#গোধূলির_রক্তিম_শিখা
#লেখনীতে_পরিনিতা
(কপি করা সম্পূর্ণ নিষেধ, রিপোস্ট ও কেউ করবেন না, চাইলে লিংক শেয়ার করতে পারেন।)
নকিপুর গ্রামের এক স্কুল মাস্টারের একমাত্র ছেলে অনিক হাওলাদার। অনিক উচ্চ মাধ্যমিক দিবে এবার। কিন্তু বয়স তার মোটেও কম না। প্রায় ২৫-২৬ বছর তার। ছোটবেলা থেকেই বাঁদরামি করে করে বছর বাড়িয়েছে। সবসময় স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষার সময় ই ফাঁকি দিতো। কিন্তু অনিকের বাবা হোসেন হাওলাদার সে স্কুলের ই শিক্ষক। তিনি ছেলেকে মোটেও প্রশ্রয় দেননি। সে ক্লাসেই রেখে দিতেন। অনিকও তেমনি ত্যাড়া আর একরোখা স্বভাবের। বাবার সাথে তার বনিবনা নেই বললেই চলে।
অনিকের মা-বাবা দু'জনেই তার ভবিষ্যৎ নিয়ে বেশ চিন্তিত। সেদিন ও এক ছেলেকে ঘুষি দিয়ে দাঁত ভেঙে ফেলেছে। নেহাত অনিকের বাবা একজন সমাজের গণ্যমান্য ব্যাক্তি তাই কেউ সামনে এসে কিছু বলে না। কিন্তু এভাবে আর ক'দিন?
অনিকেদের বাড়িটা সাড়ে ৮ গন্ডা জমির উপর তৈরি করা হয়েছে। এ বাড়িতে অনিকেরা আর তার কাকা থাকেন। বাড়ির এ প্রান্তে অনিকদের টিনের ভিটা পাকা চৌচালা ঘর আর ও প্রান্তে তার কাকার ঘর তাদেই মতই। মাঝখানে বিশাল এক উঠান। বাড়ির চারপাশে টিনের বেড়া।
অনিক বিছানার উপর উপুড় হয়ে শুয়ে শুয়ে গুনগুন করে গান গাইছিলো।
হটাৎ তার বাবা ঘরে ঢুকলেন। অনিক টেরও পেলো না নিজের মতো গান গাইতে থাকলো।
হোসেন হাওলাদার (অনিকের বাবা) হাতের টিফিনবাক্সটা জোরে আওয়াজ করেই রাখলেন টেবিলের উপর। তা দেখে অনিক ধড়পড় করে উঠে চোরের মত চাহনি দিয়ে আরচোখে বাবার দিকে তাকালো।
হোসেন হাওলাদার মেজাজ আজ চাঙ্গে উঠে আছে যেনো। ও রুম থেকে একটা লুঙ্গি হাতে নিয়ে গোসল করার জন্য পুকুরের দিকে গেলেন।
অনিক উঁকি দিয়ে দেখলো কোথায় গেলো আসলে তার বাবা। কিন্তু উঁকি দিতেই নজরে এলো তার অন্য কিছু,
উঠানের ওপার থেকে ই পায়ে ঝুনঝুন শব্দ করে এক রমনি হাসিহাসি মুখ করে এদিকেই আসছে।
দুপাশে দুলছে তার কোমর অব্দি লম্বা চুলের বিনুনি। মেয়েটার গায়ের রঙ উজ্জ্বল শ্যামবর্ণের।
স্কুলের পোশাক এখনও গায়ে থেকে না ছেড়ে ই দিব্যি ঢেং ঢেং করে এদিকে আসছে।
অনিক ভ্রু কুঁচকে তাকিয়ে রইলো সেদিকে ই।
মেয়েটা এসে অনিকের দিকে তাকিয়ে যেনো ব্যাঙ্গ করে ই বললো,
" কি হাওলাদার সাব? আম্নে নাকি আজকে সুপারি চুরি করতে গেছিলেন?"
অনিক ওর মাথায় গাট্টা মেরে বললো,
" আমারে দেখলে কি তোর চোর মনে হয়? আমি হইলাম সিনেমার হিরো। হিন্দি সিনেমা নায়কদের দেখছ না? ওইরকম। ধ্যাত আমি কারে কি বলি তোর মতো ক্যাঙ্গারু আবার দেখবে হিন্দি সিনেমা। ছাড় তো।"
মেয়েটা কোমরে হাত দিয়ে বললো,
"ঢং কম করো। আমি আর জেঠা একসাথে ই এসেছি আজ স্কুল থেইকা। তোমার নামে সমির চাচায় বিচার দিছে। আজকে তোমার খবর নিয়া ছাড়বো জেঠায়। আর তা দেখে আমি ধেই ধেই করে নাচবো। এহ আসছে রে আমার হিন্দি সিনেমার হিরো। "
মেয়েটা যেভাবে ঢেং ঢেং করতে করতে এসেছিলো। পুনরায় সেভাবেই নাচতে নাচতে চলে গেলো।
অনিক পেছন থেকে হাত উঁচিয়ে মেয়েটাকে ডেকে উঠলো,,
" প্রেমা, এই প্রেমা...."
প্রেমা এদিক ঘাড় ঘুরিয়ে অনিকের দিকে তাকিয়ে বললো,
" কি সমস্যা ষাঁড়ের মতো চেচাচ্ছো কেনো?"
অনিক ভাব নিয়ে অন্য দিকে ঘুরে বললো,
" আজ ভেবেছিলাম সুপারিগুলো বিক্রি করে একটা হিন্দি সিনেমা দেখতে যাবো। তারপর তোকে এসে কাহিনীগুলো বলবো, কিন্তু যা শুরু করে দিয়েছিস তা মনে হয় আর হচ্ছে না।"
ব্যাস হয়ে গেলো, প্রেমা সুর সুর করে অনিকের পাশে এসে দাঁড়িয়ে বললো,
" আমি জেঠাকে বলবো বুঝিয়ে। নতুন সিনেমা এসেছে দেখে আসিও আর আমাকে কিন্তু কইবা মনে কইরা। আর তুমি কিন্তু কইছিলা আমাকে একদিন নিবা সিনেমা দেখতে। নিবা না?"
অনিক একটা ভেংচি কেটে প্রেমার মাথায় গাট্টা মেরে বললো,,
"চোখের সামনে জলজ্যান্ত হিরো দাঁড়িয়ে থাকতে আবার কেনো হিন্দি সিনেমার হিরোদের দেখতে হবে তোর? "
অনিক ঘরের ভেতর চলে গেলো,,,
এদিকে প্রেমা গালে হাত দিয়ে অনিকের যাওয়ার পানে তাকিয়েই রইলো, আর বিড়বিড় করে বলতে লাগলো,,
" সে তো সে-ই কোন ছোটবেলা থেকে ই দেখে আসছি। তুমি যে কবে বুঝবা!!"
প্রেমা মেয়েটা এবার ক্লাস নাইনে পড়ে। বেশ চঞ্চল স্বভাবের একটা মেয়ে। সারাদিন বনেবাদাড়ে ঘুরে বেড়ানোর শখ তার। মেয়েটার চালচলন ও বেশ নজরকাড়া। বাড়ির সবার চোখের মনি সে। সম্পর্কে মেয়েটা অনিকের একমাত্র চাচাতো বোন হয়।
____________
পাটোয়ারী বাড়িতে আজ বেশ উৎসব লেগেছে যেনো।সকাল থেকেই বিশাল আয়োজন চলছে। তার একমাত্র কারণ হলো, আজ আহসান পাটোয়ারীর বাবা আহমেদ পাটোয়ারীর মৃত্যুবার্ষিকী। যুদ্ধে তিনিও শহিদ হয়েছিলেন। সকাল থেকে ই ফুল আজ রান্নাঘরে। কয়েকজন আলাদা মেয়েকে আনা হয়েছে সাহায্য করার জন্য কিন্তু সব কাজ এখন একা হাতে ফুলকেই সামলাতে হচ্ছে। নিশি সবগুলো মেয়েকে ডেকে নিয়ে অযথা কাজ দিয়ে বসিয়ে রেখেছে। মেহেরুন আর ফুল মিলেই সবটা করছে।
সচরাচর কারো সামনের ফুলের যাওয়া পছন্দ করেন না আহসান পাটোয়ারী। তার আত্নীয় স্বজনদের অনেকের ই উড়তি বয়সী ছেলেপেলে রয়েছে। ফুলের দিকে তারা কিরকম করে যেনো তাকায়। তাই আহসান পাটোয়ারী বাড়ির কোন অনুষ্ঠান হলে বা কেউ আসলে তাদের সামনে না যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে তাকে।
ফুল রান্নাঘরে গরুর মাংস রান্না করছিলো।প্রায় ৫ ঘন্টা যাবৎ সে রান্না করেই চলেছে একের পর এক পদ।
" তোমার কানের দুল গুলো দিও তো। আহসান বলেছে।"
ফুল দেখলো নিশি এসেছে,
এ কানের দুল গুলো বিয়ের প্রথম রাতে তাকে আহসান উপহার হিসেবে দিয়েছিলো। তারপর সে আর কখনোই এ দুল জোড়া খুলে নি।
" আমার জিনিস তোমাকে কেনো দিতে হবে? "
নিশি সামনের চুলগুলো বাঁকিয়ে বাঁকিয়ে বললো,
" যেখানে গোটা মানুষটাকেই নিয়ে নিলাম সেখানে সামান্য দুল জোড়ার জন্য ও কৈফিয়ত দিতে হবে? "
ফুল কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে দুল জোড়া খুলে দিয়ে দিলো,,
নিশি চলে যাওয়ার পর মেহেরুন বললো,,
" ও চাইলো আর তুমি দিয়ে দিলা, কেমনতরা মাইয়া মানুষ তুমি কেমনে সহ্য করো?"
ফুল চুলায় বসা মাংস নাড়তে নাড়তে বললো,,
" শুনলে না কি বলে গেলো, আসলে আমি কোনদিন ওনার কেউ তো ছিলাম ই না। স্বামীর মন আমি কখনও পাইনি। ভালোবাসা কি আমি উপলব্ধি করি নি কখনও, এ তিনবছরে শুধু উপলব্ধি করেছি এক বর্বর মানুষকে। আমার সাথে কোনদিন হেঁসে কথা বলেননি উনি, কখনও খাইয়ে দেওয়া তো দূর, ওনার চেয়ারের পাশে মেঝেতে বসে আমাকে খাবার খেতে হয়, কিন্তু দিব্যি ওই মেয়েটার প্রতি উনি যত্নশীল পুরুষ হয়ে ধরা দিলেন, যত্ন করে উড়তে থাকা চুল সরিয়ে দেন ওর, খাবার খাইয়ে দেন। ও ঠিকই বলেছে যেখানে গোটা মানুষটাকেই নিয়ে নিলো সেখানে এ আর এমন কি?"
ফুল কাজে মনযোগ দিলো।
মেহেরুন দেখতে লাগলো এ ভুবনমোহিনী গোলাপের মত সুন্দর এ রমনীকে। কি সুন্দর মায়া এ মেয়ের মুখে। চার গ্রাম মিলিয়ে ও এমন সৌন্দর্যের অধিকারী মেয়ে নেই বললেই চলে। এমন মেয়েকে ও কেউ ঠকায়? আচ্ছা এদের কি মায়া লাগে না??
____________
বিকালের দিকেই পাটোয়ার বাড়ি আত্নীয় স্বজনে ভরে উঠলো। সন্ধ্যায় মিলাদ খাওয়ানো হবে। জমিদার বাড়ির মিলাদ বলে কথা। আশেপাশের গ্রাম থেকে ও অনেক মানুষজন আসতে শুরু করেছে ইতিমধ্যে ই।
ফুল নিজের রুমের বারান্দায় আনমনে দাঁড়িয়ে আছে। বাইরে বইতে থাকা মৃদু বাতাসে তার চুলগুলো উড়ছে। সারাদিন কাজ করে মেয়েটা সবেমাত্র রুমে এলো। এখনও গোসল ও করা হয়নি।
ফুলের হটাৎ মনে পড়ে যায় তিন বছরকার আগের দিনগুলো। কতই না সুন্দর ছিলো সেদিন গুলো। সে থ্রি পিস পড়তো। ওড়না মাথায় দিয়ে নদীর পাড়ে দিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা একা একা বসে থাকতো। তা নিয়ে তার আম্মা কতই না আপত্তি ছিলো।
বাড়িতে আসলেই একটা লাঠি দিয়ে তেড়ে এসে বলতো,,
" দিনদুপুরে যে নদীর ধারে গিয়া বসছ, ভরদুপুরে নদীর তীরে যে তানারা থাকে জানছ না? একবার শরীরে বাসা বাঁধলে তাড়ানো মুশকিল হয়ে যাবে।"
আম্মা সবসময় ই এমন লাঠি নিয়ে তেড়ে আসতো কিন্তু মারতো না। ক্যান যে আম্মায় মারতো না, ছোটবেলা থেকে মারলে তো অন্তত অভ্যাসটুকু ও হয়ে যাইতো। এ বয়সে এসে আর এসব অনাকাঙ্ক্ষিত লাগতো না।
তারপর আম্মায় বৃষ্টির রাতে, ফয়সালেরে আর আমারে কত রাজা-রানির গল্প শুনাইতো। সাতসমুদ্র তেরো নদী পার হয়ে রাজকুমার আসতো রাজকন্যার জন্য। আম্মায় সবসময় আমারে উদাহরণ দিয়ে বলতো, ওই রাজকন্যাটা একবারে আমার ফুলের মতই সুন্দর ছিলো। কিন্তু আম্মারে কে বুঝাইবো, বাস্তব জীবনে এমন রাজকুমার নেই, সেসব কল্পনার কল্পলোকেতেই মানায়। আম্মায় আরেকটা কাজ আমার সাথে অন্যায় করছে, আম্মায় ছোটবেলায় আরও কত, ভুত-জন্তু-জানোয়ারেগো গল্প শুনাইছে, কিন্তু মানুষরূপী অমানুষগুলোরে ক্যান যে চিনাইলো না। চাঁদের বুড়ির গল্প শুনাইছে কিন্তু যারা চাঁদের গায়ে কলঙ্ক আকঁলো তাদের গল্প শুনাইলো না।
নিজের মধ্যে বিড়বিড় করতে করতে, ফুল হালকা হেঁসে বললো,
" আম্মারে দোষ দিয়া কি লাভ তারা কি জানতো নাকি যে আমি সূচনাতেই মাঝ নদীতে ভাসবো?"
অতঃপর ফুল বারান্দা থেকে চলে গিয়ে গোসলখানা তে গেলো।
এদিকে,,
আহসানের মামাতো ভাই সুরেশ। সে ফুলের থেকে ২-৩ বছরের বড় হবে। বেশ সুদর্শন ছেলেটা।
এ বাড়িতে এ তিন বছরে তার আহসান ভাইয়ের বউকে দেখতে এসেছে সে বহুবার। কিন্তু একবার ও চোখের দেখা দেখেনি সে। তার মা-বোনের কাছে শুনেছে আহসান ভাইয়ের বউটা নাকি আগুন সুন্দরী।
সুরেশ নিচতলায় বসে বসে বেশ কয়েকবার আহসান ভাইয়ের বদ্ধ দরজার দিকে তাকালো। কিন্তু প্রতিবারের মতো সে এবারও আশাহত হলো।
নিশি সুরেশের চালচলন লক্ষ করলো। মনে মনে সে একটা ঘৃণ্য চক্রান্ত ও কষে ফেললো।
নিশি সুরেশের হাতে টমেটোর ঝুরি দিয়ে বললো,,
" সুরেশ ভাইয়া ছোট ভাবির কাছে এগুলো দিয়ে আসেন। বলবেন এগুলো যেনো কেটে রাখে একটু পরেই মিলাদে খাবার খাওয়ানোর সময় এগুলো লাগবে।"
সুরেশ যেনো আকাশের চাঁদ হাতে পেলো। এ সুযোগে সে আহসান ভাইয়ের বউকে দেখতে ও পাবে।
নিশির হাত থেকে টমেটোর ঝুরি টা নিয়ে সে আহসানের রুমের দিকে গেলো।
রুমের দরজা হালকা করে ভেজিয়ে রাখা ছিলো। আহসান রুমে গিয়ে দেখলো কেউ নেই রুমে। আহসান দাঁড়িয়ে ই রইলো ভাবলো, এখানেই দাঁড়াই আছে হয়তো কোথাও, রুমে আসলে তো দেখতে পাবোই। তাছাড়া আর সুযোগ নেই সে আগুন সুন্দরীকে দেখার।
এদিকে,,
আহসান পাটোয়ারী বাইরে তদারকি শেষ করে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করা মাত্র ই
দেখলো নিশি দাঁড়িয়ে আছে।
পেছন থেকে নিশিকে আলতো হাতে জড়িয়ে ধরলো আহসান। ওর ঘাড়ে নাক ঘষতে লাগলো।
নিশি সেসব পাত্তা না দিয়ে বললে,,
" সুরেশ ভাইয়া তোমার রুমে গেলো প্রায় ঘন্টা খানেক হলো এখন ও বের হলো না। কি করছে রুমের দরজা ভেজিয়ে রেখে কে জানে!!"
ওর কথাটা শোনামাত্র ই আহসান নিশির ঘাড় থেকে নিজের মুখটা সরিয়ে উপরে নিজের রুমের দিকে তাকালো,
তখনই সুরেশ বেরিয়ে এলো। সুরেশের হাতে সে-ই টমেটোর ঝুরিটা রয়েছে। সে এদিক-ওদিক তাকিয়ে যেনো কিছু খুঁজলো কিন্তু পেলো না।
আহসান নিশির কাছ থেকে সরে গিয়ে দ্রুত পায়ে রুমে গেলো।
রুমে গিয়ে এদিক-ওদিক তাকিয়ে খুঁজলো ফুলকে। কিন্তু দেখতে পেলো না।
মিনিট দুয়েক পর গোসলখানার দরজা খোলার আওয়াজ হলো। আহসান তাকালো সেদিকে, দেখলো ফুল মাথায় গামছা পেচিয়ে খয়েরী রঙের একটা শাড়ি পড়ে গোসল সেড়ে বের হচ্ছে। গা থেকে এখনও টপটপ করে পানি পড়ছে মেয়েটার যেনো তাড়াহুড়ো করে গোসল সেরে বের হলো।
আহসানের এমন চাহনির মানে ফুল বুঝে উঠতেই পারলো না। ভেজা কাপড় হাতে নিয়েই সে ভ্রু কুঁচকে তাকিয়ে রইলো স্বামীর দিকে।
এদিকে, দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে থেকে নিশি সমস্তটা দেখলো। সে যেমনটা চাইছে তেমনটাই হয়েছে বিধায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে পরের তামাশা দেখার জন্য অপেক্ষা করছে।
চলবে....