কুরের কাছে। রোহান একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললো,
-অনেক বেশি রিস্ক নিয়ে ফেলেছিলি অঙ্কুর।
-উপায় ছিলো না।
অঙ্কুরের দিকে ফিরলো রোহান। কিছুটা অভিমান নিয়েই বললো,
-তোর কি মনে হয়? বাকিটাও তোর ভাবনার মতোই ঘটবে তো?
-এটুকোতেই আমার ভাবনার বাইরের অনেককিছু ঘটে গেছে রোহান। বাকিটুকে আমার ভাবনার মতোই ঘটবে আমি জানি। কিন্তু নিজেকে কোনোদিনও ক্ষমা করতে পারবো না আমি।
রোহান বিস্ফোরিত চোখে তাকালো ওর দিকে। অঙ্কুর চোয়াল শক্ত করে বললো,
-ছেলেটাকে মেরে দিয়েছে ওরা রোহান। একটা মেয়ের সবে সিথিতে ওঠা সিদুর মুছে দিয়েছে ওরা। কোনো এক মায়ের কোল খালি করে দিয়েছে ওরা। কোনো এক বোনের দাদা বলে ডাকার জায়গাটা কেড়ে নিয়েছে ওরা রোহান! অনেকগুলো মানুষের স্বপ্ন ধুলিসাৎ করে দিয়েছে ওরা ওই ছেলেটাকে মেরে! ওরা তো...
অঙ্কুর আরো উত্তেজিত হয়ে যাচ্ছিলো। ওর কাধে হাত রাখলো রোহান। বললো,
-হুম। তোর বারন থাকা সত্ত্বেও এয়ারহোস্টেজসহ অনেকেরই গায়ে হাত তুলেছে ওরা। আহানিতাকে তো...
ওর কথা শেষ হওয়ার আগেই ঘুরে উঠে দেয়ালে দুটো ঘুষি লাগালো অঙ্কুর। রোহান অবাক হলো না। শান্তভাবে বললো,
-টেক ইট ইজি অঙ্কুর। রিল্যাক্স!
-ইউ নো আই কান্ট।
রোহান বুঝলো টপিক পাল্টানো জরুরি। বললো,
-কোথায় যাচ্ছি?
-সিডনে বিচ।
ভ্রু কুচকে তাকালো রোহান। অঙ্কুর বললো,
-ম্যাচ ডিলে হবে,বাট ক্যান্সেল হতে দেবো না। এই ব্লাডি টেরোরিস্টদের জন্য তো নয়ই! বিডির আরেকটা কাপ ঘরে তোলা এখনো বাকি। 
কথাটা বলেই চলে গেলো অঙ্কুর। তাচ্ছিল্যে হাসলো রোহান। মৃদ্যস্বরে বললো,
-মিস আহানিতা সিদরাতুল,উরফ অদ্রি,ভুল মানুষের সাথে জরিয়ে গেছো এবার তুমি। তুমি যদি নিজেকে আড়াল করবে বলে ভেবে থাকো,এ এস এ নিজেই তোমাকে আড়াল করা বলয় হয়ে তোমাকে চিনে নেবে।
রোহান আড়াল হতে দেখলো অঙ্কুরকে। হাতে থাকা স্টপওয়াচটা মুঠোতেই ঘুরোতে ঘুরোতে অঙ্কুর যাত্রীদের কেবিনের দিকে এগোচ্ছে। রাত গভীর হয়েছে। একটা কেবিন থেকে কিছুর আওয়াজ শুনতেই থেমে গেলো ওর পা। দাড়িয়ে গেলো দরজাতেই। ভেতর থেকে কেউ ঠান্ডা আওয়াজে হিন্দিতে বলছে,
-আপনি জানেন? এই হৃদটাকে কতো সুন্দর দেখাচ্ছে চাদের আলোতে? আপনি না বলেছিলেন,একসাথে চাঁদ দেখবো আমরা। তাহলে কেনো আমাকে ছেড়ে চলে গেলেন বলুনতো? কেনো...
সহ্য হলো না অঙ্কুরের। আবারো লঞ্চের কিনারায় দাড়িয়ে রেলিং মুঠো করে নিলো ও। কেউ বলে উঠলো,
-এসবের জন্য আপনি দায়ী।
গলার স্বর চিনে চোখ বন্ধ করে নিলো অঙ্কুর। করিডর জুড়ে আপাতত কেউ নেই। ক্লান্তি,ভয় সব মিলিয়ে সবাই আপনজনদের নিয়ে একসাথেই কেবিনের ভেতরে। অদ্রি এসেছিলো মেয়েটাকে দেখবে বলে। অঙ্কুরকে দেখে এগিয়ে আসলো ওর দিকে। জলভরা চোখে বললো,
-কেনো এমন করলেন আপনি? পিযুশের মতো ক্রিমিনালকে ছাড়াতে,ইউরো নাইন্টিন হাইজ্যাকিং করাতে,এতোবড় বিশ্বাসঘাতকতা করতে একবারও বাধলো না আপনার? কেনো করলেন এমন?
অঙ্কুর চোখ মেললো। হঠাৎই অদ্রির দুগাল ধরে কপালে কপাল ঠেকিয়ে বললো,
-প্লিজ! আমাকে আর কষ্ট দিও না। সত্যিই খুব কষ্ট হচ্ছে আমার! খুব কষ্ট হচ্ছে!
অদ্রি বিমুঢ়। কিছুক্ষনের জন্য যেনো ওর চারপাশ থেমে গেলো। পরপরই অঙ্কুরের বুকে ধাক্কা দিয়ে নিজেকে ছাড়িয়ে নিলো ও। বললো,
-আপনাকে বারন করেছি আমার কাছে না আসতে!
অঙ্কুর চোখ বন্ধ করে নিজেকে সামলানোর চেষ্টা করলো। তারপর চোয়াল শক্ত করে বললো,
-যা করেছি ঠিক করেছি। যা করবো,ঠিকই করবো! এন্ড তুমি কিছুই করতে পারবে না আমার!
অঙ্কুরের আত্মবিশ্বাস,গর্ব দেখে দমে গেলো অদ্রি। ঘৃনা নিয়ে বললো,
-এতোজনকে ভয়ে রেখেছেন,একজনকে মেরে ফেলে তার আপনজনদের স্বপ্ন,আশা শেষ করে দিয়েছেন,এতোবড় একজন অপরাধী আপনার জন্য জেলের বাইরে। আর কি করবেন আপনি? আর কি করা বাকি আছে আপনার? 
-এয়ারস্ট্রাইক বোঝো?
অদ্রি শিওরে উঠলো। এয়ারস্ট্রাইট মানে তো বিমানহামলা। কিন্তু সেটা কোথায়? কেনো? অঙ্কুর কেনো বললো এর কথা? অঙ্কুর ওর দিকে ফিরে বললো,
-তুমি যা যা বললে,এ সবেরই কনসিকুয়েন্স আছে অদ্রি। ধুলিসাৎ করে দেবো! জাস্ট ওয়েটিং ফর দ্যা মোমেন্ট! ওয়েটিং!
বিপ শব্দ আসলো অঙ্কুরের হাতের ছোট্ট স্টপওয়াচ থেকে। বাকা হেসে অঙ্কুর বললো,
-এন্ড ইটস্ দ্যা মোমেন্ট নাও!
বিকট শব্দে পাশে তাকালো অদ্রি। ওদের যেখান থেকে লঞ্চে আনা হলো,পুরো দ্বীপটাই জ্বলছে। এতোদুর থেকেই ভয়ানক রুপে জ্বলন্ত দ্বীপটার প্রতিচ্ছবি হৃদের পানিতেও দেখা যাচ্ছে। অঙ্কুর একমুহুর্ত দাড়ালো না। সরে গেলো ওখান থেকে। বিস্ফোরনের জায়গা থেকে চোখ সরিয়ে অঙ্কুরকে খুজতে লাগলো অদ্রি। ততোক্ষনে শব্দ শুনে কেবিন থেকে বেরিয়ে এসেছে সব। বিস্ময়ে দেখে চলেছে দুরের সন্ত্রাসবাদদের আস্তানার জ্বলন্ত দশা। প্রশ্নের বহর সকলের মনপ্রান জুরে,কি ঘটেছে ওখানে। অদ্রি ছলছল চোখে নিচদিক তাকালো। ওর প্রশ্ন,কিছুক্ষন আগে কি ঘটলো এখানে?
#চলবে...
[ গল্প কাল্পনিক। রিচেইক হয়নি।
গল্প সম্পর্কিত আড্ডা দিতে জয়েন করুন মিথিমহল। গ্রুপ লিংকঃ
https://www.facebook.com/groups/233416685257163/?ref=share_group_link ]

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ৪র্থ পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন