ফন্ট সাইজ:
থিম:
প্রণয়ে খলনায়ক

১১তম পর্ব

লেখক: লাবিবা ওয়াহিদ

#প্রণয়ে_খলনায়ক - [১১]

লাবিবা ওয়াহিদ

[কপি সম্পূর্ণ নিষেধ]

ইরতেজা এবং স্বচ্ছ নিজেরাই এসাইনমেন্ট করে সবসময়। আর বাকি রইলো নিহিন আর সোবহান, ওরা দুজন সবসময় কাশিফের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু এবার ল্যাপটপ চুড়মার হওয়ার কারণে তিনজনের ওপর দিয়েই ঝড় বয়ে গেল। সাবজেক্ট টিচার যেন বহুদিনের রাগ ঝাড়লেন এই তিন ছানার ওপর। কাশিফ অবশ্য ভালো ছাত্র, তাতেই বা কী? চলে তো সেই শ*তানের দলের সাথেই। কাশিফের কোনো প্রকার এক্সপ্লেইন সে শুনেনি, এমনকি কাশিফের ভাঙা ল্যাপটপ দেখেও মন গলাতে পারেনি।

কাশিফ বাইরে চোখ বুজে দাঁড়িয়ে আছে। রেলিং-এ পিঠ ঠেকিয়ে সে আকাশের দিকে মুখ করে আছে। চশমাটা এক হাতে খুলে রাখা। নিহিন তো সোবহানের উপর খুব রাগারাগি করছে আর সোবহান রেগে আছে সায়েবার উপর। কাশিফ চোখ বুজেই বলল,

--"বাঁশ আমাকে দিতে গিয়ে নিজেও খেয়ে বসে আছিস, সোবহান!"

নিহিন সোবহানের পিঠে কনুই দিয়ে বলল, "শালা হারামী! কোনহানকার কোন কাজিনের জন্যে তুই এত বড়ো বাঁশটা কেমনে দিতে পারলি? আহ! হোয়াট দ্য..."

সোবহান বলল,

--"আমার কী দোষ, এমন হবে জানলে আমি জীবনেও ওই অকর্মার কথা শুনতাম না।"

ইরতেজা নিজের মোবাইল দেখতে দেখতে বলল,

--"আগে জানতাম মেয়েরা বেশি ম্যানিপুলেট হয় কিন্তু এখন দেখছি মেয়ে মানুষই তোকে বলদ বানিয়ে ছেড়ে দিছে!"

স্বচ্ছ কপালে আঙুল চুলকে বলল,

--"এজন্যই বলি নিজেদের এসাইনমেন্ট নিজেরা কর। ইরতেজা আগে করালেও ইদানীং আবার ভালো হয়ে গেছে।"

ইরতেজা স্বচ্ছের দিকে ফিরে বলল,

--"হোয়াট ডু ইউ মিন, স্বচ্ছ?"

--"নাথিং ব্রো, আমি জাস্ট ওদের ফ্যাক্টটা বোঝাচ্ছি। এখন একসাথে তিনজন এই মামলাটা খেল।"

কাশিফ সোজা হয়ে দাঁড়াল। চোখে চশমাটা পড়ে চারপাশে তাকাল।

--"এজন্যই তো বলি, সায়েবার এসাইনমেন্ট ছেঁড়ার পরেও এই মেয়ে এত নীরব কী করে? লোকে এজন্য ঠিকই বলে, নীরবতা ঝড়ের পূর্বাভাস।"

স্বচ্ছ বলল,

--"তোর সেদিন ঠিক হয়নি মেয়েটার এসাইনমেন্ট ছেঁড়া। র‍্যাগ অন্যভাবেও দেওয়া যেত। তোরা দুটোই এখন সমান সমানে আছিস।"

--"সমান? ও আমার ল্যাপটপ ভাঙছে, আমার কত ডকুমেন্টস আছে এটায় কোনো আইডিয়া আছে তোর?"

ইরতেজা বলল,

--"এসবকিছুই তোর ডেক্সটপে কালেক্ট করা আছে। তুই এত কাচা খেলোয়াড়ও না যে সব হারিয়ে পথে বসবি।"

কাশিফ এই পর্যায়ে চুপ করে গেলেও সে অন্য পরিকল্পনায় ব্যস্ত। সোবহান বলল,

--"সব যদি ডেক্সটপে জমাই থাকে তাহলে আমাদের এসাইনমেন্টগুলা ওখানে ছিল না?"

--"না।"

সোবহান ফোঁস করে নিঃশ্বাস ফেলে। ওদের এখন এমন অবস্থা, অভাগা যেদিকে যায় সেদিকেই সাগর শুকায়। কাশিফ হাত শক্ত করে মুঠ করে বলল,

--"এই সাইক্লোনটাকে আমি ছাড়ব না।"

--------------------------

সায়েবার আজকে শুট আছে, এজন্য সে ক্লাস করেই আজ ছুটে বেরিয়ে এসেছে নিজের স্টুডিওতে। মেকআপ আর্টিস্ট তাকে মেকআপ করিয়ে দিচ্ছে আর সে আকাশ পাতাল ভাবছে। মুখের হাব-ভাব অন্য রকম তার। সোবহান আর তার বন্ধুরায়া একে একে তাকে কল করছে কিন্তু সে ফোন সাইলেন্ট করে বসে আছে। সে যেন এখনো ঘোরের মাঝে আছে৷ সে তো শুধুই কাশিফের এসাইনমেন্ট ডিলিট করতে চেয়েছিল, সেখানে ল্যাপটপের এত বড়ো ক্ষতি। যতই হোক, সায়েবা তো আর ওদের মতো ছোটো মনের মানুষ না যে এরকম একটা কাণ্ড ঘটানোর পর সে চিন্তামুক্ত থাকবে। সে ভাবছে ক্ষতিপূরণ দিবে কাশিফের। এই মাসে তার তিনটে শুট ছিল, আজ মিলিয়ে চারটা। আগের শুটেরও কিছু টাকা এখনো এখনো একাউন্টে জমা আছে। সায়েবা নিজমনে হিসাব কষল। টেনেটুনে একটা এমাউন্টে এসে পৌঁছাতে পেরেছে সে। এজন্য মনে মনে ভাবল, সে কাশিফকে ক্ষতিপূরণ দিয়ে দিবে। এভাবে মনে অশান্তি পেলে রাখার মনেই হয় না।

সায়েবাকে চমকে দিয়ে অধরাসহ সবাই তার শুটিং স্পটে এলো। মোহ বলল,

--"কিরে, কী নাকি অকাজ করেছিস আজ যে এখানে ঘাপটি মে*রে আছিস?"

অধরা বলল, "আজ কাশিফ, সোবহান আর নিহিনের ক্লাস নিয়েছে ওদের সাবজেক্ট টিচার। এতদিনে মনে অসম্ভব শান্তি পাচ্ছি।"

মৌরি বলল,

--"একদম ঠিক হয়েছে।"

সায়েবার চোখে তখন আইশেডো দেওয়া হচ্ছে। সায়েবা চোখ বন্ধ অবস্থাতেই বলল,

--"কিন্তু আমার কাশিফ ভাইয়ের ল্যাপটপ ভাঙার ইচ্ছে ছিল না।"

--"বাদ দে তো এদের কথা। আজ বোরিং লাগছিল বলে সোজা তোর শুট দেখতে এসেছি। আজ একদম তোর সাথেই ফিরব।"

সায়েবা চোখ বন্ধ অবস্থাতেই মুচকি হাসল। এতক্ষণ যে বুকের ভারটা ছিল বান্ধবীরা আসার পরপর তা অনেকটাই নেমে গেছে।

মৌরি হঠাৎ বলল,

--"শুনেছিস, আমাদের নাকি নবীনবরণ হবে?"

--"এত দেরীতে কেন?"

--"কে জানে কেন! তবে দেরীতে হলেও ভালো, আমি তো নাচে ঢুকব।" মৌরি মুচকি হেসে বলল।

সায়েবাও সায় জানিয়ে বলল, "আমিও আছি তবে তোর সাথে। অধরা আর আড়াচি, তোরা কী করবি?"

মোহ ব্যাপারটা আমলে না নিয়ে বলল, "ইচ্ছে নেই কিছু করার।"

--"সে কী? মৌরি জানে তুই কত ভালো গিটার বাজাতে পারিস?"

মৌরি চমকে তাকায় মোহর দিকে। অধরা হেসে দিয়ে বলল,

--"হ্যাঁ, গিটার বাজাতে জানে কিন্তু তার কোনো গিটার নেই।"

মোহ মুখ বাঁকাল। মৌরি জিজ্ঞেস করল,

--"নেই কেন?"

মেকআপের মধ্যে সায়েবার হাসা বারণ। তবুও সে হেসে দিয়ে বলল,

--"আর বলিস না, ওর বিচ্ছু ভাই একটা একটা করে গিটারের তার ছিঁড়ে গিটারের দফারফা করে ছিঁড়েছে। সেই থেকে জেদ ধরে আজও কোনো গিটার কিনেনি।"

অধরাও হেসে ফেলল। সে নিজে দেখেছিল কীভাবে ওর বিচ্ছু ভাই গিটারের উপর উলটে শুয়ে টেনে ছিঁড়েছিল। অথচ শুনেছে এই গিটার নাকি অনেক দামী ছিল, বুরহান সাহেব ওকে উপহার দিয়েছিলেন।

--------------------

পরেরদিন ওরা সকলে ভার্সিটিতে পৌঁছাতেই এক সিনিয়র মেয়ে গ্যাং ওদের ঘুরে ধরল। একদম মাঝামাঝি মেয়েটাকে কমবেশি সবাই চিনে, মেয়েটা মন্ত্রীর একমাত্র মেয়ে। কিন্তু ভার্সিটিতে এমন ভাবে চলাফেরা করে যেন ভার্সিটি ওর বাপের। মেয়ের নাম নাতাশা। রিউমার আছে ও নাকি রাত-বিরেতে ক্লাবে পড়ে থাকে। ওদের দেখে মোহ মিনমিন করে বলল, "এক পাগলের ভাত নেই অন্য পাগলের আমদানি।"

নাতাশা নামের মেয়েটা ওদের চারজনকে লক্ষ্য করে তাচ্ছিল্য হেসে বলল,

--"আদবকায়দা নেই তোমাদের তাই না? সিনিয়ররা দাঁড়িয়ে আর সালাম না দিয়ে চলে যাচ্ছ?"

অধরা দ্বিগুণ তাচ্ছিল্য করে বলল,

--"ওহ সো সরি আপু, আমরা আসলে ভাবতাম আপনারা সালাম আদান-প্রদান পছন্দ করেন না। উলটো র‍্যাগ দিয়ে দিবেন।"

অধরার কথায় স্পষ্ট প্রকাশ পাচ্ছিল যেন নাতাশা ইসলাম মানে না। নাতাশা এই সূক্ষ্ম খোঁচায় অধরাকে গিয়ে একটা চড় মেরে বসল। অধরা চুপ করে দাঁড়িয়ে রইলো শুধু অন্যদিকে ফিরে। নাতাশা সাপের ন্যায় হিসহিস করতে করতে বলল,

--"কী বলতে চাইছ আমি নাস্তিক? নিজের এই সস্তা এটিটিউড নিজের মধ্যে রাখো, নয়তো আমার হাতও থামবে না।"

অধরা নিজের গাল এমন ভাবে ঝাড়ল যেন ময়লা পড়েছে। অধরা নাতাশার দিকে অস্বাভাবিক শীতল নজরে তাকাল। নাতাশা তর্জনী তুলে চেঁচিয়ে বলল,

--"এই, চোখ নামা। লুক এট ডাউন। সাহস তো কম না আমাকে চোখ রাঙানি দিস?"

মোহ এই তামাশা সইতে না পেরে বলল,

--"কী হচ্ছে কী এখানে? আপনি ওকে মারলেন কেন?"

--"বেয়াদবি করলে নিশ্চয়ই চুমু দেব না?"

মোহর দিকে এবার নাতাশা খেয়াল করল। দুই ধাপ এগিয়ে এলো সে মোহর দিকে। মোহকে আপাদমস্তক লক্ষ্য করল সে। মোহ সাধারণ থ্রি-পিছ পরা। তা দেখে নাতাশা ঠাট্টার সুরে বলল,

--"খ্যাত!"

বলেই মোহর ওড়নাটা জোরপূর্বক টেনে নেয়। মোহ চোখ রাঙিয়ে বলল,

--"হচ্ছে কী?"

--"রূপ নেই, ফ্যাশন সেন্স নেই সে আবার আমার ইরতেজা জানের সাথে ঘষাঘষি করে। হোয়াট এ মেস!"

--"মাইন্ড ইওর ল্যাঙ্গুয়েজ।"

নাতাশা অবাক হবার ভান করে বলল,

--"ও আচ্ছা তাই? বান্ধবীর মতো তোমারও গাল লাল করার ইচ্ছে হয়েছে নাকি?"

সায়েবা পাশ থেকে বলল,

--"আপনার মতো মূর্খরা ওকে খ্যাত বলতেই পারে। ভ্যান থেকে কেনা দুইশো-চারশো টাকার শার্ট-প্যান্ট কেনা মানুষরা পাঁচ-সাত হাজার টাকা দামের থ্রি-পিছের সম্পর্কে কতটুকুই বা জ্ঞান থাকবে?"

নাতাশা এবার খুব রেগে গেল। চেঁচিয়ে বলল,

--"তোমার কোনো আইডিয়া আছে আমি কোন ব্রেন্ডেড ড্রেস পরি? খ্যাতেরা তো ওই ভ্যানই চিনবে!"

নাতাশা আবারও মোহর দিকে চেয়ে বলল,

--"পাঁচ-সাত হাজার টাকার ড্রেস রাইট?"

বলেই মোহর ওড়নাটা সে নিজের সর্বশক্তি দিয়ে ছিঁড়ে ফেলল। অধরা এটা দেখে আর শান্ত থাকতে পারল না। সে মোহর ওড়না কেড়ে নিয়ে দাঁতে দাঁত চেপে বলল,

--"যেই মন্ত্রী বাপের টাকায় ফুটানি দেখাচ্ছ সেই মন্ত্রীরা আমাদের বিজনেসম্যান বাপদের জন্যই উপরে উঠার সুযোগ পায়। তোমার বাপকে মন্ত্রী কে বানিয়েছিল সেটা একটু ঘেটে দেখিও। আনগ্রেটফুল গার্লস!"

নাতাশা চোখ রাঙিয়ে বলল,

--"জাস্ট শাট আপ!"

অধরাও দ্বিগুণ চেতে গিয়ে বলল,

--"আরেকবার আমাদের পথ আগলে দেখান। সিনিয়র-জুনিয়র ভুলিয়ে দিব।"

বলেই অধরা বাকিদের নিয়ে চলে যায়। আর নাতাশা সেখানেই দাঁড়িয়ে ফুঁসতে থাকে। যেন অধরাকে থাপ্পর সে নয়, অধরাই নাতাশার গালে থাপ্পড় মেরে দিয়েছে।

-------------------------

ক্লাস ব্রেকের সময় ওদের রেখেই অধরা বেরিয়ে গিয়েছে। মোহ এদিকে দুঃখবিলাস করছে, তার সবচেয়ে প্রিয় থ্রি-পিছের ওড়নাটাই ওই মেয়ে ছিঁড়ে দিয়েছে। সে জামার চাইতে ওড়নার যত্ন করে বেশি। সেখানে... মোহ দীর্ঘশ্বাস ফেলল। এরা একেকজন ভার্সিটি জীবন জাহান্নাম বানিয়ে রেখেছে। দেশে এত বুলি হয় কেন সে ভেবেই পাচ্ছে না।

অধরা করিডোরে চুপ করে দাঁড়িয়ে আছে। তার ভীষণ মায়ের কথা মনে পড়ছে। শূন্য নজরে দূরে তাকিয়ে সে মাকেই ভেবে যাচ্ছিল। এমন সময়ে হাতে হেঁচকা টান পড়ল, পেছন ফিরে তাকাতেই দেখা গেল সোবহান হাত ধরে টানছে। অধরা শক্ত গলায় বলল,

--"কী হচ্ছে কী? যেখানে সেখানে এত টানাটানি করো কেন?"

সোবহান অধরাকে টেনে খালি ক্লাসরুমে নিয়ে যায়। সে অধরার গাল চেক করে, এখনো তার গাল লাল হয়ে আছে। সোবহানের চোয়াল শক্ত হয়ে গেল। সে তার বউকে মারুক, কাটুক যা খুশি করবে, কিন্তু অন্যদের স্পর্ধা কী করে হয় অধরার গায়ে হাত তোলার? সোবহান গলা নামিয়ে বলল,

--"এখনো ব্যথা আছে?"

--"কেন? এক্স গার্লফ্রেন্ডের জন্য মায়া হচ্ছে নাকি ফিউচার এক্স বউয়ের জন্য।"

সোবহান অধরাকে আরও কাছে টেনে বলল,

--"এই তোমার সবকিছুতেই ত্যাড়া কথা ঢুকাতে হবে কেন? না রাগিয়ে দিয়ে থাকতে পারো না?"

--"না, পারি না।"

সোবহান বহু কষ্টে নিজের রাগ সামলে ঠান্ডা পানির বোতল অধরার গালে চেপে ধরল। অধরা অবাধ্যের মতো নড়াচড়া করলে সোবহান একই স্থানে তাকে দাঁড় করাল। দাঁতে দাঁত চেপে বলল,

--"আবার নড়াচড়া করলে সোজা চুমু দিয়ে দিব।"

--"হ্যাঁ ওই কষ্টটাই দেওয়া বাকি।"

--"বউকে চুমু দিলে পাপ হয় না।"

--"তুমি দিলে পাপ হবে।"

সোবহান সত্যি সত্যি অধরার ঠোঁটে চুমু দিল। অধরার বলতি সঙ্গে সঙ্গেই বন্ধ। সোবহান ভ্রু কুঁচকে বলল,

--"আগেই চুমুটা দেওয়া উচিত ছিল, এখন মাথাটা তড়তড় করছে রাগে।"

অধরা ভালো মেয়ের মতো দাঁড়িয়ে রইলো। সোবহান বরফের মতো অধরার গালে বোতলটা ঘঁষছে। সোবহানের চোয়াল আবারর শক্ত হয়ে এলো। সে এবার থেকে প্রকাশ করবে, অধরার বারণ আর মানবে না। এখন থেকে সবাই জানবে অধরা সোবহানের কিছু একটা হয়। তাহলে কেউ কখনো তার গায়ে হাত তোলার সাহস পাবে না। কিছুতেই না।

চলবে—

বিঃদ্রঃ ভুলত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। গতকাল ররাতে দেওয়ার কথা থাকলেও আম্মু অসুস্থ ছিল, তাই লিখতে পারিনি। কেমন লেগেছে তা অবশ্যই জানাবেন পাঠকমহল, আপনাদের মন্তব্যের অপেক্ষায়।

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ১১তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন