এদিকে ইয়েরিন বাড়িতে পৌঁছে ফ্রেশ হয়ে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিল। পরে ইসরাতের সাথে একটু গল্প করে নিজের রুমে ফিরে এলো।
রুমে এসে হঠাৎ ইফরার কথা মনে পড়তেই ফোন হাতে নিল। ভাবল, একবার কল দিয়ে জেনে নিবে কোথায় আছে।
ঠিক তখনই বাইরে বাইকের পরিচিত শব্দ কানে এলো।
ইয়েরিন ধীরে ধীরে ব্যালকনির দিকে এগিয়ে গেল।
নিচে তাকিয়ে দেখল— ইফরা গেট দিয়ে ভেতরে ঢুকছে। বাইকটা পার্ক করে নামল, আর হাতে একটা গিফট বক্স নিয়ে ধীর পায়ে বাড়ির ভেতরে ঢুকে গেল।
ইয়েরিন কিছুক্ষণ নীরবে তাকিয়ে রইল।
তার মনে তখন শুধু একটাই প্রশ্ন—
ইফরা কোথায় গিয়েছিল… আর ওই গিফট বক্সের ভেতরে কী আছে?পরে মনে পরলো আজ ইসরাত এর জন্মদিন।।৷
ইফরা চুপিচুপি ইসরাতের চোখ এড়িয়ে দ্রুত সিঁড়ি ভেঙে উপরে উঠে গেল। চারপাশে একবার দেখে নিয়ে প্রায় দৌড়েই রুমের সামনে এসে দাঁড়াল। দরজাটা আস্তে করে খুলে ভেতরে ঢুকতেই থমকে গেল।
রুমে ঢুকেই দেখল— ইয়েরিন বিছানার পাশে দাঁড়িয়ে আছে। মুখে কোনো অভিব্যক্তি নেই, কিন্তু চোখ দুটো অস্বাভাবিক শান্ত আর শক্ত। সেই দৃষ্টিটা এমন, যেন অনেকক্ষণ ধরে অপেক্ষা করছে।
ইফরা এক মুহূর্ত থেমে গিয়ে স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করল।
— “কি?”
ইয়েরিন উত্তর দিল না। শুধু ধীরে ধীরে ওর হাতে ধরা গিফট বক্সটার দিকে তাকাল, তারপর আবার ইফরার চোখে চোখ রাখল।
— “কোথায় গেছিলি?”
ইফরা হালকা ভ্রু তুলল।
— “একটু কাজ ছিল।”
ইয়েরিন এবার ধীরে ধীরে সামনে এগিয়ে এলো।
— “তুই তো বলেছিলি পরে আসবি। তারপর নিখোঁজ হয়ে গেলি।। আর এখন লুকিয়ে লুকিয়ে ঢুকছিস কেন?”
ইফরা কয়েক সেকেন্ড চুপ করে থাকল। তারপর গিফট বক্সটা একটু উঁচু করে দেখিয়ে বলল—
— “এটার জন্য।”
ইয়েরিন চোখ সরু করল।
— “এত গোপনীয়তার কী ছিল?”
ইফরা হালকা হাসল, কিন্তু কিছু বলল না।
ওর এই চুপ থাকা দেখে ইয়েরিন দীর্ঘশ্বাস ফেলল।
— “আমি জিজ্ঞেস করতাম না… যদি তুই এভাবে না করতি।”
রুমটা কয়েক সেকেন্ড নীরব হয়ে রইল।
তারপর ইফরা ধীরে ধীরে দরজাটা বন্ধ করে ইয়েরিনের সামনে গিয়ে দাঁড়াল।
— “আচ্ছা, আগে বস। তারপর বলছি।
ইয়েরিন কিছুক্ষণ গিফট বক্সটার দিকে তাকিয়ে থাকল। তারপর হঠাৎ যেন কিছু মনে পড়তেই চোখ বড় হয়ে গেল।
ও ধীরে ধীরে ইফরার দিকে তাকিয়ে বলল—
— “আমি জানি… এটা ইসরাতের জন্য।”
ইফরা ভ্রু তুলে তাকাল।
ইয়েরিন এবার বিরক্ত গলায় বলল—
— “কিন্তু তুই আমাকে মনে করালি না কেন যে আজ ওর জন্মদিন?”
এক সেকেন্ড থেমে ফোনের দিকে তাকিয়ে আবার বলল—
— “রাত ১২টা বাজতে আর মাত্র এক ঘণ্টা বাকি! আমি এখন ওর জন্য কী করব?”
ইফরা কয়েক সেকেন্ড চুপ করে থাকল… তারপর হঠাৎ হেসে উঠল।
একটু আধটু হাসি না— একদম প্রাণ খুলে হাসতে লাগল।
ইয়েরিন বিরক্ত হয়ে বলল—
— “হাসছিস কেন?”
ইফরা কষ্টে হাসি থামিয়ে বলল—
— “তোর মনে নাই, সেটা কি আমার দোষ?”
তারপর একটু কাছে এসে নাটকীয় ভঙ্গিতে বলল—
— “আচ্ছা শোন, এখন ইসরাত যদি তোকে কেলানি দেয়, পরে কিন্তু আমার কাছে বিচার নিয়ে আসবি না।”
ইয়েরিন চোখ ছোট করে তাকালো।
— “খুব মজা লাগতেছে তাই না?”
ইফরা গম্ভীর হওয়ার ভান করে মাথা নেড়ে বলল—
— “অবশ্যই। মানুষ বান্ধবির জন্মদিন ভুলে যায়— এই দৃশ্য তো প্রতিদিন দেখা যায় না।”
ইয়েরিন এবার মাথায় হাত দিয়ে বিছানায় বসে পড়ল।
— “শেষ… আমি শেষ। গতবারও কষ্টে বেঁচেছিলাম। এবার তো ও একদম কথা বলবেই না।”
ইফরা আবার গিফট বক্সটা হাতে নিয়ে বলল—
— “এত নাটক বন্ধ কর। আমি কি এমনি এমনি বের হয়েছিলাম নাকি?”
ইয়েরিন তাকালো।
ইফরা একটু হাসল।
— “আমি আগেই গিফট নিয়ে এসেছি। আর তুই যদি চাস… তাহলে এখনো এক ঘণ্টা আছে। কেক, ডেকোরেশন, সারপ্রাইজ— সব ম্যানেজ করা যাবে।”
ইয়েরিন সঙ্গে সঙ্গে উঠে দাঁড়াল।
— “সত্যি?”
ইফরা কাঁধ ঝাঁকালো।
— “হুম। কিন্তু একটা শর্ত আছে।”
— “কি?”
ইফরা মুখে দুষ্টু হাসি এনে বলল—
— “আগামী এক মাস আমাকে কোনো কথা শোনাবি না।”
ইয়েরিন দুই সেকেন্ড চুপ থেকে বলল—
— “ডিল।”
ইয়েরিন কিছুক্ষণ চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল। হঠাৎ যেন মাথায় কিছু আসতেই চোখ চকচক করে উঠল।
সে দ্রুত ইফরার দিকে তাকিয়ে বলল—
— “বাইকের চাবিটা দে।”
ইফরা ভ্রু কুঁচকে বলল—
— “কেন?”
কিন্তু প্রশ্নটা শেষ হওয়ার আগেই ইয়েরিন এগিয়ে এসে ওর হাত থেকে KTM RC 390-এর চাবিটা নিয়ে নিল।
ইফরা অবাক হয়ে বলল—
— “এই! কোথায় যাচ্ছিস?”
ইয়েরিন দরজার দিকে হাঁটতে হাঁটতে শুধু বলল—
— “ফিরে এসে বলব।”
তারপর আর এক সেকেন্ডও নষ্ট না করে বেরিয়ে গেল।
কয়েক মুহূর্ত পর নিচ থেকে বাইকের ইঞ্জিনের শব্দ ভেসে এলো… আর ইফরা বুঝে গেল— ইয়েরিন সত্যিই বের হয়ে গেছে।
ও হালকা হাসল।
গিফট বক্সটা টেবিলে রেখে হাত গুটিয়ে দাঁড়িয়ে থাকল কয়েক সেকেন্ড। তারপর নিজেই বলল—
— “আচ্ছা… তাহলে রুম সাজানোর দায়িত্ব আমার।”
কাজ শুরু হয়ে গেল।
ফেয়ারি লাইট বের করল, বেলুন ফোলাতে লাগল, ছোট ছোট সাজসজ্জা টাঙিয়ে দিল। বিছানার পাশে জায়গা খালি করল। মাঝেমধ্যে ঘড়ির দিকে তাকাচ্ছে— সময় কিন্তু দ্রুত চলে যাচ্ছে।
অর্ধেক সাজানো শেষ।
ঠিক তখনই—
দরজার বাইরে দ্রুত পায়ের শব্দ।
ইফরা ঘুরে তাকাতেই দরজা খুলে ইয়েরিন ঢুকে পড়ল।
হালকা হাঁপাচ্ছে।
এক হাতে কেকের বক্স, অন্য হাতে বড় একটা গিফট ব্যাগ।
ইফরা বিস্মিত হয়ে বলল—
— “আধা ঘণ্টায় এগুলো সব কোথা থেকে আনলি?”
ইয়েরিন কেকটা টেবিলে রেখে গভীর শ্বাস নিয়ে বলল—
— “জন্মদিন ভুলে গেছি, ঠিক আছে… কিন্তু উদ্ধার করতে তো পারি।”
ইফরা গিফট ব্যাগের দিকে তাকিয়ে বলল—
— “তুই আগে থেকেই প্ল্যান করেছিলি নাকি?”
ইয়েরিন মাথা নেড়ে বলল—
— “না। কিন্তু যাকে সবচেয়ে বেশি জ্বালাই… তার জন্মদিনে খালি হাতে থাকা যায়?”
কিছুক্ষণ দুজন চুপ।
তারপর ইফরা চারপাশে তাকিয়ে বলল—
— “ভালো। এখন দাঁড়িয়ে থাকলে হবে না। আর ৩০ মিনিট পর ১২টা বাজবে।”
ইয়েরিন হাতা গুটিয়ে বলল—
— “অর্ডার দে বস।”
ইফরা সঙ্গে সঙ্গে একটা বেলুন ওর দিকে ছুঁড়ে দিয়ে বলল—
— “এইটা ফোলাও।”
ইয়েরিন বিরক্ত মুখে বলল—
— “আমি গিফট এনেছি, কেক এনেছি— এখন আবার বেলুনও?”
ইফরা হেসে বলল—
— “অবশ্যই। এটা টিমওয়ার্ক।”
তারপর দুজন আবার ব্যস্ত হয়ে গেল।
আর দরজার ওপাশে তখনও কিছুই না জেনে নিশ্চিন্তে আছে ইসরাত… যার জন্য রাত ১২টার আগে এই গোপন আয়োজন।
সব সাজানো শেষ।
রুমে ফেয়ারি লাইট, বেলুন, কেক— সব প্রস্তুত। ইফরা চারপাশে একবার তাকিয়ে নিজের কাজ দেখে সন্তুষ্ট হয়ে মাথা নেড়ে বলল—
— “পারফেক্ট।”
কিন্তু পরের মুহূর্তেই ওর মাথায় একটা দুষ্টু বুদ্ধি চলে এলো।
সে ইয়েরিনের দিকে তাকিয়ে ফিসফিস করে বলল—
— “চুপ থাকবি। আমি যা করি দেখ।”
ইয়েরিন সন্দেহের চোখে তাকাল।
— “তুই আবার কী করতে যাচ্ছিস?”
ইফরা শুধু হাসল।
তারপর হঠাৎ জোরে চিৎকার শুরু করল—
— “চোর! চোর! চোর! সব চুরি করে নিয়ে গেছে!”
ওদিকে ইসরাত নিজের রুমে বসে ফোনে গান শুনছিল। হঠাৎ ইফরার চিৎকার শুনে তাড়াতাড়ি গান বন্ধ করল।
— “কী হয়েছে?!”
সে প্রায় দৌড়ে সেই রুমের সামনে এসে দাঁড়াল।
দরজা আধখোলা।
ভেতরটা পুরো অন্ধকার।
ইসরাত একটু ভয় পেলেও ধীরে ধীরে ভেতরে ঢুকল।
অন্ধকারের মধ্যে যেন কোনো একটা নারীর অবয়ব দাঁড়িয়ে আছে।
ও থেমে গেল।
একটু ভয়… একটু অবাক…
ঠিক তখনই—
পিছন থেকে ইফরা হঠাৎ বলে উঠল—
— “ধরছি!”
ইসরাত চমকে উঠতেই—
টিক!
রুমের আলো জ্বলে উঠল।
একসাথে ইফরা আর ইয়েরিন বলে উঠল—
— “হ্যাপি বার্থডে!!!”
চারপাশ আলোয় ভরে গেল।
বেলুন, সাজানো রুম, কেক…
ইসরাত কয়েক সেকেন্ড কিছুই বলতে পারল না।
তার চোখ ভিজে উঠল।
— “তোরা… আমার জন্য?”
ইফরা আর ইয়েরিন একসাথে এগিয়ে এসে ওকে জড়িয়ে ধরে বললো অনেক কষ্টে করেছি সব নাটক না করে কেক টা কাট,,।।
এরপর কেক কাটা হলো।
ইসরাত প্রথমে দুজনকে কেক খাইয়ে দিল, তারপর নিজেও খেল।
তারপর এল গিফট খোলার পালা।
প্রথমে ইফরার দেওয়া গিফট।
বক্স খুলে ইসরাত অবাক।
ভেতরে দুই সেট ড্রেস—
একটা সুন্দর পাকিস্তানি ড্রেস।
আরেকটা— ইফরার নিজের ডিজাইন করা।
সাথে এক জোড়া সোনার কানের দুল।
ইসরাত বিস্ময়ে বলল—
— “তুই নিজে ডিজাইন করেছিস?”
ইফরা হালকা হাসল।
— “পছন্দ হলে পরবি।”
তারপর ইয়েরিনের গিফট।
ভেতরে ছিল ডায়মন্ড নেকলেস আর আরও কিছু সুন্দর অলংকার সাথে একটা পারফিউম।।।চকচক করছিল সেটি পুরো রুম জেনো বিস্ময় চোখে সেটি পরখ করছিল।
ইসরাত কিছুক্ষণ চুপ করে তাকিয়ে রইল।
তারপর দুজনকে আবার জড়িয়ে ধরে বলল—
— “এটা আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর সারপ্রাইজ।”
অনেকক্ষণ গল্প, হাসাহাসি, ছবি তোলার পর হঠাৎ ইফরা বলল—
— “চল, ছাদে যাই। আজকের রাতটা শেষ করা যাবে না এভাবে।”
তিনজন ছাদের দিকে রওনা দিল।
হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ ইয়েরিন থেমে বলল—
— “তোরা যা, আমি আসছি।”
ইফরা কিছু না বলে মাথা নেড়ে সম্মতি দিল।
কিছুক্ষণ পর ইয়েরিন রুমে গিয়ে নিজের গিটারটা নিয়ে ছাদে এলো।
ছাদে হালকা রাতের বাতাস।
তিনজন বসে গল্প করছিল।
হঠাৎ ইফরা বলল—
— “আজ গান হবে।”
ইয়েরিন গিটার হাতে তুলে নিল।
ধীরে ধীরে পরিচিত একটা সুর বাজাতে শুরু করল।
সেটি হলো 'Zaroorat ' এর সুর,,।
তারপর ইফরা আর ইয়েরিন একসাথে গাইতে লাগল,,
-Andhero se tha mera rishta bada,
Tune hi ujalo se waqif kiya,
Ab lauta main hun in andhero main firr,
To paya hain khud ko beganaa yahaa,
Tanhayi bhi mujhse khafa ho gayi,,
Bazro ne bhi thukra diya,
Main adhuraa jee raha hunnn,,
Khud par hi iq sajaa hunn
Mujhe teri zaroorat hain
Mujhe teri zaroorat hain,,,
ইসরাত চুপচাপ বসে শুনছিল।
তার মনে হচ্ছিল—
কিছু জন্মদিন উপহারের জন্য মনে থাকে না…
মনে থাকে মানুষগুলোর জন্য।
সময় পেরিয়ে যায় নিজের গতিতে,, শুধু থেকে যায় কিছু স্মৃতি যা তৈরি হয় কিছু বিশেষ মানুষের সাথে,।। যার কিছুটা সুখময় আর কিছুটা যন্ত্রণাময়,,।।
হঠাৎ আকাশে রংধনু উঠার মতো আচমকা এই মেয়ে দুটো এসেছিলো তার জীবনে।।তারপর থেকে আর তাকে কষ্ট পেতে হয় নি সব সময় আগলে রেখেছে তাকে,,।।অথচ তাদের সঙ্গে তার রক্তের সম্পর্ক নেই কোনো তবুও যেনো ভীষণ গভীর টান তাদের,, মনে হয় কত জন্মের চেনা,,।।
এই যে ইফরা আর ইয়েরিন দুজনের থেকে সে প্রায় এক বছরের বড় তবুও মনে হয় যেন সে তাদের কাছে ছোট বোন,,।।।কিন্তু আসলে তারা বন্ধু।।
ইফরা সব সময় ইসরাত এর সব ছোট বড় ইচ্ছে গুলো পূরণ করে বড় বোনের মতো ইসরাত এর মন খারাপ হলে জড়িয়ে ধরে শান্তনা দেয়,,।।
আর ইয়েরিন ভালোবাসা প্রকাশ না করলেও ইসরাত তা অনুভব করে,, ইসরাত এর সমস্যা গুলো প্রকাশ্যে গুরুত্ব না দিলেও আড়ালে ঠিকই সে একাই সব সমাধান করে বড় বোনের দায়িত্ব পালন করে যায়,,এসব ভাবতে ভাবতেই ইসরাত এর চোখে পানি চলে আসে, তার ধ্যান ভাঙে ইফরার ডাকে ইফরা বলছে,,
কিরে সারারাত এখানেই থাকবি নাকি ঘরে যাবি না? ইয়েরিন চলে গেছে আমিও যাচ্ছি তুই গেলে আয় নয়তো আবার তোকে ভুতে ধরবে বলেই ঠোঁট চেপে হাসলো,।।
ভুতের কথা শুনেই ইসরাত এক লাফে দাঁড়িয়ে গেলো তারপর বললো, ভালো কথা বলেছিস এখানে সত্যি ভুত থাকে! কি ভয়ংকর জায়গায় বানিয়েছিস এত সুন্দর প্যালেস টা,,
আমার না ইয়েরিনের চয়েস ছিলো এটা,,।।
ওর কথা বাদ দে ও শালি একটা সাইকো,, বলেই ইসরাত জিভ কেঁটে হাসার চেষ্টা করলো,,।। তারপর আমতা আমতা করে বললো চল চল ঘরে যাই ঘুম পাচ্ছে আমার,,।
ইফরাও আর কথা বাড়ালো না ঘুমাতে চলে গেলো,,।।।