ফন্ট সাইজ:
থিম:
প্রনয়ের বৃষ্টি

৩য় পর্ব

লেখক: নাজমিন

#প্রণয়ের_বৃষ্টি #writer_nazmin ‌ #part_3

🚫কপি করা নিষিদ্ধ

নিজের রুমে বসে বই পড়ছিল মেঘলা। স্নিগ্ধা হঠাৎ দরজা খুলে ঢুকে বলল,

—এই শুন! কালকে নাকি ফার্স্ট ইয়ারদের ইন্ট্রো সেশন আছে।

মেঘলা একটু ভয় পেয়ে বলল,

—ইন্ট্রো সেশন মানে রেগিং না তো?

স্নিগ্ধা কাঁধ ঝাঁকিয়ে বলল,

—কিছুটা, তবে সবাই খারাপ না।

*****

পরদিন ক্যাম্পাসের এক কোণে সবাইকে দাঁড় করানো হলো।কয়েকজন সিনিয়র সামনে এসে দাঁড়াল।ওদের মধ্যে একজন সকলের সামনে দাঁড়িয়ে।চোখে সানগ্লাস, মুখে অহংকার।ওর নাম রাকিব।

—নতুনরা, নিজেদের পরিচয় দাও!

রাকিব কঠিন গলায় বলল।এক এক করে সবাই পরিচয় বলতে লাগল।মেঘলার পালা আসতেই ও একটু কাঁপা গলায় বলল,

—আ..আমি মেঘলা। অর্থনীতি বিভাগ।

রাকিব বাঁকা হাসলো,

—অর্থনীতি?বেশ বেশ!তা কবিতা জানো?

—জি একটু আকটু।

—তাহলে একটা প্রেমের কবিতা শোনাও,কিন্তু কাঁদতে কাঁদতে!

রাকিবের সাথে দাঁড়ানো সিনিয়রদের মাঝে হাসির রোল পড়ে গেল।মেঘলার চোখে পানি চলে এল।ও কিছু বলতে পারছিল না।ঠিক তখনই পেছন থেকে একটা গলা ভেসে এলো।

—এনাফ, রাকিব!

সবাই ঘুরে তাকালো।আরিয়ান দাঁড়িয়ে আছে।রাকিব বিরক্ত হয়ে বললো,

—তুই এখানে কেন?

আরিয়ান শান্ত গলায় বললো,

—ওরা নতুন। ওদের সাথে এসব করিস না।

রাকিব ঠোঁট বাঁকিয়ে বললো,

—হটাৎ এত চিন্তা?

আরিয়ান এগিয়ে এসে বলল,

—আমি যা বলছি, সেটা কর।

পরিস্থিতি হঠাৎ থমথমে হয়ে গেল।রাকিব কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে বললো,

—ঠিক আছে, আজকে ছেড়ে দিলাম।

মেঘলা চুপচাপ দাঁড়িয়ে ছিল।সে আরিয়ানের দিকে কৃতজ্ঞতার দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে।

*****

পরদিন লাইব্রেরিতে বসে বই খুঁজছিল মেঘলা।হঠাৎ তার হাত থেকে বই পড়ে গেল।

—সবসময় কেয়ারফুল থাকা উচিত।

পরিচিত গলার স্বর শোনা গেলো।মেঘলা পিছনে তাকিয়ে দেখল আরিয়ানকে।ও মিষ্টি হেসে বলল,

—কালকের জন্য ধন্যবাদ।

আরিয়ান মাথা নাড়িয়ে বলল,

—কোনো ব্যাপার না। আসলে ওরা মাঝে মাঝে লিমিট ছাড়িয়ে যায়।

মেঘলা একটু চুপ থেকে বলল,

—আপনি না থাকলে আমি হয়তো কাঁদতেই শুরু করতাম।

—কাঁদা খারাপ না। কিন্তু নিজেকে দুর্বল ভাবা খারাপ।

মেঘলা মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে রইল।ঠিক তখনই আরিয়ানের পাশে একটা স্টাইলিশ মেয়ে এসে দাঁড়াল।

—হাই আরিয়ান,আমায় মিস করছিলে নাকি?

মেয়েটি হেসে বলল।আরিয়ান একটু অস্বস্তি ও ক্রোধ নিয়ে বলল,

—ইশিতা, প্লিজ!যাও এখান থেকে।

ইশিতা মেঘলার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞাসা করলো,

—ফ্রেশার‌?

মেঘলা শুধু মাথা নাড়ল।ইশিতা ঠোঁট বাঁকিয়ে বলল,

—সাবধানে, নিজের লিমিটে থেকো।

এই বলে ও চলে গেলো।মেঘলার বুকটা কেমন করে উঠলো।ও আস্তে করে বললো,

—উনি কে?

আরিয়ান কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললো,

—অতীত!

লাইব্রেরির নীরবতায় একটা অদ্ভুত টান তৈরি হয়।

চলবে...🌼

🗨️এটি আমার লেখা প্রথম গল্প।তাই ভুল-ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।গল্পটি ভালো লাগলে বেশি বেশি লাইক কমেন্ট শেয়ার করবেন।হ্যাপি রিডিং।

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ৩য় পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন