ফন্ট সাইজ:
থিম:
ছায়ার নজরে

এক মাস পরে

লেখক: তাহমিনা

এক মাস কেটে গেছে।ক্যালেন্ডারের পাতায় মাত্র কয়েকটা তারিখ বদলেছে, কিন্তু অরোরার কাছে এই এক মাসটা যেন একটা দীর্ঘ, ধীর স্বপ্নের মতো কেটেছে। সেই রাতের পর আর কখনো সেই লোকের সাথে দেখা হয়নি তার। অনেক কিছুই স্বাভাবিক হয়ে গেছে—চৌধুরী ম্যানশনের সকালগুলো আবার আগের মতো ব্যস্ত হয়েছে, নোভা আর এলিসার নিজেদের কাজ নিয়ে ব্যস্ততা বেড়েছে, রিয়ানও ধীরে ধীরে কলেজের রুটিনে ফিরে গেছে। বাইরে থেকে দেখলে মনে হবে, সবকিছু আগের জায়গাতেই ফিরে এসেছে।শুধু অরোরা জানে, সবকিছু আগের মতো নেই।তার ভেতরে কোথাও একটা জায়গা বদলে গেছে।আজ সকালে ঘুম ভাঙার পর থেকেই তার বুকের ভেতর অকারণ একটা অস্থিরতা দেখা দিচ্ছে। জানালার পর্দার ফাঁক দিয়ে সকালের নরম আলো ঘরে ঢুকছে। আগস্টের শেষ দিকের সকাল। রাতের বৃষ্টির কারণে ম্যানশনের সামনের বাগানের ঘাসগুলো এখনো ভেজা। গোলাপের পাতায় ছোট ছোট পানির ফোঁটা জমে আছে। দূরে কয়েকটা পাখির ডাক শোনা যাচ্ছে, আর রান্নাঘরের দিক থেকে ভেসে আসছে চায়ের গন্ধ ঘরের গিন্নিদের রান্নার গন্ধ।অরোরা বিছানায় বসে কিছুক্ষণ জানালার দিকে তাকিয়ে রইল।আজ তার কলেজে যাওয়ার প্রথম দিন।এক মাস পর।একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এল বুক থেকে।তারপর নিজের অজান্তেই হাত চলে গেল বুকের কাছে।কেন জানি আজ সকাল থেকেই মনে হচ্ছে, আজকের দিনটা অন্যরকম।কিন্তু কেন?সে নিজেও জানে না।বিছানা থেকে নেমে ধীরে ধীরে আয়নার সামনে গিয়ে দাঁড়াল। এক মাস আগের দুর্বলতা অনেকটাই কেটে গেছে। মুখে আবার আগের প্রাণ ফিরে এসেছে। বাদামী চোখ দুটোতে সেই চেনা উজ্জ্বলতা। ঘন কালো চুলগুলো কোমর পেরিয়ে অনেক নিচে নেমে গেছে। আজ সেগুলো খোলা রাখার বদলে অর্ধেক তুলে বেঁধে নিল সে।আয়নার দিকে তাকিয়ে নিজের মুখের দিকে কয়েক সেকেন্ড চুপ করে তাকিয়ে রইল।তারপর খুব আস্তে বলল,

— “আজকে কোনো ঝামেলা করবি না, সাইফা।”নিজেকেই যেন সাবধান করল।

— “শান্তিতে কলেজে যাবি, ক্লাস করবি, বাসায় ফিরবি।”একটু থেমে আবার বলল,

— “আর কোনো অদ্ভুত চিন্তা করবি না।”কথাটা বলেই নিজের কথায় নিজেই হেসে ফেলল।কিন্তু সেই হাসিটা বেশিক্ষণ থাকল না।কারণ হঠাৎ করেই তার মাথায় একটা মুখ ভেসে উঠল।গভীর বাদামী চোখ।শান্ত মুখ।কথা বলার সময় অদ্ভুত একটা স্থিরতা।আর সেই কণ্ঠ—“তোমার পৃথিবীটা যতদিন আমার হাতে আছে, ততদিন তোমাকে হারাতে দেব না।”অরোরা চোখ বন্ধ করে ফেলল।এই মানুষটা কে?কেন সে বারবার তার স্বপ্নে আর কল্পনাতে আসে?কেন তার কথা মনে পড়লেই বুকের ভেতর এমন অদ্ভুত শূন্যতা তৈরি হয়?আর সবচেয়ে অদ্ভুত ব্যাপার—সে কখনো তাকে বাস্তবে দেখেছে বলে মনে করতে পারে না।তবু তার মুখটা এত পরিচিত কেন?সে তো আগেও অনেক পুরুষ দেখেছে কখন কোনো দিন কোনো পুরুষের জন্য এতো অস্থির হতে তাকে দেখা যায়নি। কোমা থেকে ফিরার পর কেনো সে এই লোকটার জন্য এতো অস্থির? হঠাৎ দরজায় টোকা পড়ল।

— "অরোরা আপু..?”

সে তাড়াতাড়ি চোখ খুলল।

— “হুম?”দরজা খুলে রিয়ান অরোরা রুমে মাথা ঢুকিয়ে দিল।

— “তুই এখনো রেডি হোস নাই?”

অরোরা বিরক্ত মুখে তাকাল।

— “হইতেছি তো!”রিয়ান ঘরের ভেতরে ঢুকে তাকে একবার ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত দেখে বলল,

— “আজকে প্রথম দিন বলেই তাই এতো সাজগোজ?”

— “কই আমি তো কিছুই দেইনি।”

— " হুম দেখাই যাচ্ছে।”

— “চুপ কর।”রিয়ান হেসে ফেলল।

— “চল, সবাই নিচে অপেক্ষা করছে।”অরোরা ব্যাগটা তুলে নিল।দরজার কাছে গিয়ে আবার একবার আয়নার দিকে তাকাল।কেন যেন মনে হলো...আজ তাকে কাউকে দেখতে হবে।কাকে?সে জানে না।তবুও বুকের ভেতর সেই অদ্ভুত অনুভূতিটা থেকে গেল।নিচতলায় তখন সকালের ব্যস্ততা শুরু হয়ে গেছে।ডাইনিং টেবিলে নোভা বসে ফোন দেখছে। এলিসা এক হাতে চায়ের কাপ, অন্য হাতে কয়েকটা কাগজ উল্টাচ্ছে। সাফোয়ান ফোনে কারো সঙ্গে কোনো একটা বিষয় নিয়ে তর্ক করছে।অরোরা সিঁড়ি দিয়ে নামতেই নোভা মাথা তুলে তাকাল।

— “ওহ! অবশেষে মহারানী নামছেন।”

অরোরা ভ্রু কুঁচকে বলল,

— “সকাল সকাল তোমার আমার পিছে লাগতে হয় কেনো?।”এলিসা মুচকি হেসে বলল,

— “আজকে কিন্তু তোকে বেশ নার্ভাস লাগছে।”

— “আমি নার্ভাস না।”

— “তাহলে হাত দুটো এত শক্ত করে ব্যাগের স্ট্র্যাপ ধরে আছিস কেন?”অরোরা নিজের হাতের দিকে তাকাল।সত্যিই সে অজান্তেই ব্যাগের স্ট্র্যাপ শক্ত করে ধরে আছে।

— “কিছু না।”রিয়ান পাশ থেকে বলল,

— “ওর সমস্যা অন্য জায়গায়।”সবাই তাকাল।রিয়ান খুব গম্ভীর মুখে বলল,

— “এক মাস পর কলেজে যাচ্ছে। এখন মনে হয় ওর পুরোনো crush-টাশ আবার জেগে উঠবে।”অরোরা সঙ্গে সঙ্গে তার দিকে তাকিয়ে বলল,

— “রিয়ান তোর মুখটা বন্ধ রাখ!” রিয়ানের কথা শুনে সবাই হেসে উঠল।অরোরা মুখ ফুলিয়ে চেয়ার টেনে বসে পড়ল।কিন্তু হাসির মাঝেও তার চোখ একবার অজান্তেই দরজার দিকে চলে গেল কেউ নেই।তারপরও কেন যেন মনে হলো...কেউ একজন আসবে।নাস্তা শেষ হতে বেশি সময় লাগল না।গাড়ি প্রস্তুত ছিল।অরোরা বের হওয়ার আগে একবার ম্যানশনের দিকে তাকাল। বিশাল সাদা বাড়িটা সকালের আলোয় শান্ত দেখাচ্ছে। জানালাগুলোর কাঁচে সূর্যের আলো প্রতিফলিত হচ্ছে। বাগানের ভেজা মাটির গন্ধ বাতাসে মিশে আছে।এক মাস ধরে এই বাড়ির ভেতরেই ছিল সে।আজ আবার বাইরের পৃথিবীতে ফিরছে।গাড়িতে উঠে জানালার পাশে বসে পড়ল।রিয়ান অন্য পাশে বসে আছে।গাড়ি ধীরে ধীরে গেট পেরিয়ে বেরিয়ে গেল।ঢাকার সকাল তখন পুরোপুরি জেগে উঠেছে। রাস্তার দুই পাশে দোকান খুলছে, ব্যস্ত মানুষজন ছুটছে, বাসের হর্ন, রিকশার ঘণ্টা—সব মিলিয়ে শহরটা তার চেনা শব্দে ফিরে এসেছে।অরোরা জানালার বাইরে তাকিয়ে ছিল।কিন্তু তার মন শহরের রাস্তায় ছিল না।বারবার সেই অদ্ভুত অনুভূতিটাই ফিরে আসছিল।আজ কিছু একটা ঘটবে কিন্তু কি তার জানা নেই।সে চোখ বন্ধ করে মাথাটা সিটে ঠেকিয়ে দিল। কারন তার ফোন ব্যবহার করতে ইচ্ছে হচ্ছে না তাই।আর ঠিক তখনই—তার মনে হলো, কেউ খুব কাছে দাঁড়িয়ে ধীরে বলছে,“ভয় পেও না, পাখি।”অরোরা হঠাৎ চোখ খুলে ফেলল।চারপাশে তাকাল।কেউ নেই।রিয়ান ফোনে ব্যস্ত।গাড়ি নিজের গতিতে চলছে।সে নিজের বুকের ওপর হাত রাখল।হৃদস্পন্দনটা অস্বাভাবিক দ্রুত।

— “আমি পাগল হয়ে যাচ্ছি নাকি...”নিজের মনেই ফিসফিস করল সে।প্রায় চল্লিশ মিনিট পর গাড়ি একটা বড় গেটের সামনে থামলো গেটের উপর বড় বড় করে লেখা “ঢাকা কলেজ (Dhaka College), Dhaka"।মানে তাদের কলেজের সামনে এসে থামল।গেটের সামনে অনেক ছাত্রছাত্রী।কেউ বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলছে, কেউ দৌড়ে ক্লাসে যাচ্ছে, কেউ আবার গেটের পাশে দাঁড়িয়ে আড্ডা দিচ্ছে।এক মাস পর এই জায়গাটা দেখে অরোরার বুকের ভেতর অদ্ভুত একটা আনন্দ হলো।এই জায়গাটাকে সে মিস করেছে।সে গাড়ি থেকে নামল সাথে রিয়ানও নামল।

— “চল।”দুজন পাশাপাশি হাঁটতে শুরু করল।ক্যাম্পাসের পরিচিত পথ, পরিচিত ভবন, পরিচিত গাছ—সবকিছু যেন একই আছে।শুধু সে বদলে গেছে। একটা মাস তাকে বুঝিয়েছে, জীবনের কিছু মুহূর্তকে যতই ভুলতে চাওয়া হোক, মন সেগুলোকে নিজের মতো করে ধরে রাখে।ক্লাসরুমে ঢুকে অরোরা নিজের পুরোনো জায়গায় গিয়ে বসল।তার বান্ধবী স্নিগ্ধা কিছুক্ষণ পর ছুটে এসে তাকে জড়িয়ে ধরল।

— “তুই সত্যিই আসছিস আমি তোর জন্য কতো টা দিন অপেক্ষা করেছি বলে বুঝাতে পারবো না তোকে প্রতিদিন কলেজ শেষে দেখতে যেতাম আমদের এডমিশন এর রেজাল্টের দিন এসব হবে আমি ভাবতেও পারিনি ল!”অরোরা হেসে বলল,

— “হ্যাঁ রে আমি বেচে আছি আর পুরোনো কথা বাদ দে।”

— “আচ্ছা তা কেমন আছিস?”

— “এখন ভালো।”স্নিগ্ধা তার মুখের দিকে তাকিয়ে কিছুক্ষণ চুপ করে রইল।

— “তোর চোখের নিচে একটু ক্লান্তি আছে।”

— " মাসের পর মাস হাসপাতালে থাকলে যা হয়।”দুজনেই হেসে ফেলল। স্নিগ্ধা হলো অরোরার বেস্ট ফ্রেন্ড বলতে গেলে দুই বোন। তাদেত দেখলে মনে হবে না তারা অন্য পরিবার থেকে আসছে।দেখে মনে হয় দুইজনই একি মায়ের পেটের।তাদের ভিতর খালি মুখের কিছু গঠনের পরিবর্তন আছে। আর বাকি সব তাদের একি।যেমন অরোরার ডান চোখে তিল আছে আর ডান চোখের নিচে ছোট একটা তিল আছে। কিন্তু স্নিগ্ধার ডান চোখে তিল নাই কিন্তু তার ডান চোখের নিচে তিল আছে। তাদের কানেও তিল আছে। এবং তাদেত গায়ের রং ও একি। উজ্জ্বল শ্যামলা, বড় মায়াবী চোখ, হাল্কা মোটা ঠোঁট আর চিকন।কিন্তু অরোরা বাম লাগে টোল পরে স্নিগ্ধার পরে না। তাদের ভিতর এইরকম অমিল। মানে বাহিরের দিক দিয়ে।ভিতরে ভিতরে তো মনে হবে তাদের দেহটাই আলাদা কিন্তু প্রান একটাই। যাই হক ক্লাস শুরু হওয়ার সময় হয়ে এসেছে।সবাই নিজেদের জায়গায় বসে গেল।কিন্তু শিক্ষক এখনো আসেননি।অরোরা খাতা খুলে কলম হাতে নিল তারপর স্নিগ্ধাকে তার সব কথা বলা শুরু করে। এমনিতেই স্নিগ্ধা সব জানে অরোরা যখন হসপিটালে ছিলো তখন তো স্নিগ্ধা দেখতে যেতো তখনও অরোরা তাকে এইসব বলতো। আজকেও তার কোনো বেতিক্রম নেই। অরোরার হাতে একটা কলম ছিলো সে। এইসব বলে তার মনটা ধীরে ধীরে শান্ত হচ্ছিল।তখনই করিডোরে জুতোর শব্দ শোনা গেল।একবার, দুবার, তারপর দরজার সামনে এসে শব্দটা থেমে গেল। মনে হচ্ছে কেউ আসছে। পুরো ক্লাস ধীরে ধীরে চুপ হয়ে গেল।দরজাটা খুলল,একজন লম্বা মানুষ ভেতরে ঢুকল।হাতে কয়েকটা বই।পরনে গাঢ় ধূসর ফুলহাতা শার্ট, কালো ট্রাউজার। চুলগুলো সামান্য এলোমেলো, কিন্তু চোখ দুটো—অরোরার হাত থেকে কলমটা মেঝেতে পড়ে গেল।টুপ করে একটা শব্দ হলো।কিন্তু সে শব্দটাও যেন তার কানে পৌঁছাল না।তার চোখ শুধু দরজার কাছে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটার দিকে আটকে আছে।মানুষটা ধীরে ধীরে টেবিলের দিকে এগিয়ে গেল বইগুলো রাখল।তারপর বোর্ডের সামনে গিয়ে মার্কার তুলে নিল।সাদা বোর্ডে প্রথমে একটা নাম লিখল।SAIF ARHAAN RAHMAN। অরোরার বুকের ভেতর যেন কেউ হঠাৎ করে দরজা খুলে দিল।তার ঠোঁট কাঁপতে শুরু করল।চোখ দুটো ধীরে ধীরে ভিজে উঠল।তার সপ্নের আর কল্পনার সেই মুখ সেই চোখ,সেই কণ্ঠ,সেই মানুষ।যাকে সে এক মাস ধরে স্বপ্নে দেখেছে।যার জন্য অকারণে অপেক্ষা করেছে।যার কথা ভেবে বৃষ্টির রাতে একা জানালার পাশে দাঁড়িয়েছে কল্পনা করতো।সাইফ ধীরে ধীরে ক্লাসের দিকে ফিরে তাকাল।তার চোখ একে একে সব ছাত্রছাত্রীর ওপর দিয়ে গেল।তারপর—এসে থামল অরোরার ওপর।মাত্র এক মুহূর্ত জন্য সাইফ তার দিকে তাকায়।কিন্তু সেই এক মুহূর্তেই অরোরার মনে হলো, পুরো পৃথিবী থেমে গেছে।সাইফের চোখেও অদ্ভুত একটা পরিবর্তন এল।যেন সে নিজেও বুঝতে পারছে না কেন এই মেয়েটার দিকে তাকিয়ে তার বুকের ভেতর এমন একটা অচেনা পরিচিতি জেগে উঠেছে।সে খুব স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করে বলল,

— “Good morning, everyone.”ক্লাস থেকে একসঙ্গে উত্তর এল,

— “Good morning, sir.”কিন্তু অরোররা ঠোঁট নড়ল না।তার চোখ শুধু সাইফের ওপর।সাইফ আবার বলল,

— “আমি তোমাদের নতুন guest lecturer। আশা করি আমরা ভালোভাবে একসাথে কাজ করতে পারব।”কথাগুলো সাধারণ ও স্বাভাবিক বললো।কিন্তু অরোরা কাছে প্রতিটা শব্দ যেন একেকটা বজ্রপাত।কারণ সে এই কণ্ঠ আগে শুনেছে স্বপ্নে।বারবার,অসংখ্যবার।সাইফ বোর্ডের দিকে ফিরে গেল।আর অরোরা নিচু হয়ে মেঝে থেকে নিজের কলমটা তুলতে গিয়ে থেমে গেল।তার হাত কাঁপছে।চোখ দিয়ে অজান্তেই একটা অশ্রুবিন্দু গড়িয়ে পড়ল।সে খুব আস্তে নিজের মনেই বলল

— “তুমি... সত্যিই আছো?”কেউ শুনল না।শুধু সামনের বোর্ডে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটা হঠাৎ কয়েক সেকেন্ডের জন্য থেমে গেল।যেন...দূর থেকে কেউ তাকে ডেকেছে।সে ধীরে ধীরে পিছনে তাকাল।আবার তাদের চোখ মিলল।আর সেই মুহূর্তে অরোরার মনে হলো—তার এক মাসের অপেক্ষার উত্তর আজ তার সামনে দাঁড়িয়ে আছে।কিন্তু সে এখনো জানে না...এই মানুষটা শুধু তার স্বপ্নের মানুষ নয়।তার জীবনের সঙ্গে এই মানুষটার সম্পর্ক এমন এক জায়গায় গিয়ে দাঁড়াবে, যেখানে স্বপ্ন আর বাস্তবের সীমারেখাটাই একদিন মুছে যাবে।

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে এক মাস পরে শেষ করেছেন।

আগের পর্ব উপন্যাস সমাপ্ত

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন