ফন্ট সাইজ:
থিম:
হিয়া জ্বলে পিয়ার দরদে

১১তম পর্ব

লেখক: নুসরাত জাহান ইভা

যারা গল্পে নাইকার ন্যাকামি পছন্দ করেন তাদের জন্য এই গল্প না।

কপি করা সম্পুর্ন নিষেধ।

সাইকো,,রোমান্টির,,থ্রিলার।

#হিয়া_জ্বলে_পিয়ার_দরদে

#নুসরাত_জাহান_ইভা

#পর্ব_১১

নিকোলাস নিচে বসে আছে। মেহেক উপরে নিজের রুমে রেডি হচ্ছে৷ নিকোলাসের পরণে কালো টিশার্ট উপরে লেদার জ্যাকেট। হাতে ঘড়ি। চুলগুলো কপালে লেপ্টে আছে৷ কাধে গিটারের ব্যাগ। সোফায় বসে বসে পা দুলাচ্ছে আর অপেক্ষা করছে মেহেকের জন্য।

কিছুক্ষণ পর মেহেক নিজ রুম থেকে বের হলো। মেহেকের পরণে একটা কালো কুর্তি,,সাথে জিন্স। চুল গুলো কার্লি করে খোলাই রেখেছে। মুখে হাল্কা মেকাপ।

মেহেক সিড়ি বেয়ে নিচে নামছে আর নিকোলাস মেহেকের দিকে তাকিয়ে আছে৷ মেহেক এসে থামে নিকোলাসের সামনে৷

নিকোলাস কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে হঠাৎই পকেট থেকে কালো রঙের চুরি বের করে মেহেকের দু হাতে পরিয়ে দেয়৷ সাথে একটা কালো টিপও কপালে পরিয়ে দেয়৷ তারপর কিছুটা দূরে গিয়ে মেহেককে পা থেকে মাথা পর্যন্ত দেখতে থাকে। তার কিনে দেয়া কুর্তি,, জিন্সে তার মিস্ট্রেসকে কেমন লাগছে তা মিনিট দুয়েক দাঁড়িয়ে পর্যবেক্ষণ করতে থাকে। কিছুক্ষণ দেখা শেষ করে তারপর মেহেকের খুব কাছে আসে নিকোলাস। মেহেক থতমত খেয়ে পিছাতে নিলেই তার আগে নিকোলাস মেহেকের দু হাত নিজের দুহাত দ্বারা আবদ্ধ করে নেয়৷ তারপর মেহেকের কপালে নিজের কপাল রেখে বলতে শুরু করে

- ​কপালে ছোট একটা কালো টিপ আর দুহাতে একমুঠো রিনিঝিনি শব্দ—ঠিক এইভাবেই তুমি আমার সাদাকালো জীবনে বসন্তের প্রথম রঙ হয়ে এসেছো মিস্ট্রেস!

নিকোলাস এবার মেহেকের চুলের ঘ্রাণ নেয় প্রাণভরে। মেহেক চোখ বন্ধ করে রাগ সংবরণ করতে থাকে। নাকের ডগা ঘেমে একাকার৷ থেকে থেকে মেহেকের নাকের ডগা ফুলে উঠছে রাগে৷ নিকোলাসের সেদিকে কোনো খেয়াল নেই।

- তোমার এলোকেশের ঘ্রাণে এমন এক মায়া আছে, যা আমাকে বারবার মনে করিয়ে দেয় যে আমার সবটুকু নির্ভরতা কেবল তোমার কাছেই গচ্ছিত।

তারপর চোখে চোখ রেখে তাকায় মেহেকের দিকে।

- জানো মিস্ট্রেস ​তোমাকে যতবার দেখি, ততবার নতুন করে প্রেমে পড়ি৷ আচ্ছা তুমি কি কোনো অজানা মন্ত্র জানো? কি দিয়ে বশ করলে আমার এই ছোট্ট পাথুরে হৃদয়টাকে??

- আপনার অভ্যেসে পরিনত হয়েছে আমাকে বিরক্ত করা? তাই না?

মেহেকের কথায় নিকোলাসের ভাবান্তর হলো না। সে অনিমেষ তাকিয়েই আছে মেহেকের পানে।

- তুমি আমার সেই সুন্দরতম অভ্যাস, যা আমি কোনোদিনই বদলাতে চাই না মিস্ট্রেস। জীবনের শেষ দিন অব্ধি আমি তোমায় এভাবেই ভালোবাসতে চাই। তোমাকে দেখার পর মনে হয়, পৃথিবীর সব সুন্দর শব্দ ফুরিয়ে গেছে। এখন শুধু তাকিয়ে থাকাই আমার একমাত্র ভাষা।

নিকোলাস থামে কিছুক্ষণ। তারপর আবারো মায়াভরা দৃষ্টি নিয়ে তাকায় মেহেকের পানে।

-জানো মিস্ট্রেস মাঝে মাঝে আমার এত্ত ভয় হয়, তোমাকে এতোটা ভালোবেসে ফেললে আমি নিজের অস্তিত্ব খুঁজে পাবো তো? নাকি তোমার মাঝেই হারিয়ে যাবো আজীবন?

মেহেক বিরক্তিতে কপাল কুচকায়।

- তোমার জন্য বুকের পাশটাতে এত কেন ব্যাথা জান?!

- আপনি এখানে দাড়িয়েই সময় পার করতে চাচ্ছেন মিস্টার??

নিকোলাস মাথা নাড়াল। সে আর কথা না বলে মেহেকের হাত ধরে বেরিয়ে যায় বাড়ি থেকে।

একটা ম্যানশনের ছাদে চারদিক জুড়ে রঙবেরঙের লাইট৷ গান বাজছে মৃদু আওয়াজে। চারিপাশে অনেক গুলো টেবিল৷ টেবিল গুলো সাদা কাপড়ে আবৃত। সব টেবিল গুলোতেই মোমবাতি,,পাশেই গোলাপের পাপড়িও বিছানো।

নিকোলাস,, শুভ্র আর এলিনা টেবিলে বসে কথা বলছে। নিকোলাসের কানে এয়ারপডস। এলিনা কথা বলছে নিকোলাস শুধু মাথা নাড়িয়ে যাচ্ছে৷

মেহেক তাদের থেকে দূরে একটা চেয়ারে বসে আছে। আজ নিকোলাসের জন্মদিন। তাই তার সব ফ্রেন্ডসরা মিলে একটা পার্টির আয়োজন করেছে৷ মেহেক আনমনেই জায়গাটা দেখে যাচ্ছিল তখন মেহেকের কাধে কেউ হাত রাখে৷ মেহেক পাশে তাকিয়ে দেখে নিলয়।

নিলয় হাসি হাসি মুখ নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে৷ পাশেই একটা মেয়ে। নিলয়ের হাত ধরে রেখেছে৷ মেহেক একবার তাকালো মেয়েটার দিকে। মেয়েটা হাসি হাসি মুখে তাকিয়ে আছে মেহেকের দিকে। মেহেক খানিক তাকিয়ে আবারও চোখ নামিয়ে নিল৷

- এখনো রাগ করে থাকবি বাবু?

- না রেগে নেই আমি। বসো।

মেহেক তাদেরকে চেয়ার দিল। নিলয় আর মেয়েটা পাশাপাশি বসলো।

- ওর নাম রিয়া। তোর ভাবিই বলতে পারিস৷

নিলয় মাথা চুল্কিয়ে সামান্য হাসলো৷ মেহেক এবার তাকালো মেয়েটার দিকে ভালো করে৷ মেয়েটা মাশা আল্লাহ অনেক সুন্দর। টানা টানা চোখ,,চুলগুলোও খুব সুন্দর। নুড মেকাপে আরো আকর্ষণীয় লাগছে৷ মেহেক এবার রিয়ার সাথে কিছুক্ষণ কথা বললো৷

- কাকাজান জানে?

মেহেকের প্রশ্নে নিলয় মাথা নাড়িয়ে না জানালো।

- বলব সময় করে আর কয়েকটা দিন যাক।

নিলয়ের কথায় মেহেক কিছু বলল না।

কিছুক্ষণ পর দেখা গেল মেহেক আবারও একাই বসে আছে। নিলয় আর রিয়া নেই তার সাথে। তাই মেহেক এবার তাকালো নিকোলাসের টেবিলে যেখানে নিকোলাস বসে ছিল। নিকোলাস এখনো সেখানেই বসে আছে৷ হাতে একটা কলম৷ কি যেন লিখছে মনোযোগ দিয়ে। কানে এয়ারপডস। কাধে এখনো গিটারের ব্যাগটা৷ হঠাৎ নিকোলাস মেহেকের দিকে তাকায়। মেহেক সাথে সাথেই চোখ অন্যদিকে ঘুরিয়ে নেয়। তা দেখে নিকোলাস ঠোট কামড়ে হাসতে থাকে৷

কিছুক্ষণ পর নিকোলাস উঠে মেহেকের দিকে আসতে নিলে একটা মেয়ে এসে নিকোলাসকে জড়িয়ে ধরে। আচমকা ধরায় নিকোলাসও কিছুটা হকচকিয়ে যায়। পরে দেখা যায় সেটা মিরা।

- হ্যাপি বার্থডে বেব ।

মিরা নিকোলাসের কাধ ঝাকিয়ে বলে উঠে৷ নিকোলাস হাসি মুখে মিরার দিকে ঝুকে৷ তারপর বলতে থাকে - Drop your clingy act now. I told you before — my love hates this. Stay away from me. If my mistress suffers because of you, I will not spare you. Mark my words.

নিকোলাস বলেই মিরাকে পাশ কাটিয়ে চলে যায়। মিরা যেন সেখানেই জমে যায়।

মেহেক খেয়াল করে নিকোলাসের বার্থডে পার্টিতে সবাই যেন কাপল। নিলয় রিয়া,, শুভ্র এলিনা,,নিকোলাসের আরো কয়েকটা ফ্রেন্ডও তাদের গার্লফ্রেন্ডদের নিয়ে এসেছে। কেক কাটার পর্ব শেষ করে মেহেক যেয়ে দূরে একটা টেবিলে বসলো। মেহেকের ভাল লাগছে না। একে ত নিকোলাসের বোল্ড টাইপ কথাবার্তা আরেকদিকে এই অসভ্য মিরা মেয়েটা!! মেহেকের রাগ লাগছে কেন জানি। মেহেক হাতের গ্লাসে রাখা সফট ড্রিংক্সটা একটানে শেষ করল। হঠাৎ একটা আওয়াজ কানে ভেসে এলো। একটা হাস্কি, গম্ভীর নেশাযুক্ত স্বরে মেহেক সামনে তাকাতে বাধ্য হলো। দেখলো নিকোলাস ছাদের পাশে ছোট্ট স্টেজে একটা টুলে বসে আছে। হাতে তার গিটার। সামনে মাইক দাড় করানো।

- ​I want to dedicate this song to someone who is an inseparable part of my life—the strong wall protecting my fragile heart. To my love, my beloved...

মেহেক যেন জমে গেল৷ নিকোলাস কাকে উৎসর্গ করতে চাচ্ছে এই গান?? মেহেককে নয় ত?? এই ছেলেটা এত ভালবাসে কেন তাকে? দুদিনের দেখায় কেউ কি এতটাই ভালবাসতে পারে??? মেহেক ভাবতে চাচ্ছে না এসব। সে মাথা ঝাকায় দুহাত দিয়ে। চোখ ফিরিয়ে নেয় নিকোলাসের থেকে। হঠাৎ নিকোলাসের গানে মেহেক না চাইতেও আবার তাকায় নিকোলাসের পানে।

Jo bhi jitne pal jeeyun

Unhe teri sang jeeyun

Jo bhi kal hoo ab mera

Usse teri sang jeeyun

Jo bhi saansein main bharoon

Unhe tere sang bharoon

Chaahe jo ho raasta

Usse tere sang chaloon

Dil ibadat kar raha hai

Dhadkanen meri sun

Tujhko main kar loon hasil

Lagi hai yahi dhun

Zindagi ki shaakh selun

Kuch haseen pal main chun

Tujhko main kar loon hasil

Lagi hai yahi dhun

নিকোলাস গেয়েই যাচ্ছে। সবাই মোবাইলে ভিডিও করছে। অনেক দূরে মিরা বসে বসে রাগে ক্ষোভে ড্রিংক্স করেই যাচ্ছে৷ আর মেহেক?!. সে ত তাকিয়েই আছে নিকোলাসের দিকে।

- নিকোলাস অলদ্রিন গানও গাইতে পারে???সে ত দেখছি সব দিক দিয়েই অলরাউন্ডার।

হঠাৎ মেহেক অনুভব করলো তার বুকের বা পাশে ঢিপঢিপ আওয়াজ। মেহেক না চাইতেও সেখানে হাত রাখলো।

- এমন কেন হচ্ছে আমার? নিকোলাসকে ভালবেসে ফেলছি না ত আবার? ও খোদা দয়া করে না। দরকার পরলে নিজ কলিজা নিজেই ছিড়ে বের করে আনব তাও ওই অমানুষটাকে ভালবাসবো না আমি কোনোদিনও না। তাকে ভালোবাসার সাধ্য আজ আর আমার নেই। সে আমার চোখে আমার জীবনের সঙ্গী কম, বরং আমার সমস্ত খুশির হরণকারী একজন আসামি হিসেবেই বেশি ধরা দেয়।

মেহেক হাসফাস করছে। গলা শুকিয়ে যাচ্ছে৷ জিভ দিয়ে ঠোট মুছলো। তারপর বিড়বিড় করতে থাকলো - হৃদয়ের আদালতে সে আজ কোনো প্রিয়জন নয়, বরং কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা এক অভিযুক্ত। যে মানুষটার ওপর ভরসা করার কথা ছিল, সে-ই আজ আমার মানসিক শান্তির সবচেয়ে বড় ঘাতক।

আর ঘাতককে আমি কোনোদিন ক্ষমা করব না। কোনোদিনও না।

নিকোলাস যতটা সময় গান গাইল ততটা সময় শুধু মেহেকের দিকেই তার দৃষ্টি ছিল৷ মেহেককে এভাবে ছটফট করতে দেখে নিকোলাস গান থামালো। দ্রুত উঠে এসে মেহেকের সামনে যেয়ে ঝুকলো।

- মিস্ট্রেস!! আর ইউ ওকে!! খারাপ লাগছে? কিছু খাবে? কিছু করতে হবে আমার? বলো!!..

মেহেক কিছু বলল না। শুধু মাথা নাড়িয়ে না বুঝাল।

নিকোলাস তাও মেহেকের পাশেই থাকলো।

একটা চেয়ার টেনে মেহেকের হাত ধরে বসে আছে নিকোলাস। নিকোলাসের এহেন কান্ডে মেহেক কপাল কুচকে অন্যদিকে মুখ ঘুরিয়ে বসে আছে।

হঠাৎ এলিনা স্টেজে উঠে মাইক হাতে দাড়াল। তাকে দেখে সবাই উল্লাসে মেতে উঠল৷ মেহেকও এবার সেদিকে তাকালো। এলিনা সবাইকে উদ্দেশ্য করে বলতে শুরু করল - অনেক ত মজামাস্তি হলো। গানও গাওয়া হলো। এখন একটু অন্যরকম কিছু করা যাক?..

সবাই একসাথে ইয়েস বলে উঠল। এলিনা বলতে শুরু করল - যেহেতু এখানে সবাই মুটামুটি কাপল আছি তাই আমি চাচ্ছি ছোটখাটো একটা বল নাচের আয়োজন করতে!! রাজি সবাই??

এলিনার কথায় সবাই স্বায় জানায়।

সবাই উঠে যেয়ে ছাদের খোলা অংশে দাঁড়ায়। অস্বীকৃতি জানায় শুধু মেহেক। সে নিকোলাসের দিকে তাকায় এই ভেবে যে সে বলবে সে এসবে জয়েন হতে চায় না কিন্তু না এর আগেই নিকোলাস তার দিকে হাত বাড়িয়ে দাঁড়িয়ে আছে। মেহেক ভ্রু উচু করে৷

নিকোলাস তা দেখে ঠোট প্রসস্থ করে মেহেকের দিকে ঝুকে।

- মিস্ট্রেস হাত ধরো।

- আমি যাব না। আপনার উপস্থিতিই যেইখানে বিরক্তের সেখানে আপনার সাথে আবার নাচ! তাও বল নাচ!! কখনোই না মিস্টার নিকোলাস অলদ্রিন।

- এখানে এমন কিছু করতে বাধ্য করো না মিস্ট্রেস!!

মেহেক দেখলো নিকোলাসের চোয়াল শক্ত হয়ে গেছে৷ তাও মেহেক জিজ্ঞেস করল - কি এমন করবেন শুনি??

- মিস্ট্রেস তুমি কি কোনোভাবে চাচ্ছো এখানেই বাসরটা সেরে ফেলতে?? তুমি চাইলে আমি মাইন্ড করব না।

মেহেক ভয়ে এবার জোড়ে না উচ্চারণ করল।

নিকোলাস বাকা হাসলো।

- Then take my hand and dance with me. Everyone’s waiting, come..

মেহেক না চাইতেও নিকোলাসের হাত ধরে সবার সামনে গেল। সবাই সবার পার্টনারকে ধরল। নিকোলাস মেহেকের সামনে মাথা নুইয়ে হাত বাড়িয়ে দেয়। মেহেক হাত রাখে। মেহেকের কোমড়ে নিকোলাসের হাত৷ মেহেক না চাইতেও নিকোলাসের কাধে হাত রাখে। অন্যহাত নিকোলাসের হাতে। গানের সাথে তাল মিলিয়ে নেচে যাচ্ছে তারা । মেহেক তাকাচ্ছে না নিকোলাসের দিকে। কিন্তু নিকোলাস তাকিয়ে আছে তার মিস্ট্রেসের দিকে। চোখে শুধুই ঘোর লাগা দৃষ্টি। যেন নিকোলাস চাইছে সময়টা এখানেই থেমে যাক। এক পর্যায়ে নিকোলাস মেহেকের হাতে চুমু খেল।

- জানো মিস্ট্রেস! এর আগে আমি বাদে সবাই এভাবে নাচতো। আর আমি দূরে আপনমনে বসে বসে তাদের রঙঢঙ দেখতাম। আর কত যে গালাগালি করতাম তাদের!! বলেই নিকোলাস ফিক করে হেসে দিল। কিন্তু মেহেক এখনো তাকাচ্ছে না নিকোলাসের দিকে। তা দেখে নিকোলাস এবার মেহেকের কোমড় জড়িয়ে আরো কাছে নিয়ে আসলো।

মেহেকের কানের লতিতে নিজের ওষ্ঠ ছোয়াল। শব্দহীন চুমু খেল। মেহেক কেপে উঠলো। মুখ নিচু করে খামছে নিকোলাসের কাধ চেপে ধরল।

গান বাজছে ~~

Baby, I'm dancing in the dark, with you between my arms

Barefoot on the grass, listening to our favourite song

When I saw you in that dress, looking so beautiful

I don't deserve this, darling, you look perfect tonight...

চলবে,,,

সুন্দর সুন্দর মন্তব্য করবেন❤️

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ১১তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন