#প্রণয়ে_খলনায়ক - [১২]
লাবিবা ওয়াহিদ
[কপি সম্পূর্ণ নিষেধ]
স্বচ্ছ আহিনের বাড়ির আশেপাশে ঘুরঘুর করছে। রাত এখন আনুমানিক আটটা। এশারের আযান দিয়েছে কিছুক্ষণ হবে। স্বচ্ছ জানে আহিন এই সময়টাকে কোনো না কোনো কাজে বের হয়। আহিন সত্যিই সত্যিই নামল, হাতে তার ময়লার পলিথিন। আহিনের ক্লান্ত, ঘর্মাক্ত মুখের পানে অপলক চেয়ে রইলো সে। আহিন শুরুতে স্বচ্ছকে দেখে চমকে উঠলেও পরবর্তীতে নিজেকে সামলে নেয়। কিছু হয়নি ভাব ধরে সে ময়লার নির্দিষ্ট স্থানে ময়লাগুলো রেখে দিল। ফিরতে নিতেই আহিনের মুখোমুখি হয় স্বচ্ছ। স্বচ্ছের সাথে একটা শপিং ব্যাগ, সেটা এতক্ষণ লক্ষ্য না করলেও এবার লক্ষ্য করেছে সে। আহিন অস্বাভাবিক শীতল গলায় বলল,
--"কী চাই?"
--"যা চাই দিবেন?"
--"অহেতুক হলে নিজের পথ দেখো।"
--"কিন্তু আপনি তো অহেতুক নন, আহিন।"
আহিন ফোঁস করে নিঃশ্বাস ফেলল, এই ছেলের সাথে যদি কখনো কথায় জেতা যেত।
--"আজকাল আপনি পুরো দমে শিক্ষক ভাইবে আছেন, আপনাকে তো দেখাই যায় না ইউনিভার্সিটিতে। তাই যখন আপনি সাধারণ আহিন থাকেন সেই সময়েই এসেছি আপনার সঙ্গে দেখা করতে।"
--"আমি তোমার সাথে দেখা করতে ইন্টারেস্টেড না কেন বুঝো না?"
--"কিন্তু আমি তো ইন্টারেস্টেড আহিন। চিন্তা করবেন না, আপনার জন্য এতটা ভালোবাসা জমিয়ে রেখেছি যে এক জীবনে আপনার ভালোবাসা না পেলেও কমতি হবে না।"
--"তুমি না, ভীষণ জেদি।"
--"জেদ না করলে জেদি মেয়েটাকে পাব কী করে?"
আহিনের বিরক্তিতে "চ" উচ্চারণ করে। স্বচ্ছ তাতেও থামার পাত্র নয়। স্বচ্ছ হাতের প্যাকেটটা এগিয়ে দিয়ে বলল,
--"এটা আপনার জন্য!"
--"কী এটা?"
--"শাড়ি। আমার ইনকামের টাকা দিয়ে কিনেছি আপনার জন্য।"
--"প্রয়োজন নেই। নিজের মা-বোনকে দাও।"
--"মাকে দিয়েছি, বোন তো নেই। তবে আহিন নামের একটা বউ হবে।"
আহিন চোখ রাঙিয়ে বলল,
--"আবারও অহেতুক কথা।"
--"কোনটা অহেতুক আহিন? আপনাকে ভালোবাসা কিছুতেই অহেতুক হতে পারে না।"
--"ম্যাচিওর বয়সেও বাচ্চাদের মতো আচরণ কেন করো?"
--"আমি ওরকম বড়ো হতে চাই না যতটা বড়ো হলে আমি আপনাকে ভুলে যাব, আহিন।"
আহিন কথায় হার মেনে গেল। সে শাড়ি না নিয়েই স্বচ্ছের হাতের ফাঁক গলিয়ে পালালো। স্বচ্ছ আহিনের কাণ্ডে হাসল। স্বচ্ছ জানে, আহিন যতটা তার সাথে শক্ত হওয়ার চেষ্টা করে তা সে পারে না। গ্রিন সিগন্যাল তো সে গ্রাম ছাড়ার আগেই পেয়ে গেছিল, শুধু আহিনটা খুব জেদী। অনুভূতির চাইতে জেদে আটকে থাকতে বেশি ভালোবাসে।
স্বচ্ছ আহিনকে মেসেজ পাঠিয়েছে,
--"চলুন না আহিন আমরা আজই বিয়ে করে ফেলি? আপনার থেকে দূরে আর থাকা যাচ্ছে না।"
আহিন সেই মেসেজটা দেখে মিনমিন করে বলল,
--"অসভ্য ছেলে।"
-----------------------
পরেরদিন মোহ ইরতেজার মুখোমুখি হয়। ইরতেজা মোহকে দেখতেই তাচ্ছিল্য হেসে বলল,
--"কী ম্যাডাম? আমার সামনে তো খুব জবান চলে। আরেক মেয়ে নাকের ওপর দিয়ে অন্যায় করে গেল পুঁটির মতো এখনো নিশ্চুপ?"
মোহ রেগে বলল,
--"যার তার সাথে যা খুশি হবে আমার। আপনার কী?"
--"আমার কী মানে? মিয়াজী বাড়ির সম্মান তোমার হাত দিয়ে বিলীন হচ্ছে আর তুমি বলছ আমার কী? রিডিকিউলাস।"
ইরতেজা থেমে আবার বলল,
--"অবশ্য তুমি এসবই ডিজার্ভ করো। একদম ঠিক হয়েছে। যাও গিয়ে আরও পা ধরে আসো।"
মোহর কাঁটা ঘায়ে নুনের ছিটা যেন ছিল ইরতেজার কথাগুলো। গতকালকের ব্যাপারে সে তো এমনিতেই ক্ষেপে ছিল, আজ তো ইরতেজা কেরোসিন ঢেলে আগুন আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। সে হনহন করে চলে যেতে নিলে ইরতেজা তার হাত ধরে আটকাল। প্রসঙ্গ পালটে বলল,
--"আমার শার্ট কোথায়?"
--"জাহান্নামে।"
--"তোমার টপসটাও কিন্তু জাহান্নামে আছে। তুমি চাইলে জাহান্নাম থেকে ছুটিয়ে নিতে পারো।"
--"ওটা আপনি পরে বসে থাকেন আর যা খুশি করেন, আমার কী? আমার জামার অভাব পড়েনি।"
ইরতেজা এবার অবাক হবার ভান করে বলল,
--"ওহ, আই সি। তুমি আমার শার্ট পরো, আমার গায়ের ঘ্রাণ নাও তাই না?"
মোহর চোখ কোটর থেকে বেরিয়ে আসার উপক্রম। সে গাল লাল করে বলল,
--"ছি!!"
--"কিসের ছি? আমি সত্যি বললেই ছি? এই মেয়ে, তুমি আমার শার্ট সাথে নিয়ে কী কী চিন্তা করো সত্যি করে বলো। ছি, তোমাকে আমি ভালো ভেবেছিলাম। চুমু টুমু চাইলে সোজা আমাকে বলতা তাই বলে আমার শার্টের সাথে..."
মোহর কান দিয়ে বোধ হয় ধোঁয়া বের হচ্ছে। মোহ ইরতেজার লাগামহীন কথা-বার্তা সইতে না পেরে চেঁচিয়ে উঠে বলল,
--"কালকেই আপনার শার্ট পেয়ে যাবেন।"
--"কেন কেন? তুমিই না বললে দিবে না! হায়রে মেয়ে মানুষী ঢং।"
মোহ শুধু ইরতেজার দিকে গরম চোখে চেয়ে দ্রুত কেটে পড়ল।
নাতাশার নিম্ন ব্যবহারে ইরতেজার দেওয়া খোঁচাতে মোহ পুরো ক্লাস ভাবল। যতই ভেবেছে ততই তার রক্ত গরম হয়েছে৷ আজ অবধি মোহকে এতটা বাকে ট্রিট করার সাহস কেউ কখনো পায়নি। অধরাও ব্যাপারটা ভুলে যাওয়ার ভান ধরে আছে। সে টক্কর নিতে আগ্রহী না৷ তারিয়া এ বিষয় লক্ষ্য করে বলল,
--"কী অধরা, গতকাল এমন ঘটনা ঘটে গেল তুমি এখনো নিশ্চুপ?"
অধরা বিরক্ত হয় তারিয়ার কথাতে। কিড়মিড় চোখে তারিয়ার দিকে চেয়ে নাক কুঁচকে বলল,
--"কুকুর ঘেউঘেউ করলে তার সাথে রসিয়ে আমাকেও ঘেউঘেউ করতে হবে?"
নাতাশা তখনই এসে অধরার ওপর চেঁচাল,
--"মাইন্ড ইওর ল্যাঙ্গুয়েজ, তুমি কী বলতে চাচ্ছ আমি কুত্তা?"
অধরা নাতাশার দিকে তাকিয়ে বাঁকা হেসে বলল,
--"একটা প্রবাদ আছে জানো, "ঠাকুরঘরে কে রে, আমি তো কলা খাইনি।" তোমার নাম তুলিনি অথচ তুমি বললে তোমাকেই বলেছি? জুতা মাপে মাপে মিলে গেলে যা হয়।"
নাতাশা রেগে আবারও অধরার গায়ে হাত তুলতে নেয়, অধরা সরে গেলে সেই চড় খায় তারিয়া। তারিয়া টাল সামলাতে না পেরে ফ্লোরে পড়ে যায়। আশেপাশে হাসির হিরিক পড়ে৷ নাতাশা ধমকে বলল, "সবাই চুপ।"
মোহ এবার মুখ খুলল, "আমি তো আপনার সাথে বেয়াদবি করিনি, তবে আপনি কেন আমার ওড়না ছিঁড়েছেন?"
--"তোমার ওড়না আমার ভালো লাগেনি, এনি প্রব্লেম? নাকি আজকেরটাও ছেঁড়া দেখার ইচ্ছে আছে?"
মোহ হাসল। ব্যাগ থেকে আগের ওড়নাটা বের করে সেটা নাতাশার হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলল, "আমার ওড়নাটা নিন, আপনি ঘর মুছতে পারবেন ভালো করে। আম্মা বলে, " পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ।" আপনার ঘর নোংরা দেখেই আপনার অন্তরও এতটা নোংরা।"
--"এই ননসেন্স! তোমার সাহস তো কম না। তুমি নিজে কী? কয় টাকার মূল্য আছে তোমার?"
বলেই নাতাশা ওড়নাটা মোহর মুখে মারতে ধরলে সায়েবা সেটা ক্যাচ করে। তা দেখে নাতাশার সাথের একজন বলল, "গুড ক্যাচ।"
অধরা দাঁতে দাঁত চেপে বলল,
--"যে নিজেই সস্তা, সে অন্যের মূল্য কী করে দিবে?"
নাতাশার ইচ্ছা করল অধরার চুলের মুঠি ধরে কিছু একটা করতে। কিন্তু সে রাগে নিঃশ্বাসটুকুও নিতে পারছে না। জ্বলতে জ্বলতে সে বলল,
--"তোকে আমি পরে দেখে নিব।"
নাতাশা যেতে নিলে মোহ হালকা করে তার পা এগিয়ে দেয়, যার ফলস্বরূপ নাতাশা লাং খেয়ে মাটিতে পড়ে যায়। নাতাশা মাথা তুলে মোহর দিকে তাকাল। মোহর ভাব তখন নির্লিপ্ত, যেন সে কিছু করেনি। নাতাশা বিচ্ছিরি এক গালি দিয়ে সেখান থেকে উঠে চলে যায়। ও যেতেই চার বান্ধবী একসাথে হেসে উঠল। তারিয়া তখন শোকে নিমজ্জিত, সে এই প্রথমবারের মতো নাতাশার চড় খেয়েছে। মৌরি হেসে বলল,
--"আজ একদম ফাটিয়ে দিয়েছ তোমরা।"
সায়েবা বলল,
--"এদের এভাবেই হ্যান্ডেল করতে হয়। আজকে মোহও কতটা আগুন ছিল।"
--"আগুন, বরফ বড়ো কথা না। আমার প্রিয় ড্রেসটা.." মোহ দীর্ঘশ্বাস ফেলল।
তার আবারও ইরতেজার কথা মনে পড়ল। কী অসভ্য এই ছেলে। কালকেই সে তার শার্ট একদম মুখ বরাবর ছুঁড়ে মারবে।
---------------------------
তৈমুর তার চেম্বারে বসা। সে কিছু রিপোর্ট চেক করছিল। টেবিলের কাছ ঘেঁষেই দাঁড়ানো একজন নার্স। নার্স আজকাল তৈমুরকে ভীষণ পছন্দ করছে। কলিগ নার্সরা কতবার তাকে বলেছে তৈমুরকে যেন মনের কথা বলে দেয়, একটা চান্স যেন নেয়। কিন্তু বুকে চেপে বসা ভয় আজও তাকে ছাড়েনি। এজন্য পছন্দের গল্প মনেই আটকে রেখেছে, বের করার সাহস করেনি।
কেবিনের দরজায় নক পড়ল। তৈমুর মাথা তুলে তাকাতেই পুরাতন বন্ধু আদনানকে দেখে সে চমকে যায়। তৈমুর সব রিপোর্ট ফেলে উঠে দাঁড়ায়। নিজ উদ্যোগে গিয়ে বন্ধুকে জড়িয়ে ধরে।
--"কী খবর বন্ধু, এতদিন পর! রাজনীতিতে ঢুকে তো ভুলেই গেলি।"
আদনান হালকা করে হাসল। আলিঙ্গন শেষে বলল,
--"মায়ের চেকআপ করে গেলাম সেদিন, আজ রিপোর্ট নিতে আসলাম। এসেছি যেহেতু ভাবলাম তোর সাথে দেখা করে যাই।"
--"একদম ভালো করেছিস। আয় আয় বোস। নার্স পরে এসো।"
নার্স চলে যায়। দুই বন্ধু পাশাপাশি চেয়ারে বসল।আদনান তৈমুরের কলেজ জীবনের বন্ধু, এরপর তৈমুর গেল মেডিকেলে আর আদনান অনার্সে। পড়াশোনার পাশাপাশি তখনই রাজনীতিতে নিজের নাম লিখিয়ে ফেলে সে।
--"তারপর বল বন্ধু, কী খবর? এখনো আগের মতো ফ্লার্ট চলে নাকি?"
--"ওটা ছাড়া আমি নিঃশ্বাস নিতে পারি না রে আদনান।" হো হো করে হেসে উঠল তৈমুর।
--"ছাড় এসব ভাই, বয়স তো কম হলো না।"
--"তুই শুদ্ধ থাক আজীবন, আমি ছাড়তে পারব না। জ্ঞান দিস না তো।"
আদনান দীর্ঘশ্বাস ফেলল, এখনো তৈমুরটা শুধরায়নি। তৈমুরের হঠাৎ কিছু একটা মনে পড়ায় সে জিজ্ঞেস করল,
--"এই এই। তুই নাকি বিয়ে করেছিস? কাহিনী কী?"
আদনানের হতাশার পাল্লা ভারী হয় এবার। সে চোখ-মুখ গম্ভীর করে বলল,
--"মা ধরে বিয়ে দিয়েছে।"
--"ভাবী কী করে? তোর কত ছোটো? আমার বিশ্বাসই হচ্ছে না, ভেবেছিলাম তো তুই আজীবন চিরকুমার থেকে যাবি। তোর যা রুচি।"
--"আমার হাঁটুর বয়সী, এসএসসি ফেইল।"
--"এইচএসসি?"
--"এসএসসি।" আদনানের থমথমে গলা।
তৈমুর হো হো করে হেসে উঠল। সে বিশ্বাসই করতে পারছে না আদনান বিয়ে করেছে তাও আবার ফেইল করা কোনো মেয়েকে। আদনান সবটা খুলে বলল ওকে।
--"আল্লাহ জানে আমি এই মেয়ের সাথে কীভাবে জীবন কাটাব।"
--"আহ, রিল্যাক্স। দেখবি সব ভালো হবে। আন্টির চয়েজ বলে কথা।"
দুই বন্ধু যখন আড্ডা দিতে ব্যস্ত তখনই তৈমুর মৌরিকে যেতে দেখল। তৈমুর মৌরিকে ডাকতেই মৌরি দাঁড়িয়ে পেছনে ফিরল। তৈমুর আদনানকে বলল বসতে, সে আসছে। তৈমুর গেল মৌরির সাথে দেখা করতে। তৈমুরকে দেখতেই মৌরির মনটা খারাপ হয়ে যায়। তৈমুর বলল,
--"তুমি ইদানীং আসছ না যে হসপিটালে?"
থমথমে গলায় মৌরি বলল, "এমনি।"
--"তুমি সেদিন খাবার পাঠিয়েছ, তা নিয়ে আমার বলা হয়নি।"
মৌরি নিশ্চুপ। তৈমুর বলল,
--"থ্যাঙ্কস আমার কথা ভেবে আলাদা করে খাবার পাঠানোর জন্য। একচুয়ালি আমার ইলিশ, গোরুতে কঠিন এলার্জি, এত আদর করে এনেছ ফেলতেও পারছিলাম না। এজন্য আমার তরফ থেকে আমার কলিগ খেয়েছে।"
এলার্জির কথা শুনে মুহূর্তেই মৌরির মন নরম হয়ে গেল। মুখ ছোটো করে বলল,
--"সরি, আমি আসলে জানতাম না আপনার এলার্জির ব্যাপারে।"
--"কোনো সমস্যা নেই। তবে আমি সরি, খেতে পারিনি বলে।"
মৌরি মিষ্টি হেসে বলল, "কোনো ব্যাপার না।"
-------------------------
পরেরদিন মোহ ক্যাম্পাসে আসতেই দেখল তাকে নিয়ে সবাই কেমন কানাঘুষা করছে। অনেকে তাকে সালাম দিয়ে ভাবী ডাকছে। মোহ আগা-মাথা বুঝল না কোনো কিছুর। বাকিরাও কিছুই বুঝতে পারল না। এক জায়গায় শুনল, সোবহানের সাথে নাকি মোহর সম্পর্ক চলছে, এজন্য সবাই মোহকে ভাবী ডাকবে। আরেক জায়গায় তো শোনা যাচ্ছে, মোহ নাকি ডাবল প্লেয়ার। একসাথে ইরতেজা আর সোবহান দুজনের সাথেই ঘনিষ্ঠতা শুরু করেছে। নির্লজ্জ, বেহায়া মেয়ে।
চলবে—
বিঃদ্রঃ রিচেক দেইনি, ভুলত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আদনান হচ্ছে আমার ই-বুক "নেতাসাহেব" এর ক্যামিও চরিত্র। ওর গল্পটা পড়তে পারেন বইটই থেকে "নেতাসাহেব" ই-বুকে। যারা এখনো ই-বইটি কিনেননি দ্রুত কিনে ফেলুন। আর আজকের পর্বটা কেমন লেগেছে অবশ্যই জানাবেন।