ফন্ট সাইজ:
থিম:
তুমি কারো নও

পর্ব 21

লেখক: মিশু

---

পেট পুরে খেয়ে এখন আর কারো নড়াচড়া করার শক্তি নেই।

ইয়াশ পেটে হাত দিয়ে চেয়ারে হেলান দিয়ে বলল, 
-"ব্যাস, আর কোথাও না। এখন সোজা বাসায় গিয়ে একটা লম্বা ঘুম দিবো।"

সবাই একসাথে মাথা নাড়ল। ক্লান্তি আর তৃপ্তি দুটোই মুখে। বিল মিটিয়ে সবাই হইহই করে বেরিয়ে এলো হোটেল থেকে। বাইরে বিকেলের বাতাসটা ঠান্ডা।

সিয়াম আর রিদ হোস্টেলেই থাকে। ওরা দুজন একসাথে হাঁটা ধরল। 
অন্যদিকে তাসনিম, সাদ আর ইয়াশ একটা রিক্সা ঠিক করে তাতে উঠে বসল।

তাসিফা যখন রিক্সায় পা বাড়াবে ঠিক তখনই জুয়িন ওর কব্জিটা শক্ত করে চেপে ধরল।

তাসিফা চমকে ভ্রু কুঁচকে তাকাল। 
-"কি হলো?"

ইয়াশ আর সাদ একসাথে দাঁত কেলিয়ে বলল, 
-"তুই জুয়িন ভাইয়ের সাথে বাইকে চলে যা মাম্মাহ। এই রিক্সায় আর জায়গা হবে না। আমরা চাপাচাপি করে বসতে পারব না।"

তাসিফার চোখ বড় বড় হয়ে গেল। ও অবাক হয়ে বন্ধুদের দিকে তাকাল। 
আর ভন্ডপার্টিরা শুধু "বাই বাই মাম্মাহ" বলে রিক্সা নিয়ে হাওয়া হয়ে গেল।

--

রাস্তার পাশে তাসিফা একা দাঁড়িয়ে রইল। বিকেলের আলো ম্লান হয়ে আসছে। একটু দূরে একটা দোকানের পাশে জুয়িনের কালো বাইকটা পার্ক করা ছিল।

জুয়িন নিঃশব্দে বাইকের কাছে গিয়ে বসল। কালো হেলমেটটা  তাসিফার দিকে বাড়িয়ে দিল।

তাসিফা হতভম্ব হয়ে বলল, 
-"আমি এটা পড়লে আপনি পড়বেন কি?"

জুয়িন ভ্রু কুঁচকে ওর দিকে তাকাল আর গম্ভীর গলায় বলল,
-"আমার চিন্তা তোর করতে হবে না। এটা চুপচাপ পড়ে নে।"

তাসিফার মুখটা চুপসে গেল। আর কথা না বাড়িয়ে চুপচাপ হেলমেটটা মাথায় গলিয়ে নিলো। হেলমেটের ভেতর ওর নিজের নিঃশ্বাসের শব্দ শুনতে পাচ্ছে।

জুয়িন চোখের ইশারায় বাইকের পেছনের সিটটা দেখাল। 
তাসিফা একদম ভদ্র মেয়ের মতো এসে বসল। বসেই দুই হাত সামনে কোথায় রাখবে বুঝতে পারছে না।

জুয়িন আয়নায় ওকে দেখে ভ্রু নাচাল। 
-"ধরে বস। নাহলে পড়ে যাবি।"

তাসিফা অস্বস্তি নিয়ে খুব আস্তে করে জুয়িনের শার্টের দুইপাশ খামচে ধরল। শার্টের কাপড়ের ভেতর দিয়ে জুয়িনের শরীরের গরমটা টের পাচ্ছে।

বাইক স্টার্ট দিতেই "ভ্রুম" করে শব্দ হলো। শোঁ শোঁ করে বাতাস কেটে বাইক ছুটল।

তাসিফা জীবনে প্রথমবার বাইকে উঠেছে। স্পিড বাড়তেই ওর বুক ধক করে উঠল। পড়ে যাওয়ার ভয়ে ও অজান্তেই জুয়িনের শার্ট আরও শক্ত করে খামচে ধরল।

মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যেই ওরা নিজেদের বাসার সামনে এসে থামল।

বাইক থামতেই তাসিফা লাফ দিয়ে নেমে পড়ল আর হাস্যজ্বল মুখে বলল,
-"বাহ! বাইক রাইড করা তো দারুণ মজার!"

জুয়িন ভ্রু কুঁচকাল আর বলল,
-"জোরে চালালে আরও বেশি মজার।"

তাসিফা দুষ্টু হেসে বলল, 
-"আচ্ছা, পরের বার জোরে চালাবেন।"
কথাটা বলেই ও "ভৌ" করে দৌড়ে নিজের বাসার দিকে চলে গেল।

জুয়িন হতভম্ব হয়ে বাইকের উপর বসে রইল। মেয়েটা কি বলল এটা? অতঃপর ঠোঁটের কোণে একচিলতে হাসি নিয়ে বাইক গ্যারেজে রেখে শিষ বাজাতে বাজাতে নিজের ফ্ল্যাটে ঢুকল।

---

বাসায় ফিরে তাসিফা ফ্রেশ হয়ে বিছানায় গা এলিয়ে দিতেই চোখে তার ঘুম এসে হানা দিলো। আর সেই ঘুম ভাঙলো সকাল ৮টা বাজে।

ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে নিলো।আর নাস্তা করে ভার্সিটির জন্য রেডি হলো। আজ ক্লাস ১০টায়। আয়রা বেগমকে সালাম দিয়ে ব্যাগ কাঁধে নিয়ে বেরিয়ে পড়ল।

---

মিডটার্মের আর কয়েকদিন বাকি। টেনশনে সবার মুখ শুকনা। আর তার ঠিক ২ দিন আগে তাসিফার জন্মদিন,'৬ই জুন'।

ভার্সিটির মাঠের মাঝখানে সবুজ ঘাসের উপর গোল হয়ে বসে আছে ভন্ডপার্টিরা। মাথার উপর কড়া রোদ। পাশেই একটা কৃষ্ণচূড়া গাছ, লাল ফুল ঝরে ঝরে ঘাসে পড়ছে।

ওরা ফিসফিস করে তাসিফার বার্থডে নিয়ে প্ল্যান করছে যেন তাসিফা টের না পায়।

ইয়াশ উত্তেজিত গলায় বলল, 
-"শোন, তাসিফার বার্থডেতে আমরা ওকে রেস্টুরেন্টে সারপ্রাইজ দিবো। বড় কেক, ডেকোরেশন সব হবে।"

সাদ ভ্রু কুঁচকে বলল, 
-"ভালো আইডিয়া। কিন্তু শুধু আমরা? বোরিং লাগবে না?"

ইয়াশ দাঁত কেলিয়ে বলল, 
-"আরে না। জুয়িন ভাই, রিদ ভাই আর সিয়াম ভাইকেও ইনভাইট করব।সিনিয়ররা থাকলে মজাই আলাদা।"

তাসনিম হেসে মাথা নাড়ল, 
-"হুম। সবাই থাকলে ভালোই হবে। তাসিফাও খুশি হবে।"

ইয়াশ আবার ফিসফিস করে বলল, 
-"প্ল্যান হচ্ছে তাসিফাকে কিছুই বলবো না। তাসনিম তুই ওকে সোজা রেস্টুরেন্টে নিয়ে আসবি। দরজা খুলতেই আমরা সবাই একসাথে 'হ্যাপি বার্থডে' বলে চিৎকার দিবো।"

তাসনিম হেসে বলল, 
-"ওকে ডান।"

ওরা হাসাহাসি করছে ঠিক তখনই তাসিফা ব্যাগ কাঁধে হাঁপাতে হাঁপাতে এসে ওদের মাঝে ধপ করে বসে পড়ল।

ইয়াশ আর সাদ একসাথে চোখ টিপে বলল, 
-"কিরে মাম্মাহ। গত কাল জুয়িন ভাইয়ের বাইকে উঠে কেমন লাগলো? হার্টবিট কত ছিল?"

তাসিফা লজ্জায় লাল হয়ে গেল। ওড়নার কোণা আঙুলে পেঁচাতে পেঁচাতে হাসল। 
-"ভাই, জোস লেগেছে। লাইফের ফার্স্ট টাইম ছিল তো। ভয়ও লাগছিল আবার মজাও।"

এরপর সবাই কিছুক্ষণ আড্ডা দিলো, গল্প করল। আজকে সব ক্লাসও ঠিকমতো করেছে ভন্ডপার্টিরা।

---

ক্লাস শেষে ব্যাগ গোছাতে গোছাতে তাসিফা বলল,
-"আচ্ছা, আজ জুয়িন ভাইয়াকে দেখলাম না যে? ভার্সিটিতে আসেনি?"

সাদ কাঁধ ঝাঁকিয়ে বলল, 
-"না রে। সকাল থেকে দেখি নাই।"

কথাটা শুনে তাসিফার কপালে চিন্তার রেখা পড়ল। যে ছেলে বৃষ্টি, ঝড়েও ক্লাস মিস দেয় না সে আজ আসলো না?

ভন্ডপার্টিরা ক্লাস শেষে একটা রিক্সা নিয়ে বাসায় চলে গেলো। বাইরে আজকে আবহাওয়া ঠান্ডা। আকাশে মেঘ জমেছে, বাতাসে শীতল ভাব।

---

তাসিফা বাসায় এসে আগে গোসল সারল। তারপর যোহরের নামাজ পড়ে ভাত খেয়ে নিলো। কিন্তু খাবার গলা দিয়ে নামছে না।

সারাটা সময় শুধু জুয়িনের মুখটা চোখে ভাসছে। আজ ভার্সিটিতে আসলো না কেন? শরীর খারাপ হলো নাকি?

শেষে আর নিজেকে আটকাতে পারলো না,সিদ্ধান্ত নিলো সে জুয়িনের বাসায় যাবে।

আয়রা বেগমকে কিছু না জানিয়ে চুপচাপ ছাদে চলে এলো। জুয়িনের ফ্ল্যাটটা ছাদের সাথেই।

দরজার সামনে দাঁড়িয়ে তাসিফার হাত কাঁপছে। হাত বাড়িয়ে নক করতে যাবে, দেখল দরজাটা লক করা নেই। হালকা করে ভেজানো।

তাসিফার বুকের ভেতর ধক করে উঠল।ও আস্তে করে দরজা ঠেলে ভেতরে ঢুকল। আর ভেতর থেকে দরজা লাগিয়ে দিলো। ঘরের ভেতরটা কেমন যেন থমথমে হয়ে আছে। ফ্যানের শব্দও নেই।

নিঃশব্দে পা টিপে টিপে বেডরুমে গেলো।

ঘরের ভেতর অন্ধকার। ভারী পর্দায় জানালা বন্ধ। বাতাস আটকে আছে। বিছানার উপর জুয়িন কুঁকড়ে ব্ল্যাঙ্কেট গায়ে দিয়ে শুয়ে আছে। শুধু মাথাটা বেরিয়ে আছে।

কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম। মুখটা ফ্যাকাসে, ঠোঁট দুটো শুকিয়ে ফেটে যাওয়ার মতো।

তাসিফা কাছে গিয়ে কাঁপা গলায় ফিসফিস করে ডাকল, 
-"জুয়িন ভাইয়া?"

কোনো সাড়া নেই।

তা দেখে তাসিফার বুকের ভেতরটা মোচড় দিয়ে উঠল। চোখের পানি টলমল করছে।ও আর দেরি না করে কাঁপা হাতে জুয়িনের কপালে হাত রাখল।

সাথে সাথেই আঁতকে উঠল। জুয়িনের শরীর জ্বরে পুড়ে যাচ্ছে।

---

তাসিফা দ্রুত বেসিন থেকে তোয়ালেটা ভিজিয়ে আনল।

তাসিফার চোখে পানি টলমল করছে। বারবার ওড়না  দিয়ে চোখ মুছছে, তবুও ঝাপসা হয়ে আসছে তার চোখ।

অন্যদিকে জুয়িনের জ্ঞান পুরোপুরি নেই। জ্বরের ঘোরে হালকা হালকা হুঁশ আসছে আর যাচ্ছে। তবে চোখ মেলে সামনে তাসিফাকে দেখে ওর অস্থির মনটা একটু শান্ত হলো। এই মেয়েটা আছে। ওর পাশেই আছে।

ঘণ্টাখানেক ধরে তাসিফা একভাবে জুয়িনের সেবা করে যাচ্ছে। কপালে জলপট্টি দিচ্ছে, হাত-পা মুছে দিচ্ছে। একসময় জুয়িন ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়ল। কপাল ছুঁয়ে দেখল তাসিফা, জ্বরটা আগের চেয়ে কিছুটা কমেছে।

স্বস্তির একটা নিঃশ্বাস ফেলে তাসিফা ভেজা তোয়ালেটা চেয়ারে মেলে দিয়ে রান্নাঘরের দিকে গেল। জ্বরের রোগীর জন্য হালকা কিছু দরকার।

কিছুক্ষণ পর ধোঁয়া ওঠা মুরগির সুপের বাটি হাতে নিয়ে ও রুমে ফিরে এলো।

বাটিটা এক হাতে নিয়ে অন্য হাত দিয়ে আলতো করে জুয়িনের কাঁধে ছুঁয়ে দিল। 
-"এই যে, শুনছেন? উঠুন একটু।"

জুয়িন নড়ল না। জ্বরের ঘোরে গভীর ঘুমে তলিয়ে আছে। তাসিফা গলা উঁচু করে আরও দুইবার ডাকল।

শেষে জুয়িন কপাল কুঁচকে আস্তে করে চোখ খুলল। চোখ দুটো লাল, ঘোলাটে। তাসিফা তাড়াতাড়ি সুপের বাটিটা পাশের টেবিলে রেখে ওকে ধরে শোয়া থেকে বসাল। জ্বরের তাপে জুয়িনের ফর্সা মুখটা টকটকে লাল হয়ে আছে। কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম।

তাসিফা বাটি হাতে নিয়ে চামচ দিয়ে সুপটা আস্তে আস্তে নাড়ল। তারপর ফুঁ দিয়ে চামচটা জুয়িনের ঠোঁটের সামনে ধরল।

জুয়িন কিছু বলল না। শুধু নেশা লাগা চোখে তাসিফার মুখের দিকে তাকিয়ে রইল। মনে হচ্ছে এই মুহূর্তে সুপ না, ও তাসিফাকেই গিলে খাবে।

তাসিফা ওর ওই দৃষ্টি দেখে অপ্রস্তুত হয়ে ভ্রু কুঁচকাল আর বলল,
-"এভাবে তাকিয়ে আছেন কেন? খাচ্ছেন না যে? হা করুন।"

জুয়িন ঠোঁটের কোণে হালকা হাসল। তারপর বাধ্য ছেলের মতো হা করে সুপ খেতে লাগল।

----

তাসিফা খুব যত্ন করে জুয়িনকে সুপ খাওয়াচ্ছিল। চামচে ফুঁ দিয়ে তারপর মুখের সামনে ধরছে। কিন্তু ওর চোখ দুটো ছলছল করছে।

জুয়িনের এই অবস্থা দেখে তাসিফার বুকের ভেতরটা দুমড়ে-মুচড়ে যাচ্ছে। এই লোকটা একা একা কীভাবে এই জ্বরওয়ালা শরীর নিয়ে পড়ে আছে? তাকে একটু পানি এগিয়ে দেওয়ার মতোও তো এখানে কেউ নেই।

এসব ভাবতেই তাসিফার চোখ দিয়ে টপটপ করে পানি গড়িয়ে পড়ল।

জুয়িন ঘোলাটে চোখে সেটা দেখে ফেলল। দুর্বল গলায় বলল, 
-"তুই কাঁদছিস কেন?"

তাসিফা কোনো জবাব দিলো না। তাড়াতাড়ি ওড়না দিয়ে চোখের পানি মুছল।

জুয়িন ভ্রু কুঁচকে আবার বলল, 
-"উফ! কাঁদছিস কেন? একদম কান্না করবি না।"

তাসিফা কাঁপা গলায় জুয়িনের দিকে তাকিয়ে বলল, 
-"এতো জ্বর কীভাবে এলো?"

জুয়িন ঠোঁটের কোণে দুষ্টু হাসি ঝুলিয়ে বলল, 
-"হঠাৎ গিন্নিগিরি দেখানো হচ্ছে দেখি!"

তাসিফা অপ্রস্তুত হয়ে চোখ বড় বড় করে বলল, 
-"মানে?"

জুয়িন হেসে বলল,
-"কিছু না। গতকাল বাসায় এসে ঠান্ডা পানি দিয়ে লং শাওয়ার নিয়েছিলাম। হয়তো তার জন্যই জ্বরটা এসেছে।"

তাসিফার মুখটা ছোট হয়ে গেল। ও কাঁপা গলায় বলল, 
-"আপনার শরীর পুড়ে যাচ্ছে জ্বরে।"

পরের মুহূর্তেই জুয়িন আচমকা তাসিফাকে হেচকা টানে নিজের বুকের সাথে জড়িয়ে ধরল।

তাসিফা হতভম্ব হয়ে গেল। পুরো শরীর কেঁপে উঠল ওর।

জুয়িনের শরীরটা আগুনের মতো গরম। তবুও তাসিফা কিছু বলল না। ও নিজেও আস্তে করে জুয়িনের পিঠে হাত রাখল। শক্ত করে জড়িয়ে ধরল।

ঘরটা নিস্তব্ধ। শুধু দুজনের নিঃশ্বাসের শব্দ।
তাসিফা চুপটি করে জুয়িনের বুকে মুখ গুঁজে আছে। আর জুয়িন চোখ বন্ধ করে তাসিফাকে জড়িয়ে ধরে বসে আছে।

হঠাৎ জুয়িন ফিসফিস করে বলল,
-"তোকে যদি আমি এখন একটু কাছে টেনে নেই,  তাহলে কি তুই আমাকে বেশি খারাপ ভাববি?"

তাসিফার চোখ বড় বড় হয়ে গেলো।সে কিছু বলতে নিবে ঠিক তখনই জুয়িন তাসিফার মুখটা নিজের হাত দিয়ে বুক থেকে আলতো করে তুলে তাসিফার ঠোঁটে ঠোঁট ডুবিয়ে দিলো।তাসিফা সঙ্গে সঙ্গে  চোখ বন্ধ করে নিলো।জুয়িন এক হাত আলতো করে তাসিফার কোমরে রাখল,আর অন্য হাত দিয়ে তার গাল ছুঁয়ে রইল।

তাসিফা দু'হাত দিয়ে জুয়িনের টি-শার্টের কলার আলতো করে আঁকড়ে ধরল।আর জুয়িনের সাথে তাল মিলাতে লাগল।দুজন দুজনকে সফটলি কিস করতে লাগল।দু'জন ধীরে ধীরে আরো কাছাকাছি চলে এলো।

কিছুক্ষণ পর জুয়িন ধীরে ধীরে তাসিফাকে ছেড়ে দিলো।তাসিফা লাজুক মুখে জুয়িনের বুকে মাথা রেখে গভীর নিঃশ্বাস নিলো।

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে পর্ব 21 শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন